শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

গাজীপুরের রাজপথে সাহসী সৈনিকের নাম লিয়াকত আলী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫, ৮:৩৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
গাজীপুরের রাজপথে সাহসী সৈনিকের নাম লিয়াকত আলী

শ্রীপুর গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুরের রাজপথে সাহসী এক সৈনিক, যিনি রাজপথের নেতৃত্বে সবসময় সামনে থেকেছেন।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলাধীন মাধখলা গ্রামের জননন্দিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ লিয়াকত আলী।তিনি শুধুমাত্র একজন রাজনীতিবিদই নন—বরং প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক প্রতীক। একেবারে তৃণমূল থেকে বেড়ে ওঠা  এই নেতা সকল ঝড়ঝাপটার মাঝেও নিজের মাটি, মানুষ এবং আদর্শের প্রতি অবিচল থেকেছেন।

১৯৯৪ সালে শ্রীপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে শাখা  জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে রাজনীতিতে পা রাখেন লিয়াকত আলী। তরুণ বয়সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা এবং ত্যাগের নিদর্শন রাখতে শুরু করেন। সেই সময়েই আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীদের নির্যাতনে একাধিকবার আহত হলেও রাজপথ ছাড়েননি।

২০০৩ সালে তিনি নির্বাচিত হন শ্রীপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর রাজনীতির নতুন অধ্যায়। তিনি হয়ে উঠেন দলের জন্য একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক। ২০০৮ সালে তাঁর অর্থায়নে তার নিজের এলাকায়, দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে জাতীয় নির্বাচনে অধ্যাপক এম এ মান্নানের নির্বাচনী বর্ধিত সভার আয়োজন করেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুর জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন কেবল সফলতা নয়, সংগ্রাম ও নিপীড়নে ভরা। ২০১৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি, সারাদেশের মতো স্বৈর সরকারের রাজনৈতিক দমননীতি থেকে বাদ যাননি তিনিও। অগনিত বার হামলার স্বীকার সহ  মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে পাঠানো হয় কারাগারে। কিন্তু লিয়াকত আলীর মনোবল ছিল অটুট। তিনি ভয় পাননি, পিছুও হটেননি।

২০২১ সালে শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে পুনরায় আওয়ামী লীগ কর্তৃক হামলার শিকার হন এবং মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হন। কিন্তু এ সকল বাধা তাঁকে মোটেও দমাতে পারেনি।

তিনি যুবদলের এক অবিচল সৈনিক, যিনি দলের দুঃসময়ে নিজের দায়িত্বকে ভুলে যাননি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের গাজীপুর জেলা সদস্য সচিব হিসেবে সফল হওয়ার পরবর্তীতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে প্রমাণ করেছেন—আদর্শ আর নেতৃত্ব একই মূর্তিতে সম্ভব।

ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী কঠিন সময়ে যখন দলের অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন, তখন তিনি রাজপথে আন্দোলনে থেকেছেন, দলের সিনিয়র নেতাদের নির্দেশ বাস্তবায়নে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
লিয়াকত আলী বলেন:
” ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট স্বৈরাচার বিদায় নিয়েছে, তবে, এখনো সেই স্বৈরাচারের দোসররা সোচ্চার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তৃণমূল বিএনপির মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, অপপ্রচার, গুজব রটানো—এসবই একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ। আর এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠ হিসেবে বরাবরের মতো সামনে আছি”

একজন রাজনৈতিক নেতার প্রকৃত পরিচয় মেলে তার সংগ্রাম আর ত্যাগে। শ্রীপুর পৌর যুবদলের সম্মানিত আহবায়ক সদস্য মোঃ লিয়াকত আলী সেই  সংগ্রামী কর্মীদের একজন, যিনি এক হাতে দলীয় সংগঠন শক্তিশালী করেছেন, অন্য হাতে গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে রাজপথ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন।
তবে তার এই জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থান অনেকের গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি একটি কুচুক্রি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে তার ইমেজ ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবু থেমে যাননি লিয়াকত আলী । শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ সহকর্মীরা। শ্রীপুরবাসীর চোখে তিনি একজন পরিশ্রমী, ত্যাগী ও মানবিক নেতা—যিনি রাজনীতিকে ব্যবহার করেন মানুষের সেবার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, অপপ্রচারের ঢাল হিসেবে নয়।

1

সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সলিমাবাদ ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আবেগঘন পরিবেশে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো এসএসসি পরীক্ষা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং আত্মবিশ্বাসই তোমাদের সফলতার চাবিকাঠি। তোমরা ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাকি মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন সিকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন

1

কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
‎ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ  মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ফাঁসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের বিভিন্ন সেবা  নিয়ে আলোচনা করেন
‎ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন।ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রকল্প হতে প্রেরিত গ্রাম আদালতের লিফলেট বিতরণ করেন এবং গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। গ্রাম আদালতে কি কি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সবোর্চ্চ কত টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে
‎সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।উপজেলা কো-অর্ডিনেটর বলেন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের এবং পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সবাইকেই গ্রাম আদালতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা লিফলেটের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এ ছাড়া এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন গ্রাম আদালতের প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে এবং গ্রাম আদালতের সুবিধা গুলো সাধারনত জনগনকে জানাতে হবে। আপনাদের প্রচারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ যেন ছোট ছোট বিরোধ গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নিষ্পত্তি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সকলের কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন  পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলবো
‎অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায় বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।

1

সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি সব সময় সরকারি নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মবহির্ভূত কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এতে আমার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাকে নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমার কাজের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সাভারে মোট ২৪ হাজার ১১৬টি দলিল নিবন্ধিত হয়, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০২৫ সালে দলিলের সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৫৫টি এবং রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৯ কোটি ২১ লাখ ৮ হাজার ১০৯ টাকা।

এছাড়া ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৬ হাজার ১৪৪টি দলিল থেকে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪৬ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৫ হাজার ৪৩৪টি দলিল নিবন্ধিত হলেও রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৩৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ টাকা।

তিনি দাবি করেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।’

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।