শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে ‘নাশকতার পরিকল্পনায় কুমিল্লায়  আওয়ামী লীগ নেতা  রেজাউল করিম গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫, ৬:৩৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে ‘নাশকতার পরিকল্পনায় কুমিল্লায়  আওয়ামী লীগ নেতা  রেজাউল করিম গ্রেফতার

মোঃ শাহজাহান বাশার,

দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের নাম ব্যবহার করে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও ‘নাশকতার পরিকল্পনা’র অভিযোগে কুমিল্লায় এবার গ্রেফতার হলেন আওয়ামী লীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা। এবার গ্রেফতার হয়েছেন কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম। এর আগে একই অভিযোগে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম সেলিম গ্রেফতার হন।

এই ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য ও ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে শেখ হাসিনার নাম ব্যবহার করে ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে ‘গোপনভাবে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড ও নাশকতার পরিকল্পনা’ করার প্রচেষ্টা।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কুমিল্লা নগরীর একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে অ্যাডভোকেট রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (১৪ মে) দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “অ্যাডভোকেট রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অতীতেও একটি মামলার প্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার নতুন করে একটি গোপন বৈঠকে অংশগ্রহণ ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে।”

পুলিশের দাবি, সম্প্রতি একটি গোপন ‘ভার্চুয়াল বৈঠকে’ যুক্ত ছিলেন অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম। ওই বৈঠকে শেখ হাসিনার নাম ব্যবহার করে তাকে ভার্চুয়ালি যুক্ত দেখানো হয়। যদিও তিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না। বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ‘জনসাধারণের ক্ষোভ সৃষ্টি করা’, বিভিন্ন এলাকায় ‘বিক্ষোভ ও বিশৃঙ্খলা ছড়ানো’র পরিকল্পনা হয় বলে তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অ্যাডভোকেট রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর সময় সহিংসতার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সে সময় ছাত্রদের উপর হামলা ও গুলি বর্ষণের ঘটনায় নাম আসে তার। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি সে মামলায় তাকে প্রথমবার গ্রেফতার করা হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও সক্রিয় হন বলে পুলিশের দাবি।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, “রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে আমাদের থানাতেও মামলা আছে। কিছুদিন আগেই তাকে আমরা গ্রেফতার করেছিলাম। জামিনে এসে সে আবারও নাশকতার পরিকল্পনায় জড়িত হয়। এ কারণে ফের কোতোয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেছে।”

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম সেলিমকে একই অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ ছিল, তিনি ‘ভার্চুয়াল বৈঠকে’ যুক্ত হয়ে সরকারবিরোধী প্রচারণা ও পরিকল্পনায় অংশ নিয়েছেন।

এই দুই গ্রেফতারের ঘটনায় কুমিল্লায় ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন এবং ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতির দিকটি আবারও সামনে উঠে এসেছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেফতার হওয়ায় দলীয় পর্যায়ে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে ‘অভ্যন্তরীণ কোন্দল’ হিসেবে দেখলেও পুলিশ ও তদন্ত সংস্থার দাবি, এর পেছনে রয়েছে সুসংগঠিত ষড়যন্ত্রের ছাপ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা অঞ্চলে দলীয় নেতাদের মধ্যে বিশ্বাস সংকট এবং অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং আরও প্রকাশ্যে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্বশীল পর্যায়ের নেতারা যদি সত্যিই রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থাকেন, তবে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি। একইসঙ্গে এই ধরণের ঘটনাগুলো আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে শুদ্ধি অভিযান জোরদারের প্রয়োজনীয়তাকেও সামনে নিয়ে আসছে।

শেখ হাসিনার নাম ব্যবহার করে অনলাইনে বৈঠক, সেখানে নাশকতার পরিকল্পনা, আবার সেই বৈঠকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের অংশগ্রহণ—এমন অভিযোগ নিঃসন্দেহে অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ। এখন প্রশ্ন উঠছে—এই বৈঠকটি কি শুধুই রাজনৈতিক নাটক, নাকি সত্যিই গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ? তদন্তের অগ্রগতি এবং আদালতের রায়ই হয়তো সেই উত্তর দেবে।

1

সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সলিমাবাদ ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আবেগঘন পরিবেশে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো এসএসসি পরীক্ষা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং আত্মবিশ্বাসই তোমাদের সফলতার চাবিকাঠি। তোমরা ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাকি মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন সিকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন

1

কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
‎ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ  মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ফাঁসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের বিভিন্ন সেবা  নিয়ে আলোচনা করেন
‎ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন।ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রকল্প হতে প্রেরিত গ্রাম আদালতের লিফলেট বিতরণ করেন এবং গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। গ্রাম আদালতে কি কি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সবোর্চ্চ কত টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে
‎সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।উপজেলা কো-অর্ডিনেটর বলেন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের এবং পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সবাইকেই গ্রাম আদালতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা লিফলেটের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এ ছাড়া এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন গ্রাম আদালতের প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে এবং গ্রাম আদালতের সুবিধা গুলো সাধারনত জনগনকে জানাতে হবে। আপনাদের প্রচারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ যেন ছোট ছোট বিরোধ গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নিষ্পত্তি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সকলের কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন  পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলবো
‎অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায় বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।

1

সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি সব সময় সরকারি নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মবহির্ভূত কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এতে আমার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাকে নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমার কাজের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সাভারে মোট ২৪ হাজার ১১৬টি দলিল নিবন্ধিত হয়, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০২৫ সালে দলিলের সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৫৫টি এবং রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৯ কোটি ২১ লাখ ৮ হাজার ১০৯ টাকা।

এছাড়া ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৬ হাজার ১৪৪টি দলিল থেকে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪৬ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৫ হাজার ৪৩৪টি দলিল নিবন্ধিত হলেও রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৩৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ টাকা।

তিনি দাবি করেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।’

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।