শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

উল্লাপাড়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭৭ হাজার পশু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ৭:৫৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
উল্লাপাড়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭৭ হাজার পশু

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে প্রতিবছর পশু বেচাকেনার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়।খামারিরা ঈদের তিন থেকে চার মাস পূর্ব থেকেই কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত করতে থাকেন। ঈদে ক্রেতা চাহিদা অনুসারে এসব পশু প্রস্তুত করা হয়। ক্রেতাদের বেশি আকর্ষণ থাকে দেশীয় জাতের ষাঁড় গরুর প্রতি। খামারিরা ছাড়াও কৃষকরা বাড়তি অর্থ উপার্জনের আশায় ঈদে বিক্রির জন্য গরু পালন করে থাকে। অনেকে দিনমজুরি করে সংসার চালানোর পাশাপাশি ব্যাংক, এনজিও থেকে লোন নিয়ে পশু পালন করেন। ঈদ উপলক্ষে বাণিজ্যিক খামারের পাশাপাশি ছোট ছোট অসংখ্য খামার গড়ে ওঠে। প্রতিবছরের মতো এবারও উল্লাপাড়া উপজেলার খামারি ও কৃষকরা সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন।
ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে গরুর যত্নে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও কৃষকরা। তবে গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় পশু পালনে খরচ কয়েক গুণ বেড়েছে ফলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে গড়া ওঠা খামারের মালিকরা চিন্তায় পড়েছেন ভারত থেকে অবৈধ পন্থায় গরু আমদানি হলে তাদের বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হতে হবে। এ চিন্তার বাইরে নেই প্রান্তিক কৃষকরাও। তারা ব্যাংক এনজিও থেকে লোন নিয়ে গরু পালন করে ঈদে বিক্রি করে ঋণ শোধের পাশাপাশি লাভের স্বপ্ন দেখছেন। ভারতীয় গরু আমদানি হলে লোকসানের সম্মুখীন হতে হবে।
উল্লাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবছর এ উপজেলায় তিন হাজারের বেশি খামারি কোরবানির পশু প্রস্তুত করছেন। মূলত যার গোয়ালে অন্তত ৫টি গরু-মহিষ আছে, তাকেই খামারি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট সাড়ে ৭৭ হাজার গবাদি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর উল্লাপাড়ায় ১১হাজার কোরবানির পশু কম রয়েছে। তবে প্রস্তুতকৃত গবাদিপশু উপজেলার চাহিদার তুলনায় দ্বিগুন। এসব পশু উল্লাপাড়ার মানুষের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হবে। কোরবানি যোগ্য পশুর মধ্যে গরু ২৯ হাজার, ছাগল প্রায় ৪২ হাজার ও ভেড়া সাড়ে ছয় হাজার।
অন্যান্য বছরের মতো এবারও উপজেলার বড়হর মোহনপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশী কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছে খামারিরা। বড়হর ইউনিয়নের খামারিরা অধিক ওজনের গরুও পালন করেছেন যা দেশের বিভিন্ন স্থানের হাটে বিক্রি করা হবে।
সরেজমিনে বড়হর ইউনিয়নের পশ্চিম মৈত্রীবড়হর গ্রামে কয়েকটি খামারে দেখা গেছে, খামারগুলোতে দেশীয় ষাঁড়, শাহীওয়াল ও ফ্রিজিয়ানসহ বিভিন্ন জাতের গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। এর মধ্যে দেশী ষাঁড়ের সংখ্যা বেশী। খামারিরা কোরবানির গরুকে দেশীয় খাবার বেশী খাওয়াচ্ছেন। খাবার খাওয়ানো ছাড়াও নিয়মিত ডাক্তারি পরীক্ষাও করানো হচ্ছে। এছাড়া তীব্র গরমে গরু দিনে একাধিকবার গোসল করানো হচ্ছে। সব মিলে কোরবানিকে কেন্দ্র করে খামারিদের ব্যস্ত সময় কাটছে।
খামারি মমিনুল হক লিটন বলেন, এবার তার খামার থেকে কোরবানিযোগ্য দেশীয়সহ বিভিন্ন জাতের শতাধিক গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। সর্বনিম্ন দেড় লাখ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা দামের গরু রয়েছে তার খামারে। এসব গরু বিভিন্ন হাটে ও খামার থেকে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করা হবে।
তিনি আরো বলেন, এবার গো খাদ্যের দাম উর্ধ্বমুখী। প্রতিটি খাদ্যেরই দাম বেড়েছে। আমরা ব্যাংক লোন করে ঈদে বিক্রির জন্য গরু পালন করেছি। যদি এবার ভারত থেকে গরু চোরাই পথে বাংলাদেশে ঢুকতে না পারে তাহলে আমরা লাভবান হতে পারবো বলে আশা করছি।
উল্লাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শেখ এম.এ মতিন বলেন,কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে এবারও উল্লাপাড়ার খামারি ও প্রান্তিক কৃষকরা গরু প্রস্তুত করেছেন। অধিকাংশ গরু দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে। এসব গবাদিপশু এ উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হবে। আমরা খামারি ও প্রান্তিক কৃষকদের গরু মোটাতাজাকরণ ও রক্ষণাবেক্ষন সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান করছি।

1

সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সলিমাবাদ ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আবেগঘন পরিবেশে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো এসএসসি পরীক্ষা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং আত্মবিশ্বাসই তোমাদের সফলতার চাবিকাঠি। তোমরা ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাকি মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন সিকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন

1

কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
‎ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ  মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ফাঁসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের বিভিন্ন সেবা  নিয়ে আলোচনা করেন
‎ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন।ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রকল্প হতে প্রেরিত গ্রাম আদালতের লিফলেট বিতরণ করেন এবং গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। গ্রাম আদালতে কি কি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সবোর্চ্চ কত টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে
‎সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।উপজেলা কো-অর্ডিনেটর বলেন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের এবং পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সবাইকেই গ্রাম আদালতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা লিফলেটের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এ ছাড়া এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন গ্রাম আদালতের প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে এবং গ্রাম আদালতের সুবিধা গুলো সাধারনত জনগনকে জানাতে হবে। আপনাদের প্রচারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ যেন ছোট ছোট বিরোধ গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নিষ্পত্তি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সকলের কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন  পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলবো
‎অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায় বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।

1

সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি সব সময় সরকারি নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মবহির্ভূত কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এতে আমার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাকে নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমার কাজের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সাভারে মোট ২৪ হাজার ১১৬টি দলিল নিবন্ধিত হয়, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০২৫ সালে দলিলের সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৫৫টি এবং রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৯ কোটি ২১ লাখ ৮ হাজার ১০৯ টাকা।

এছাড়া ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৬ হাজার ১৪৪টি দলিল থেকে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪৬ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৫ হাজার ৪৩৪টি দলিল নিবন্ধিত হলেও রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৩৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ টাকা।

তিনি দাবি করেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।’

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।