শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

মেরাদিয়ায় কোরবানির পশুর হাট চালুর দাবিতে এলাকাবাসীর সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫, ২:১৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মেরাদিয়ায় কোরবানির পশুর হাট চালুর দাবিতে এলাকাবাসীর সমাবেশ

 

গোলাম আলী নাইম – ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধিঃ

রাজধানীর মেরাদিয়ায় ঐতিহ্যবাহী কোরবানির পশুর হাট চালুর দাবিতে আজ এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেরাদিয়া ১০তলা মার্কেট প্রাঙ্গণে মেরাদিয়া, খিলগাঁও, বনশ্রী ও রামপুরা এলাকার বিপুল সংখ্যক বাসিন্দা এই সমাবেশে অংশ নেন।
সমাবেশে এলাকাবাসী বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের মতামত তুলে ধরেন। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “কোরবানীর পশুর হাট বন্ধ করা ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের ষড়যন্ত্র”, “কোরবানীর হাট কোন সমস্যা নয়, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা চাই”, “কোরবানির হাট বন্ধ করা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত”, “ধর্ম পালন করার অধিকার প্রত্যেকের সাংবিধানিক অধিকার”, “কোরবানির হাট অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে”, “একমাত্র ভারতের দালালরাই কোরবানীর হাট বন্ধ করতে চায়”, “শাহজালালের বাংলায় কোরবানীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মানব না”, “পূজার মণ্ডপ কাছে, কোরবানির হাট কেন দূরে?”, “হাটের সংখ্যা হ্রাস নয়, বৃদ্ধি করো”, “জনবহুল ঢাকা শহরে পর্যাপ্ত হাট নেই”, “কোরবানির হাট দূরে থাকলে পরিবহণ ভাড়া বৃদ্ধি পায়”, “মুসলমানদের কষ্ট দেয়ার জন্যই কোরবানির হাটগুলোকে দূরে সরানো হয়”, এবং “দূরে গেলে কোরবানির হাট, নিরাপত্তার হয় বড় অভাব”।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোরবানির পশুর হাট বন্ধ করার চেষ্টা ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের ষড়যন্ত্র। তারা বলেন, কোরবানির হাট কোনো সমস্যা নয়, বরং এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সকল অসুবিধা দূর করা সম্ভব। বক্তারা আরও বলেন, কোরবানির হাট বন্ধ করার চেষ্টা এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের শামিল এবং ধর্ম পালন করার অধিকার প্রত্যেকের সাংবিধানিক অধিকার।
বক্তারা বলেন, কোরবানির পশুর হাট শুধু ধর্মীয় অনুষঙ্গই নয়, এটি দেশের অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করে। যারা কোরবানির হাট বন্ধ করতে চায়, তারা এদেশের শত্রু এবং একমাত্র ভারতের দালালরাই এমন কাজ করতে পারে। শাহজালালের বাংলায় কোরবানির বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে বক্তারা আরও প্রশ্ন তোলেন, পূজার মণ্ডপ যদি কাছে হতে পারে, তাহলে কোরবানির হাট কেন দূরে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে? তারা বলেন, জনবহুল ঢাকা শহরে কোরবানির পশুর হাটের সংখ্যা কমানো নয়, বরং বাড়ানো উচিত। হাট দূরে সরিয়ে নেওয়ার কারণে একদিকে যেমন পরিবহণ ভাড়া বৃদ্ধি পায়, তেমনি অন্যদিকে ক্রেতাদের দুর্ভোগ বাড়ে এবং নিরাপত্তার অভাব দেখা দেয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, মুসলমানদের কষ্ট দেওয়ার জন্যই কোরবানির হাটগুলোকে দূরে সরানো হচ্ছে। দূরে হাট থাকার কারণে পশু কিনতে যাওয়া ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন বক্তারা।
অবিলম্বে রাজধানীর মেরাদিয়ায় ঐতিহ্যবাহী কোরবানির পশুর হাট চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান এলাকাবাসী।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।