বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজশাহীর এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৫:১২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রাজশাহীর এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।

 

জাকারিয়া আল ফয়সাল, জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী

রাজশাহীর এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। ওই ব্যবসায়ীর কাছে ২৮ লাখ টাকা দাবী করে বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই আবু তাহের। টাকা না পেয়ে সাদিয়া এবং শিউলি নামের দুইজন মহিলাকে দিয়ে ধর্ষণের মামলা করিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ধর্ষণ মামলার শিকার ওই ব্যবসায়ীর নাম রেজাউল করিম। তার বাসা বাগমারা উপজেলার বিনোদপুর গ্রামে। তিনি এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যবসার সাথে জড়িত। গত বছরের ২ জুন বোয়ালিয়া মডেল থানার তৎকালীন এসআই আবু তাহের তার পূর্ব পরিচিত নারীদের দিয়ে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক কোন ঘটনা ছাড়াই ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
মামলার দিনই রেজাউল করিমকে ফোন কলে থানায় ডেকে নেন এসআই আবু তাহের। ফোন পেয়ে থানায় হাজির হন রেজাউল করিম। ওই সময় মামলা থেকে রক্ষা পেতে চাইলে রেজাউল করিমের নিকট ২৮ লাখ টাকা দাবী করেন এসআই আবু তাহের। টাকা না দিলে জেলে প্রেরণ করা হবে বলেও হুমকী প্রদান করা হয়।
সাজানো এবং মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা পেতে ওই সময় কোন টাকা দেননি রেজাউল করিম। টাকা না পাওয়ায় ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছিল। জেলে পাঠানোর পর এসআই আবু তাহের শিউলি নামের আরেক নারীকে দিয়ে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে আরেকটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই আবু তাহের। মামলার দুই বাদী রাজশাহীতে থাকতেন। সেই মামলার এক বাদীকে দেশের বাইরে পাঠাতে সহযোগিতা করেছেন এসআই আবু তাহের। ওই বাদীর পাসপোর্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেও তিনি তা শুনেননি।
পরবর্তীতে রেজাউল করিম মহামান্য আদালতের মাধ্যমে ১৩ দিন সাজাভোগ করে জামিনে মুক্তিপান। এরই মধ্যে ওই দুই নারীর মেডিকেল রির্পোট পাওয়া যায়। সেই রিপোর্টে দেখা যায় ধর্ষণ মামলার দুই বাদীর শরীরে ধর্ষণের কোন আলামত নেই। এদিকে জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকে এসআই আবু তাহের রেজাউল করিমের পিছুৃ লাগে।
দিনের পর দিন মুঠোফোনে একেক সময় বিভিন্ন অংকের টাকা দাবী করেন। ওই মামলাগুলো থেকে ছাড়া পেতে চাইলে বিভিন্ন স্থানে টাকা দিতে হবে বলে জানান তিনি। টাকা না দিলে আরো সমস্যা হবে বলেও হুমকী দেন আবু তাহের। এদিকে ব্যবসায়ীক সুনাম রক্ষার পাশাপাশি তাদের পাতানো জাল থেকে রক্ষা পেতে এসআই আবু তাহেরের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর এবং অন্যদিন সরাসরি আর্থিক লেনদেন করেন রেজাউল করিম।
এসআই আবু তাহের চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে রেজাউল করিম পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেন। পরবর্তীতে পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তদন্ত শুরু হয় এসআই আবু তাহেরের বিরুদ্ধে। সেই সাথে ওই মামলার বাদীদেরকেউ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
তারা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিকার করে এসআই আবু তাহের তাদের দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের মামলা করিয়ে নেন। বিভাগীয় তদন্ত শুরু হলে সমস্যায় পড়ে যায় এসআই আবু তাহের। এদিকে চাকারী বাঁচাতে ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের বাসায় ছুটে আসেন। মামলা দেয়া ঠিক হয়নি বলে ক্ষমা চান রেজাউল করিম সহ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে।
এরই মধ্যে এসআই আবু তাহেরের বদলী হন আরএমপির পবা থানায়। মিথ্যা মামলা হলেও ২৮ লাখ টাকা না পাওয়ায় মামলা দুটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেননি। বদলী হলেও ওই ধর্ষণ মামলা দুটি কারো কাছে হস্তান্তর করেননি আবু তাহের। মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিড়ম্বনায় পড়েন ব্যবসায়ী রেজাউল করিম।
কোর্টে হাজিরাও দিয়েছেন অনেক বার। সাজানো ধর্ষণ মামলায় হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টম্বর ২০২৪) আরএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হাজির হন রেজাউল করিম। ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের নিকট থেকে বিস্তারিত শুনে দ্রুত আরএমপির পবা থানায় কর্মরত এসআই আবু তাহেরকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজের আদেশ দেন।
মামলার বাদী সাদিয়া ব্যবহৃত দুটি ফোন নম্বরে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়। সে কারণে বাদীর মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ কমিশনারের জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাদিয়া বলেন, আমি রেজাউল করিমের নামে মামলা দিতে চাইনি। আমি অন্য জনের নামে মামলা করতে চাইছিলাম। কিন্তু এসআই আবু তাহের জোর পূর্বক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে মামলা করে নেন। যার রেকর্ড সংরক্ষিত আছে।

ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আসামী ব্যবসায়ী রেজাউল করিম জানান, আমাকে ফাঁসাতে এসআই আবু তাহের নারীদের ব্যবহার করেন। তারা ভেবেছিল আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দিলে আমি তাদেরকে ২৮ লাখ টাকা দিয়ে দেবো। ব্যবসায়ীকভাবে আমার মান ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে তারা এই মামলা দুটি দায়ের করে। মামলা দুটি আদালতে বিচারাধিন চলামান। সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
এছাড়াও গত এপ্রিল মাসে রাজশাহী মহানগরীতে দুইজন টিকেট কালোবাজারিকে ধরে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এসআই আবু তাহেরের বিরুদ্ধে।
এসআই আবু তাহেরের ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগের করা হলে তিনি বলেন, মামলাটি এখনো আমার কাছে আছে। আমি পুলিশ লাইন্সে আছি। মামলাটি দ্রুতই হস্তান্তর করা হবে। সেই সাথে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় যে মামলা রুজু করা হয়েছে তা চলমান আছে বলে স্বীকার করেন এসআই আবু তাহের।
পবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এসআই আবু তাহেরকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজের একটি চিঠি পাওয়ার পরই তাকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। কি কারনে এই আদেশ সেটা আমার জানা নেই। আমি সম্প্রতি বদলী হয়ে পবা থানায় এসেছি।
এ ঘটনায় আরএমপির পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান জানান, এরই মধ্যে এসআই আবু তাহেরকে পুলিশ নাইন্সে ক্লোজ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

1

নববর্ষের প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪০ পিএম
নববর্ষের প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
সকালে যশোর টাউন হল ময়দান থেকে শুরু হয় এক আনন্দঘন বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি যশোর প্রধান ডাক অফিস কোটমোর হয়ে পুনরায় টাউন হল ময়দানে এসে শেষ হয়। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ রংবেরঙের বৈশাখী সাজ ও ঐতিহ্যবাহী উপকরণ নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন, যা পুরো শহরে এক আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
যশোর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার জনাব  সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন এবং সর্বস্তরের জনগণের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।উক্ত শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উৎসবকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে এই প্রাণের উৎসবে অংশ নিতে পারেন।
পুরনো বছরের সব গ্লানি মুছে নতুন বছরের সূচনায় সকলের জীবনে বয়ে আসুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি—এই প্রত্যাশায় যশোর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
যশোর জেলা পুলিশ
“আপনার নিরাপত্তায় সর্বদা প্রস্তুত”

1

যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ অভয়নগর থানা এলাকার  মাদক সম্রাজ্ঞী লিপি গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ পিএম
যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫০ পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ অভয়নগর থানা এলাকার  মাদক সম্রাজ্ঞী লিপি গ্রেফতার
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
ইং ১৩/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক ১৮:৪৫ ঘটিকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), যশোর এসআই(নিঃ)/মোঃ সালাউদ্দিন খান সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম অভয়নগর থানাধীন নওয়াপাড়া পৌরসভা বুইকারা ০৫ নং ওয়ার্ডের জনৈকা মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০) এর বাড়ীর সামনে ইটের সলিং রাস্তার উপর একজন মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করিতেছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০)  নামক একজন নারী কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার হেফাজতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট আছে মর্মে স্বীকার করলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীসহ উপস্থিতিতে ধৃত আসামী মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০) এর পরিহিত শাড়ির আচঁলে বাধা অবস্থায় ০১ টি নীল রংয়ের জিপারযুক্ত পলিথিনে রক্ষিত ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) পিচ কথিত মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট নারী পুলিশের সহয়তায়  উদ্ধারপূর্বক ঘটনাস্থলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের সর্বমোট ২৫ টি মাদকদ্রব্যের মামলা রয়েছে। সে এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।
আসামীকে ইং ১৪/০৪/২০২৬খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
আসামীর নাম ও ঠিকানা
১। মোছাঃ লিপি আক্তার (৪০)
স্বামী- মৃত হিরু মোল্লা, পিতা- মৃত সামেদ আকন, সাং- বুইকারা(আকুঞ্জিপাড়া, ০৫ নং ওয়ার্ড, নওয়াপাড়া পৌরসভা), থানা-অভয়নগর, জেলা- যশোর।
জব্দঃ
০১। ১৫০ পিচ ইয়াবা
০২। নগদ ৪০০০/-(চার হাজার) টাকা।

1

বকশীগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন পালিত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৭ পিএম
বকশীগঞ্জে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন পালিত হয়েছে

Oplus_131072

 

জামালপুরজেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নানা আয়োজনর মধ্যদিয় বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উদযাপন করা হয়েছে।

শোভাযাত্রা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন আয়োজনে মেতে ওঠে সর্বস্তরের মানুষ।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে নয়টায়  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৈশাখি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভা যাত্রাটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।

এ সময় উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় ‘এসো হে বৈশাখ’ শিরোনামে গান ও নৃত্য পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা দেয় ।

বৈশাখি শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন, বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স , পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল, বীরমুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলীসহ অনেকেই। এছাড়াও উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানারা, স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরা সহ শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের অংশ গ্রহন কারী  বিজয়ী  শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার তোলে দেন অতিথি’রা।