সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর লাশ উত্তোলন।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:০২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর লাশ উত্তোলন।

মোঃ মনির মন্ডল, সাভার প্রতিনিধি:

বিএনপি নেতা আবুল হারিছ চৌধুরীর মৃত্যু নিয়ে সৃষ্ট ধুম্রজাল কাটাতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯ টায় সাভার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম রাসেল ইসলাম নূর এর উপস্থিতিতে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের কমলাপুর জালালাবাদ এলাকায় অবস্থিত জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন ঢাকা মাদ্রাসার নিজস্ব কবরস্থান থেকে তার মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। ডাঃ নাজমুন নাহারের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪ ঘন্টা ধরে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরীর রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মাহবুবুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ হারিছ চৌধুরীর পরিচয় নিশ্চিতের জন্য কবর থেকে লাশ তুলে ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহদীন চৌধুরী।

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ের বিচার শাখা থেকে ৮ই অক্টোবর একটি নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী ১৪ই অক্টোবর স্থানীয় সরকার বিভাগের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্টার জেনারেলের কার্যালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সহকারী রেজিস্টার জেনারেল মো. আখতার জামিল এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: হাবিবুর রহমানের পৃথক স্বাক্ষরিত চিঠিতে লাশ উত্তোলনে সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী লাশ উত্তোলনে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং-১০৭৮৭/২৪-এ হারিছ চৌধুরীর মৃতদেহ উত্তোলন করে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য আদালত আদেশ প্রদান করেন। তার মেয়ে সামিরা তানজিন চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করেন। এই মর্মে যে, তার পিতা হারিছ চৌধুরীকে জামিয়া খাতামুন্নাবিয়্যীন ঢাকা মাদ্রাসার কবরস্থানে মাহামুদুর রহমান নামে দাফন করা হয়। হারিছ চৌধুরীর দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলন করে তার পরিচয় প্রমাণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করানো, পরিচয়ের ইতিবাচক ফলাফল, মৃত্যু সনদ পাওয়া, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ থেকে তার নাম মুছে ফেলা এবং তাকে নিজ জেলায় মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে যথাযথ সম্মানের সঙ্গে দাফন করার আবেদন করেন।

জানতে চাইলে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আহম্মদ মুঈদ বলেন, প্রফেসর মাহমুদুর রহমান নামে এখানে দাফন করা ব্যক্তিই হারিছ চৌধুরী এমন দাবির প্রেক্ষিতে তার মেয়ের করা এক রিটের ভিত্তিতে হারিছ চৌধুরীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য লাশ উত্তোলন করে ডিএনএ টেস্টের জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

সাভার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম রাসেল ইসলাম নূর বলেন, হারিছ চৌধুরীর মেয়ের করা একটি রিটে হাইকোর্টের নির্দেশে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এরপরে পরিচয় নিশ্চিতদের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। হারিছ চৌধুরীর মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হলে তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানিয়ে দাফন করা হবে।

এ সময় সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আশিক ইকবাল, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন, বিরুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ওয়াজেদ মিয়া, সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের (সিএসইউ) কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৫ই জানুয়ারি মানবজমিনের খবরে বলা হয়, হারিছ চৌধুরী করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মারা গেছেন। হারিছের বিলেত প্রবাসী মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা চৌধুরী এটা নিশ্চিত করেন। বলেন, তার বাবা হারিছ চৌধুরী ২০২১ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা গেছেন। যদিও তার চাচা আশিক চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হারিছ ঢাকায় নয়, লন্ডনে মারা গেছেন। এই খবর প্রকাশের পর অনেকেই বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে উড়িয়ে দেন।

গোয়েন্দারাও একাধিকবার মানবজমিন-এ ফোন করে সত্যটা জানতে চান। এরপর থেকে মানবজমিন অনুসন্ধান চালাতে থাকে। অনুসন্ধানে বেশকিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। হারিছ নয়, মাহমুদুর রহমান মারা গেছেন শিরোনামে মানবজমিনে প্রকাশিত অনুসন্ধানী রিপোর্টটি দেশ-বিদেশে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী আসলে মারা যাননি। মারা গেছেন মাহমুদুর রহমান। হারিছ চৌধুরী দীর্ঘ ১৪ বছর গোয়েন্দাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

তিনি ভারত কিংবা লন্ডনেও যাননি। বাংলাদেশের ভেতরেই ছিলেন এবং ঢাকাতেই বেশিরভাগ সময় কাটান। ওয়ান ইলেভেনের পরপরই কিছুদিন সিলেটে অবস্থান করেন। ঢাকায় আসার পর তিনি নাম বদল করেন। নাম রাখেন মাহমুদুর রহমান। দীর্ঘ ১৪ বছর এই নামেই পরিচিত ছিলেন। পরিচয় দিতেন একজন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক হিসেবে। ঢাকার পান্থপথে প্রায় ১১ বছর কাটিয়ে দেন এই পরিচয়ে। এই সময় তিনি মাহমুদুর রহমান নামে একটি পাসপোর্টও নেন। পাসপোর্ট নম্বর BW0952982। এতে ঠিকানা দেন শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার। বাবার নাম আবদুল হাফিজ। ২০১৮ সনের ৬ই সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে এই পাসপোর্ট ইস্যু হয়। পাসপোর্টে দেয়া ছবিতে দেখা যায় এ সময় তার চেহারায় এসেছে অনেক পরিবর্তন।

সাদা লম্বা দাড়ি। চুলের রঙ একদম সাদা। বয়সের ছাপ পড়েছে। শুধু পাসপোর্ট নয় জাতীয় পরিচয়পত্রও পেয়ে যান মাহমুদুর রহমান নামে। তার এনআইডি নম্বর হচ্ছে ১৯৫৮৩৩৯৫০৭। পাসপোর্ট ও এনআইডি‘র সূত্র ধরে মানবজমিন অনুসন্ধান চালাতে থাকে। প্রায় দু’মাস অনুসন্ধানের পর মানবজমিন জানতে পারে অধ্যাপক মাহমুদুর রহমানই আলোচিত রাজনৈতিক নেতা হারিছ চৌধুরী।

1

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম
 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ পিএম
বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

 

মোহাম্মদ উল্লাহ কুমিল্লা প্রতিনিধি

সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার দেওয়ার কথা বলে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে কুমিল্লার লালমাই’র কামাল আহমেদ নামের একজন সুইজারল্যান্ডের প্রবাসী। টাকা ফেরত চাইতে উল্টা নানা রকমের হয়রানিসহ হত্যার হুমকি দিচ্ছে আত্মসাৎকারী। প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করায় কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু বাহার। ২০২৫ সালের মামলাটি চলতি বছরের আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করলে পরে আদালত চলতি মাসের ১৫ তারিখে কামাল আহমেদ আসামি বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
অভিযুক্ত কামাল আহমেদ লালমাই উপজেলার অশ্বদিয়া গ্রামের ছোয়াব আহমেদের ছেলে।সুইজারল্যান্ড লুজানে রয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দেশে বাংলা বাজরে কয়েকটি মার্কেট ও অশ্বদিয়া গ্রামে তার একটি বাড়ি রয়েছে। মামলার ঘটনা জানার পর কামাল আহমেদ সুযোগ বুঝে পরিবার নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
মামলার সুত্রে জানা গেছে,নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু তাহের ছেলে আবু তাহের আবু বাহার সাউথ আফ্রিকার একজন প্রবাসী।তিনি দীর্ঘ বছর ধরে সাউথ আফ্রিকায় ব্যবসা করছেন।সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী আবু বাহারকে সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট দেওয়া বলে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন কামাল আহমেদ।উভয়ে বাংলাদেশি হওয়ায় খুব দ্রুত তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হয়।এক পর্যায়ে ২০২২সালে আবু বাহারের নামে সুইজারল্যান্ড লুজানে একটি হোটেল এবং রেষ্টুরেন্টে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য
স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে দেয় কামাল আহমেদ।একই বছরের সেই চুক্তির টাকা লেনদেন করার জন্য প্রবাস থেকে দেশে আসেন কামাল আহমেদ ও আবু বাহার।২০২২ সালের ৩০ জুলাই লাকসাম পৌর শহরের বাইপাস নদীবাংলা ভুঁইয়া টাওয়ার এলাকায় কামালের সেই চুক্তি স্বাক্ষর স্ট্যাম্পে পেপার টি
উপস্থিতি স্বাক্ষীগণদের মাধ্যমে আবু বাহারকে বুঝিয়ে দিয়ে তার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন কামাল আহমেদ। এদিকে
কয়েক মাস পর আবু বাহার সুইজারল্যান্ড লুজানে গিয়ে জানতে পায় কামাল আহমেদ তার সাথে প্রতারণা করে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট দোকানটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিটক বিক্রি করে দেয়। কামাল আহমেদের কথা ও কাজের মিল না পেয়ে তাকে সন্দেহ করতে শুরু করেন আবু বাহার। আবু বাহার টাকা ও দোকানের জন্য একাধিকবার দেশে ও প্রবাসে কথা হলেও প্রতারক কামাল আহমেদ তালবাহানা শুরু করেন।অবশেষে পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো কামাল আহমেদ ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগী আবু বাহারকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।
রোববার (২৬ জুলাই) এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লালমাই থানার (ওসি) মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন,আদালত থেকে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি কোন নথি থানায় আসেনি,গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাতে পেলে অল্প সময়ের মধ্যেই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।’এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির লোকেশন নজরদারিতে রাখা হবে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।