বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২

কুমিল্লায় হলি ফ্যামেলী হসপিটালের অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যু, মাকে হসপিটালে আটকিয়ে রেখে বাচ্চার দাফন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:৪৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুমিল্লায় হলি ফ্যামেলী হসপিটালের অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যু, মাকে হসপিটালে আটকিয়ে রেখে বাচ্চার দাফন

নিজস্ব প্রতিবেদন:

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল থেকে দালালের মাধ্যমে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে এসে হসপিটালের অবহেলায় আবু সাঈদ নামে এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় অবস্থিত হলি ফ্যামেলী হসপিটালের বিরুদ্ধে। এছাড়াও পরিবারের কাছে নবজাতকের মৃত্যুর তথ্য গোপন রেখে দীর্ঘ সময় আইসিওতে রাখার পর পরিবারকে মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং নবজাতকের মাকে হসপিটালে আটকিয়ে রেখে বাচ্চার লাশ নিয়ে যেতে বাধ্য করেন হসপিটাল কতৃপক্ষ। পরে সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি রফাদফা করতে ভুক্তভীগী পরিবারকে নিয়ে বসেন হসপিটাল কর্তৃপক্ষ। এমন তথ্য পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে এর সত্যতা পাই আমরা। সরেজমিনে ওই দিন রাতে ঘটনা ধামাচাপা দিতে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ এলাকার ১৫-২০ জনকে নিয়ে বসে আলোচনা করে ভুক্তভোগীর থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে তা উপস্থিত লোকদের নিকট বিতরণ করেন। এমনকি উপস্থিত একজন পরিচয় গোপন রাখা সাংবাদিককেও সেই টাকা দিতে চেষ্টা করেন একজন।

পরিবারের দাবি, সোমবার (২১শে অক্টোবর) রাত ২টার দিকে কুমিল্লা সদর হসপিটাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটালের গেইটের ভিতরে গেলে হসপিটালের স্টাফ পরিচয়ে এক দালাল রোগীর কাগজপত্র হাতে নিয়ে মেডিকেলের ডক্টর হলি ফ্যামেলী হসপিটালে আছেন বলে সেখানে নিয়ে যান। পরে সেখানে ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম নামে ওই রোগীকে ভর্তি করেন এবং রোগীর চিকিৎসার খরচ বাবদ টাকা চেয়ে নগদ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যান।

অন্যদিকে ভর্তিকৃত রোগী ফাতেমা বেগম ওই দিনই ভোররাত ৪টার দিকে সিজারের মাধ্যমে জীবন্ত এক নবজাতকের জন্ম দেন তিনি। পরে সেই নবজাতকের নাম রাখেন পরিবার আবু সাঈদ। নবজাতকের বাবার অভিযোগ, সিজারের সময় ফাতেমা বেগমের স্বামী সাইফুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে পুরুষ মানুষ দিয়ে সিজার করিয়েছেন হসপিটালটি। ফাতেফা বেগম বলেন, যিনি আমার সিজার করেছেন তিনি পুরুষ মানুষ ছিলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে তিনি কোন ডক্টর ছিলেন না। তিনি আমার সঙ্গে অত্যান্ত খারাপ ব্যবহার করেছেন। এমনকি যে মৃত বাচ্চাটি আমাদেরকে দিয়েছে সেই বাচ্চাটি আমার নয়, তারা বাচ্চা পাল্টিয়েছে।

বাচ্চার বাবা জানান, বাচ্চাটি জন্মের পর ভালো ছিলো এবং স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু বাচ্চাটি তারা মায়ের কাছে না দিয়ে তারা অক্সিজেন দিতে হবে বলে নিয়ে যায়। পরে সোমবার (২১শে অক্টোবর) ভোররাত ৪টা থেকে বুধবার (২৩শে অক্টোবর) তারিখ সকাল ১১টা পর্যন্ত বাচ্চাটি স্বাভাবিক থাকলেও বাচ্চাকে ৩ ব্যাগ রক্ত দিতে হবে বললে তা আমি এনে দেই। পরের দিন রাত ২টা ২০ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে জানানো হয় যে, বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর। এসময় আমি বাচ্চা দেখতে চাইলে তা দেখতে দেওয়া হয়নি। পরে জুম্মার নামাজের পর আমাকে ফোন দিয়ে ৫ মিনিটের মধ্যে হসপিটালে যেতে বলেন তারা। ৫ মিনিট পরে আসলে আপনার বাচ্চাকে আর দেখতে পাবেন না বলেন হসপিটালের ম্যানেজার। পরে আমি ৭/৮ মিনিটের মধ্যে উপস্থিত হলে আমাকে জানানো হয় আমার বাচ্চা মারা গেছে। এসময় আমি বাচ্চা দেখতে চাইলে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ তা দেখতে না দিয়ে বাচ্চা ও বাচ্চার মাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে বলেন এবং হসপিটালের বিল বাবদ ৭৬ হাজার টাকা বুঝিয়ে দিতে বলেন। কিন্তু আমার কাছে এতো টাকা তখন না থাকায় তখন তারা বাচ্চা ও বাচ্চার মাকে আটকিয়ে রেখে টাকা নিয়ে আসতে বলেন।

পরে ওই দিনই রাত ১টার দিকে আমি কিছু টাকা নিয়ে আসলে তারা তাতে রাজি না হয়ে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে খারাপ ব্যবহার করেন এবং মামলার ভয় দেখান। এসময় বাচ্চার মাকে আটকিয়ে রেখে মৃত বাচ্চা নিয়ে যেতে বাধ্য করেন গভীর রাতে এবং হসপিটালের ৭৬ হাজার টাকা নিয়ে আসতে বলেন তারা। পরে আমি বাচ্চার মাকে হসপিটালে রেখে বাচ্চা নিয়ে এসে দাফন করে দেই। পরের দিন শনিবার ও রবিবার আমাকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন ধরণের গালিগালাজ করে মামলার কথা বলে টাকা নিয়ে আসতে বলেন হসপিটালে। পরে সোমবার (২৮শে অক্টোবর) সন্ধা ৭টা ৪০ মিনিটে কয়েকজনকে নিয়ে গেলে তারা আমার থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে আমার স্ত্রী ও বাচ্চার মাকে মুক্তি দেন হলি ফ্যামেলী হসপিটাল। আমি এ ঘটনায় বিচার চাই এবং আমি আমার বাচ্চা ফিরিয়ে চাই। এ বিষয়ে আমি ঘটনার পরের দিন মঙ্গলবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

অভিযোগের বিষয়ে হলি ফ্যামেলী হসপিটালের বক্তব্য জানতে চাইলে মালিক পক্ষের রকিব নামে একজন উপস্থিত হয়ে বলেন, ভুক্তভোগী তো আমাদের সাথে কথা বলে চলে গেছে, তাহলে আর কি। এসময় হসপিটালের বৈধ কোন কাগজপত্র আছে কি না জানতে চাইলে কোন উত্তর দেননি তিনি। রোগীর কাগজপত্র দেখতে চাইলেও তা দেখাতে পারেননি তিনি। পরে হসপিটালের মালিক পক্ষের আরেকজন সব দোষ স্বীকার করে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করতে চেষ্টা করেন।

এ ঘটনায় কুমিল্লার সিভিল সার্জন এর কার্যালয়ের সিভিল সার্জন ডা. নাছিমা আকতারকে ঘটনাস্থল থেকে সোমবার রাত ১০টা ৮ মিনিটে একাধীকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি।

1

শিগগিরই ১০ দলীয় জোট ১১ দলে পরিণত হবে: আব্দুল হালিম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
শিগগিরই ১০ দলীয় জোট ১১ দলে পরিণত হবে: আব্দুল হালিম

 

মোঃ রানা ইসলাম= ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট খুব শিগগিরই ১১ দলে পরিণত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভার প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য, এটি ঠাকুরগাঁও–১ আসনের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সুষম উন্নয়নের আওতায় আনা হবে। জামায়াতে ইসলামীর আমীরের এই জনসভা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আরও গতি সঞ্চার করবে।’
সম্প্রতি দেওয়া একটি রাজনৈতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবারই মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। উক্ত বক্তব্যে নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম উল্লেখ করা হয়নি। আর জামায়াতে ইসলামী আদর্শিকভাবে কীভাবে পরিচালিত হয়, তা দেশের মানুষ ভালোভাবেই জানে।’
জোট রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বরিশাল–৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমিরের প্রতি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী আসন ছেড়ে দিয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বর্তমানে আমাদের জোটের অংশ না হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এখনই ১১ দল বলা যাচ্ছে না। তবুও আমরা বিশ্বাস করি, ১০ দল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আল্লাহর রহমতে যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, ঠাকুরগাঁও–১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীর ও সহকারী সেক্রেটারি কফিল উদ্দিনসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

1

যশোর বেনাপোলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি মনোনীত নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের শীষের প্রচার মিছিল জন সমুদ্রে পরিণত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
যশোর বেনাপোলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি মনোনীত নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের শীষের প্রচার মিছিল জন সমুদ্রে পরিণত

মনা – যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের বেনাপোলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দীর্ঘ ১৭ বছর পর” উপজেলা বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা
একসঙ্গে নেচে গেয়ে,বিএনপি’র মনোনীত নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার মিছিল করেন।

বৃহস্পতিবার (২২শে জানুয়ারী ২০২৬) বিকাল সাড়ে ৩ টার সময় বেনাপোল স্থলবন্দর ও পৌর এলাকা জুড়ে যশোর–৮৫/১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ধানের শীষের কান্ডারী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচার মিছিল শুরু হয়।
মিছিলটি বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ঘুরে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাজার হাজার নেতা কর্মীরা নিচে গিয়ে বিভিন্ন স্লোগানে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন এবং গণতন্ত্র ও উন্নয়নের বার্তা জনগণের মাঝে পৌঁছে দেন।

মিছিল শেষে যশোর ৮৫/১ (শার্শা) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন গনমানুষের উদ্দেশ্যে বলেন,আমরা বেনাপোলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর আজ ধানের শীষের প্রতীকের প্রচার মিছিল করলাম, তাই অনেক ভালো লাগছে , বিগত আওয়ামী লীগের সরকার যা করে গেছে, আমরা তা করব না,আমাদের নেতা তারেক রহমান কোন হিংসা হানাহানির রাজনীতি করে না, তিনি চান দেশের মানুষ যেনো শান্তিতে বসবাস করতে পারে,তাই আমরা শার্শা উপজেলায় শান্তি চাই,আগামীতে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হলে,সকলে একসঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যেয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে হবে।

এসময় ধানের শীষের প্রচার মিছিলে অংশগ্রহণ করেন, শার্শা উপজেলার বিএনপির সহযোগী সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

1

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

আনোয়ার হোসেন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে জনাব মোঃ আজমুল হক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ঢাকা মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সভা কক্ষে এই মত বিনিময় সভা শুরু হয় । অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)ঢাকা মোঃ আজমুল হক ,মির্জাপুর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৭ মির্জাপুর আসনে নির্বাচন বিশৃঙ্খলা মুক্ত সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন হয় সে লক্ষ্যে সকলেই কাজ করবেন । মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন , সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ তারেক আজিজ , মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ও সি )আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন ।