বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

কুমিল্লায় হলি ফ্যামেলী হসপিটালের অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যু, মাকে হসপিটালে আটকিয়ে রেখে বাচ্চার দাফন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:৪৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুমিল্লায় হলি ফ্যামেলী হসপিটালের অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যু, মাকে হসপিটালে আটকিয়ে রেখে বাচ্চার দাফন

নিজস্ব প্রতিবেদন:

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল থেকে দালালের মাধ্যমে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে এসে হসপিটালের অবহেলায় আবু সাঈদ নামে এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় অবস্থিত হলি ফ্যামেলী হসপিটালের বিরুদ্ধে। এছাড়াও পরিবারের কাছে নবজাতকের মৃত্যুর তথ্য গোপন রেখে দীর্ঘ সময় আইসিওতে রাখার পর পরিবারকে মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং নবজাতকের মাকে হসপিটালে আটকিয়ে রেখে বাচ্চার লাশ নিয়ে যেতে বাধ্য করেন হসপিটাল কতৃপক্ষ। পরে সোমবার (২৮ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি রফাদফা করতে ভুক্তভীগী পরিবারকে নিয়ে বসেন হসপিটাল কর্তৃপক্ষ। এমন তথ্য পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে এর সত্যতা পাই আমরা। সরেজমিনে ওই দিন রাতে ঘটনা ধামাচাপা দিতে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ এলাকার ১৫-২০ জনকে নিয়ে বসে আলোচনা করে ভুক্তভোগীর থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে তা উপস্থিত লোকদের নিকট বিতরণ করেন। এমনকি উপস্থিত একজন পরিচয় গোপন রাখা সাংবাদিককেও সেই টাকা দিতে চেষ্টা করেন একজন।

পরিবারের দাবি, সোমবার (২১শে অক্টোবর) রাত ২টার দিকে কুমিল্লা সদর হসপিটাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হসপিটালের গেইটের ভিতরে গেলে হসপিটালের স্টাফ পরিচয়ে এক দালাল রোগীর কাগজপত্র হাতে নিয়ে মেডিকেলের ডক্টর হলি ফ্যামেলী হসপিটালে আছেন বলে সেখানে নিয়ে যান। পরে সেখানে ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম নামে ওই রোগীকে ভর্তি করেন এবং রোগীর চিকিৎসার খরচ বাবদ টাকা চেয়ে নগদ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে কৌশলে পালিয়ে যান।

অন্যদিকে ভর্তিকৃত রোগী ফাতেমা বেগম ওই দিনই ভোররাত ৪টার দিকে সিজারের মাধ্যমে জীবন্ত এক নবজাতকের জন্ম দেন তিনি। পরে সেই নবজাতকের নাম রাখেন পরিবার আবু সাঈদ। নবজাতকের বাবার অভিযোগ, সিজারের সময় ফাতেমা বেগমের স্বামী সাইফুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে পুরুষ মানুষ দিয়ে সিজার করিয়েছেন হসপিটালটি। ফাতেফা বেগম বলেন, যিনি আমার সিজার করেছেন তিনি পুরুষ মানুষ ছিলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে তিনি কোন ডক্টর ছিলেন না। তিনি আমার সঙ্গে অত্যান্ত খারাপ ব্যবহার করেছেন। এমনকি যে মৃত বাচ্চাটি আমাদেরকে দিয়েছে সেই বাচ্চাটি আমার নয়, তারা বাচ্চা পাল্টিয়েছে।

বাচ্চার বাবা জানান, বাচ্চাটি জন্মের পর ভালো ছিলো এবং স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু বাচ্চাটি তারা মায়ের কাছে না দিয়ে তারা অক্সিজেন দিতে হবে বলে নিয়ে যায়। পরে সোমবার (২১শে অক্টোবর) ভোররাত ৪টা থেকে বুধবার (২৩শে অক্টোবর) তারিখ সকাল ১১টা পর্যন্ত বাচ্চাটি স্বাভাবিক থাকলেও বাচ্চাকে ৩ ব্যাগ রক্ত দিতে হবে বললে তা আমি এনে দেই। পরের দিন রাত ২টা ২০ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে জানানো হয় যে, বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর। এসময় আমি বাচ্চা দেখতে চাইলে তা দেখতে দেওয়া হয়নি। পরে জুম্মার নামাজের পর আমাকে ফোন দিয়ে ৫ মিনিটের মধ্যে হসপিটালে যেতে বলেন তারা। ৫ মিনিট পরে আসলে আপনার বাচ্চাকে আর দেখতে পাবেন না বলেন হসপিটালের ম্যানেজার। পরে আমি ৭/৮ মিনিটের মধ্যে উপস্থিত হলে আমাকে জানানো হয় আমার বাচ্চা মারা গেছে। এসময় আমি বাচ্চা দেখতে চাইলে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ তা দেখতে না দিয়ে বাচ্চা ও বাচ্চার মাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে বলেন এবং হসপিটালের বিল বাবদ ৭৬ হাজার টাকা বুঝিয়ে দিতে বলেন। কিন্তু আমার কাছে এতো টাকা তখন না থাকায় তখন তারা বাচ্চা ও বাচ্চার মাকে আটকিয়ে রেখে টাকা নিয়ে আসতে বলেন।

পরে ওই দিনই রাত ১টার দিকে আমি কিছু টাকা নিয়ে আসলে তারা তাতে রাজি না হয়ে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে খারাপ ব্যবহার করেন এবং মামলার ভয় দেখান। এসময় বাচ্চার মাকে আটকিয়ে রেখে মৃত বাচ্চা নিয়ে যেতে বাধ্য করেন গভীর রাতে এবং হসপিটালের ৭৬ হাজার টাকা নিয়ে আসতে বলেন তারা। পরে আমি বাচ্চার মাকে হসপিটালে রেখে বাচ্চা নিয়ে এসে দাফন করে দেই। পরের দিন শনিবার ও রবিবার আমাকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন ধরণের গালিগালাজ করে মামলার কথা বলে টাকা নিয়ে আসতে বলেন হসপিটালে। পরে সোমবার (২৮শে অক্টোবর) সন্ধা ৭টা ৪০ মিনিটে কয়েকজনকে নিয়ে গেলে তারা আমার থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে আমার স্ত্রী ও বাচ্চার মাকে মুক্তি দেন হলি ফ্যামেলী হসপিটাল। আমি এ ঘটনায় বিচার চাই এবং আমি আমার বাচ্চা ফিরিয়ে চাই। এ বিষয়ে আমি ঘটনার পরের দিন মঙ্গলবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

অভিযোগের বিষয়ে হলি ফ্যামেলী হসপিটালের বক্তব্য জানতে চাইলে মালিক পক্ষের রকিব নামে একজন উপস্থিত হয়ে বলেন, ভুক্তভোগী তো আমাদের সাথে কথা বলে চলে গেছে, তাহলে আর কি। এসময় হসপিটালের বৈধ কোন কাগজপত্র আছে কি না জানতে চাইলে কোন উত্তর দেননি তিনি। রোগীর কাগজপত্র দেখতে চাইলেও তা দেখাতে পারেননি তিনি। পরে হসপিটালের মালিক পক্ষের আরেকজন সব দোষ স্বীকার করে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করতে চেষ্টা করেন।

এ ঘটনায় কুমিল্লার সিভিল সার্জন এর কার্যালয়ের সিভিল সার্জন ডা. নাছিমা আকতারকে ঘটনাস্থল থেকে সোমবার রাত ১০টা ৮ মিনিটে একাধীকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি।

1

বকশীগঞ্জ উপজেলায় নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
বকশীগঞ্জ উপজেলায় নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমূলক সভা

 

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

 

বকশীগঞ্জে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি মূলক  সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত শিশু কিশোরদের নিয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি মূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষীবিদ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা যু্ব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার রাজু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল,বকশীগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক লালন, সাধারণ সম্পাদক আল মোজাহিদ বাবু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম রনি, মতিন রহমান সহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত)  চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, নতুন কঁড়ি স্পোর্টস এ ৮ টি প্রতিযোগিতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।

একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দুইটি খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

1

বকশীগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩১ পিএম
বকশীগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

Oplus_131072

 

 

(জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে একটি খালের ওপর নির্মিত সেতুর দীর্ঘ দিন থেকে  দুই পাশের রেলিং ভেঙে গেছে। জরাজীর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভাঙা এই সেতু দিয়ে সাতটি গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভোক্তভেগি এলাকাবাসী’রা।

বকশীগঞ্জ পৌরসভার পুরাতন গো- হাটি থেকে  মেষেরচর  যাওয়ার সড়কে খালের ওপর প্রায় ২৮ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সেতুটি নির্মাণ করে। তবে নির্মাণের ১৫ বছর পর এর দুই পাশের রেলিং ভেঙে যায়। বর্তমানে সেতুর বিভিন্ন যায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে । এ ছাড়াও সেতুটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কম হওয়ায় পাশাপাশি দুটি অটোভ্যান চলাচল করতে পারে না।

এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন সাতটি গ্রামের সাধারণ পথচারী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ চলাচল করেন।

গতকাল রোববার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির দুই পাশের রেলিং ভেঙে পড়ায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে । এই সেতুর ওপর দিয়ে সাতটি  গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। সেতুর ওপর দিয়ে যে কোন যানবাহন চলাচল কষ্টদায়ক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। মেষেরচর পূর্বপাড়া, মেষেরচর পশ্চিম পাড়া, বড়ইতারি, সর্দারপাড়া,ঝালরচর গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ।

স্থানীয়রা জানান , দীর্ঘ দিন থেকে রেলিং ভেঙে পড়ায় এই সেতুর ওপর দিয়ে দিনের বেলা কোনো রকমে চলাচল করা গেলেও রাতের বেলা অন্ধকারে চলাচল খুব কষ্ট দায়ক হয়। এ কারণে ওই সেতুর ওপর দিয়ে সাত গ্রামের  প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মেষেরচর পূর্ব পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবিরুজ্জামান জনি জানান, প্রায় ১৩ বছর আগে সেতুর দুই পাশের রেলিং ভেঙে যায় এতে করে প্রায় সময় সেখানে দূর্ঘটনা ঘটে এর আগেও ২০২৪ সালে ব্যাটারি চালিত অটো ভ্যান উল্টে এক মহিলার ঘটনার স্থলেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি পুনঃনির্মাণের জন্য দাবি জানাচ্ছি।

মেষের চর পূর্ব পাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া বলেন, সেতুর দুই পাশের রেলিং না থাকায় গত সপ্তাহে দেড় লক্ষ টাকা দামের একটি ষাঁড় গরু সেতু থেকে পড়ে মারা গেছে। এর আগের এই সেতু থেকে পরে দুটি গরু মারা যায়। স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়ার পথে সেতুটির রেলিং না থাকায়  আতঙ্কে  সেতু পারাপার হতে হয় তাদের ।  বৃদ্ধ ও শিশুরা সেতু দিয়ে চলাফেরা করতে পারছে না। মাঝখানে ঢালাই ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়রা কাঠ ফেলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

মেষের চর পূর্বপাড়া গ্রামের পান ব্যবসায়ী আসলাম হোসেন বলেন, রেলিং ভাঙা এই সেতুর ওপর দিয়ে দিনের বেলা কোনো রকমে চলাচল করলেও রাতে ঝুঁকি নিয়ে  চলাচল করতে হয় । এরপরও দাবি জানাই যত দ্রুত সম্ভব সেতুটি সংস্কারের জন্য।

বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শামছুল হক জাতীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা কে, বলেন সেতুটি নির্মাণের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী জামালপুর বরাবর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করা হবে সেতুর কাজ।

1

বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম
বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু

Oplus_131072

 

 

(জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে  রোহান (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার  ( ২০  এপ্রিল) সকাল ১১ টায় উপজেলার বাট্টাজোর  ইউনিয়নের পূর্ব দত্তেরচর  গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু রোহান ওই গ্রামের  মাহমুদুল হাসান রুবেলের ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার  সূত্রে জানা গেছে, সোমবার  সকালে  পরিবারের সবার অজান্তে রোহান বাড়ির সামনে একটি পুকুর পাড়ে খেলা করছিল । খেলার একপর্যায়ে সে পুকুরে পানিতে পড়ে ডুবে যায়। রোহানকে  বাড়িতে দেখতে না পেয়ে বাবা-মাসহ স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খৌঁজাখঁজির একপর্যায়ে শিশুটির দাদা আমজাদ হোসেন  বাড়ীর পাশে  পুকুরের পানিতে শিশুটির  মরদেহ  ভাসতে দেখে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে  যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বকশীগঞ্জ  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন  জানান, খবর পেয়েই ঘটনার  স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এবিষয়ে আইনি পদক্ষেপ  চলমান আছে।‌