বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

ওসি প্রদীপ যুগে শুরু করা অপকর্মে হোয়াইক্যং ইউপি’র চৌকিদার বেলাল এখনো বেপরোয়া!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪, ৩:১৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ওসি প্রদীপ যুগে শুরু করা অপকর্মে হোয়াইক্যং ইউপি’র চৌকিদার বেলাল এখনো বেপরোয়া!

ডেক্স রিপোর্ট :

কক্সবাজারের টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপের অপকর্মের অবসান ঘটলেও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চৌকিদার বেলালের ওসি প্রদীপের সময়ে শুরু করা অপকর্ম এখনোও অবসান ঘটেনি।এখনো চলছে চৌকিদার বেলালের অপকর্মের রামরাজত্ব।চৌকিদার বেলাল ওসি প্রদীপের কামাইন্যা পুত এবং বহু অপকর্মের অংশীদার। চৌকিদারের নিম্নতর ক্ষমতাকে ব্যবহার করতো ওসি-এসপি’র মত।যা এখনো থেমে নেই।ইয়াবা কারবারিদের সাথে সখ্যতায় মাসোহারা আদায়,ইয়াবা পাচারে সহযোগিতা,ইয়াবা ছিনিয়ে নিয়ে লুটপাট,সাধারণ নিরীহ মানুষদের ‘ইয়াবা’র তকমা লাগিয়ে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করানো,নির্যাতন করানো,মোটাংকের টাকা আদায়,টাকা না পেলে প্রতিপক্ষের নিকট থেকে টাকা নিয়ে নিরীহ লোকজন’কে ইয়াবা দিয়ে চালান করা,ইয়াবার মামলায় নাম ডুকিয়ে দেওয়ার হুমকি দানে টাকা আদায়,,কথায়-কথায় নিজস্ব বাহিনী ও পারিবারিক লোকজন নিয়ে যে কাউকে মারধর করতে তেড়ে যাওয়া,দেশীয় ধারালো দা-কিরিচ নিয়ে হামলে পড়া যেনো বেলালের পেশা আর নেশায় পরিণত হয়েছে।চৌকিদার বেলাল ও তার পারিবারিক আত্মীয়স্বজন এবং বাহিনী সদস্যদের হাতে নির্মমতার শিকার হয়নি এমন লোকজনের সংখ্যাও কম না।কিন্তু মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানী করবে,ইয়াবা দিয়ে চালান করাবে কিংবা নিজস্ব বাহিনী এবং পারিবারিক লোকজন দিয়ে মারধর করাবে এমন শংকা আর ভয়ে ভুক্তভোগীরা সহজেই মুখ খুলে না।নিরবে চৌকিদার বেলালের নানা মুখী হয়রানীতে অতিষ্ঠ অনেকেই মুখ বুঝে সহ্য করে যাচ্ছে।চৌকিদার বেলালের নানা অপকর্মের কয়েকটি ভিডিও চিত্র ও ছবি রয়েছে।এসব ভিডিও এবং ছবিতে বেলালের বাহিনীর হাতে দেশীয় ধারালো দা-কিরিচ দেখা যায়।স্বয়ং বেলালের নিজের হাতেও দেখা যায় লম্বা ধারালো কিরিচ।অপকর্ম সংঘঠনে ব্যবহার করবন বহু সীম ও মোবাইল।যার কয়েকটি নাম্বার দেওয়া হলো, ০১৮২৭২৫৩৮৪৪,
০১৮৪০৫৬২৭৭৬,০১৫৭৫৩৯২৩৭৪,০১৮৮৭০২২৪৮৮।পুলিশ প্রশাসন ও নিজের চৌকিদারী ক্ষমতার দাপটে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডবাসীকে জিম্মী করে রেখেছেন ওসি প্রদীপের আমল থেকেই।যা এখনো জিইয়ে রেখেছেন। চৌকিদার বেলালের এহেন অপরাধমুলক কর্মকান্ডের অবসান চেয়ে তার অপকর্মের বিচার চেয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।এ সংক্রান্তে বেলালের একাধিক নাম্বারে কল দিয়েও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আশু পদক্ষেপ গ্রহণে জেলা পুলিশ সুপার,সহকারী পুলিশ সুপার(এএসপি সার্কেল)ওসি এবং গোয়েন্দা সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।উল্লেখ্য চৌকিদার বেলাল উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের কাটাখালীর পশ্চিম পাড়ার ছৈয়দ আলম,মাতা ও জমিলা খাতুন দম্পতির ছেলে।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।