বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

ভারতীয় ৮ ধরনের আগ্রাসনের কিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালো ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:০৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভারতীয় ৮ ধরনের আগ্রাসনের কিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালো ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা

গোলাম আলী নাইম, ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের উপরে ভারত সবসময়ই তার হিংসাত্নক আগ্রাসন চালানোর অপচেষ্টা করেই যাচ্ছে। ভারতের আগ্রাসী ভূমিকা দেথে মনে হয় ভারত বাংলাদেশকে তার অঙ্গরাজ্য করতে চাচ্ছে। আমরা বাঙালী মুসলমান। আমরা কখনই কারো কাছে মাথা নত করিনা। আর ভারতকে কখনই আমরা শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশে আগ্রাসন চালাতে দিবোনা। ভারতের দাদাগিরি দেখার জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। ভারতের উচিত অবিলম্বে বাংলাদেশবিরোধী অপতৎপরতা ও অপপ্রচার বন্ধ করা। ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশন, উপহাইকমিশনসহ সব কূটনৈতিক স্থাপনায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা। ভারত মুসলমানদের ঈমানকে উত্তেজিত করার জন্য সবসময়ই ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা ভারতের ৮ ধরণের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আজ বা’দ আছর রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে এক সাংবাদিক সমাবেশে প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রতিবাদের বিষয়গুলো হলো:

১. ভারতে কথিত ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ বই বিক্রি বন্ধ করতে হবে। মুসলিম বিশ্বের কঠোর আপত্তির মুখে নাস্তিক কাট্টা কাফির অপন্যাসিক সালমান রুশদির ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ ভারত ও বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশে নিষিদ্ধ করা হয়। ১৯৮৮ সালে তৎকালীন রাজীব সরকার ভারতে এই বই বিক্রি নিষিদ্ধ করে। তবে এখন আবার বইটি কিছু বইয়ের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। এটি মুসলমানদের ঈমানী অনুভূতিকে কঠিনভাবে আঘাত করেছে। কুখ্যাত যোগী রামগিরি আমাদের প্রাণের চেয়ে প্রিয় নবীজী নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে মানহানি করেছিলো। সারা পৃথিবীতে এর প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু ভারতের মোদী সরকার এখনও তার শাস্তি দেয়নি। ভারতকে অবশ্যই অতি দ্রুত স্যাটানিক ভার্সেস বই বিক্রি বন্ধ করতে হবে এবং কুলাঙ্গার রামগিরিকে শাস্তি দিতে হবে। নইলে বাংলাদশের মুসলিম জনতা অবশ্যই ভারতের এই নিন্দিত কাজের সমুচিত জবাব দিবে ইনশা আল্লাহ।

২. ভারতে মসজিদ, মাদ্রাসা ও মাজার শরীফ ভাঙ্গা বন্ধ করতে হবে। ভারতে কল্প কাহিনীর অজুহাতে কথিত দেব দেবীর মন্দির এর ভূয়া অজুহাতে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থানে মসজিদ, মাদরাসা, মাজার শরীফ ভাঙ্গছে উগ্র হিন্দু জালিমরা। বাবরি মসজিদ, জ্ঞানবাপী মসজিদ, সম্ভল মসজিদের মত অনেক ঐতিহাসিক মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। ভারতকে অবশ্যই এই সব অপকর্ম বন্ধ করতে হবে এবং যেসব মসজিদ-মাদরাসা-মাজার শরীফ ভেঙেছে সেগুলো পুননির্মাণ করে মুসলমানদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে। নইলে হিন্দুদের মন্দিরগুলোও হুমকির মুখে থাকবে।

৩. বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইনে প্রকাশিত ‘উর্দিতে বাঙালি গণহত্যার রক্তের ছিটে! ৫৩ বছর পর বাংলাদেশে ফিরছে সেই পরাজিত পাক ফৌজ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নীতিতে অটল। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ছাত্র বিনিময় ও প্রশিক্ষণসহ বিবিধ সহযোগিতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে। এছাড়াও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ সংগ্রহ করে। এটা বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর পছন্দের স্বাধীনতা। ভারতকে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী নিয়ে অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সেনাবহিনীর অব্যন্তরীন বিষয়ে নাক গলানোর অপচেষ্টা ভারতকে বাদ দিতে হবে।

৪. বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারত বারবার আশ্বাস দিলেও সেটার বাস্তবায়ন হয়নি। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিএসএফের গুলিতে ও নির্যাতনে অন্তত ৬০৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া অধিকার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার মতে, ২০০৯ থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বিএসএফ সদস্যদের হাতে অন্তত ৫৮২ বাংলাদেশি নিহত এবং ৭৬১ জন আহত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন অনুযায়ী শূন্যরেখা থেকে দেড় শ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যায় না। লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম সীমান্তে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে বিএসএফের বিরুদ্ধে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের অভিযোগ উঠলে বিজিবি বাধা দেয়। ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ভারত সীমান্তে কুপিয়ে ও পিটুনিতে তিন বাংলাদেশি যুবককে শহীদ করা হয়েছে। ভারতে এই সব সন্ত্রাসী কাজ বন্ধ করতে হবে। নইলে বাংলাদেশকেও তার পাল্টা জবাব দিতে হবে।

৫. বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ায় অপ্রচার বন্ধ করো। ভারত সবসময়

বাংলাদেশকে নিয়ে মিডিয়ায় ভুল তথ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভারতের এই মিডিয়া সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে।

৬. বাংলাদেশের অপরাধী তসলিমাকে গ্রেফতার করে ফেরত দিতে হবে। সে বাংলাদেশের দাগী এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী। তসলিমা নাসরিনকে অবশ্যই বাংলাদেশের কাছে ফেরত দিতে হবে এবং অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই তাকে ফাঁসি দিতে হবে।

৭. ভারত থেকে সর্বপ্রকার আমদানি বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের সব কিছু বাংলাদেশেই উৎপদিত হয়ে থাকে। তাই ভারত তেকে কোন কিছু আমদানির প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত চাল উৎপাদিত হওয়ার পরও ভারত তথেকে চাল আমদানি করা হচ্ছে দেশের টাকা ভারতে পাচারের জন্য। জনগণকে ধোকা দিয়ে এই ধরণের কোনো কিছুই ভারত বা অন্য কোনো দেশ থেকে আমদানির প্রয়োজন নেই।

৮. ভারতের গরু জবাইয়ের উপর সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। আসামে বা অন্য কোন স্থানে গরু জবাই এবং গরুর গোস্ত খাওয়ার উপরে কোনো প্রকার নিষেধাজ্ঞা রাখা যাবেনা। এটা মুসলমানদের দ্বীনী অধিকার। গরুর গোস্ত খাওয়া এবং গরু কুরবানী করা ইসলামের শেয়ার বা নিদর্শন। ভারতের আসামের বিধানসভায় ‘অসম ক্যাটল প্রিজারভেশন বিল ২০২১’ বা গো-সংরক্ষণ বিল পাস হয়েছে মুসলমানদের সঙ্গে সংঘাত বৃদ্ধির জন্য। গোটা বিশ্বে দ্বিতীয় গরুর গোস্ত রফতানিকারক দেশ হচ্ছে ভারত। অথচ গরুর গোস্ত খাওয়ার মিথ্যা অজুহাতে বারতে মুসলমানকে পিটিয়ে শহীদ করা হয়। ভারতকে অবশ্যই গরুর গোস্ত খাওয়ার জন্য মুসলমানদের প্রতি এই বৈষম্যমূলক আচরণ পরিহার করতে হবে। মুসলমানদেরকে গরু কুরবানী করা এবং গরুর গোস্ত খাওয়ার অধিকার দিতে হবে। নতুবা গরু কুরবানীকে কেন্দ্র করেই ভারতে কেঠিন গৃহযুদ্ধের সূচনা হবে এবং এতে ভারতের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।

1

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে নতুন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ”-এর কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলা পোর্টালের সম্পাদক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আলী আজগর ইমন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টায় সংগঠনের এক ভার্চুয়াল সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে শিগগিরই ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ঘোষণা করা হবে। এতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মধ্যে থাকবেন আইনজীবী, ইমাম, পুরোহিত, চিকিৎসক, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, নারী নেত্রী, ছাত্রনেতা, এনজিও প্রতিনিধি, আইটি বিশেষজ্ঞ, শ্রমিক নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা। সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহযোগী সংগঠন হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেলে এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনটি কার্যক্রম বিস্তৃত করে। সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক ভার্চুয়াল সভায় কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনয়নের মাধ্যমে বাকি পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হেড লাইন চেঞ্জ করে দিন

1

নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

 

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগম মনোনীত হয়েছেন। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাছিম উদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) বিধিমালা ২০১৯-এর ৭ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে আগামী দুই বছর তিনি গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ভাইস-চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ মনোনয়ন প্রত্যাহারের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

একই আদেশে কলেজটির পূর্ণাঙ্গ গভর্নিং বডি গঠনের লক্ষ্যে সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগমের সুপারিশক্রমে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী তিনজন শিক্ষানুরাগী সদস্যের নাম প্রস্তাব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনোয়ারা বেগম বলেন, “নাগরপুর মহিলা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতিতে আমি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।”

এদিকে, তার এ মনোনয়নে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।