শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

হাতিয়ায় আ.লীগ নেতা থেকে হঠাৎ বিএনপি নেতা বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:৪৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাতিয়ায় আ.লীগ নেতা থেকে হঠাৎ বিএনপি নেতা বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ

মামুন রাফী, স্টাফ রিপোর্টারঃ

আওয়ামী লীগের শাসন আমলে হাতিয়ার সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী ছত্রছায়ায় থেকে দলীয় প্রভাব বিস্তার করে সঙ্গবদ্ধ অন্যায় অত্যাচার, লুটপাট, লাঠিয়াল, জোর জুলুম মারপিট ভয়ভীতি হুমকি জমি দখল সহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের জোড়খালী ৫ নং ওয়ার্ডের একরামুল করিমের ছেলে কোরবান আলী ওরুপে মজনু মাঝির বিরুদ্ধে। তার সাথে রয়েছেন সোনাদিয়া ইউনিয়নের মধ্যে মাইজচরা ২ নং ওয়ার্ডের আবদুর রবের ছেলে সফি উল্ল্যাহ।

তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ভুক্তভোগী নুরুল আমিন গত ১৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে হাতিয়া থানায় ও হাতিয়া নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।জানা যায় মজনু মাঝি ও শফি উল্ল্যাহ দেশের প্রচলিত আইন কানুন মেনে চলে না, দলীয় প্রভাব বিস্তার করে গায়ের জোরে অর্থের বলে এলাকায় নিরীহ মানুষের সাথে জোর প্রয়োগ করে জায়গা জমি জোর পূর্বক দখল করে এবং বসত বাড়ী ঘর লুটপাট করা তাদের নেশা ও পেশা।মজনু মাঝি ও শফি উল্ল্যাহ সঙ্গবদ্ধ হয়ে ১৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ সকাল ৯:০০ টার সময় স্থানীয় নুর উদ্দিন বাজার সিফাতের দোকানে দেখলে ভুক্তভোগীর নিকট বসত বাড়ী মিথ্যা মালিকানা দাবী করে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে। ভুক্তভোগী উক্ত বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তারা আরো উগ্রপন্থি হয়ে এক পর্যায়ে হুমকি দেয়। এক সপ্তাহের মধ্যে বসবাসরত উক্ত বসত বাড়ী তাদেরকে ছাড়ে দিতে হবে, না হলে মারধর করবে, বসত বাড়ী কুপিয়ে ভাংচুর করবে।জোর পূর্বক বসত বাড়ী হতে উচ্ছেদ করবে, শান্তিতে বসবাস করতে দিবে না, রাস্তা ঘাটে একা পেলে মারধর করে প্রাণে হত্যা করবে, লাশ গুম করে ফেলবে, মিথ্যা মামলা দিয়া হয়রানী করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়।

আরো জানা যায়, মজনু মাঝি বর্তমানে বিএনপি নেতা দাবী করে এলাকায় দাপটের সহিত প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন এবং তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলমান রয়েছে। সম্প্রতি তাকে দেখা যায় হাতিয়ার সাবেক এমপি প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের ব্যানারে বিএনপি দাবী করে তমরদ্দি ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তার এমন দুমুখো কর্মকাণ্ডে বিব্রত সাধারণ মানুষ।ভুক্তভোগী নুরুল আমিন বলেন, ৫ আগস্টের আগে বিগত সরকারের আমলে মজনু মাঝি শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ ও মোহাম্মদ আলীর ছবির নিচে নিজের ছবি দিয়ে পোস্টার করেছিলো। তার পরে অবস্থান ডিগবাজী করে বিএনপি সেজে অনুরূপ পোস্টার করে লুটপাটে সুবিধা পাওয়ার জন্য। জোর করে আমাদের বসত বাড়ি দখল করার চেষ্টা করছে এবং প্রাণে মারার হুমকি দিচ্ছে। আমি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার চাই।

ভুক্তভোগী নুরুল আমিন হাতিয়ার স্বনামধন্য ডাক্তার ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাক্তার রুহুল আমিনের আপন বড় ভাই। এই ডাক্তারের কাছে হাতিয়ার অসংখ্য রোগী চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকেন। তিনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে দলমত নির্বিশেষে হাতিয়ার রোগীদের নিরলস সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।এই বিষয়ে কোরবান আলী ওরুপে মজনু মাঝি বলেন, আমি খোলস পাল্টাইনি, আমি আগে থেকেই বিএনপি করতাম ফজলুল আজিমের সাথে, আওয়ামী লীগের আমলে আমি বহু হেনস্তার শিকার হয়েছি। আমি চাই আমরা দুই পক্ষ আলোচনায় বসি যদি তাদের জমি হয় তারা নিবে। আর আমি প্রাপ্য হলে আমি নিবো, কাগজ পত্র কথা বলবে।স্থানীয় এক বিএনপি নেতা বলেন, ৫ আগস্টের আগে দেখেছি মজনু মাঝি আওয়ামী লীগের নেতা, এখন দেখতেছি বিএনপি নেতা দাবী করে ব্যানার ও পাবলিশ করতেছে তবে বিএনপিতে এমন দুমুখো লোকের জায়গা নেই, আশা করি বিএনপির সিনিয়র নেতারা নজর দিবেন।এই বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি আজমল হুদা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত ও চলমান রয়েছে।

1

সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
সলিমাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের সলিমাবাদ ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আবেগঘন পরিবেশে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো এসএসসি পরীক্ষা। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অধ্যয়ন এবং আত্মবিশ্বাসই তোমাদের সফলতার চাবিকাঠি। তোমরা ভালো ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাকি মিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের সফল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম খান, মোঃ সুমন সিকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সালাউদ্দিন এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহিদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।

পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন

1

কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
কালকিনিতে গ্রাম আদালতের আউটরিচ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
‎ এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ  মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিনগর ফাঁসিয়াতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের বিভিন্ন সেবা  নিয়ে আলোচনা করেন
‎ডাসার ও কালকিনি উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন লিটন।ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রকল্প হতে প্রেরিত গ্রাম আদালতের লিফলেট বিতরণ করেন এবং গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা করি। গ্রাম আদালতে কি কি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে এবং গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সবোর্চ্চ কত টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে
‎সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।উপজেলা কো-অর্ডিনেটর বলেন ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের এবং পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সবাইকেই গ্রাম আদালতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা লিফলেটের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পাওয়া যায়। গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলার ফি ১০ টাকা দেওয়ানি মামলার ফি ২০ টাকা এ ছাড়া এ আদালতে আর কোন টাকা-পয়সা লাগে না। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন গ্রাম আদালতের প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা করতে হবে এবং গ্রাম আদালতের সুবিধা গুলো সাধারনত জনগনকে জানাতে হবে। আপনাদের প্রচারের মাধ্যমে এলাকার সাধারণ মানুষ যেন ছোট ছোট বিরোধ গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নিষ্পত্তি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে ন্যায়বিচার পায় সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের সকলের কাজ করতে হবে। ইউনিয়ন  পরিষদের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলবো
‎অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায় বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে।

1

সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৭ পিএম
সাভারে রাজস্ব বাড়লেও সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকার সাভার সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন অভিযোগ করেছেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই একটি চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি সব সময় সরকারি নিয়মনীতি মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মবহির্ভূত কাজ করাতে ব্যর্থ হয়ে এখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এতে আমার স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাকে নিয়মিত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আমার কাজের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সাভারে মোট ২৪ হাজার ১১৬টি দলিল নিবন্ধিত হয়, যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয় ২৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭ হাজার ২৫৬ টাকা। ২০২৫ সালে দলিলের সংখ্যা ছিল ২৪ হাজার ৫৫টি এবং রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৯ কোটি ২১ লাখ ৮ হাজার ১০৯ টাকা।

এছাড়া ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে ৬ হাজার ১৪৪টি দলিল থেকে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪৬ টাকা রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৫ হাজার ৪৩৪টি দলিল নিবন্ধিত হলেও রাজস্ব আদায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ৩৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ টাকা।

তিনি দাবি করেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।’

অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।