শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সুবর্ণচরে যুবদল নেতাদের নেতৃত্বে চেয়ারম্যানের বাড়িতে লুট ভাংচুর ও হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ৮:৩৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সুবর্ণচরে যুবদল নেতাদের নেতৃত্বে চেয়ারম্যানের বাড়িতে লুট ভাংচুর ও হামলা

মামুন রাফী, স্টাফ রিপোর্টারঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর যুবদলের নেতৃত্বে ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মহি উদ্দিন চৌধুরীর বাড়িতে হামলা লুট ও ভাংচুর করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ৭ টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আক্তার মিয়ার হাট সংলগ্ন মহি উদ্দিন চৌধুরীর বাড়িতে এই হামলা করা হয়েছে। এতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জাফর উল্যাহ ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম, ও মাসুদের নেতৃত্বে এই ঘটনা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মহি উদ্দিন চৌধুরী।

এই সময় তার বাসা থেকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণ ও প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে যায় সন্ত্রাসী দল। এতে চান্দা চোরা,কাল্লা ডাকাত,শাহাদাত চোরা,কামরুল, কালা, নাহিদ,এরা সহ আরো ২০-৩০জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল এই ভাংচুর করে বলে জানা যায়।

এই বিষয়ে আলহাজ্ব মহি উদ্দিন চৌধুরী বলেন- ৫ আগস্ট এর পর থেকে আমার প্রজেক্টে বহু বার মাছ লুট করেছে স্থানীয় যুবদলের কিছু নেতৃবৃন্দরা। এবার দীর্ঘ দিন পর আমি আমার পরিষদের উদ্দেশ্যে বাড়িতে আসলে তারা আমাকে আক্তার মিয়ার হাট বাজারের উপর অকথ্য ভাষায় গালি দেয়।এরপর যুবদলের সভাপতি জাফর উল্যাহ ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম এবং মাসুদ এর একটি দল আমাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে আমার বাসায় এসে হামলা করে। এই সময় আমি পিছনে দরজা দিয়ে বের হই। কিন্তু তারা আমার বাড়ির দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে ডুকে আমার ঘরে থাকা দুইটি বড় সুকিজ ভেঙে নগদ ৫ লাখ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণ সহ আমার প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে যায়। এর আগে আমাকে ২০ লক্ষ টাকা দিতে বলে আমি দিতে নারাজ হওয়ায় তারা এই হামলা করে।

স্থানীয়দের তথ্য মতে অভিযুক্তরা একাধিক মামলার আসামী ও বিগত বছর গুলোতে চুরি ডাকাতি সহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান- দেখলাম তো ওনার বাসা বাজারের উপরে ওনার আসবাবপত্র যাবতীয় বাসার জিনিস পত্র ছিলো এগুলো ভাংচুর করা হয়েছিলো। আমরা সকলের নিকট শুনছি যুবদলের ওনারা নাকি এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে। বাজারের উপর গালি গালাজ করছে এটা তো সিসি ক্যামেরা আছে আপনারা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলের বিষয় টা খোলাসা করতে পারবেন।

এই বিষয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গোলাম কিবরিয়া সোহেল বলেন- আমি এই বিষয় টি জানি কিন্তু বন্ধের সময়। পরে আমরা জানলাম এখানে কিছু দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে। অভিযুক্তদের বিষয়ে বললে তিনি বলেন এটা প্রশাসনিক বিষয় এটা তো আমাদের বলার কিছু নাই।

এই বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান- আমি ডিউটিতে ছিলাম পরে গিয়ে দেখি দরজা বন্ধ। ঐখানে চৌকিদার ও ছিলো। কিন্তু ভিতরে কি হয়েছে আমি কিছুই জানি না। চেয়ারম্যানের কোনো লোক না থাকায় ভিতরে ডুকি নাই।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দোফাদার নুরুল হুদা জানান- আমি বিষয় টা শুনেছি আমি থানায় ছিলাম পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি সব ভেঙে ফেলছে যা নেওয়ার সব নিয়ে গেছে।একেবারে সব লন্ডবন্ড করে ফেলেছে এখনো ঐ অবস্থায় রয়েছে। ঘটনা কে ঘটিয়েছে সে বিষয়ে তিনি বলেন- এখানে দুদু হদ্দারে গো একটা গ্রুপ ও বাদশা হদ্দারে গো একটা গ্রুপ ছিলো তাছাড়া ঐখানে যুবদলের জাফর উল্যাহ উপস্থিত ছিলো

এই বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানান-কোন চেয়ারম্যান, মহিউদ্দিন চেয়ারম্যান উনি তো এলাকায় থাকে না। অভিযোগ কারী কে, চেয়ারম্যান অভিযোগ করলে সে থানাতে অভিযোগ করুক পুলিশ আসুক তদন্ত করুক। এখানে কে ভাংচুর করছে কে কি করছে সেটা তো আমরা জানি না। এটা বলে তিনি কল কেটে দেন।

এই বিষয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জিয়া কে একাধিক কল করে ও তাকে কলে পাওয়া যায়নি।

এই বিষয়ে চর জব্বার থানার ওসি শাহীন মিয়া জানান- এই বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি, কিন্তু ঐ দিন বিষয় টা শুনছি পরে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি।কিন্তু এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে নাই। এখানে তাকে স্থানীয়রা ধাওয়া করছে পরে সে পালিয়ে যায়। কিন্তু এখানে ভাংচুর ও হামলার কোনো ঘটনা ঘটে নাই।

1

বকশীগঞ্জে বন্যহাতির আক্রমণে ১ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
বকশীগঞ্জে বন্যহাতির আক্রমণে ১ জনের মৃত্যু

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বন্য হাতির আক্রমণে জয়নাল আবেদীন (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের গারো পাহাড়ের সোমনাথ পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত জয়নাল আবেদীন স্থানীয় মির্ধাপাড়া এলাকার মৃত রমিজ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে পাহাড়ে লাকরি সংগ্রহের জন্য বাড়ি থেকে বের হন জয়নাল আবেদীন। সন্ধ্যায় বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। রাতে তাকে না পেয়ে শনিবার সকালে আবার খোঁজাখুঁজি করেত বের হন বাড়ির লোকজন ও স্বজনরা। পরে পাহাড়ের সোমনাথ পাড়া এলাকার জঙ্গল থেকে থেতলানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে রাতে বন্য হাতির আক্রমণে তিনি মারা গেছেন।
ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাপ জামাল জানান, ভারত থেকে কাটাতার পেরিয়ে আসা বন্য হাতির আক্রমণে জয়নাল আবেদীনের মৃত্যু হয়েছে।
বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)  মুরাদ হোসেন  জানান, বন্যহাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু খবর শোনেছি । নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।

1

আ.লীগের দোসর জাহাঙ্গীরের মামলায় সম্পাদকসহ ৪ জন অভিযুক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:৩০ পিএম
আ.লীগের দোসর জাহাঙ্গীরের মামলায় সম্পাদকসহ ৪ জন অভিযুক্ত

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

দর্শনা জয়নগরের হুন্ডি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ  প্রকাশ করায় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল রানাসহ ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন আওয়ামী লীগের দোসর জাহাঙ্গীর হোসেন। ৫ আগষ্ট পরবর্তী সীমান্ত শহর দর্শনা দিয়ে অনেক আ.লীগের দোসর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সহায়তাকারী হুন্ডি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর আলম কোন ক্ষমতা বলে তার হুন্ডি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নেপথ্যে জাহাঙ্গীরকে কে শক্তি যোগাচ্ছে তা নিয়ে সচেতন মহলের মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে ? অনেকেই মন্তব্য করে বলেছেন হুন্ডি ব্যবসায়ীদের কোন দল থাকে না, যে যখন ক্ষমতায় আসে রাতারাতি খোলস পাল্টে তারা সেই দলের লোক হয়ে যায়। হুন্ডি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আ.লীগের চিহ্নিত দোসর হলেও পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে বর্তমান রাজনীতির সাথে মিশে গেছেন। আর এ কাজের সহযোগি হিসাবে আছেন তার  ভাই সুরুজ মিয়া ও জাহিদ হাসান ও তারেক।
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী সরকার রাষ্ট্রীয়  ক্ষমতায় আসার পর কুষ্টিয়ার খোকসা থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন চুয়াডাঙ্গা দর্শনা পৌর এলাকার জয়নগরে নানার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সীমান্ত এলাকায় বসবাস করার সুযোগে হুন্ডি ব্যবসার সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। স্বর্ণ ও রূপা চোরাচালান ও মাদকের টাকা তার হাত দিয়ে ভারতে পাচার হতে থাকে। দিন দিন ভারত ও বাংলাদেশের হুন্ডি কারবারিদের সাথে তার চরম সখ্যতা গড়ে ওঠে। কয়েকদিনের ব্যবধানে আলিশান বাড়িসহ খোকসা নিজ এলাকায় নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলেন। ২০১৮ সালের ছোট একটি টোং দোকান থেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া জাহাঙ্গীরকে আর পায়কে। শুধু তাই নয় দেশের গোপনিয় খবর তার মাধ্যমে ভারতে পৌছিয়ে যায় বলে জনশ্রতি রয়েছে। জাহাঙ্গীরের নানা অপকর্ম নিয়ে গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দৈনিক আজকের বসুন্দরাসহ বিভিন্ন  পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে জাহাঙ্গীর  ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। প্রকাশ্যে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে  প্রাণনাশের হুমকি দেয় পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল রানাসহ তার সাংবাদিকদের ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ আনুমানিক দুপুর ২ টার দিকে যার কল রেকর্ড সুরক্ষিত আছে  । জীবনের নিরাপত্তা ঝুকির কথা চিন্তা করে সোহেল রানা দর্শনা থানায় ১১.১২.২৫ তারিখে একটি জিডি করেন। দর্শনা থানা পুলিশ জিডি তদন্তপূর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন সমন জারি হয় জাহাঙ্গীরের নামে। গত মে মাসের ২৫ তারিখে সমন পাওয়ার পর  থেকে বিভিন্ন ফেসবুক ফেক আইডি খুলে পত্রিকার সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের নামে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন  জাহাঙ্গীর  এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২  জুন ২০২৬ তারিখে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল রানা, পত্রিকার সাংবাদিক হাফিজুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম ও আসহাবুল আলমের নামে আদালতে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করে জাহাঙ্গীর। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা ডিবি পুলিশের উপর তদন্তভার দেন। সাংবাদিকদের নামে চিহ্নিত হুন্ডি ব্যবসায়ি মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করায় সাংবাদিক মহলসহ সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে জনশ্রুতি রয়েছে ৫ আগষ্ট পরবর্তী জাহাঙ্গীর আলম কিছুদিন আত্নগোপনে চলে যান। সুযোগ বুঝে এলাকায় ফিরে আসেন এবং জামাত ইসলাম দলে যোগদান করে তার  হুন্ডি ব্যবসার হাল ধরেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে জয়নগর গ্রামের কয়েকজন বলেন, ৫ আগষ্ট পরবর্তী এলাকার চিহ্নিত আ.লীগের দোসরদের রাতে আঁধারে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নিরাপদে ভারতে চলে যাবার সুযোগ করে দেন জাহাঙ্গীর। কারণ তার দেশে এবং ভারতে রয়েছে সিন্ডিকেট। ভারতে পালিয়ে  থাকা আ.লীগের দোষরদের সাথে ভারতীয় সিম ব্যবহার করে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে জোর গুঞ্জণ বাতাসে ভাসছে। বর্তমানে দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার হয়ে যাওয়া হুন্ডি টাকা তার মাধ্যমে পাচার হয়ে থাকে। তাই তিনি প্রকাশে বলে থাকেন আমার হাত অনেক উপরে। তোদের মত সাংবাদিকরা আমার বিরুদ্ধে লিখে কিছু করতে পারবি না। জেলার প্রশাসনের সব বিভাগের সাথে আমার রয়েছে যোগাযোগ। আমার বিরুদ্ধে কিছু লিখলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। ফলে এলাকাবাসির দাবি হুন্ডি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর সামান্ত এলাকায় বসবাস করে দেশের তথ্য, স্বর্ণ, রুপা ও মাদকের টাকা হুন্ডি মাধ্যমে ভারতে পাচার দেশের জন্য বড়হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। চিহ্নিত হুন্ডি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের গ্রেফতার জোর দাবি তুলেছে সচেতন মহল। সেই সাথে সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা করায় তিব্র নিন্দা জানিয়েছে সাংবাদিক মহল।

1

মির্জাপুর ভাওড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
মির্জাপুর ভাওড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজে মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

আনোয়ার হোসেন মির্জাপুর প্রতিনিধি:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা মোতাবেক মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল ৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর নির্দেশে ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজে আজ ২৫ জুন ২০২৬ ইং মাদকবিরোধী প্রচারণা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
এই মাদক বিরোধী প্রচারণা ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান । ভাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন সম্রাট ।, মোঃ জাহিদ সরকার ,যূগ্ন সম্পাদক ও সভাপতি ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজ এডহক কমিটি। অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোঃ আনোয়ার হোসেন । ভাওড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম খান। মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য শাহ- আলম । । ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান ।ভাওড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য মোঃ যুবরাজ ইসলাম। ছাত্রদলের আহ্বায়ক খোকন মিয়া ভাওড়া স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা , ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক বৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।
সকল বক্তাগণ মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এবং যদি কেউ মাদক গ্রহণ করে তাহলে তাকে ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করার জন্য বলেন । বক্তারা আরও বলেন আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নেবেন না বাড়ি ঘর ভাঙচুর করবেন না । প্রয়োজনে আমাদেরকে ফোন দিবেন ।
আয়োজনে ভাওড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন।