শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

নরসিংদীতে অজ্ঞাতনামা হত্যার মামলার আসামি গ্রেফতার।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:০৫ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নরসিংদীতে অজ্ঞাতনামা হত্যার মামলার আসামি গ্রেফতার।

 

মোঃ কামাল হোসেন প্রধান, জেলা প্রতিনিধি নরসিংদী :

গত ২১ /১ /২০২৫ ইং মঙ্গলবার সকাল ৮.৩০ ঘটিকার সময় মনোহরদী থানাধীন শুকুন্দি ইউনিয়নের চর নারান্দি সাকিনিয়া সম্মানীয় ব্রিজের দক্ষিণ ডালে স্থানীয় কৃষকরা মাঠে কাজ করার সময় বস্তা বন্দি অবস্থায় সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পেয়ে মনোহরদী থানা পুলিশকে অবগত করেন। মনহরদী থানা পুলিশ পি বি আই পুলিশ নরসিংদীকে অবগত করাইলে পি বি আই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে বস্তা বন্দী ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেন। উক্ত মৃত ব্যক্তির নাম শাহিন আলম ,(২৯) পিতা ঃ মোঃ নজরুল ।মাতা ঃ রহিমা বেগম, সাং ঃ ডনডনিয়া , ইউনিয়ন ঃ রুপসি, থানা ঃ ফুলপুর, জেলাঃ ময়মনসিংহ পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হন। জানা যায়, গত ২০/১/২৫ ইং সকাল ১০.৩০ ঘটিকা হইতে ২১/১/২৫ ইং সকাল ৮.৩০ ঘটিকা মধ্যবর্তী যেকোনো সময় উক্ত ডিজিট ব্যক্তিকে পরস্পর যোগসাজে গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করিয়া হত্যা করে লাশ গুণ করার উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দী অবস্থায় ঘটনাস্থলে ফেলে যায় । পরবর্তীতে সহকারী পুলিশ সুপার , শিবপুর সার্কেল মোঃ রায়হান সরকার এর নির্দেশ মোতাবেক মোবাইলের প্রযুক্তির মাধ্যমে উক্ত আসামীদ্বয়কে তাহাদের বসতবাড়ি হইতে আটক করিয়া জিজ্ঞাসা বাদে উক্ত হত্যা মামলার সাথে জড়িত থাকা আসামি লোমহর্ষক ঘটনার কথা স্বীকার করিলে মনোহরদী থানায় নূরুল আমিন (৩৫) পিতা ঃ মৃত নজরুল ইসলাম কে বাদী করে হত্যা ও লাশ গুণ করার মামলার অজু করেন। মামলার নং ১৪ তারিখ ২২/১/২৫ ইং ধারা ঃ ৩০২/২০১/৩৪ দঃ বিঃ । মোঃ রায়হান সরকার সহকারী পুলিশ সুপার , শিবপুর সার্কেল এর দিকনির্দেশনায় এবং সার্বিক সহযোগিতায়, মনোহরদী থানা অফিসার্স ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার ,শিবপুর মডেল থানা ও মনোহরদী থানার চৌকোষ পুলিশ অফিসার নিয়ে একটি তদন্ত ও অভিযান টিম গঠন করিলে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা বৃন্দ আসামিদ্বয়কে তাহাদের বসতবাড়ি হইতে আসামি ১/শান্তা বেগম (৩৭) স্বামী সিদ্দিকুর রহমান পিতা-মৃত কাছম আলী, মাতা,জোসনা বেগম ২/ মোহাম্মদ মোস্তফা (৩৮) প্রাইভেট কার ড্রাইভার , পিতা তাহের আলী, মাতা জোসনা বেগম, উভয় সাং পাঁচ কান্দির দক্ষিণপাড়া, থানা মনোহরদী কে আটক করিয়া জিজ্ঞাসা বাদে উক্ত মামলার সহিত জড়িত থাকার ঘটনার কথা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রকাশ করিলে আসামির দেওয়া তথ্য মোতাবেক একটি এক্স কোরলা প্রাইভেট কার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো – গ । ৩৩-১২২২ , লাশ গুম করার জন্য ব্যবহৃত প্রাইভেট কার, একটি প্লাস্টিকের বস্তা ,একটি গামছা ,একটি মাস্ক , একটি মাথার টুপি ,একজোড়া স্যান্ডেল জুতা এবং নগদ ৯০ টাকা জব্দ করতে সক্ষম হন এবং পরকীয়া প্রেম সংক্রান্ত ঘটনার কারণে উক্ত ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে জানাযায়।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।