মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

সুবর্ণচরে যুবদল নেতাদের নেতৃত্বে চেয়ারম্যানের বাড়িতে লুট ভাংচুর ও হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ৮:৩৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সুবর্ণচরে যুবদল নেতাদের নেতৃত্বে চেয়ারম্যানের বাড়িতে লুট ভাংচুর ও হামলা

মামুন রাফী, স্টাফ রিপোর্টারঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর যুবদলের নেতৃত্বে ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মহি উদ্দিন চৌধুরীর বাড়িতে হামলা লুট ও ভাংচুর করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ৭ টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আক্তার মিয়ার হাট সংলগ্ন মহি উদ্দিন চৌধুরীর বাড়িতে এই হামলা করা হয়েছে। এতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জাফর উল্যাহ ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম, ও মাসুদের নেতৃত্বে এই ঘটনা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মহি উদ্দিন চৌধুরী।

এই সময় তার বাসা থেকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণ ও প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে যায় সন্ত্রাসী দল। এতে চান্দা চোরা,কাল্লা ডাকাত,শাহাদাত চোরা,কামরুল, কালা, নাহিদ,এরা সহ আরো ২০-৩০জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল এই ভাংচুর করে বলে জানা যায়।

এই বিষয়ে আলহাজ্ব মহি উদ্দিন চৌধুরী বলেন- ৫ আগস্ট এর পর থেকে আমার প্রজেক্টে বহু বার মাছ লুট করেছে স্থানীয় যুবদলের কিছু নেতৃবৃন্দরা। এবার দীর্ঘ দিন পর আমি আমার পরিষদের উদ্দেশ্যে বাড়িতে আসলে তারা আমাকে আক্তার মিয়ার হাট বাজারের উপর অকথ্য ভাষায় গালি দেয়।এরপর যুবদলের সভাপতি জাফর উল্যাহ ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম এবং মাসুদ এর একটি দল আমাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে আমার বাসায় এসে হামলা করে। এই সময় আমি পিছনে দরজা দিয়ে বের হই। কিন্তু তারা আমার বাড়ির দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে ডুকে আমার ঘরে থাকা দুইটি বড় সুকিজ ভেঙে নগদ ৫ লাখ টাকা, ৩ ভরি স্বর্ণ সহ আমার প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে যায়। এর আগে আমাকে ২০ লক্ষ টাকা দিতে বলে আমি দিতে নারাজ হওয়ায় তারা এই হামলা করে।

স্থানীয়দের তথ্য মতে অভিযুক্তরা একাধিক মামলার আসামী ও বিগত বছর গুলোতে চুরি ডাকাতি সহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান- দেখলাম তো ওনার বাসা বাজারের উপরে ওনার আসবাবপত্র যাবতীয় বাসার জিনিস পত্র ছিলো এগুলো ভাংচুর করা হয়েছিলো। আমরা সকলের নিকট শুনছি যুবদলের ওনারা নাকি এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে। বাজারের উপর গালি গালাজ করছে এটা তো সিসি ক্যামেরা আছে আপনারা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলের বিষয় টা খোলাসা করতে পারবেন।

এই বিষয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গোলাম কিবরিয়া সোহেল বলেন- আমি এই বিষয় টি জানি কিন্তু বন্ধের সময়। পরে আমরা জানলাম এখানে কিছু দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে। অভিযুক্তদের বিষয়ে বললে তিনি বলেন এটা প্রশাসনিক বিষয় এটা তো আমাদের বলার কিছু নাই।

এই বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান- আমি ডিউটিতে ছিলাম পরে গিয়ে দেখি দরজা বন্ধ। ঐখানে চৌকিদার ও ছিলো। কিন্তু ভিতরে কি হয়েছে আমি কিছুই জানি না। চেয়ারম্যানের কোনো লোক না থাকায় ভিতরে ডুকি নাই।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দোফাদার নুরুল হুদা জানান- আমি বিষয় টা শুনেছি আমি থানায় ছিলাম পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি সব ভেঙে ফেলছে যা নেওয়ার সব নিয়ে গেছে।একেবারে সব লন্ডবন্ড করে ফেলেছে এখনো ঐ অবস্থায় রয়েছে। ঘটনা কে ঘটিয়েছে সে বিষয়ে তিনি বলেন- এখানে দুদু হদ্দারে গো একটা গ্রুপ ও বাদশা হদ্দারে গো একটা গ্রুপ ছিলো তাছাড়া ঐখানে যুবদলের জাফর উল্যাহ উপস্থিত ছিলো

এই বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানান-কোন চেয়ারম্যান, মহিউদ্দিন চেয়ারম্যান উনি তো এলাকায় থাকে না। অভিযোগ কারী কে, চেয়ারম্যান অভিযোগ করলে সে থানাতে অভিযোগ করুক পুলিশ আসুক তদন্ত করুক। এখানে কে ভাংচুর করছে কে কি করছে সেটা তো আমরা জানি না। এটা বলে তিনি কল কেটে দেন।

এই বিষয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জিয়া কে একাধিক কল করে ও তাকে কলে পাওয়া যায়নি।

এই বিষয়ে চর জব্বার থানার ওসি শাহীন মিয়া জানান- এই বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি, কিন্তু ঐ দিন বিষয় টা শুনছি পরে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি।কিন্তু এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে নাই। এখানে তাকে স্থানীয়রা ধাওয়া করছে পরে সে পালিয়ে যায়। কিন্তু এখানে ভাংচুর ও হামলার কোনো ঘটনা ঘটে নাই।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব