মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

কফি চাষ করে সফল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:৪২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কফি চাষ করে সফল

 

মো: রনি, ধনবাড়ী টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

ছানোয়ার হোসেনের বয়স ৫০। পেশায় ছিলেন শিক্ষক। পরে শিক্ষকতার মহান পেশা ছেড়েও পেয়েছে সফল কৃষকের খ্যাতি। পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় বঙ্গবন্ধু কৃষি স্বর্ণপদক। কৃষক ছানোয়ার হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা গ্রামে। তিনি জামাল হোসেনের ছেলে।

লাল মাটির পাহাড়ে কলা, আনারস,ভুট্টা, পেঁপে, ড্রাগন ফল ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির পর করেন কফি চাষ। কফি চাষেও সফল হন তিনি। গড়ে প্রতি বছর প্রায় এক টন কফি উৎপাদন করছেন তিনি। এছাড়া কফিসহ কমপক্ষে ১০ ধরনের ফলের চাষাবাদ হচ্ছে তার বাগানে।

নিরাপদ ফল উৎপাদনে এলাকার মানুষের কাছে আদর্শ চাষিও এখন ছানোয়ার। অনেকেই গ্রামটিতে আসছেন তার কফি বাগান দেখাসহ চাষাবাদের পরামর্শও নিতে। মধুপুর গড়ের উঁচু ও লাল মাটিতে আনারস, কলা, পেঁপের মতো কফি চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনাও দেখিয়েছেন তিনি।

এরই ধারাবাহিকতায় কফিচাষকে এ অঞ্চলের কৃষিতে নতুন ফসল হিসেবে যোগ করতে কাজ শুরু করেছে কৃষি বিভাগ। সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এরই মধ্যে কাজু বাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষি বিভাগও কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ কফির চারা বিতরণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কৃষক ছানোয়ার হোসেন।

কফির পাশাপাশি ২৮০টি ড্রাগন ফল, ১৯টি সৌদি খেজুর, ৫০০ পেঁপে, এক হাজার মাল্টা, ৫০০ লেবু, আনারস, ঔষধি, কলা, জাম্বুরা গাছে ভরপুর কৃষক ছানোয়ার হোসেনের বাগান। বর্তমানে প্রায় ১৫ একর জমিতে চলছে তার এই চাষাবাদ।

জানা যায়, দেবদারু চারার মতো অনেকটাই দেখতে কফির চারা। কফির পাকা গুটিগুলো দেখতে টক টকে লাল এবং কোনো কোনোটা কাঁচা হলুদের মতো। কাঁচাগুলো সবুজ। মার্চ থেকে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রতিটি পরিপক্ক গাছে ফুল ধরা শুরু হয়। মে থেকে জুন মাসের মধ্যে ফুল থেকে গুটিতে পরিণত হয়। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে গুটিগুলো পরিপক্ক হয়। লালচে হয়ে যাওয়া কফির ফল গাছ থেকে সংগ্রহ করে প্রথমে পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হয়।

 

এরপর লম্বা সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। একটু নরম হওয়ার পর কফির ওপরের চামড়া ছাড়িয়ে নিতে হয়। পরে গুটিগুলো রৌদে শুকিয়ে নিতে হয়। বাজারজাত ও কফিপান করার উপযোগী করতে মেশিনের মাধ্যমে গুড়া পাউডারের মতো করে নিতে হয়। আবার কফির বীজ থেকে চারা উৎপাদনও করা যায়।

এছাড়া ফলন ভালো ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হেক্টর প্রতি ৭৫০ থেকে ১০০০ কেজি এবং বছরে গাছ প্রতি পাঁচ কেজি কফি পাওয়া সম্ভব। তাছাড়া ফলন দেওয়া শুরু হলে গাছগুলো থেকে এক টানা ২০ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত কফি পাওয়া যায়।

মধুপুর উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, কাজু বাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত মধুপুরের ১২০ জন কৃষক ৩৫ হেক্টর জমিতে কফি চাষ শুরু করেছেন। চাষাবাদ বৃদ্ধিতে ২০২১-২২ অর্থবছরে কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ প্রথম পর্যায়ে ৫৩ জন কৃষকের মধ্যে সাড়ে সাত হাজার কফির চারা বিতরণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাতটি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করাসহ জনপ্রতি ১৩৫টি করে মোট ৯৪৫টি কফি চারা দেওয়া হয়। কৃষি বিভাগ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে আট হাজার কফির চারা বিতরণ করা হয়েছে।

বিশ্বে ৬০ প্রজাতির কফি থাকলেও এ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা জাতের কফি চাষ শুরু হয়েছে। চাষ উপযোগী আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুকূল থাকায় মধুপুর পাহাড়ি এলাকায় উন্নতমানের এবং ঘ্রাণের কফি চাষের বিশেষ কার্যক্রম চলমান। রোবাস্টা জাতের কফি চাষে বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল ও টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের আবহাওয়া আর মাটি যথেষ্ট উপযোগী বলেও জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কফি চাষি ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘২০১৭ সালে রাঙ্গামাটি জেলার রায়খালী থেকে ২০০ চারা সংগ্রহ করে উপজেলায় প্রথম কফি চাষ শুরু করি। চাষ শুরুর দুই বছর পর থেকেই কফি বিক্রি করতে পারছি। বর্তমানে প্রায় ৫০ শতাংশ জমিতে কফির আবাদ রয়েছে। আমার বাগানে অ্যারাবিক ও রোবাস্টা জাতের কফি গাছ আছে। প্রতি বছর আমি গড়ে প্রায় এক টন কফি বিক্রি করতে পারছি। এ ছাড়া কফির বীজ থেকে চারাও তৈরি করছি।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমার বাগানের ৫০০ কফি গাছে ফলন হচ্ছে। গত সাত বছরে কফি বাগান বাবদ আমার তিন লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। তবে এরই মধ্যে আমি প্রায় দ্বিগুণ টাকা আয় করতে পেরেছি। এভাবে টানা ২০ বছর আয় হবে বলে আশা করছি।’

ছানোয়ার জানান, প্রসাধনী কোম্পানির মাধ্যমে আমি প্রতি কেজি উৎপাদিত গ্রিন কফি দুই হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করছি। উৎপাদিত কফির মধ্যে ১৮ প্রকারের স্বাদ ও গন্ধ আছে। বাজারজাত ও কফি পান করার উপযোগী করতে মেশিনের মাধ্যমে কফি বীজ গুঁড়া করে নিতে হয়। কফি প্রক্রিয়াজাত করার কাজটিই কঠিন। এ কারণে আমি কফি প্রক্রিয়াজাত করার মেশিন কিনেছি। কফিকে একটি বড় শিল্পে পরিণত করাই এখন আমার স্বপ্ন।’

মধুপুরসদহ দেশের কয়েক স্থানে শখের বশে ও বাণিজ্যিকভাবে কফির সফল চাষাবাদ হচ্ছে। দেশের মাটিতে কফি চাষের বিরাট সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। কৃষকের আগ্রহ কাজে লাগিয়ে কফি চাষের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে মনে করেন ছানোয়ার।

মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্নী বলেন, ‘উপজেলায় অ্যারাবিক ও রোবাস্টা জাতের কফি চাষ হচ্ছে। কৃষক ছানোয়ার হোসেন উপজেলায় ২০১৭ সাল থেকে কফি চাষ শুরু করলেও কাজু বাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ কফির চারা বিতরণ করেছে কৃষি বিভাগ।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে উপজেলায় কফি চাষের কৃষক সংখ্যা ১২০ জন। আবাদ হচ্ছে ৩৫ হেক্টর জমিতে। উপজেলার কৃষক ছানোয়ার হোসেন ব্যক্তি উদ্যোগে কফি বিক্রি করলেও বাণিজ্যিকভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাতজন কৃষকের সাতটি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করাসহ জনপ্রতি ১৩৫টি করে মোট ৯৪৫টি কফির চারা দেওয়া হয়েছে।’

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কবির হোসেন বলেন, ‘মধুপুরের মাটির উর্বরা শক্তি কফি চাষের উপযোগী। এলাকায় সহজে বন্যার পানি ওঠে না, তেমন খরাও হয় না। বৃষ্টিপাত ও মাটির গঠন বিন্যাস মিলে গড় এলাকার লাল মাটিতে কফি চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনি আরও জানান, কফিকে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজু বাদাম ও কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ কফির চারা বিতরণ করা হচ্ছে।

১৯৮৮ সালে মধুপুরের চাপড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৯০ সালে কালিহাতী কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৯২ সালে মধুপুর কলেজ থেকে ডিগ্রী সম্পন্ন করেন ছানোয়ার হোসেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩-৯৮ সাল পর্যন্ত সিলেটের রেঙ্গাহাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজী শিক্ষক এবং পরবর্তী দু’বছর জেলার ঘাটাইলের গারোবাজার সুনামগঞ্জ পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। এরপরই শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে এসে নিজ গ্রামে শুরু করেন চাষাবাদ।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব