মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

আমতলীতে পরিবেশবান্ধব কাগজের কলম তৈরি,মাটিতে পুঁতলেই হবে গাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:১৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আমতলীতে পরিবেশবান্ধব কাগজের কলম তৈরি,মাটিতে পুঁতলেই হবে গাছ

 

মিথুন কর্মকার , আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

কাগজ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে কলম, লেখা শেষে সেই কলম মাটিতে পুঁতলেই হবে গাছ। এমনই এক চমকপ্রদ কলম তৈরি করেছেন বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার দশম শ্রেণীর ছাত্র আমিরুল ইসলাম। সদর ইউনিয়নের সেকান্দারখালী গ্রামের মনিরুল হাওলাদারের ছেলে।

কাগজ, কলমের শীষ ও বীজ দিয়ে তৈরি এই পরিবেশবান্ধব কলম নজর কেড়েছে সবার।সহপাঠী ও প্রতিবেশীরা বলছেন, আমিরুলের তৈরি এই কলম একদিকে লেখার কাজ করবে, অন্যদিকে সবুজ বনায়নে সহায়তা করবে। আমিরুলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই।

আমিরুল ইসলাম বলেন কাগজ, আঠা, কলমের শীষ ও ফলজ গাছ বা সবজি বীজ দিয়ে বানানো হয়েছে এই কলম। এতে খরচ পড়েছে ৩ টাকার মত। বাজারে যেসব কলম পাওয়া যায় সেগুলো প্লাস্টিকের, আমার কলম ৯৫ শতাংশ কাগজ ও বীজ দিয়ে তৈরি। তিনি আরও বলেন, আমার এই কলম তৈরির উদ্দেশ্য হচ্ছে তরুণ সমাজকে একটি বার্তা দেওয়া, যেন সবাই সবুজায়নের মধ্যে থাকে। অধিকাংশ মানুষ কিন্তু প্লাস্টিক বাসায় নিয়ে আসে এবং এটি পরিবেশকে দূষণ করছে। প্লাস্টিকের ব্যবহারের দিকে কেউ খেয়াল করছে না। এই কলমটা সকলেই ব্যবহার করতে পারব।কোন ব্যক্তি অন্তত একটি গাছ লাগাবে অথবা আমার এই কলমটি যদি ফেলেও দেয় তাহলে গাছ হবে। আমি চাই শিক্ষার্থীসহ সকলে এমন কলম বানানো ও ব্যবহারে এগিয়ে আসুক।

তিনি আরো বলেন, আমি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয়, দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এমন কাজ করছি। কেউ চাইলে তার ছবি অথবা তার পছন্দ মত লেখা ও ডিজাইন করেন কলম বানিয়ে দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে আমারা আমতলীবাসী সংগঠনের সভাপতি মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, আমিরুল একজন স্বেচ্ছাসেবক সদস্য। তিনি যে কাজটা করেছে, এটি আসলেই ব্যতিক্রমী কাজ। কলমে সুন্দর লেখা হয় এবং লেখা শেষে ফেলে দিলে পচে যাবে। বীজ বপন করলে গাছ হবে। আমিরুলের মঙ্গল কামনা করছি এবং সরকারের পক্ষ থেকে তাকে পৃষ্ঠপোষকতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।

1

পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২২ এম
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সাতক্ষীরার সম্মেলন কক্ষে ফেব্রুয়ারি-২০২৬ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল,বিপিএম মহোদয়।

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সাতক্ষীরা জেলার ফেব্রুয়ারি-
২০২৬ মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান,আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মামলা রুজু ও নিষ্পত্তি,গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের তদন্তের অগ্রগতি, ওয়ারেন্ট ও সমন তামিল,আলামত ও অপমৃত্যু মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, ট্রাফিক আইনের প্র‍য়োগ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়। জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোয়েন্দা নজরদারির উপর জোর দিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহের প্রতি পুলিশ সুপার মহোদয় গুরুত্বারোপ করেন। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সকল সার্কেল অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জদের পুলিশ সুপার মহোদয় নিয়মিত মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করাসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২০ এম
সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম মহোদয়।

কল্যাণ সভার শুরুতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী বিগত মাসের কার্যবিবরণীর গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদন সমূহ উপস্থাপন করেন।

পুলিশ সুপার মহোদয় সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অধিকাংশ সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধানসহ বাকি সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার মহোদয় সকল অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্যে সার্ভিসরুলস মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ডিউটি করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। মেসে উন্নত খাবার পরিবেশন,ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান করা, ছুটি ও টিএ বিলে ন্যায্যতা রাখা,স্বাস্থ্য সচেতনতা, ব্যক্তিগত ও আবাসস্থলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার এবং জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা মহোদয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, ডাঃ আবু হোসেন, পুলিশ হাসপাতাল, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৭ এম
সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাদরা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানিক দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় পাতার বিড়ি ও ঔষধ আটক করে।

মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩ এস এর ১১ আরবি হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন চান্দা মাঠ নামক স্থান হতে ১০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় পাতার বিড়ি আটক করে।

এছাড়া ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের বিশেষ আভিযানিক দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন তুজলপুর নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

আভিযানিক দল সর্বমোট=৮০,০০০/-(আশি হাজার) টাকা মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে।

চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস এ জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।