শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন এর রিপোর্টের প্রতিবাদ ও সংশোধনের আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ৮:০৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন এর রিপোর্টের প্রতিবাদ ও সংশোধনের আহ্বান

ডা.এম.এ.মান্নান:

ড.একে আজাদ স্যারের নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাত সংষ্কার কমিশন সুপারিশ প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস স্যারের কাছে পেশ করেছেন।

বৈষম্য বিরোধী হোমিও আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি দল ড.এ কে আজাদ স্যারের সাথে সাক্ষাৎ করে হোমিও চিকিৎসাকে সংষ্কার কমিশনের রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করার যৌক্তিক প্রস্তাবনা পেশ করেন এবং কমিশন প্রধান ড.এ কে আজাদ স্যার উক্ত প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেছিলেন।

এতদ সত্বেও আজাদ স্যার কর্তৃক আশ্বাসের কোন প্রতি ফলন এ রিপোর্টে না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সমন্বিত স্বাস্থ্য সেবার আওতায় হোমিও চিকিৎসা শিক্ষা যথাযথ অবস্থান পাবে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট হোমিও সমাজের এমনটাই প্রত্যাশা।

আমাদের অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবার কমিশন প্রদত্ত চিত্রটা কিসের ভিত্তিতে করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

সরকারি ডাক্তার হিসাবে এম বি বি এস গন বিশেষায়িত হাসপাতালে থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র পর্যন্ত নিয়োজিত, স্বাস্থ্যসেবার সহায়ক ভূমিকায় সকল বিভাগ থেকে রোগী চিকিৎসার চিত্র লক্ষনীয়,সবার নীচে- ইউনানি /আউর্বেদ-০.২ %,তার উপরে হোমিওপ্যাথি-১.১%।স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার অনুমোদন নেই তারাও অনেক গুণ বেশি রোগী চিকিৎসা দিয়েছেন।

সরকারি ১টি মাত্র ১০০ বেডের হাসপাতাল সহ হোমিও মেডিকেল ডিগ্রি কলেজ, ২০০৮সাল থেকে শতাধিক মেডিকেল অফিসার এ এম সি-র মাধ্যমে নিয়োগ হলেও ডেপুটেশন নিয়ে অনেকেই মেডিকেল কলেজ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োজিত, সে সকল হাসপাতালে হোমিও চিকিৎসা চালু নেই,২০১২ সালে এ এম সি ডি এইচ এম এস ডা.দের সহকারী মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগ সুপারিশ হলেও আজ পর্যন্ত একজন ও নিয়োগ পায়নি,, একই সভায় ও স্মারকের পত্রে ত্রিশোর্ধ
হাসপাতাল এ মেডিকেল অফিসার পদ সৃষ্টির উল্লেখ থাকলেও উভয়ই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় নাই।

চালু স্বল্প সংখ্যক হোমিও সেকশনে একজন মেডিকেল অফিসার হোমিও ইউনিট সচল রেখেছেন কিন্তু ঔষধ বিতরণকারী নেই, তাছাড়া এম.ও এর অনুপস্থিতিতে সহকারী মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগ না থাকায় হোমিও চিকিৎসা সেবা কার্যতঃ বন্ধই থাকে। তাই এ সেবার চিত্রটি শুধু মাত্র অস্তিত্ব রক্ষা বলা চলে।

স্বাস্থ্য সংষ্কার কমিশনে আমাদের উপস্থাপনকৃত
সেক্টর গুলোর রোগী সেবার তথ্য সংগ্রহ করলে, জন সাধারণের মাঝে জনশুনানীতে বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে জরীপ করলে হোমিও চিকিৎসা সেবার চিত্র অবশ্যই ভিন্নতর হতো।

সরকার অনুমোদিত ৬৬টি ও প্রস্তাবিত মিলিয়ে শতাধিক হোমিও মেডিকেল কলেজের হাসপাতাল,ইসলামিক ফাউন্ডেশন সহ অন্যান্ন দাতব্য চিকিৎসালয়,ইসলামিক মিশন কেন্দ্রে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ওয়ার্ড পর্যায়ে,মানবাধিকার হোমিও দাতব্য চিকিৎসালয় সহ কমিশনে পেশকৃত সারাদেশে হোমিও চিকিৎসা প্রদানরত সেকশনের রোগীর হিসাব ধরা হলে–
এক বছরে সেবাগ্রহীতার যে চিত্র কমিশন তুলে ধরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ হত না, কিসের তথ্যের ভিত্ত্বিতে এ শতকরা সেবা হিসাব করা হয়েছে তা বোধগম্য নয়। জুলাই ২০০১ থেকে জুন ২০০২ এক বছরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইসলামিক মিশন বোয়ালমারী কেন্দ্রের তুলনামূলক চিকিৎসার চিত্র তুলে ধরলাম-

এলোপ্যাথিক সেকশনের জনবল-২ জন এম বি বি এস, ১জন ফার্মাসিষ্ট,১জন ল্যাবঃটেকনিশিয়ান,১ জন লেডি ফার্মাসিষ্ট, ২জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, ঔষধ ক্রয়ের জন্য ২৭০০০/- মাসিক বাজেট রোগী দেখেছেন মোট ২১,০৬১ জন।

হোমিও চিকিৎসা সেকশন জনবল- চিকিৎসক হোমিওপ্যাথ -১জন,হোমিও কম্পাউন্ডার- ১জন।

ঔষধ ক্রয় বাজেট-মাসিক ২০০০/-করে ২৪০০০/- রোগী দেখেছি-১০,২২৩ জন,টিকিট বিক্রির আয়-২০৪৪৬/- আর-ও ঔষধ অবশিষ্ট থাকে।

এমন চিত্র সারা দেশে নিরপেক্ষভাবে জরীপে পাওয়া যাবে বিধায় প্রদত্ত রোগী চিকিৎসার চিত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সর্বজনের।

২০১৫ সনের বিবিসি ও আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের জরীপে
৪০% রোগী হোমিও চিকিৎসা নেয়। এবার-ও উন্মুক্ত জরীপ অথবা হোমিও চিকিৎসক প্রতিনিধি স্বাস্থ্য সংষ্কার কমিশনে অন্তর্ভুক্তির দাবি মেনে অন্তত একজন হোমিও চিকিৎসককে সম্পৃক্ত করলেও প্রতিবেদনে
হোমিও চিকিৎসিত রোগীর সঠিক চিত্র তুলে ধরা যেত।

এমতাবস্থায় স্বাস্থ্য সংষ্কার কমিটি সংক্রান্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা এবং স্বাস্থ্য সংষ্কারে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজে হোমিও প্রতিনিধি সংযুক্ত করে সংশোধন করার দাবি জানাচ্ছি।

আমাদের মতামত এবং স্বাস্থ্য সংষ্কার কমিশনে পেশকৃত প্রস্তাব ও মন্ত্রনালয়ে দাখিলকৃত ১৭ দফা বিবেচনায় নিয়ে সরকারের দ্বায়িত্বশীলদের স্বাস্থ্যসেবা জনবান্ধন করতে হোমিও চিকিৎসা শিক্ষা ও চিকিৎসক দের সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

1

রাজশাহী জেলা ও মহানগর শ্রমিকদলের উদ্যোগে মহান মে দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
রাজশাহী জেলা ও মহানগর শ্রমিকদলের উদ্যোগে মহান মে দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে

জাকারিয়া আল ফয়সালঃ

শুক্রবার (১ মে) নগরীর বাটারমোড় এলাকায় সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে একটি র‍্যালী বের করা হয়। র‍্যালীটি বাটারমোড় থেকে শুরু হয়ে সোনাদীঘির মোড়, জিরো পয়েন্ট ঘুরে পুনরায় বাটারমোড়ে এসে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রোকনুজ্জামান আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহিন শওকত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মামুন অর রশীদ এবং সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল, জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম তোতা, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল বারেক শেখ, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে বক্তারা মহান মে দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। তারা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।