বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন এর রিপোর্টের প্রতিবাদ ও সংশোধনের আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ৮:০৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন এর রিপোর্টের প্রতিবাদ ও সংশোধনের আহ্বান

ডা.এম.এ.মান্নান:

ড.একে আজাদ স্যারের নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাত সংষ্কার কমিশন সুপারিশ প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস স্যারের কাছে পেশ করেছেন।

বৈষম্য বিরোধী হোমিও আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি দল ড.এ কে আজাদ স্যারের সাথে সাক্ষাৎ করে হোমিও চিকিৎসাকে সংষ্কার কমিশনের রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করার যৌক্তিক প্রস্তাবনা পেশ করেন এবং কমিশন প্রধান ড.এ কে আজাদ স্যার উক্ত প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেছিলেন।

এতদ সত্বেও আজাদ স্যার কর্তৃক আশ্বাসের কোন প্রতি ফলন এ রিপোর্টে না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সমন্বিত স্বাস্থ্য সেবার আওতায় হোমিও চিকিৎসা শিক্ষা যথাযথ অবস্থান পাবে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট হোমিও সমাজের এমনটাই প্রত্যাশা।

আমাদের অভিযোগ স্বাস্থ্যসেবার কমিশন প্রদত্ত চিত্রটা কিসের ভিত্তিতে করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

সরকারি ডাক্তার হিসাবে এম বি বি এস গন বিশেষায়িত হাসপাতালে থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র পর্যন্ত নিয়োজিত, স্বাস্থ্যসেবার সহায়ক ভূমিকায় সকল বিভাগ থেকে রোগী চিকিৎসার চিত্র লক্ষনীয়,সবার নীচে- ইউনানি /আউর্বেদ-০.২ %,তার উপরে হোমিওপ্যাথি-১.১%।স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার অনুমোদন নেই তারাও অনেক গুণ বেশি রোগী চিকিৎসা দিয়েছেন।

সরকারি ১টি মাত্র ১০০ বেডের হাসপাতাল সহ হোমিও মেডিকেল ডিগ্রি কলেজ, ২০০৮সাল থেকে শতাধিক মেডিকেল অফিসার এ এম সি-র মাধ্যমে নিয়োগ হলেও ডেপুটেশন নিয়ে অনেকেই মেডিকেল কলেজ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োজিত, সে সকল হাসপাতালে হোমিও চিকিৎসা চালু নেই,২০১২ সালে এ এম সি ডি এইচ এম এস ডা.দের সহকারী মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগ সুপারিশ হলেও আজ পর্যন্ত একজন ও নিয়োগ পায়নি,, একই সভায় ও স্মারকের পত্রে ত্রিশোর্ধ
হাসপাতাল এ মেডিকেল অফিসার পদ সৃষ্টির উল্লেখ থাকলেও উভয়ই পদে নিয়োগ দেওয়া হয় নাই।

চালু স্বল্প সংখ্যক হোমিও সেকশনে একজন মেডিকেল অফিসার হোমিও ইউনিট সচল রেখেছেন কিন্তু ঔষধ বিতরণকারী নেই, তাছাড়া এম.ও এর অনুপস্থিতিতে সহকারী মেডিকেল অফিসার পদে নিয়োগ না থাকায় হোমিও চিকিৎসা সেবা কার্যতঃ বন্ধই থাকে। তাই এ সেবার চিত্রটি শুধু মাত্র অস্তিত্ব রক্ষা বলা চলে।

স্বাস্থ্য সংষ্কার কমিশনে আমাদের উপস্থাপনকৃত
সেক্টর গুলোর রোগী সেবার তথ্য সংগ্রহ করলে, জন সাধারণের মাঝে জনশুনানীতে বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে জরীপ করলে হোমিও চিকিৎসা সেবার চিত্র অবশ্যই ভিন্নতর হতো।

সরকার অনুমোদিত ৬৬টি ও প্রস্তাবিত মিলিয়ে শতাধিক হোমিও মেডিকেল কলেজের হাসপাতাল,ইসলামিক ফাউন্ডেশন সহ অন্যান্ন দাতব্য চিকিৎসালয়,ইসলামিক মিশন কেন্দ্রে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ওয়ার্ড পর্যায়ে,মানবাধিকার হোমিও দাতব্য চিকিৎসালয় সহ কমিশনে পেশকৃত সারাদেশে হোমিও চিকিৎসা প্রদানরত সেকশনের রোগীর হিসাব ধরা হলে–
এক বছরে সেবাগ্রহীতার যে চিত্র কমিশন তুলে ধরেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ হত না, কিসের তথ্যের ভিত্ত্বিতে এ শতকরা সেবা হিসাব করা হয়েছে তা বোধগম্য নয়। জুলাই ২০০১ থেকে জুন ২০০২ এক বছরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইসলামিক মিশন বোয়ালমারী কেন্দ্রের তুলনামূলক চিকিৎসার চিত্র তুলে ধরলাম-

এলোপ্যাথিক সেকশনের জনবল-২ জন এম বি বি এস, ১জন ফার্মাসিষ্ট,১জন ল্যাবঃটেকনিশিয়ান,১ জন লেডি ফার্মাসিষ্ট, ২জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, ঔষধ ক্রয়ের জন্য ২৭০০০/- মাসিক বাজেট রোগী দেখেছেন মোট ২১,০৬১ জন।

হোমিও চিকিৎসা সেকশন জনবল- চিকিৎসক হোমিওপ্যাথ -১জন,হোমিও কম্পাউন্ডার- ১জন।

ঔষধ ক্রয় বাজেট-মাসিক ২০০০/-করে ২৪০০০/- রোগী দেখেছি-১০,২২৩ জন,টিকিট বিক্রির আয়-২০৪৪৬/- আর-ও ঔষধ অবশিষ্ট থাকে।

এমন চিত্র সারা দেশে নিরপেক্ষভাবে জরীপে পাওয়া যাবে বিধায় প্রদত্ত রোগী চিকিৎসার চিত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সর্বজনের।

২০১৫ সনের বিবিসি ও আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের জরীপে
৪০% রোগী হোমিও চিকিৎসা নেয়। এবার-ও উন্মুক্ত জরীপ অথবা হোমিও চিকিৎসক প্রতিনিধি স্বাস্থ্য সংষ্কার কমিশনে অন্তর্ভুক্তির দাবি মেনে অন্তত একজন হোমিও চিকিৎসককে সম্পৃক্ত করলেও প্রতিবেদনে
হোমিও চিকিৎসিত রোগীর সঠিক চিত্র তুলে ধরা যেত।

এমতাবস্থায় স্বাস্থ্য সংষ্কার কমিটি সংক্রান্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা এবং স্বাস্থ্য সংষ্কারে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজে হোমিও প্রতিনিধি সংযুক্ত করে সংশোধন করার দাবি জানাচ্ছি।

আমাদের মতামত এবং স্বাস্থ্য সংষ্কার কমিশনে পেশকৃত প্রস্তাব ও মন্ত্রনালয়ে দাখিলকৃত ১৭ দফা বিবেচনায় নিয়ে সরকারের দ্বায়িত্বশীলদের স্বাস্থ্যসেবা জনবান্ধন করতে হোমিও চিকিৎসা শিক্ষা ও চিকিৎসক দের সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

1

বকশীগঞ্জ উপজেলায় নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
বকশীগঞ্জ উপজেলায় নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমূলক সভা

 

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

 

বকশীগঞ্জে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি মূলক  সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত শিশু কিশোরদের নিয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি মূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষীবিদ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা যু্ব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা খায়রুল বাশার রাজু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল,বকশীগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক লালন, সাধারণ সম্পাদক আল মোজাহিদ বাবু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম রনি, মতিন রহমান সহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত)  চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, নতুন কঁড়ি স্পোর্টস এ ৮ টি প্রতিযোগিতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।

একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দুইটি খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

1

বকশীগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩১ পিএম
বকশীগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

Oplus_131072

 

 

(জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে একটি খালের ওপর নির্মিত সেতুর দীর্ঘ দিন থেকে  দুই পাশের রেলিং ভেঙে গেছে। জরাজীর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভাঙা এই সেতু দিয়ে সাতটি গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ভোক্তভেগি এলাকাবাসী’রা।

বকশীগঞ্জ পৌরসভার পুরাতন গো- হাটি থেকে  মেষেরচর  যাওয়ার সড়কে খালের ওপর প্রায় ২৮ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সেতুটি নির্মাণ করে। তবে নির্মাণের ১৫ বছর পর এর দুই পাশের রেলিং ভেঙে যায়। বর্তমানে সেতুর বিভিন্ন যায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে । এ ছাড়াও সেতুটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কম হওয়ায় পাশাপাশি দুটি অটোভ্যান চলাচল করতে পারে না।

এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন সাতটি গ্রামের সাধারণ পথচারী, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ চলাচল করেন।

গতকাল রোববার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির দুই পাশের রেলিং ভেঙে পড়ায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে । এই সেতুর ওপর দিয়ে সাতটি  গ্রামের মানুষ চলাচল করেন। সেতুর ওপর দিয়ে যে কোন যানবাহন চলাচল কষ্টদায়ক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। মেষেরচর পূর্বপাড়া, মেষেরচর পশ্চিম পাড়া, বড়ইতারি, সর্দারপাড়া,ঝালরচর গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ।

স্থানীয়রা জানান , দীর্ঘ দিন থেকে রেলিং ভেঙে পড়ায় এই সেতুর ওপর দিয়ে দিনের বেলা কোনো রকমে চলাচল করা গেলেও রাতের বেলা অন্ধকারে চলাচল খুব কষ্ট দায়ক হয়। এ কারণে ওই সেতুর ওপর দিয়ে সাত গ্রামের  প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মেষেরচর পূর্ব পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবিরুজ্জামান জনি জানান, প্রায় ১৩ বছর আগে সেতুর দুই পাশের রেলিং ভেঙে যায় এতে করে প্রায় সময় সেখানে দূর্ঘটনা ঘটে এর আগেও ২০২৪ সালে ব্যাটারি চালিত অটো ভ্যান উল্টে এক মহিলার ঘটনার স্থলেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি পুনঃনির্মাণের জন্য দাবি জানাচ্ছি।

মেষের চর পূর্ব পাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া বলেন, সেতুর দুই পাশের রেলিং না থাকায় গত সপ্তাহে দেড় লক্ষ টাকা দামের একটি ষাঁড় গরু সেতু থেকে পড়ে মারা গেছে। এর আগের এই সেতু থেকে পরে দুটি গরু মারা যায়। স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়ার পথে সেতুটির রেলিং না থাকায়  আতঙ্কে  সেতু পারাপার হতে হয় তাদের ।  বৃদ্ধ ও শিশুরা সেতু দিয়ে চলাফেরা করতে পারছে না। মাঝখানে ঢালাই ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়রা কাঠ ফেলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

মেষের চর পূর্বপাড়া গ্রামের পান ব্যবসায়ী আসলাম হোসেন বলেন, রেলিং ভাঙা এই সেতুর ওপর দিয়ে দিনের বেলা কোনো রকমে চলাচল করলেও রাতে ঝুঁকি নিয়ে  চলাচল করতে হয় । এরপরও দাবি জানাই যত দ্রুত সম্ভব সেতুটি সংস্কারের জন্য।

বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শামছুল হক জাতীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা কে, বলেন সেতুটি নির্মাণের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী জামালপুর বরাবর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করা হবে সেতুর কাজ।

1

বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম
বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু

Oplus_131072

 

 

(জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে  রোহান (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার  ( ২০  এপ্রিল) সকাল ১১ টায় উপজেলার বাট্টাজোর  ইউনিয়নের পূর্ব দত্তেরচর  গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু রোহান ওই গ্রামের  মাহমুদুল হাসান রুবেলের ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার  সূত্রে জানা গেছে, সোমবার  সকালে  পরিবারের সবার অজান্তে রোহান বাড়ির সামনে একটি পুকুর পাড়ে খেলা করছিল । খেলার একপর্যায়ে সে পুকুরে পানিতে পড়ে ডুবে যায়। রোহানকে  বাড়িতে দেখতে না পেয়ে বাবা-মাসহ স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খৌঁজাখঁজির একপর্যায়ে শিশুটির দাদা আমজাদ হোসেন  বাড়ীর পাশে  পুকুরের পানিতে শিশুটির  মরদেহ  ভাসতে দেখে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে  যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বকশীগঞ্জ  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন  জানান, খবর পেয়েই ঘটনার  স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এবিষয়ে আইনি পদক্ষেপ  চলমান আছে।‌