মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

মুচকি হাসির  পেছনে এত বড় হারানোর গল্প, সত্যি টাকার জন্য জীবনের সুখ বিক্রি করে দিয়েছে  প্রবাসীরা।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৪৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মুচকি হাসির  পেছনে এত বড় হারানোর গল্প, সত্যি টাকার জন্য জীবনের সুখ বিক্রি করে দিয়েছে  প্রবাসীরা।

নাসের আবু খালেদ, কুয়েত প্রতিনিধি:

ফ্রেঞ্চ ভাষায় বললাম, দুই টাকার বাদাম দেন, উনি বাদাম দিচ্ছেন আর বললেন ভাতিজা কি বাঙালি? বললাম, হা চাচা বললেন! কতদিন থেকে ফ্রান্সে? বললাম, তিন বছর হওয়ার পথে। জিজ্ঞেস করলেন কাগজ পেয়েছি কি’ না? বললাম জ্বি দশ বছরের কাগজ পেয়েছি। দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বললেন, নয়টা বছর হয়ে গেলো,কাগজ পাইনি এখনো দেশে ও যেতে পারিনা।
বাদাম দেয়ার পর টাকা দিতে গেলাম, নিলেন না।
বললেন, কাজ না থাকলে চলো ভাতিজা গল্প করি?
বললাম, কাজ আছে তবে দেড় ঘন্টা পর।

জিজ্ঞেস করলেন, দেশের বাড়ি কোথায়? বিয়ে করছি কি’না, মা বাপ আছেন কি’না। একজন বয়স্ক মানুষ, আমাদের মতো ছেলের বয়সী কাউকে পেলে যা জিজ্ঞেস করেন এমন প্রশ্ন ছিল।

বেশ মোটা মানুষ তার উপর বয়স্ক, এরমধ্যে ইল্লিগ্যাল, বুঝলাম এই জন্য উনারে কেউ কাজে নেয় না।এইজন্যই ফুটপাতে বাদাম বিক্রি করছেন হয়তো।

পকেট থেকে স্যামসাং ফোন বের করে,স্ক্রিনে থাকা একটা মেয়ের ছবি দেখালেন কেমন মেয়েটা সুন্দরী কি’না?

একটা কিশোরী মেয়ের বাড়ন্ত বয়সে যে’রকম সুন্দরী থাকে ওরকমি। বেশ সুন্দর মেয়েটা।বললাম, হা অনেক সুন্দরী। বললাম, চাচা আমার জন্য মেয়ে সেটিং করতেছেন কি’না। আমি আপনাদের ঐ কুমিল্লায় গিয়ে বিয়ে করব না। বললেন, থাম বেটা থাম কাস্টমার বিদায় করি।সিগারেট খাইলে একটা ধরা।

সিগারেট ধরালাম, চাচায় কাস্টমার বিদায় করলেন।তারপর বললেন, এটা আমার মেয়ে। বলেই চাচায় মুচকী হাসি শুরু করলেন। ভারী মুচ আর লাল দাড়ী,রহস্যময় মুচকি হাসি। আমি সিওর চাচায় এবার বলবে,আমার মেয়েরে বিয়ে করবে?

চাচায় কথা বলে থামেন, মুচকি হাসেন, লংটাইম আবার বলেন। চাচা বললেন, আমার এই মেয়ে ক্লাস এইটে গোল্ডেন পেয়েছে। বললাম, চাচা গোল্ডেন কি।চাচা বললেন, এটা কি আর আমি জানি। আমি মুর্খ মানুষ। আমার মেয়েটা পড়ায় খুব ভালো।আমার দুই মেয়ে,এটাই বড়।

আমি রহস্য নিয়ে এগোচ্ছি, কবে চাচা বলে উঠেন,আমার মেয়েরে বিয়ে করবে?

বললাম, চাচা ডেইলি কেমন ইনকাম হয়। বললেন, মনে কর ত্রিশ পয়ত্রিশ,চল্লিশ এরকম। বললাম,অনেক কম।রুমভাড়া, থাকা খাওয়ার বিল দিলে’তো আর বাড়ীতে পঞ্চাশ হাজার ও দিতে পারবেন না। বললেন,টাইনাটুইনা মাসে পঞ্চাশ দেই তোমার চাচীর একাউন্টে।

বললেন, ভাতিজা সম্পদ করছি,নতুন আসার পর ভালো বেতনেই কাজ করছি।বাড়ি’তো আছেই।মেয়েদের নামে ডিপোজিট। আর মনে কর, কুৃমিল্লা শহরে বাসার জায়গা কিনছিলাম পচিশ লাখ দিয়ে,এখন পঞ্চাশ লাখ বিক্রি হবে।আল্লাহ এনাফ দিছেন ভাতিজা।বললাম,চাচা দেশে চলে যান।এই বয়সে আর বিদেশ।বললেন, আগামী বছর কার্ড পাবো তারপর যাবো।ফ্রান্সে নরমালি কেউ টানা দশবছর থাকলে,অটোমেটিক লিগ্যাল কার্ড দিয়ে দেয়।

যাইহোক,বললাম চাচা গিয়ে, গোসল খাওয়া তারপর কাজে যাওয়া, অন্য দিন কথা হবে। ছাড়লেন না,বললেন বিশ মিনিট দাড়াও গল্প করি, তোমার সাথে।না করতে পারলামনা।

বললেন,আমার এই মেয়ে মেট্রিকে এ প্লাস পেয়েছে। পড়ায় খুব ভালো।আমার তো মনে কর, আশা, মেয়েরে টাকা পয়সা খরছ কইরা পড়ামু,ডাক্তার বানামো,রুজি করার দরকার নাই।গরীব মানষের চিকিৎসা করলো।আমার তো আল্লাহ দিলে অনেক আছে,মেয়ে মনে কর,আমার টাকাই বাকি জীবন খরছ করলো।

আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলামনা,চাচা ঘুরেফিরে উনার মেয়ের গল্পেই আসেন কেন।বললেন,ভাতিজা আমি ফেসবুকে ভিডিও দেখলাম,এক ছেলে হেলিকপ্টারে বিয়ে করতেছে।মনে কর, আমি ও খবর নিয়া দেখলাম পাঁচ দশলাখ খরছ করলে হেলিকপ্টার চড়াইয়া আমার মেয়েরে ওর শশুড় বাড়ি পাঠাতে পারবো।বললাম চাচা,আপনার মেয়ে নিয়া’তো দেখি বিশাল স্বপ্ন।

বললেন,ভাতিজা আমাদের এই বয়সে এসে নিজের আর কিচ্ছু আশা আকাঙ্ক্ষার থাকেনা।সব স্বপ্ন থাকে বাচ্চা কাচ্চা নিয়া।বললেন, ভাতিজা মেয়ে মেট্রিক পাশ করার পর বললো,ফোন লাগবে,দিলাম। মাস ছয়েক পরে বলে, আলাদা একলা রুমে থাকবে, ওর পড়ার জন্য।

রুম তো ছিলই দিলাম। আমার মেয়ের একলা রুম ভিডিও কলে দেখি, শুধু খাট আর পড়ার টেবিল আর কিছু নাই।তোমার চাচীরে বলে, একসেট সোফা কিনে দিয়ে রুম একদম সুন্দর করে সাজিয়ে দিলাম।

মেয়ে খুব খুশি হয়েছিল সোফা কিনে দেয়ায়।এরমধ্যে মনে কর ভাতিজা অনেক বিয়ের প্রস্তাব আসা শুরু হলো,ভালো ভালো বিয়ের প্রস্তাব, ছেলে ব্যাবসায়ী,বিদেশে সেটেল্ড ,আরো কত’কি।মেয়ে রাজি না,সে পড়বে।আমি এবার পাক্কা সিওর হলাম, পরিশেষে চাচা বলবেন,তোমার মতো ছেলে পাইলে দিয়ে দিবো।

চাচা বললেন, এই বছর আমার মেয়ের আইএ (এইচএসসি) পরিক্ষা দিতো, দেশে করোনার জন্য পিছিয়ে গেলো।শুন ভাতিজা,একদিন রাতে স্বপ্নে দেখি আমার শরীর মাথা সব জায়গা থেকে আমার সব চুল পড়তেছে,। পড়ে একদম নাই হয়ে গেছে। আমি রাস্তা দিয়ে হাটলে,মানুষ আমাকে দেখলে হাসে।স্বপ্নটা দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেলো, রাত বাজে চারটা, বাংলাদেশ টাইম সকাল আটটা।মনের মধ্যে কেমন অশান্তি করতেছে, আমার এই এক অভ্যাস খারাপ লাগলে,আমার মেয়ে দুইটার সাথে কথা বলি। কল দিলাম মেয়ের ফোনে, ও ফোন ধরেনা।ভাবলাম ঘুমে হবে।তোর চাচীর ফোনে ফোন দিলাম।

তোর চাচী চোখে কম দেখে চশমা ব্যাবহার করে।খুব একটা বুড়ী হয়নি, চোখে রোগ ওর, বলে হাঁসলেন চাচা।তোর চাচীরে কল দিলে,ও প্রথমে চশমা পরবো তারপর ফোন খোঁজে বের করবো,তারপর ফোন রিসিভ করবো।কানা মানুষ বুঝলী ভাতিজা, বলে চাচা হাসিতে ফেটে পড়লেন।

তো ফোন দিলাম তোর চাচীর ফোনে,ও ফোন রিসিভ করলো।সালাম কালাম হওয়ার পর জিজ্ঞেস করলাম, মেয়ে ফোন রিসিভ করেনি কেন? ও কই! তোর চাচী বললো ঘুমায়, হয়তো বলতে বলতে ওর রুমে গিয়া দেখে – ও ফাঁসিতে ঝুলছে।

চাচা তবুও হাসছেন,মুচকি হেসেই যাচ্ছেন আর বাদাম নাড়ছেন।বললাম, বলেন কি চাচা?বললেন, হ্যা ভাতিজা মেয়েটা মরার আজ সাইত্রিশ দিন চলছে।আমি মনে কর কার্ড পেলে, দেশে গিয়া, তোর চাচীরে নিয়া হজ্ব কইরা আইসা,মরার জন্য শুইয়া পড়মু।যতক্ষণ না মরছি আর কাঁদবোনা।আরে ব্যাটা,কার জন্য বাঁচবো কষ্ট করবো?

কত কষ্টের মেয়ে,কত আদরের মেয়েটা,কত স্বপ্নের মেয়ে আমার মরে গেলো কোন ছেলের জন্য।

বিলিভ মি- চাচা তবু ও হাসছিলেন! আমি পুরাই হ্যাং হয়ে গেছি কতক্ষণের জন্য। একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে দিয়ে বললাম, চাচা আসি আজ।আবার আসবো শিওর। ফোন নাম্বার দিয়ে বললাম, যখন ইচ্ছে কল দিয়েন,আসবো আপনার সাথে গল্প করতে।

মানুষ মনে হয় কাঁদতে কাঁদতে ক্লান্ত হয়ে হাঁসে অথবা,কান্নাকে অযৌক্তিক মনে করে বা ভয় পায়, কান্না করতে যদি নিজেকে হারিয়ে ফেলে, তখন ভালো থাকার অভিনয়ের জগৎ থেকে প্রবাসীরা সেরা অভিনয় শিল্পী এমন করে অজানা রয়ে যায় লক্ষ লক্ষ প্রবাসীর জীবনে অনেক কথা………..

1

‎ঝালকাঠিতে পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৭ পিএম
‎ঝালকাঠিতে পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত


‎কে.এম. ইসলাম,ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:

‎ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সদস্যদের শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্সে নিয়মিত সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সকাল ৮টায় ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে জেলা পুলিশের সদস্যদের অংশগ্রহণে এই প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

‎উক্ত মাস্টার প্যারেডে সালাম ও অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন করেন ঝালকাঠির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্বে) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মামুন আল ইসলাম।

‎প্যারেড পরিদর্শন শেষে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার। তিনি জেলা পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যথাযথভাবে নিয়ম মেনে পোশাক (ইউনিফর্ম) পরিধান করা, সঠিকভাবে স্যালুট প্রদান এবং জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব আরোপ করেন।

‎প্যারেড শেষে তিনি ঝালকাঠি জেলা পুলিশের সরকারি যানবাহন, পুলিশ লাইন্স মেস, ব্যারাক, হাসপাতাল, অস্ত্রাগার, রেশন স্টোর, পোশাক ভান্ডার ও পুলিশ ক্যান্টিন সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন।

‎এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সহ সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

1

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম
 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।