মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

1

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫০ বছরের পুরনো ‘জিনের মসজিদ’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫০ বছরের পুরনো ‘জিনের মসজিদ’

মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

নান্দনিক সৌন্দর্যের কারু কাজ আর স্থাপনাশৈলী এখনো অগণিত মানুষকে বিমোহিত করে চলছে ঠাকুরগাঁওয়ের দেড়শ বছরের প্রাচীন ছোট বালিয়া জামে মসজিদ। যা স্থানীয়ভাবে পরিচিত জিনের মসজিদ নামে।
ঐতিহাসিক অনিন্দ্য সুন্দর মসজিদটি ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে পনেরো কিলোমিটার দুরে ছোট বালিয়া গ্রামে অবস্থিত।
জনশ্রুতি আছে, প্রায় দেড়শ বছর আগে রাতের আঁধারে মসজিদটি নির্মাণ করেছিল অদৃশ্য এক জাতি জিন। সে সময় ওই এলাকাটি তাদের পছন্দ হয়। তবে রাত পেরিয়ে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করলে কিছু কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে যায় তারা।
এ দিকে এসব কথিত লোককাহিনী শুধুই গুজব বলে মনে করেন মসজিদের ইমামসহ মসজিদটি আধুনিকায়নের সঙ্গে জড়িতরা।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় চৌধুরী পরিবারের সূত্র মতে, প্রাচীন স্থাপনা মসজিদটি আনুমানিক ১৮শ সালের শেষার্ধে বালিয়ার জমিদার মেহের বক্স চৌধুরী এই মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা করেন। পরে ভারতের দিল্লি থেকে শিল্পকুশল কারিগর এনে মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এতে পোড়া ইটের সঙ্গে চুন-সুরকির মর্টার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ছাদ পর্যন্ত নির্মাণের পর হঠাৎ প্রধান মিস্ত্রির মৃত্যু হলে গম্বুজ আর করা হয়নি।
পরবর্তীতে স্থানীয় নির্মাণ শ্রমিকদের দিয়ে কাজ শুরু করা হলেও মোগল স্থাপত্যশৈলীর দুর্বোধ্য নকশায় মসজিদের ছাদ ও গম্বুজ তৈরিতে বার বার ব্যর্থ হয় তারা। এরই মধ্যে ১৯০৫ সালে মেহের বক্স চৌধুরীর মৃত্যু হয়। পরে নানা কারণে মসজিদ নির্মাণ কাজ আর এগোয়নি। ধীরে ধীরে সেই স্থানটি পরিণত হয় জঙ্গলে। ৪২ ইঞ্চি প্রসস্ত দেয়ালের উপরে দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদটিতে রয়েছে ৩ গম্বুজ ও ১৬টি মিনার।
আয়তাকার এই মসজিদ উত্তর দক্ষিণে ৬৯ ফুট ২ ইঞ্চি আর পূর্ব পশ্চিমে ৬২ ফুট ৬ ইঞ্চি দীর্ঘ। সিঁড়ি প্রবেশপথ,খোলা চত্বর ও  নামাজঘর এই তিনটি অংশে বিভক্ত মসজিদটি।
মেহের বক্স চৌধুরীর ষষ্ঠ প্রজন্মের বংশধর আফগান চৌধুরী বলেন, মসজিদের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে আমার চাচা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনছারুল হক চৌধুরী এটি পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্যোগ নেন। পরে ২০০৫ সালে নামাজ আদায়ের উপযুক্ত করে তুলতে কাজ শুরু হয়। প্রায় পাঁচ বছর পর ২০১০ সালে মসজিদটি উদ্বোধন করা হয়। পুরনো নকশার আদলে মিল রেখে উপরে নির্মাণ করা হয়েছে তিনটি সুউচ্চ গম্বুজ।
মসজিদের ইতিহাস সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, এর আগে অর্ধনির্মিত অবস্থায় এভাবেই শত বছর ধরে পরে থাকে অসমাপ্ত এই মসজিদটি।তখন মসজিদের চারপাশ ঘন জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। ভেতরে ছিল সাপসহ বিভিন্ন পোকামাকড়। তখন ভয়ে কেউ যেত না সেখানে। এভাবে প্রায় ১৫০ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় মসজিদটি পড়ে থাকে। এজন্য অনেকে জিনের মসজিদ বলে, যা সম্পূর্ণ গুজব।
জিনের মসজিদ নামে পরিচিতি থাকলেও মসজিদের ইমাম খোরশেদ আলম মনে করেন এর কোনো সত্যতা নেই।
মসজিদ দেখতে আসা ফেরদৌসী খানম ও রিতু আক্তার নামে দুই শিক্ষার্থী বলেন, শৈশবে বাবা-মায়ের কাছে এ জিনের মসজিদের কথা শুনে আসছেন। তখন ঢাকায় বসবাসের কারণে আসতে পারিনি। এবার ছুটি পেয়ে এসে কারুকার্য সুন্দর স্থাপনা দেখে আমরা মুগ্ধ ও বিস্মিত হচ্ছি।
এদিকে ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদ সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে এগিয়ে এসেছেন উপজেলা প্রশাসন জানিয়ে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান বলেন, মসজিদটি ইতোমধ্যে জেলার পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়েছে। মসজিদ সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে থেকে অনুদানের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মসজিদ উন্নয়নে আরও কিছু প্রয়োজন পড়লে উপজেলা প্রশাসন তা দেখবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

1

পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২২ এম
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সাতক্ষীরার সম্মেলন কক্ষে ফেব্রুয়ারি-২০২৬ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল,বিপিএম মহোদয়।

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সাতক্ষীরা জেলার ফেব্রুয়ারি-
২০২৬ মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান,আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মামলা রুজু ও নিষ্পত্তি,গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের তদন্তের অগ্রগতি, ওয়ারেন্ট ও সমন তামিল,আলামত ও অপমৃত্যু মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, ট্রাফিক আইনের প্র‍য়োগ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়। জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোয়েন্দা নজরদারির উপর জোর দিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহের প্রতি পুলিশ সুপার মহোদয় গুরুত্বারোপ করেন। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সকল সার্কেল অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জদের পুলিশ সুপার মহোদয় নিয়মিত মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করাসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২০ এম
সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম মহোদয়।

কল্যাণ সভার শুরুতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী বিগত মাসের কার্যবিবরণীর গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদন সমূহ উপস্থাপন করেন।

পুলিশ সুপার মহোদয় সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অধিকাংশ সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধানসহ বাকি সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার মহোদয় সকল অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্যে সার্ভিসরুলস মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ডিউটি করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। মেসে উন্নত খাবার পরিবেশন,ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান করা, ছুটি ও টিএ বিলে ন্যায্যতা রাখা,স্বাস্থ্য সচেতনতা, ব্যক্তিগত ও আবাসস্থলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার এবং জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা মহোদয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, ডাঃ আবু হোসেন, পুলিশ হাসপাতাল, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৭ এম
সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাদরা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানিক দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় পাতার বিড়ি ও ঔষধ আটক করে।

মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩ এস এর ১১ আরবি হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন চান্দা মাঠ নামক স্থান হতে ১০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় পাতার বিড়ি আটক করে।

এছাড়া ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের বিশেষ আভিযানিক দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন তুজলপুর নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

আভিযানিক দল সর্বমোট=৮০,০০০/-(আশি হাজার) টাকা মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে।

চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস এ জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।