মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

1

ছিলেন আওয়ামী লীগ, হলেন বিএনপি, নিয়ন্ত্রণ করেন মাদকসম্রাজ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:২২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ছিলেন আওয়ামী লীগ, হলেন বিএনপি, নিয়ন্ত্রণ করেন মাদকসম্রাজ্য

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি :

মোঃ আলিম উদ্দিন (৪৩)। ছিলেন আওয়ামী লীগের আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়া একনিষ্ঠ কর্মী।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন দয়ালের হাত ধরেই মূলত আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে হাতেখড়ি তার। আলিম উদ্দিন বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদের সাভার থানা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ বাগিয়ে নেন।

এরপর ঢাকা-২ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ঢাকার সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের আন্দোলন সংগ্রামে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি দলীয় ব্যানারকে ব্যাবহার করে নিজেকে সমৃদ্ধ করেন মাদক ব্যাবসায়।

২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের পর শৈরাচার শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরপরই ভোল পাল্টে যোগ দেন বিএনপির রাজনীতিতে। বর্তমানে তিনি সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্বে আছেন।

বিএনপির এই দলীয় পদের প্রভাব খাটিয়ে শুধু নিজের এলাকা পানপাড়া-ভাওয়ালিপাড়া নয় পুরো তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন জুড়ে মাদক সম্রাজের নিয়ন্ত্রক বনে যান এই আলিম উদ্দিন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আলিম উদ্দিনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে তার বোন সেতেরা ও তার ভাগিনা ডালিম, সেলিম, রাকিব, বাবু ও বাবুর স্ত্রী মনি ইয়াবা ট্যাবলেট ও হেরোইন বিক্রি করেন। এছাড়াও আলিম উদ্দিনের ভাইয়ের স্ত্রী ও তার ভাতিজা রাসেল গাজা বিক্রি করেন।

রমরমা এই মাদক ব্যাবসার নিয়ন্ত্রণ করেন আলিম উদ্দিন। তাকে প্রশাসন থেকে শুরু করে সার্বিক সহয়তা করেন ওই এলাকার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, তারা স্বপরিবারে এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করেন। এতে এলাকার স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ও যুব সমাজ মাদকের ভয়াবহ খপ্পরে পড়ে তাদের জীবন ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়না স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য এক ব্যক্তি বলেন, তাদের পরিবারের সকলের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। পুলিশ, ডিবি, র‍্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা একাধিকবার তাদেরকে গ্রেফতার করে মামলা দিয়েছেন। জামিনে এসে তারা আবারও শুরু করেন মাকদ ব্যাবসা।

কয়েকদিন আগেই আলিম উদ্দিনের ভাগিনা সেলিমকে হেমায়েতপুর সেনাবাহিনী ক্যাম্প গ্রেফতার করে মামলা দায়ের করে কারাগারে পাঠান। কয়েকদিন পরেই জামিনে এসে আবারও শুরু করেছেন মাদক বিক্রি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা বলেন, এদের বিরুদ্ধে এখনই স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থামানো না গেলে সমাজে ছড়িয়ে পড়বে মাদকের ভয়াবহতা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলতে চাই দ্রুতই তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।

তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি আমাদের বিএনপির উচ্চপদস্থ নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি’ সাংগঠনিক ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। তা না হলে জনগণের কাছে আমাদের (বিএনপির) দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।

1

পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২২ এম
পুলিশ সুপারের কার্যালয় সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সাতক্ষীরার সম্মেলন কক্ষে ফেব্রুয়ারি-২০২৬ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল,বিপিএম মহোদয়।

অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সাতক্ষীরা জেলার ফেব্রুয়ারি-
২০২৬ মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান,আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মামলা রুজু ও নিষ্পত্তি,গুরুত্বপূর্ণ মামলা সমূহের তদন্তের অগ্রগতি, ওয়ারেন্ট ও সমন তামিল,আলামত ও অপমৃত্যু মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, ট্রাফিক আইনের প্র‍য়োগ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়। জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোয়েন্দা নজরদারির উপর জোর দিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহের প্রতি পুলিশ সুপার মহোদয় গুরুত্বারোপ করেন। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সকল সার্কেল অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জদের পুলিশ সুপার মহোদয় নিয়মিত মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করাসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২০ এম
সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম মহোদয়।

কল্যাণ সভার শুরুতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), জনাব মোঃ শাহীনুর চৌধুরী বিগত মাসের কার্যবিবরণীর গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদন সমূহ উপস্থাপন করেন।

পুলিশ সুপার মহোদয় সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অধিকাংশ সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধানসহ বাকি সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। পুলিশ সুপার মহোদয় সকল অফিসার ফোর্সদের উদ্দেশ্যে সার্ভিসরুলস মেনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ডিউটি করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। মেসে উন্নত খাবার পরিবেশন,ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান করা, ছুটি ও টিএ বিলে ন্যায্যতা রাখা,স্বাস্থ্য সচেতনতা, ব্যক্তিগত ও আবাসস্থলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিদ্যুৎ এর সঠিক ব্যবহার এবং জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহারসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা মহোদয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপস্), জনাব মিথুন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল), জনাব মোঃ রাজীব, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) জনাব মোঃ বায়েজীদ ইসলাম, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (তালা সার্কেল), জনাব শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব খালিদ মোঃ আরাফাত, সহকারী পুলিশ‌ সুপার (শিক্ষানবিশ), জনাব মোঃ ইমরান খান, ডাঃ আবু হোসেন, পুলিশ হাসপাতাল, সাতক্ষীরা সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, ওসি (ডিবি), টিআই (অ্যাডমিন) এবং জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।

1

সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৭ এম
সাতক্ষিরা কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী অভিযানে প্রায় এক লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

অদ্য ০৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাদরা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানিক দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় পাতার বিড়ি ও ঔষধ আটক করে।

মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩ এস এর ১১ আরবি হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন চান্দা মাঠ নামক স্থান হতে ১০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় পাতার বিড়ি আটক করে।

এছাড়া ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের বিশেষ আভিযানিক দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন তুজলপুর নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

আভিযানিক দল সর্বমোট=৮০,০০০/-(আশি হাজার) টাকা মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে।

চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস এ জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।