বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

গাজীপুর চৌরাস্তা বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারে মেয়াদ উত্তীর্ণ অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রি  

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪, ২:৩০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
গাজীপুর চৌরাস্তা বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারে মেয়াদ উত্তীর্ণ অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রি  

স্টাফ রির্পোটারঃ

গাজীপুর চৌরাস্তা ময়মনসিংহ রোড এর সামান্য কিছু সামনের দিকে এগোতেই ঠিক বাম হাতে রয়েছে বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার যেখানে বিক্রি করা হয় বিভিন্ন ধরনের শিশু খাবার থেকে শুরু করে বড়দের খাবার সহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের খাবার । এছাড়াও রয়েছে জন্মদিন কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের অর্ডারকৃত খাবার, যে সকল খাবারগুলোর গুণগত মান ঠিক নেই বলে জানান সাধারণ ক্রেতারা। গত ২৯-সেপ্টেম্বর-২০২৪ ইং তারিখে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক উক্ত দোকান থেকে তার শিশু বাচ্চার জন্য একটি জন্মদিনের কেক ক্রয় করেন এবং দোকানে কর্মরত স্টাফদের তিনি বারবার বলেন এই কেকটি একজন শিশু বাচ্চা খাবে তাই একটু ভালো করে দেখে দেবেন প্লিজ। দোকানের স্টাফরা তাকে আশ্বস্ত করেন ভাই আপনার চিন্তার কোন কারণ নেই আমাদের কেকগুলো সবই আজকের তৈরি কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যায় তাদের কথা কাজের কোনই মিল নেই। তার বিশ্বাসের উপরই তাকে ধরিয়ে দেওয়া হয় নষ্ট কেক, যাহা কোন ভাবেই খাবার উপযুক্ত ছিল না।

তিনি বাসায় কেকটি নিয়ে যাওয়ার পর, কেকটি খাওয়ার সময়, উক্ত কেক থেকে অনেক দুর্গন্ধ বের হয় সাথে সাথে তিনি কেকটি নিয়ে বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার দোকান বরাবর উপস্থিত হন। সাথে আরও কয়েকজন সাংবাদিক তাৎক্ষণিক ওই দোকানে গেলে তারা কেকটি পরিবর্তন করে দিতে আশ্বস্ত হয়। তখন উপস্থিত সাংবাদিকবৃন্দ উক্ত দোকানের আরো খাবার যাচাই করলে বেশ কিছু মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার দোকানে ডিসপ্লেতে সাজানো অবস্থায় দেখা যায়। যাহা ছবি এবং ভিডিও আকারে সংরক্ষণ করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে শিশুদের খাবার দুধ, বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি চকলেট, লেক্সাস বিস্কুট, আরও কিছু নষ্ট জন্মদিনের কেক।

তাৎক্ষণিক তারা অনলাইনে থাকা সেনাবাহিনীর নাম্বারে যোগাযোগ করতে চাইলেও তাহা সম্ভব হয়ে ওঠেনি নিরুপায় হয়ে ভোক্তা অধিকারের অনলাইন নাম্বারে কল দিলে সেই নাম্বারটিও বন্ধ পাওয়া যায়। সবশেষে উক্ত দোকানের মালিকের সাথে যোগাযোগ করার নাম্বার চাইলে কর্তব্যরত ম্যানেজার জানান তার কাছে মালিকের নাম্বার নেই। সবশেষে উক্ত দোকানের মার্কেটের মালিকের নাম্বার গণমাধ্যম কর্মীদের দেওয়া হয়। মার্কেটের মালিকের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি তাদেরকে অবৈধ মালামাল বিক্রির জন্য দোকান ভাড়া দেয়নি আর এ বিষয়ে আমি অবগত নই। তিনি আরো বলেন যেহেতু আপনাদের মাধ্যম থেকে বিষয়টি অবগত হয়েছি, সেহেতু আমি দোকান মালিককে বলে দিয়েছি ভবিষ্যতে যেন মেয়াদউত্তীর্ণ কোন মালামাল না পাই, এরকম অভিযোগ পুনরায় আসলে দোকান ছেড়ে দিতে হবে।

কিন্তু এখনও প্রতিনিয়তই চলছে তাদের এই অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির রমরমা ব্যবসা। তাই উক্ত এলাকার ভোক্তা অধিকার, ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রশাসনের সুদৃষ্টি এবং হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে। যেন এই অস্বাস্থ্যকর খাবারের হাত থেকে উক্ত এলাকার শিশু, বৃদ্ধ, যুবক এবং অসুস্থ রোগীগুলো এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের হিংস্র থাবা থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারেন। উক্ত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য প্রশাসনের সকল ধরনের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব