মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে জানানো – তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৬:৩০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে জানানো – তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম বলেছেন, মিডিয়া হচ্ছে টুওয়ে কমিউনিকেশন। দেশের কোথায় কী হচ্ছে মিডিয়ার মাধ্যমে সরকার জানতে পারে। সামাজিক সমস্যা তুলে ধরা যেমনটা দায়িত্ব, একইসাথে সরকারের উদ্যোগ জনগণের কাছে প্রচার করাটাও মিডিয়ার দায়িত্ব। একটি সুস্থ জাতি গঠন করার জন্য সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে আবশ্যিকভাবে জনগণকে জানানো।
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউট আয়োজিত “ওয়ার্কসপ অন ফেক্টস ফর লাইফ উইথ ফিল্ড প্রেকটিস” শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার আজ ২০ডিসেম্বর শুক্রবার উদ্বোধন হয়।
শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত সচিব এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, সরকারের বিভিন্ন বিষয় আমরা প্রচার করে থাকি। জনগণ আমাদের সরাসরি স্টেকহোল্ডার। কার্যক্রমের পরিকল্পনা শুধু দাপ্তরিক চিঠির মধ্যেই সীমিত থাকলে হবে না। সরকারের মেসেজকে প্রচার করতে হবে। এ কর্মশালার মাধ্যমে যে মেসেজ আছে বা পাবেন, সেটা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাবেন। এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশু ও নারীকে উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা সমাজকে পরিবর্তন করতে চাই। শিশুদের সুস্বাস্থ্য ভাবে গড়ে তোলার জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরো এগিয়ে দেওয়ার জন্য, অভিভাবকরা সন্তানদের লেখাপড়া করাবেন, সন্তানদের সবকিছু শিখানোর জন্য ইতিবাচক সহযোগিতা প্রদান করবেন। পিতা-মাতার কাছে আবেদন আঠারোর আগে কোনো মেয়েকে বিয়ে নয়।তিনি বলেন, আমরা জানি, পাঁচ বছর বয়স হওয়ার পূর্বেই বিশ্বে প্রতিবছর গড়ে ৯০ লক্ষ শিশু মারা যায়। এ ব্যাপারে আমাদের সচেতন হতে হবে। এ জায়গায় আমাদের কাজ করতে হবে। তেমনিভাবে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ নারীদের উন্নয়নে সচেতনতাবৃদ্ধি করার বিষয়টি প্রচার করাও আপনাদের দায়িত্ব। দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় যে মডিউলগুলো রয়েছে, তার একটি অংশ মূলত শিশুদের সুস্থভাবে গড়ে তোলার জন্য পরিবার ও কমিউনিটির জন্য তথ্য রয়েছে। মায়ের গর্ভধারণ পর্যায় হতে শুরু করে শিশুর জন্ম, শিশুর অসুস্থতা, বেড়ে ওঠা, মাতৃত্ব ও পিতৃত্ব বিষয়ক বাস্তব সংগত উপদেশ এখানে উঠে আসবে। অনেকগুলো উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এ প্রকল্পে অবদান রাখছে। সংস্থাগুলো সরকারের সাথে শিশু ও নারী উন্নয়নে কাজ করছে।শুরুতে জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন অতিরিক্ত সচিব। সেই আন্দোলনে অবদান রাখা ও আহত ছাত্র-ছাত্রী, তরুণ তরুণীসহ অন্যান্যদের সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক সুফী জাকির হোসেন এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম। অন্যান্য অতিথির মধ্যে ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউটের পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজিম উদ্দিন, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক শেখ মোঃ শহিদুল ইসলাম, জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউটের উপপরিচালক মোহা: আব্দুস সালাম প্রমুখ।উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ জেলার ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ের ৩০ জনেরও অধিক গণমাধ্যমকর্মী এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

বিশেষ অতিথি জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বলেন, ৫ই আগস্টের পর বর্তমান সরকার নানান আঙ্গিকে নানাবিধ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন করছে। নারী ও শিশুর সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, সচেতনতামূলক কার্যক্রম। আপনারা যারা সাংবাদিক প্রচার ও প্রসারে কাজ করছেন, আপনাদের মাধ্যমেই সচেতনতার প্রচার ও প্রসার আরো বেশি ঘটবে, এতে আরো সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ ও সমাজের দর্পন হিসেবে অভিহিত এ গণমাধ্যম বিভিন্ন সমস্যা খুঁজে বের করে রাষ্ট্রেকে সহযোগিতা করবেন। নারী ও শিশুদের বিকাশের ক্ষেত্রে অন্তরায়গুলো উত্তরণে সমাজকে সহযোগিতা করবেন। এ ধরনের কর্মশালা ময়মনসিংহে বেছে নেওয়ার জন্য আয়োজক কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।জাতীয় গণমাধ্যমে ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, শিশু ও মায়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য যা দরকার তার অংশ হিসেবে এ ওয়ার্কসপ। শিশু ও মাকে কীভাবে নিরাপদ রাখা যায় তার সচেতনতামূলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করতে ওয়ার্কসপটি অবদান রাখবে। কর্মশালাটি সফল করতে আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ বলেন, কর্মশালায় সম্পদব্যক্তিগণ নারী ও শিশু উন্নয়নে সচেতনতামূলক বিষয়ে সেশন পরিচালনা করবেন। কর্মশালার বিষয়টি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, জাতিসংঘের সাতটি বিভাগ/সংস্থা মিলে এ বিষয়ে কাজ করছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের আয়োজনে এ কর্মশালায় নারী ও শিশুর কাজের কিছু অংশ আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হয়েছে। গুরুত্বের সহিত কর্মশালায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করছি।জাতীয় গণমাধ্যমের ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সুফী জাকির হোসেন বলেন, দুই দিনব্যাপী কর্মশালার মাধ্যমে এ অঞ্চলের শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারীদের উন্নয়নে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেগুলো আমরা জানতে পারবো। স্বাস্থ্য, শিক্ষা তথ্যগুলো আমরা পাবো। শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আপনারা সরাসরি মতামতে অংশগ্রহণ করছেন এতে কর্মশালাটি আরো সফল হবে। যে তথ্যগুলো আমরা এখানে প্রোভাইড করবো আপনাদের মাধ্যমে সেটা জনগণের কাছে ছড়িয়ে যাবে। কর্মশালার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন, জেলা তথ্য অফিস, পিআইডি, বেতার, বিটিভিসহ সংশ্লিষ্ট সকল সিস্টার্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

উদ্বোধন পরবর্তী সম্পদ ব্যক্তিগণ কর্মশালার সেশন পরিচালনা করেন। দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালাটি অভ্যন্তরীণ তাত্ত্বিক সেশনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শনের কার্যক্রম রয়েছে।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব