বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

যশোর ঝিকরগাছা গদখালী ফেব্রুয়ারির ৩ দিবসে শতকোটি টাকা আয়ের আশা চাষীদের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:০৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
যশোর ঝিকরগাছা গদখালী ফেব্রুয়ারির ৩ দিবসে শতকোটি টাকা আয়ের আশা চাষীদের

মনা,যশোর শার্শা প্রতিনিধিঃ

এই ফেব্রুয়ারিতে বসন্ত, বিশ্ব ভালোবাসা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সামনে রেখে ফুল চাষে সরব হয়ে উঠেছে ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালির ইউনিয়ন ফুলের মাঠ। হাতে রয়েছে আর মাত্র কয়েক দিন। এ তিন দিবসে অন্তত শত কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা করছেন স্থানীয় ফুল চাষিরা।

ফুলের রাজধানী হিসেবে পরিচিত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালি, পানিসারা ও আশপাশের এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে গোলাপ, জারবেরা, গ্লাডিওলাস, রজনিগন্ধা, গাঁদা, লিলিয়াম, জিপসি ও চন্দ্রমল্লিকাসহ নানা ধরনের ফুল। চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে ফুলের উৎপাদন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আসন্ন তিনটি বিশেষ দিবস ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন ফুল চাষিরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠজুড়ে ফুটেছে নানা রঙের ফুল। চাষিরা দিনরাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ফুলের পরিচর্যায়। উৎসব পর্যন্ত ফুল ধরে রাখতে এবং পোকামাকড় ও পচন রোধে নেয়া হচ্ছে বিভিন্ন পদক্ষেপ।

একই এলাকার ফুল চাষি আজিজুর রহমান বলেন, আমরা যারা ফুলের চাষ করি, তারা মূলত উৎসবকেন্দ্রিক চাষ করি। বসন্ত দিবস, ভালোবাসা দিবস ও ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় বাজার। এ বছর উৎপাদনে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আশা করছি ৮ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করতে পারব।’

আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক চাষি বলেন, ‘উৎসবের বাজার ধরতে গোলাপগুলো ক্যাপ পরিয়ে রাখা হচ্ছে। এছাড়া নানা ধরনের ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে যাতে ফুল নষ্ট না হয়। এ বিক্রির ওপর সারা বছরের লাভ-লোকসানের হিসাব নির্ভর করবে। আশা করছি লাভবান হতে পারব।

ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা গ্রামের চাষি মো:শহিন বলেন, ‘আসন্ন তিনটি দিবস সামনে রেখে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভালো। গত মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে কিছুটা ক্ষতি হলেও এবার ফুলের ভালো দাম পাব বলে আশা করছি।

গদখালি এলাকার চাষি আলমগীর কবির বলেন, আমার জমিতে জারবেরা, চন্দ্রমল্লিকা, গোলাপ ও লিলিয়াম চাষ করেছি। সব ক্ষেতেই ফুল ভরা। এখন প্রতি পিস জারবেরা পাইকারি সাত থেকে আট টাকা এবং গোলাপ তিন টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সামনে এসব ফুলের দাম তিন গুণ হয়ে যাবে বলে আশা করছি। এ বছর পাঁ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

পানিসারা ইউনিয়নের সৈয়দপাড়া গ্রামের ফুল চাষি শাহজাহান কবীর বলেন, ‘আমি পাঁচ বিঘা জমিতে গাঁদা ও দুই বিঘায় রজনিগন্ধা চাষ করেছি। ভালোবাসা দিবসে রজনিগন্ধা ও ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবসে গাঁদা ফুল বিক্রি করব। এখন ফুল ধরে রাখতে এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে ভিটামিন ও কীটনাশক ব্যবহার করছি। আশা করছি এক একটি গোলাপের পাইকারি দাম ২৫-৩০ টাকা করে পাব।’

গদখালি ফুল চাষি ও ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর বলেন, এ বছর অতিবৃষ্টির কারণে দেরিতে চাষাবাদ হলেও ব্যাপক ফুলের উৎপাদন হয়েছে। আসন্ন তিনটি উৎসব ঘিরে ফুল সংরক্ষণের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। ফুলের দাম বাড়তে শুরু করেছে এবং তা আরও বাড়বে। ফলে অন্তত শত কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে যশোরে প্রায় ৬০০ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয় এবং এ ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক মানুষ জড়িত। আসন্ন বসন্ত, ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ব্যাপক ফুল বিক্রি হলে চাষিদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

1

‎ঝালকাঠিতে পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৭ পিএম
‎ঝালকাঠিতে পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত


‎কে.এম. ইসলাম,ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:

‎ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সদস্যদের শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্সে নিয়মিত সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সকাল ৮টায় ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে জেলা পুলিশের সদস্যদের অংশগ্রহণে এই প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

‎উক্ত মাস্টার প্যারেডে সালাম ও অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন করেন ঝালকাঠির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্বে) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মামুন আল ইসলাম।

‎প্যারেড পরিদর্শন শেষে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার। তিনি জেলা পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যথাযথভাবে নিয়ম মেনে পোশাক (ইউনিফর্ম) পরিধান করা, সঠিকভাবে স্যালুট প্রদান এবং জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব আরোপ করেন।

‎প্যারেড শেষে তিনি ঝালকাঠি জেলা পুলিশের সরকারি যানবাহন, পুলিশ লাইন্স মেস, ব্যারাক, হাসপাতাল, অস্ত্রাগার, রেশন স্টোর, পোশাক ভান্ডার ও পুলিশ ক্যান্টিন সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন।

‎এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সহ সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

1

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা শাকিল তালুকদার

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।

1

 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম
 বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিলেন বিএনপি নেতা

ছবি: ডেইলি নিউজ বাংলা

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে  জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায়  ৩শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় দূর্ভোগে থাকা এলাকাবাসী।

‎​জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল সরেজমিনে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা

এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর কষ্টের কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি অনুধাবন করে নিজ ব্যক্তিগত খরচে মাটি কেটে নর্দমা (ড্রেন) তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

‎​প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকেই মাটি কেটে ড্রেন খনন ও আটকে থাকা পানি বের করার মূল কাজ শুরু করা হয়।

‎​কাজ পরিদর্শনকালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক দিনে  টানা বর্ষণে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল এই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । তাদের সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কার্যক্রম  অব্যাহত থাকবে।

‎​দ্রুততম সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সরাসরি ড্রেন খননের মাধ্যমে জমে থাকা পানি বের করার কাজ শুরু করায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকা বাসীর মনে । এই মানবিক কাজের জন্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এলাকা বাসী।