রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

হাতিয়া তমরদ্দি ফাজিল মাদ্রাসায় এখনো আওয়ামীলীগ পন্থী শিক্ষকদের দাফট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:১৬ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাতিয়া তমরদ্দি ফাজিল মাদ্রাসায় এখনো আওয়ামীলীগ পন্থী শিক্ষকদের দাফট

 

মামুন রাফী -স্টাফ রিপোর্টার:

নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় তমরদ্দি ইউনিয়নে অবস্থিত তমরদ্দি আহমদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা।
পুরনো এই বিখ্যাত বিদ্যাপিঠ বিগত ১৬ বছরে তাদের সুনাম ধরে রাখতে পারেনি। দীর্ঘদিন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে কিছু শিক্ষক। কিছু শিক্ষক আওয়ামী দাফট দেখিয়ে করে যাচ্ছে ব্যবসা। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট ক্ষমতা পরিবর্তন হওয়ার পর কিছু শিক্ষক গায়ে নব্য-জামায়াতের আবরণ ও কিছু শিক্ষক নব্য-বিএনপির আবরণ নিয়ে ক্ষমতার দাফট দেখিয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতি মুক্ত করার জন্য জোর দাবী জানিয়ে যাচ্ছে।

কোন অদৃশ্য শক্তির বলে তারা এই দাফট দেখায় তা জনগণ বিভিন্ন সাংবাদিককে তথ্য দিয়ে পরিষ্কার করে। অত্র মাদ্রাসার প্রভাষক আনাস তার নিজস্ব কর্মস্থলের কাজ গাফলতি করে দীর্ঘদিন হাতিয়া দ্বীপ কলেজ, হাতিয়া ডিগ্রি কলেজে ক্লাস করেন। তিনি হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি অধ্যাপক ওয়ালী উল্লাহ এর চাচাতো ভাই। তিনি হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। দীর্ঘদিন মাদ্রাসা গর্ভনিং বডিতে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জোর খাটিয়ে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে থাকতেন। এখন তিনি নিজেকে বিএনপি পরিচয় দেন।

হাফেজ নোমান, সহকারী শিক্ষক ( মাধ্যমিক শাখা) বিশিষ্ট আলু ও পিঁয়াজ এবং আদা ব্যবসায়ী। তার বাজারে বড়ো আড়ৎ। মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ক্লাস রেখে অধিকাংশ সময় উনি ওনার আলু,পিঁয়াজ এবং আদা আড়ৎতে থাকেন বলে জানায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা।

হাফেজ নোমান আওয়ামী লীগের সাথে সমন্বয় করে বিভিন্ন মুজিব কেল্লার কাজ করে আয় করেন লাখ লাখ টাকা। তার আপন ভাতিজা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম ( সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ) হাফেজ নোমান হাতিয়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মুহিউদ্দিন মুহিন এর ঘনিষ্ঠ আত্বীয় হওয়ায় ভাগিয়ে নেই অনেক ঠিকাদারী কাজ।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বর্তমানে তাদের প্রশ্রয় দিচ্ছে হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা ও তমরদ্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন ও তমরদ্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাহেদ।

ওনার ছেলে ছাত্রলীগের সাথে জড়িত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী প্রোগ্রাম সহ একাধিক মিছিল মিটিংয়ে অংশ গ্রহণ সহ কিশোর গ্যাং এর সাথেও জড়িত জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

গতকাল ১৩/২/২০২৫ বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটাই হাফেজ নোমান শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ পন্থী শিক্ষক যারা আওয়ামীলীগ থাকা কালীন সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর সুপারিশে সিলেক্টেড হয়ে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে মাদ্রাসার কমিটিতে ছিলো। তাদের কে নতুন মাদ্রাসার শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে বহাল রাখতে সকল ধরনের ষড়যন্ত্র ওনার হাত দিয়েই হচ্ছে, এই খবর জনতা জানার পর মাদ্রাসার সামনে হাতেনাতে জনতার প্রশ্নের সম্মুখী হন তিনি একপর্যায়ে এখন নব্য-বিএনপি মতাদর্শী পরিচয় দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়েন। ওই জায়গার একটা ভিডিও ফুটেজ আমাদের হাতে এসেছে,ফুটেজে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে কমিটিতে থাকা ফ্যাসিস্ট (প্রভাষক) আনাস উদ্দিন সহ আনাস উদ্দিনের সহযোগী ফ্যাসিস্ট টিচারদের দেখা যায়।

এলাকাবাসী এই দূরাবস্থা থেকে মুক্তি চাই। এলাকাবাসী জানায় বিগত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজ দলীয় শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বিবেচনায় অযোগ্য, মাদকাসক্ত, দুর্নীতিবাজ লোকদের দিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার কমিটি করতো। অনেক শিক্ষকেরা ফ্যাসিস্ট সরকারে তেলবাজি করতো, সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাদের অবৈধ সুবিধা দিতো, ভিন্ন মতাদর্শী শিক্ষকদের হেনস্তা করতো, সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতো।

বিগত আওয়ামী-লীগের সময়ে এসব সুযোগসন্ধানী শিক্ষক আর কমিটির লোকজন মিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে মেরুদন্ডহীন করে ছেড়েছে। আর এতে ইন্ধন দিয়ে কিছু অসৎ সরকারি কর্মকর্তারা মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতো।

৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লব পরবর্তী এদেশের ছাত্রসমাজ নতুন আশায় বুক বেঁধে ছিলো। কিন্তু নামধারী কিছু অসৎ শিক্ষকদের অনৈতিক লিপ্ততা আর অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ কমিটির কারণে জুলাই বিপ্লবের স্প্রিরিটকে ধ্বংস করতেছে।

আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। রাজনৈতিক বিবেচনায় অযোগ্য, দুর্নীতিবাজ, লম্পট লোকদেরকে বাদ দিয়ে মেধাবী, সৎ ও যোগ্য লোকদের দিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি গঠন করতে হবে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এই দুইজন শিক্ষকদের মোবাইল সিম ট্যাকিং এর জন্য জনসাধারণ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। যে সিমে বেজে উঠবে আলু, পিয়াজ ও আদার দাম। বেজে উঠবে হাতিয়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগদের সাথে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কথোপকথন। অচিরেই তাদের সিমসূমহ প্রশাসন ট্যাকিং দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন হাতিয়া উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা সহ এলাকাবাসী।

1

বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ পিএম
বিদেশে বিনিয়োগের নামে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ: লালমাইয়ের কামালের বিরুদ্ধে মামলা

 

মোহাম্মদ উল্লাহ কুমিল্লা প্রতিনিধি

সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার দেওয়ার কথা বলে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে কুমিল্লার লালমাই’র কামাল আহমেদ নামের একজন সুইজারল্যান্ডের প্রবাসী। টাকা ফেরত চাইতে উল্টা নানা রকমের হয়রানিসহ হত্যার হুমকি দিচ্ছে আত্মসাৎকারী। প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করায় কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী কুমিল্লার লাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু বাহার। ২০২৫ সালের মামলাটি চলতি বছরের আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করলে পরে আদালত চলতি মাসের ১৫ তারিখে কামাল আহমেদ আসামি বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
অভিযুক্ত কামাল আহমেদ লালমাই উপজেলার অশ্বদিয়া গ্রামের ছোয়াব আহমেদের ছেলে।সুইজারল্যান্ড লুজানে রয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দেশে বাংলা বাজরে কয়েকটি মার্কেট ও অশ্বদিয়া গ্রামে তার একটি বাড়ি রয়েছে। মামলার ঘটনা জানার পর কামাল আহমেদ সুযোগ বুঝে পরিবার নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন।
মামলার সুত্রে জানা গেছে,নাঙ্গলকোট উপজেলার পেরিয়া গ্রামের আবু তাহের ছেলে আবু তাহের আবু বাহার সাউথ আফ্রিকার একজন প্রবাসী।তিনি দীর্ঘ বছর ধরে সাউথ আফ্রিকায় ব্যবসা করছেন।সাউথ আফ্রিকার প্রবাসী আবু বাহারকে সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট দেওয়া বলে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন কামাল আহমেদ।উভয়ে বাংলাদেশি হওয়ায় খুব দ্রুত তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি হয়।এক পর্যায়ে ২০২২সালে আবু বাহারের নামে সুইজারল্যান্ড লুজানে একটি হোটেল এবং রেষ্টুরেন্টে ব্যবসা করার উদ্দেশ্য
স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে দেয় কামাল আহমেদ।একই বছরের সেই চুক্তির টাকা লেনদেন করার জন্য প্রবাস থেকে দেশে আসেন কামাল আহমেদ ও আবু বাহার।২০২২ সালের ৩০ জুলাই লাকসাম পৌর শহরের বাইপাস নদীবাংলা ভুঁইয়া টাওয়ার এলাকায় কামালের সেই চুক্তি স্বাক্ষর স্ট্যাম্পে পেপার টি
উপস্থিতি স্বাক্ষীগণদের মাধ্যমে আবু বাহারকে বুঝিয়ে দিয়ে তার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন কামাল আহমেদ। এদিকে
কয়েক মাস পর আবু বাহার সুইজারল্যান্ড লুজানে গিয়ে জানতে পায় কামাল আহমেদ তার সাথে প্রতারণা করে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট দোকানটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিটক বিক্রি করে দেয়। কামাল আহমেদের কথা ও কাজের মিল না পেয়ে তাকে সন্দেহ করতে শুরু করেন আবু বাহার। আবু বাহার টাকা ও দোকানের জন্য একাধিকবার দেশে ও প্রবাসে কথা হলেও প্রতারক কামাল আহমেদ তালবাহানা শুরু করেন।অবশেষে পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো কামাল আহমেদ ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগী আবু বাহারকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।
রোববার (২৬ জুলাই) এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লালমাই থানার (ওসি) মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন,আদালত থেকে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি কোন নথি থানায় আসেনি,গ্রেপ্তারি পরোয়ানা হাতে পেলে অল্প সময়ের মধ্যেই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।’এছাড়াও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির লোকেশন নজরদারিতে রাখা হবে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভুক্তভোগী আবু তাহের আবু বাহার বলেন, সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট নামে একটি দোকান দিবে বলে কামাল আহমেদ স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর দেন।সেই পেপারটি নিয়ে দেশে এসে আমার কাছ থেকে নগদ ৪১ লাখ টাকা নেন। আমি বিদেশে গিয়ে জানতে পারলাম সুইজারল্যান্ড লুজানে হোটেল ও রেষ্টুরেন্টটি পাকিস্তানের এক ব্যক্তির নিকট বিক্রি করে দেয় কামাল আহমেদ। সে আমার সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসৎ করেছে।এ ঘটনার পর থেকে কামাল আহমেদ আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো নানা ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাই গত ১৫ জুলাই ২০২৫ সালে কামাল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফাতেমা আহমেদসহ ৪ জনকে আসামি করে কুমিল্লায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ৮ নং আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করি।

1

লালমাই প্রেস ক্লাবের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
লালমাই প্রেস ক্লাবের নিয়মিত মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

 

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার লালমাই প্রেস ক্লাবের নিয়মিত মাসিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৫টায় লালমাই উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন থানা রোডের খন্দকার মার্কেটে অবস্থিত লালমাই প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমাই প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহবুবুর রহমান কাশেম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক মো. জয়নাল আবেদীন জয়।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি এবং দৈনিক বাংলা কাগজ ও দৈনিক শিরোনাম পত্রিকার প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক বাংলার আলোড়ন-এর নিজস্ব প্রতিবেদক মোস্তফা কামাল মজুমদার রুবেল, অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক কুমিল্লা প্রতিচ্ছবি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মনিরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ও দৈনিক কুমিল্লা আলো পত্রিকার প্রতিনিধি মনসুর লোকমান রাকিব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের কলাম পত্রিকার প্রতিনিধি আজহারুল ইসলাম আজহার, স্বাস্থ্য সম্পাদক ও সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ডা. মো. মহিন উদ্দিন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান সহকারী সামছুল আলম মনির, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও দৈনিক স্বাধীন ভোর এবং ডেইলি নিউজ বাংলা ২৪ – এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ উল্লাহ, ক্রীড়া সম্পাদক ও এসডি টেলিভিশন এবং দৈনিক কুমিল্লা কণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি মো. আহসান উল্লাহ রাজু, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ও দৈনিক কুমিল্লার ডাক পত্রিকার প্রতিনিধি মো. মাঈন উদ্দিন, ধর্ম সম্পাদক ও দৈনিক একুশে পত্রিকার প্রতিনিধি খন্দকার মো. আবাদ মিয়া এবং শিক্ষানবীস সদস্য কাউছার আহমেদসহ প্রেস ক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
সভায় ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং স্থানীয় সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

1

বর্ণাঢ্য আয়োজনে আল মাহা ইন্টারন্যাশনাল মডেল একাডেমির কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
বর্ণাঢ্য আয়োজনে আল মাহা ইন্টারন্যাশনাল মডেল একাডেমির কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

 

মোঃ ইস্রাফিল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:

যশোরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল মাহা ইন্টারন্যাশনাল মডেল একাডেমির উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অভিভাবক সমাবেশ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) যশোরের স্বনামধন্য রেড টাউন রেস্টুরেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, অতিথি ও সুধীজনের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মো. আব্দুস সামী। এরপর শিক্ষার্থীরা একক ও সমবেত সংগীত, বক্তৃতা, আবৃত্তি, অভিনয়সহ বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে উপস্থিত অতিথি ও অভিভাবকদের মুগ্ধ করে।

দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সোহরাব হোসাইন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও সৃজনশীলতার বিকাশই একজন শিক্ষার্থীকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আল মাহা ইন্টারন্যাশনাল মডেল একাডেমির উপদেষ্টা ও অভিভাবক রেজাউল করিম, যশোর দাউদ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ফারুক হোসেন, একাডেমির প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক, পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম এবং শায়েখ সাইফুল্লাহ বিন কোরবান।

অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ফুল ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করে সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন দক্ষিণবঙ্গের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশন করেন। এছাড়া যশোরের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘তরঙ্গ’-এর শিল্পীরাও প্রাণবন্ত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করেন।

সমাপনী বক্তব্যে সরকারি মাহতাবউদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও আল মাহা ইন্টারন্যাশনাল মডেল একাডেমির অন্যতম উপদেষ্টা ড. মাহবুবুর রহমান শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আল মাহা ইন্টারন্যাশনাল মডেল একাডেমির চেয়ারম্যান মাওলানা মাহ্দী হাসান। সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপস্থিত সকল অতিথি, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাংবাদিক এবং অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের মেধা, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে একাডেমির এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।