সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

ছয় সাত মাস ধরে বিএনপির প্রতি অবিচার হচ্ছে তারাকান্দা সম্মেলনে দাবি: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১:১৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ছয় সাত মাস ধরে বিএনপির প্রতি অবিচার হচ্ছে তারাকান্দা সম্মেলনে দাবি: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমানের

 

মোঃ কামরুল হাসান (লিটন):

ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির জনসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান। শনিবার বিকেলে তারাকান্দায় ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির জনসভায় বক্তব্য রাখছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান। শনিবার বিকেলে তারাকান্দায়
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘বাবারা, যদি নতুন দল করো, তাহলে মাঠে আইসা করো। সিংহাসনে থাইক্যা কিংস পার্টি করলে দেশের মানুষ মেনে নেবে না। যারা তোমাদের পেছনে মদদ দিচ্ছে, আফগানিস্তান, সিরিয়ার মতো যারা দেশকে পদদলিত করে রাখতে চায়, দেশের মাটিতে তা কখনো সম্ভব হবে না।’

আজ শনিবার ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফজলুর রহমান এসব কথা বলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে তারাকান্দা উপজেলার নতুন বাজার এলাকার একটি মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
৬-৭ মাস ধরে বিএনপির প্রতি অবিচার হচ্ছে দাবি করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এখন নির্বাচন হলে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিএনপি জয়ী হবে। কিন্তু সেই বিএনপিকে ঠেকাতে ষড়যন্ত্র চলছে। আর যারা এ কাজটি করছে, গত ২০ বছর তারা আমাদের নেত্রীর আঁচলতলে ছিল। মুক্তিযুদ্ধ হলো দেশের মা। সেই যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন মেজর জিয়া। সেই মুক্তিযুদ্ধকে যারা পদদলিত করতে চায়, তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, আমরা জিতেছিলাম, আপনারা পরাজিত হয়েছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘বেইমান, মিরজাফর ও ষড়যন্ত্রকারীরা হেরে যাবে। ইসলামের নামে ব্যবসা করে দেশের মানুষকে ভোলাতে পারবেন না। ইসলামকে বিক্রি করে রাজনীতি করতে আইসেন না। বেডাগিরি করতে চাইলে নিজের মার্কা নিয়ে আসেন। ১০ শতাংশ ভোট পাইলে স্যালুট দিব। ইসলাম নিয়ে যারা ব্যবসা করে, দেশের মানুষ তাদের ভোট দিবে না।’

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ইউনূস সাহেবকে বলে দিতে চাই, কার পক্ষে দেশের জনগণ আছে, তার জন্য নির্বাচন দরকার। স্থানীয় নির্বাচনের জন্য কী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন আছে? তাহলে আপনারা স্থানীয় সরকার নির্বাচন কেন করতে চাইছেন? শেখ হাসিনা দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। হাসিনাকে তাড়াইছি, এখন প্রথমে হবে জাতীয় নির্বাচন, এটি কি ইউনূস সাহেব বোঝেন না।’
ফজলুর রহমান বলেন, ‘আজ থেকে ১০ বছর আগে তারাকান্দায় অমানুষের রাজত্ব ছিল। নির্বাচনী সভায় এসে রক্তাক্ত হয়েছিলাম। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনা ওয়াদা ভঙ্গ করে দিনের ভোট রাতে করল। নিশিরাতের ভোটে এমপি-মন্ত্রী হলো। হাসিনা দেশকে শেষ করল। ২০২৪ সালে হাসিনা আমি-ডামি ইলেকশন করছে। উনি এত ক্ষমতাশালী মনে করতেন যেন চৌঠা আসমানে উঠে গেছে। ১৫ বছরের শাসনে দেশের মানুষকে অত্যাচার করেছেন। দিনের পর পর দিন মানুষ জেল-জুলুম খেটেছেন। শত শত মামলা মাথায় নিয়ে বিএনপি নেতারা ঘুরে বেড়িয়েছেন। ঢাকা শহরে গিয়ে রিকশা ঠেলেছেন। তারপরও দল ছাড়েননি। যেখানেই বিএনপির মিছিল দেখেছেন, সেখানেই ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। জেলে থাকায় মা মরেছেন, বাবা মরেছেন, দেখতে পারেননি। বিএনপি নেতা-কর্মীর মতো জেল আর কখনো কেউ খাটেননি। তারপরও বিএনপির একজন কর্মীও কমেনি।’
বেলা চারটায় সমাবেশ শুরুর আগে জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, ফুলপুর, তারাকান্দা, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ ও নান্দাইল উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম এনায়েতউল্লাহ কালাম। উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কোনো টালবাহানা ছাড়া দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে। দল বড় করার জন্য আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত করা হবে না। যারা এটি করতে চাইবে, তাদের প্রতিহত করা হবে।

1

শ্রীবরদী উপজেলার টিউমারে আক্রান্ত ১১ বছরের রাশেদ, অর্থের অভাবে অনিশ্চিত চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
শ্রীবরদী উপজেলার টিউমারে আক্রান্ত ১১ বছরের রাশেদ, অর্থের অভাবে অনিশ্চিত চিকিৎসা

 

শাওন আহাম্মেদ= স্টাফ রিপোর্টারঃ

“আমি বাঁচতে চাই”—১১ বছরের শিশু মো. রাশেদ মিয়ার এই আকুতি যেন নাড়া দিচ্ছে প্রতিটি মানবিক হৃদয়কে। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ৩ নম্বর কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের এই শিশুটি বর্তমানে পেটে টিউমার নিয়ে গুরুতর অসুস্থ। চিকিৎসকরা দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

যে বয়সে রাশেদের মাঠজুড়ে ছুটে বেড়ানোর কথা, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে সময় কাটানোর কথা, সেই বয়সেই তাকে লড়তে হচ্ছে কঠিন এক রোগের সঙ্গে। অসুস্থতার যন্ত্রণায় তার মুখের হাসি ম্লান হয়ে গেছে। এখন তার একটাই স্বপ্ন—সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া।

রাশেদের বাবা মো. রাকিব মিয়া একজন সাধারণ পরিবারের মানুষ। সন্তানের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ধার-দেনা করে অনেক অর্থ ব্যয় করেছেন। চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও অন্যান্য খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

একদিকে সন্তানের জীবন নিয়ে উৎকণ্ঠা, অন্যদিকে অর্থের অভাব—এই দুই দুশ্চিন্তায় দিশেহারা রাশেদের পরিবার। তাই সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের কাছে সন্তানের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও রাশেদের চিকিৎসার জন্য বড় সহায়তা হতে পারে। অনেক ছোট ছোট সহযোগিতা একত্রিত হলে হয়তো একটি শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে। আপনার দেওয়া একটি সহায়তা ফিরিয়ে দিতে পারে রাশেদের মুখের হাসি, এনে দিতে পারে নতুন জীবনের স্বপ্ন।

চিকিৎসায় সহযোগিতা

রাশেদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠানো যাবে—

বিকাশ/নগদ: ০১৭৫৫-৭৫৫২৯৯

শুধু আর্থিক সহযোগিতাই নয়, এই মানবিক আবেদনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেও রাশেদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। আপনার একটি শেয়ার হয়তো এমন কোনো হৃদয়বান মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে, যিনি তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসবেন।

বিশেষ অনুরোধ: আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর আগে রোগী, পরিবারের পরিচয়, চিকিৎসার কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ছোট্ট রাশেদের চোখে আবারও স্বপ্নের আলো ফিরুক, মুখে ফুটে উঠুক হাসি। সে সুস্থ হয়ে আবারও বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করুক, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক—এটাই এখন তার পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের একমাত্র প্রত্যাশা।

1

জামালগঞ্জে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
জামালগঞ্জে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি


‎সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
‎সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. কামাল উদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ এনে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
‎শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৩ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি শাহপুর বাঁধ বাজারে যান। সেখানে সরকারি কাজে উপস্থিত একজন সার্ভেয়ার বাঁধ বাজারের কয়েকটি দোকান নির্মাণ ও মালিকানা সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, দোকানগুলো প্রায় ২৫ বছর আগে মরহুম আব্দুল মান্নান চৌধুরী ওরফে তেলা মিয়া চৌধুরী নির্মাণ করেছিলেন। এ কথা বলার পরপরই রফিকুল ইসলাম বিন বারী ও তার স্ত্রী রবিকুল বেগম উত্তেজিত হয়ে তাকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের নির্দেশ দেন এবং ওই সময় পায়েল, খোকন, পল্লব, রিগানসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং সেখানে তিনি চিকিৎসা নেন।
‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রশ্নের উত্তরে নিজের জানা তথ্য প্রকাশ করাই তার অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কারণে কেন একজন নাগরিককে শারীরিক হামলার শিকার হতে হবে। এ ঘটনায় জামালগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি জিডি করেছেন তিনি।
‎সংবাদ সম্মেলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিবাদী রফিকুল ইসলাম বিন বারীর আপন ছোট বোন পারভীন আক্তার চৌধুরী এবং আপন ভাতিজা পরাগ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তারা বক্তব্যে অভিযোগ করেন, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত পারিবারিক ভূমি ও সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখল করে রেখেছেন রফিকুল ইসলাম বিন বারী। এসময় তারা রফিকুল ইসলাম বিন বারীর বিরুদ্ধে উত্তরাধিকারদের ভূমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব বিরোধের কারণে শুধু পরিবারের সদস্যরাই নয়, এলাকার সামাজিক সম্প্রীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
‎এব্যাপারে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম বিন বারী বলেন, আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন। সামাজিকভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

1

মির্জাপুরে বন্ধ থাকা গোড়াই কটন মিলস পরিদর্শন করলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
মির্জাপুরে বন্ধ থাকা গোড়াই কটন মিলস পরিদর্শন করলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

 

আনোয়ার হোসেন (মির্জাপুর প্রতিনিধি) :

হাজারো পরিবারের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ শিল্প কারখানা মির্জাপুরের গোড়াই কটন মিল পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশের মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১০ টার সময় উপজেলার এই বন্ধ কারখানাটি পরিদর্শন করেন।জানা যায়,শিল্প কারখানাটি যুগ যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে।একসময় এই কারখানায় হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করত,যেখানে হাজারো পরিবারের স্বপ্ন লুকিয়ে থাকত।আজ সেই কারখানাটি বন্ধ।এই বন্ধ কারখানা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালু হবে এমন আশ্বাস দেন মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি।

কারখানা পরিদর্শনকালে আরোও উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুরের মাননীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি,বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশনের চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এসএম জাহিদ হাসান ও সচিব ফিরোজ আহমেদ, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবিব সহ প্রমূখ।

পরিদর্শন শেষে মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন,আমরা উদ্যোগ নিয়েছি,খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে যতগুলো কারখানা বন্ধ রয়েছে,সবগুলো চালু করা হবে। তিনি আরো বলেন সংশ্লিষ্ট মিলের সাথে এলাকার যোগ্যতা সম্পন্ন লোকজন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ।