শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩১ ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩১ ১৪৩২

১৮ বছর পর জোরপূর্বক জমি দখল করে বিক্রির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫, ৩:৫৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
১৮ বছর পর জোরপূর্বক জমি দখল করে বিক্রির অভিযোগ

রামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার পূর্ব ধেচুয়া পালং এলাকার এক নারী রাশেদা খানম ১৮ বছর আগে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ায় তার আত্মীয়দের কাছ থেকে ৩১ শতক জমি ক্রয় করে মালিকানা লাভ করেন। দলিলনামা অনুযায়ী, তিনি ২০০৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর নং-১৭৫৭ রেজিস্ট্রির মাধ্যমে উক্ত জমির স্বত্বাধিকারী হন এবং নাদাবী পত্র অনুসারে দাতাগণ ৫৩,০০০/- (তিপ্পান্ন হাজার) টাকা গ্রহণপূর্বক সকল প্রকার দাবি-দাওয়া হতে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি দেন।

নাদাবী পত্রে জমি বিক্রেতারা হলেন—মাহমুদুল্লাহ, হাজী রকিম উল্লাহ, হাজী ওবাইদুল হক, মছন আলী, মাওলবী জহিরুল ইসলাম, নূর নাহার বেগম, জহুরা বেগম, লায়লা বেগম, তফুরা বেগম ও আয়েশা বেগম। তারা সবাই মৃত জমির আহমদ ও মৃত ছমন খাতুনের সন্তান। জমিটি তাদের মাতা ছমন খাতুন ১৯৮৮ সালে রামু সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে নিবন্ধনকৃত দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করে মালিক হন। তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারসূত্রে সন্তানরা মালিক হন এবং পরবর্তীতে রাশেদা খানমের নিকট বিক্রি করেন।

ভুক্তভোগী রাশেদা খানম জানান, দলিল অনুসারে তিনি গত ১৮ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে জমিটি ভোগ দখলে রেখেছেন। কিন্তু সম্প্রতি দাতাদের মধ্যে কয়েকজন পূর্বের অঙ্গীকার অস্বীকার করে জোরপূর্বক জমির দখল নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তৃতীয়পক্ষকে জমিটি বিক্রির পাঁয়তারা করছেন। এ ঘটনায় তিনি আতঙ্কিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমি আইন মেনে দলিল করে জমি কিনেছি। এত বছর পর এখন তারা জোর করে আমার জমি দখল করে অন্যের কাছে বিক্রি করছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।”

স্থানীয়দের মতে, এই জমি সংক্রান্ত নাদাবীপত্র একটি পূর্ণাঙ্গ আইনি দলিল, যেখানে বিক্রেতারা সুস্পষ্টভাবে অর্থ গ্রহণ এবং মালিকানা হস্তান্তরের কথা স্বীকার করেছেন। এখন এই জমি নিয়ে আবার বিরোধ সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অনৈতিক।

ভুক্তভোগী বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

1

সলঙ্গায় গভীর রাত পর্যন্ত চলছে দর্জিদের কর্মব্যস্ততা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:২৬ এম
সলঙ্গায় গভীর রাত পর্যন্ত চলছে দর্জিদের কর্মব্যস্ততা

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মিটার কাপড়ের দোকান ও দর্জিদোকানে এখন চলছে টানা ব্যস্ততা।দিন-রাত এক করে গ্রাহকদের অর্ডার অনুযায়ী নতুন পোশাক তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি ও পোশাক কারিগররা। কাজের চাপ এতটাই বেড়েছে যে, ইতোমধ্যেই অনেক দর্জি দোকান নতুন অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।
সলঙ্গা থানাসদর সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, পছন্দের পোশাক তৈরির জন্য দর্জিদের দোকানে ভীড় করছেন ক্রেতারা। গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে দর্জিরা এখন ব্যস্ত সালোয়ার-কামিজ,থ্রি-পিস, পায়জামা-পাঞ্জাবি এবং শিশুদের বিভিন্ন পোশাক তৈরিতে।দর্জি দোকানগুলোতে গরগর শব্দে সেলাই মেশিন চলছে প্রায় অবিরাম।
সলঙ্গা বাজারের বরাদ আলী সুপার মার্কেট মক্কা টেইলার্স–এর মালিক নুরুল ইসলাম জানান,রোজার শুরু থেকেই এ বছর পাঞ্জাবির অর্ডার অনেক বেশি।তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে কর্মচারীদের নিয়ে টানা কাজ করতে হচ্ছে।
অপরদিকে মদিনা টেইলার্সের মালিক আব্দুল বাতেন বলেন,“ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মার্কেট জমজমাট হয়ে উঠেছে।স্বাভাবিকভাবেই আমাদের ব্যস্ততাও অনেক বেড়েছে।মক্কা টেইলার্স এর দর্জি/কারিগর হাফেজ মাহমুদুল হাসান (সৌরভ),সজীব সরকার,রুহুল আমিন,রাকিবুল ইসলাম,আসলাম খান জানায়,সারা বছরের আয়ের একটি বড় অংশই আমরা রমজানের ঈদের পোশাক সেলাই করে পাই।” এদিকে নারী দর্জিরাও পিছিয়ে নেই।বিথী লেডিস টেইলার্স–এর মালিক শহিদুল ইসলাম (ফুলজোড়) জানান,এ বছর আমার ঘরে মেয়েদের অর্ডার খুবই ভালো পেয়েছি।মেয়েদের সালোয়ার- কামিজ ও বোরকার কাজের চাপ এত বেশি যে নতুন অর্ডার নেয়া ইতিমধ্যেই বন্ধ করা হয়েছে।তার দোকানের একজন মহিলা দর্জি সাথী খাতুন বলেন,ঈদ ছাড়াও সারা বছরই মেয়েদের পোশাক তৈরি কাজের চাপ বেশি থাকে।তবে গত বছরের ঈদের তুলনায় অর্ডার এবার আরো বেশি।আশা করছি অর্ডারী কাজগুলো যথা সময়ে গ্রাহকদের হাতে তুলে দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।
কদমতলা বগুড়া টেইলার্সের মালিক জোতি বলেন,তাদের দোকানের কর্মচারীরা প্রতিদিন প্রায় ৯ থেকে ১০টি পোষাক সেলাই (তৈরি) করছেন।
স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে তাদের।তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রতিদিন একজন দর্জি ( কারিগর) ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরি পাচ্ছেন।মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট মোহনা টেইলার্স এর মালিক জানান,শেষ মুহূর্তের অর্ডার সামলাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।তাই নতুন করে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছি।তাই ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে ক্রেতাদের ভীড়।
তাই ব্যস্ততার মধ্যেও টেইলার্স মালিক ও দর্জি কারিগররা আশাবাদী—এবারের ঈদের আয় দিয়ে তারা পরিবারের সঙ্গে আনন্দমুখর সময় কাটাতে পারবেন।

1

কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যের পরিবারকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:২২ এম
কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যের পরিবারকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান

মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

“কর্তব্যের তরে করে গেল যারা, আত্মবলিদান প্রতিক্ষণে স্মরি, রাখিব ধরি তোমাদের সম্মান”এই প্রতিশ্রুতি বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ পুলিশের সম্মানিত ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির মহোদয়ের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যের পরিবারবর্গকে ঈদ শুভেচ্ছা বার্তাসহ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।

অদ্য ১২ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অফিস কক্ষে ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মহোদয় কর্তৃক প্রেরিত পবিত্র ঈদুল ফিতর-২০২৬ এর শুভেচ্ছা বার্তাসহ উপহার সামগ্রী সাতক্ষীরা জেলার কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যের পরিবারবর্গের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম মহোদয়।

এসময় পুলিশ সুপার মহোদয় কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাদের যেকোনো প্রয়োজনে জেলা পুলিশ সাতক্ষীরা সব সময় পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব জান্নাতুল ফেরদৌস তুলি, সভানেত্রী, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), সাতক্ষীরা জেলা।

1

যশোর ডিবি পুলিশের অভিযানে ০১ টি দেশীয় তৈরী ওয়ান সুটারগান ও ০১ টি ককটেল উদ্ধার সহ আটক-১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:২০ এম
যশোর ডিবি পুলিশের অভিযানে ০১ টি দেশীয় তৈরী ওয়ান সুটারগান ও ০১ টি ককটেল উদ্ধার সহ আটক-১

মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

ডিবি যশোরের এসআই (নিঃ)/মোঃ সালাউদ্দিন খান সঙ্গীয় অফিসার ও সংগীয় ফোর্সের সমন্বয়ে একটা চৌকস টিম যশোর কোতয়ালী থানা এলাকায় জনৈক কাজী সোহেল এর মালিকানাধীন বন্ধু আবাসিক হোটেল, উপশহর ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন অভিযান পরিচালনা করে রাত ২৩:৩০ ঘটিকার সময় মোঃ রবিউল ইসলাম (৩০) কে ০১ টি দেশীয় তৈরী ওয়ান সুটারগান ও ০১ টি ককটেল উদ্ধার সহ গ্রেফতার করে। পূর্ব তার বিরুদ্ধে ০২ টি মাদক মামলা রয়েছে।

আসামীকে ইং ১২/০৩;২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আসামীর নাম ও ঠিকানাঃ-
১। নামঃ মোঃ রবিউল ইসলাম (৩০)
পিতা-মোঃ মৃত ইসাহাক আলী
মাতা-মোসাঃ আমেনা বেগম
সাং-ভাতঘরা, (৭নং রায়গ্রাম ইউপি), থানা-কালীগঞ্জ, জেলা-ঝিনাইদহ।

উদ্ধারঃ-
০১। ০১ টি দেশীয় তৈরী ওয়ান সুটারগান
০২। ০১ টি ককটেল