বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

1

প্রিজাইডিং অফিসারদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৮ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রিজাইডিং অফিসারদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মোঃ রানা ইসলাম – ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ উঠেছে। জেলা বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা অভিযোগ জানানো হয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী অভিযোগ করে বলেছেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নিয়োজিত প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারসহ অন্যান্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের নেতাকর্মী কিংবা সমর্থক।
এ বিষয়ে তিনি গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগে মো. পয়গাম আলী বলেন, এই ধরনের দলীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দিয়ে কোনোভাবেই নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারসহ নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই করে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে, একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেনও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত কর্মকর্তাদের প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা ভোটের স্বচ্ছতার জন্য বড় ধরনের হুমকি।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মৌখিকভাবে বিষয়টি তুলে ধরেন।
নির্বাচনের আগেই একই আসনে ভোট পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ উঠে আসায় প্রশ্ন উঠছে যাদের হাতে ভোটের ব্যালট, তাদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে?
ভোটাররা জানান, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যা না এলে ভোটারদের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
শহরের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, ভোট মানেই শুধু ব্যালট নয়, এটা মানুষের অধিকার। আমরা চাই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। কিন্তু যারা ভোট পরিচালনা করবেন, তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে যদি প্রশ্ন থাকে, তাহলে সেই আস্থা নষ্ট হয়ে যায়। প্রশাসনের উচিত আগেভাগেই সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা এবং ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনা।
গোয়ালপাড়ার ভোটার সুমন বলেন, নির্বাচনের আগেই যখন বারবার কর্মকর্তাদের নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ আসছে, তখন সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরি হয়। আমরা রাজনীতি বুঝি না, কিন্তু বুঝি সুষ্ঠু ভোট হলে দেশের জন্য ভালো। তাই প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, তারা বিষয়গুলো পরিষ্কার করবে এবং কোনো পক্ষ যেন প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করবে।
এক তরুণ ভোটার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা নতুন প্রজন্ম ভোটের প্রতি আগ্রহ হারাতে বসেছি, কারণ আগের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। এবার যদি কর্মকর্তারা সত্যিকার অর্থে নিরপেক্ষ থাকেন, তাহলে তরুণরা আবার ভোটের ওপর আস্থা ফিরে পাবে। না হলে ভোটকেন্দ্র বিমুখতা আরও বাড়বে।
এক নারী ভোটার বলেন, ভোট সুষ্ঠু হলে নারী ভোটাররাও নিরাপদ বোধ করেন। কিন্তু আগে থেকেই যদি অনিয়মের কথা শোনা যায়, তাহলে অনেকেই কেন্দ্রে যেতে ভয় পান। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ, ভোটের পরিবেশ যেন নিরাপদ ও নিরপেক্ষ হয়।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) ইশরাত ফারজানা বলেন, আমরা নির্বাচনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং নিশ্চিত করতে চাই, যে ভোট প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ হবে। নির্বাচন-সংক্রান্ত যে কোনো অভিযোগ আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। ভোটারদের আস্থা বজায় রাখা আমাদের মূল দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি, সব পক্ষের সহযোগিতা থাকলে আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের লক্ষ্য, ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্র যেন নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয় এবং ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে নিজের ভোট দিতে পারেন।

1

পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে নিয়ম মেনে পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিলে ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। তবে দালল ধরে ফরম জমা দিলে সেটি সহজেই জমা দেওয়া যাচ্ছে। এর জন্য দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসকে দিতে হচ্ছে ঘুষ। অনিয়ম-দুর্নীতি যেন এখানে নিয়ম ও নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
হাসমত আলীর বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে। নিজের পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস। তাঁর কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, আবেদনপত্রের একটি বিশেষ পাতা। ওই পাতায় লেখা একটি বিশেষ ‘সংকেত’। সেই সংকেতটি ইংরেজিতে লেখা দুইটি বর্ণ। বর্ণের পাশে হাইফেন দিয়ে লেখা দুইটি ইংরেজি সংখ্যা। এ কোড দেখে পাসপোর্ট অফিসের ফরম জমা নেওয়া কর্মচারী কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই আবেদনটি জমা নিয়ে নিলেন। গত ১০ জুন বেলা পৌনে বারোটার দিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে এমন ঘটনা ঘটে।
এর কিছুক্ষণ আগে আবেদন জমা দিতে না পেরে হতাশ হয়ে বের হন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আজমতপুর এলাকার তরুণ রাব্বি আহমেদ। তাঁর আবেদনটি ‘ত্রুটি’ থাকায় জমা নেওয়া হয়নি। এরপর রাব্বি আহমেদ তাঁর দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে অফিসের বাইরে একটি দোকানে যান দালাল ধরতে। রাব্বি আহমেদ বলেন, ‘আমার সব কাগজ ঠিকই ছিল। তবে জমা না নিয়ে পরের দিন যেতে বলল।’
এক শ্রেনীর দালাল চ্যানেল ফাইল করে দেয় বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫ শত টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসকে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে।
সরেজমিনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সামনে দেখা যায়, সকাল থেকেই সেখানে অনেক দালাল ঘুরতে থাকে। পাসপের্ট আবেদন করার জন্য লোক আসামাত্রই দালালরা সেবা গ্রহীতাদের ইশারায় এবং কখনো সরাসরি তাদের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে বলে। দালালদের মাধ্যমে জমা দেওয়া পাসপোর্টের আবেদন ফরমকে বলা হয় ‘চ্যানেল ফাইল’। চ্যানেল ফাইলের বিষয়ে কথা হয় তিনজন দালালের সঙ্গে। শুরুতে তাঁরা এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানান, পাসপোর্ট অফিসের এ ধরনের দালালির বিষয়টি মোটামুটি ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রতিটি দোকান থেকে চ্যানেল ফাইল করে দেওয়া হয়। বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে। এভাবে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে।
চ্যানেল ফাইলটি করা হয় অত্যন্ত কৌশলে। আবেদপত্রটি জমা দেওয়ার সময় যেকোন একটি কাগজের দুটি কপি করা হয়। অতিরিক্ত ওই কপিতে লেখা হয় গোপন সংকেতটি। পরে অফিসে জমার নেওয়ার পর সংকেত লেখা অতিরিক্ত কাগজটি খুলে ফেলা হয়। খুলে ফেলা কাগজটি গোপনে সংরক্ষণ করেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মী। পরে গোপনে জমা রাখা ওইসব কাগজ দেখে হিসাব করে দালালদের কাছে থেকে সপ্তাহের প্রতি বুধবার ‘পাওয়া’ টাকা আদায় করে পাসপোর্ট অফিস। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে ঘুষ বাণিজ্য।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকে আশিষ কুমার দাসের                                                                                                                                                                                                                                                                                                  মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, আমি নতুন এসেছি এই বিষয়ে আমার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে, লিখিত ভাবে আমার কাছে দেন, আমি দেখবো। আমার জানামতে এখানে কোন ঘুষ বানজ্য হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘুষে আদায়কৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পান সহকারী-পরিচালক আশিষ কুমার দাস  ও উপ-সহকারী পরিচালক । বাকি টাকা দারোয়ান থেকে শুরু করে অফিস স্টাফদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয়। এছাড়া ঘুষের ভাগ পান কতিপয় রাজনৈতিক দলের নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অসাধু সদস্য এবং অখ্যাত পত্রিকার নামধারী সাংবাদিক। তবে এসব বিষয়ে সরাসরি কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
দুদক অফিস পাশে, তবুও নীরবতা!
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় এই পাসপোর্ট অফিসের পাশের ভবনেই অবস্থিত। ৫ আগস্টের পর দুদক ময়মনসিংহের বিভিন্ন সরকারি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করলেও পাসপোর্ট অফিসে কখনো কোন অভিযান পরিচালনা করেনি। এ বিষয়ে দুদকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মককার মুঠোফোনে বলেন, আমি তিন মাস আগে ময়মনসিংহের দায়িত্ব পেয়েছি এরমধ্যে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা হয়নি। আমার জানামতে ৫ আগস্টের পর কোন অভিযান পরিচালিত হয়নি।

1

নানা অনিয়মের অভিযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা করা হয়।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
নানা অনিয়মের অভিযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা করা হয়।

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার  (১৭ জুন) দুপুরে  বকশীগঞ্জ  পৌরসভার  এলাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা- উল- হুসনা । এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল ইসলাম ।

অভিযানে সহযোগিতা করেন বকশীগঞ্জ থানার  (এএসআই) ইব্রাহিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিবেশের ছাড়পত্র, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা পরিচালনা করায়, অনুমোদন বিহীন ব্লাড ট্রান্সমিশন করায়  উক্ত জরিমানা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য হলো নিউ পপুলার  ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০হাজার টাকা, শেখ ফরিদ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে  ১৫হাজার টাকা,হেলথর্ কেয়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে  ৫ হাজার।

সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা- উল- হুসনা বলেন জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত

থাকবে।

1

বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ পিএম
বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার হলরুমে বীরমুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীর উদ্যোগে কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আফসার আলীর সভাপতিত্বে ও খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মোসাদ্দেকুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় কুইজ প্রতিযোগিতায় এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম,পূবালী ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখার ম্যানেজার ফারহানা রহমান সীমুন, ডাঃ আব্দুল আল মুত্তাকী জীবনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞান ভিত্তিক এই কুইজ প্রতিযোগিতায় উপজেলার ৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথি’রা।