শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

ভারতীয় চক্রান্ত দেশ থেকে বিদেশে থেমে নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভারতীয় চক্রান্ত দেশ থেকে বিদেশে থেমে নেই

আবু নাসের মহিউদ্দিনঃ

ভারত ৭১ থেকে যেন সইতে পারছে না মুসলিম অধিকাংশ দেশ বাংলাদেশ-কে, দেশটি এগিয়ে যাবে তা চক্ষু কপালে উঠার মত তাদের জন্য দেশের সরকারি স্তর থেকে সাধারণ জনগণ সকলে বাংলাদেশের জন্য বিষ ফোঁড়ার মত কাজ করে।
জ্বী তাঁরা বিদেশে থেমে নেই কিভাবে বাংলাদেশের বদনাম করা যায় তাদের এমন একটা উদ্দেশ্য সব সময় কাজ করে বাংলার জনগণের উপর, তেমনি এক ঘটনার সাক্ষী কুয়েতে।
দ্যা ইন্ডিয়ান টাইমস একটি নিউজ প্রতিবেদন ​কুয়েতে বিষাক্ত মদ উৎপাদন ও বিতরণের অভিযোগে এক বাংলাদেশি জড়িত থাকার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। দ্য টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা এই অভিযোগ করা হয়েছিল, যা দূতাবাস দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

​দূতাবাস প্রকাশিত ওই সংবাদ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কারণ ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বিষাক্ত মদ তৈরির চক্রের মূল হোতা ‘দেলোরা বারকাশ দারাজি’ নামে এক বাংলাদেশি।
​বাংলাদেশ দূতাবাস জানায় এই নামটা বাংলাদেশের নামের সাথে একেবারেই অস্বাভাবিক। তাই দ্রুত এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করার জন্য দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ওয়াইফরা পুলিশ স্টেশনে যোগাযোগ করে আহমদি জেলার তদন্ত অফিসের প্রধানের সাথে কথা বলে বাংলাদেশ দূতাবাস।

​কুয়েতের কর্তৃপক্ষ দূতাবাসকে নিশ্চিত করে যে এই ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি নাগরিক জড়িত ছিল না, গ্রেপ্তার হওয়া ৬৭ জন এবং নিহত ২৩ জন অন্ধ হওয়া ১৩ জন কিডনী নষ্ট হওয়া ৩০ জন ও বিষাক্ত মদ পান করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট ১৬৩ জন মধ্যেও কোনো বাংলাদেশি ছিল না।
​দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, “কর্তৃপক্ষের এই নিশ্চিত তথ্যের পর কোনো সন্দেহ নেই যে বিষাক্ত মদ উৎপাদন বা বিতরণের সাথে কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পর্ক নেই।”

​দূতাবাস আরও জানায়, এমন ভুল তথ্য প্রকাশ করা শুধু বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুনাম ক্ষুণ্ন করে না, বরং এটি তাদের সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করে এবং বিদেশি বিদ্বেষকে উসকে দেয়।
​দূতাবাস একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা খুবই দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ।”

​গণমাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানিয়ে দূতাবাস বলেছে যে তারা কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সম্মান রক্ষা করতে এবং সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে বস্তুনিষ্ঠ ও পক্ষপাতহীন সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত এর এমন তদন্ত বাংলাদেশের প্রবাসীদের ভারতীয় মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণা থামাতে বড় ধরণের ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সকল স্বরযন্ত্রীয় কার্যক্রম বন্ধ হবে।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।