শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কুয়েত প্রবাসী সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন কেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:১৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুয়েত প্রবাসী সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন কেন

 

আবু নাসের মহিউদ্দিন – কুয়েত প্রতিনিধি:

কুয়েতে বসবাসরত তিন লক্ষের অধিক প্রবাসী বাংলাদেশীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনপূর্বক প্রবাসীদের সমস্যার সমাধান কল্পে ও শ্রমবাজার, ভীসার উচ্চমূলের লাগাম টেনে ধরা, ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ দূতাবাস ও সরকারের নজরে প্রবাসীদের সুখ-দুঃখ সম্ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যে আশির দশক থেকে কুয়েতে সৌখিন সাংবাদিকতার কাজ শুরু হলেও,
২০০০ সাল থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজনের বিষয়টি লক্ষণীয় পর্যায়ে আসে। তবে বর্তমানে তা জটিল সমস্যার রূপ ধারণ করেছে। প্রবাসীদের মিডিয়া কর্মীদের বিভাজন নিরসনে বিভিন্ন মহল থেকে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি এবং বাংলাদেশ দূতাবাস এই বিষয়ে জরুরী সংবাদকর্মীদের নিয়ে সমধানের পথ দেখিয়ে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।

সাংবাদিকদের বিভাজনের কারণ কি বা কেন?
সংগঠন নিয়ে কোন্দল–কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের মধ্যে একাধিক সংগঠন রয়েছে। যেমন – বাংলা প্রেস ক্লাব কুয়েত, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েত, বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়ন কুয়েত, প্রবাস বাংলা মিডিয়া, কুয়েত। এসব সংগঠনের মধ্যে নেতৃত্ব ও প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা প্রায়শই বিভেদ সৃষ্টি করে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, পূর্ববর্তী সংগঠন বিলুপ্ত করে নতুন সংগঠন গঠন করা হয়েছে, যা পুরনো সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।

ব্যক্তিগত স্বার্থ ও লোভ: অনেক সময় পেশাগত আদর্শের চেয়ে ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা বা অর্থনৈতিক লাভকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।কিছু অর্থের জন্য নিজের নীতিকে বিক্রী করা এতে সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য, অর্থাৎ প্রবাসীদের কল্যাণ সাধন, ব্যাহত হয় এবং নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়। কিছু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভিসা দালাল বা অন্যান্য অসাধু চক্রের পক্ষ নিয়ে কথা বলার অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল রয়েছে, তেমনি ভিসা ও ওসাধু চক্রের সঙ্গে সাংবাদিকদের ওঠাবসা, আর্থিক সুবিধা ও উপটৌকন গ্রহণ করে এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের সোসাল মিডিয়ায়।
পেশাদারিত্বের অভাব- কিছু ক্ষেত্রে কিছু সাংবাদিকের মধ্যে পেশাদারিত্বের অভাব দেখা যায়, যার ফলে সংবাদে আকর্ষণ বাড়ানো ও ভাইরাল করার নেশায় বিকৃত তথ্য বা পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ পরিবেশন করা হয়। তাতে প্রবাসে বাংলাদেশীদের সম্মান ক্ষুন্ন হয়, যা পক্ষান্তরে প্রবাসের শ্রমবাজার জটিলতায় ও সংকোচনে বিবর্জিত । এই ধরনের কর্মকাণ্ড অন্যান্য সৎ এবং পেশাদার সাংবাদিকদের থেকে তাদের দূরে সরিয়ে দেয় এবং আস্থা নষ্ট করে।

কমিউনিটি ও রাজনৈতিক কোন্দল-প্রবাসী সাংবাদিকরা অনেক সময় বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক বা গোষ্ঠীগত কোন্দলের শিকার হন। তারা কোনো নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ করলে অন্যান্য দলের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়, যা সামগ্রিকভাবে সাংবাদিক সমাজকে বিভক্ত করে।এমন দলীয়করণের সাথে সংযুক্ত হয়ে রাষ্ট্রের জন্য ভাল কিছু করা সম্ভব নয় তাই।

বিভাজন নিরসনে কিছু সম্ভাব্য উপস্থাপনা –

সাংবাদিকদের উদ্যোগে ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরি- সকল ধরনের মিডিয়ার সাংবাদিক সংগঠনকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার জন্য একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার ব্যবস্থা নিতে হবে। একাধিক নয় একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ সংগঠন থাকলে কোন্দল কমবে।

পেশাগত মান উন্নয়ন- সিনিয়র সাংবাদিক নিজ দায়িত্বে নবীন সাংবাদিকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা জরুরি। যাতে তারা সাংবাদিকতার নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা এবং পেশাদারিত্ব সম্পর্কে সচেতন হবে। তাছাড়াও নবীনগণ আনুগত্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ শিখবে।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা-সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্ব ও কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনতে হবে। কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি নীতিমালা থাকা দরকার।

বাংলাদেশ দূতাবাস এর ভূমিকা-
নিরপেক্ষতা বজায় রাখা-দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকেকে সকল সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের প্রতি নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে বাড়তি গুরুত্ব না দিয়ে সবার সঙ্গে সমান দূরত্ব বজায় রাখা উচিত।

ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক ফোরাম গঠনে উৎসাহিত করা- দূতাবাস একটি ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক ফোরাম বা অ্যাসোসিয়েশন গঠনের জন্য উভয় পক্ষকে উৎসাহিত করতে পারে। এই ফোরামের লক্ষ্য হবে, কুয়েতে বাংলাদেশি সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করা। দূতাবাস এই ফোরাম গঠনের প্রক্রিয়া এবং প্রাথমিক কার্যক্রমে সহায়তা দিবে।
দূতাবাস সাংবাদিকদের আচরণবিধি ও নীতিমালা প্রণয়ন করে দিয়ে তা বাস্তবায়নে সজাগ দৃষ্টি রাখলে, ভুয়া ও ভিত্তিহীন রাষ্ট্রের সম্মানহানিকর সংবাদ প্রচারের প্রবণতা কমবে।

বাংলাদেশ সরকার ও মূলধারার গণমাধ্যম-এর ভূমিকা:-
নীতিমালা তৈরি- প্রবাসে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করা প্রয়োজন। এতে কারা সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতে পারবে, তাদের যোগ্যতা কী হবে এবং কোনো অনিয়মের জন্য কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করে উল্লেখ করা থাকবে।

মূল গণমাধ্যমের তদারকি-প্রবাসে কর্মরত সাংবাদিকরা যে মূল গণমাধ্যমগুলোতে প্রতিবেদন পাঠান, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোরও উচিত তাদের প্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখা। কোনো প্রতিনিধি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

প্রবাসী কমিউনিটির ভূমিকা: প্রবাসীদের উচিত সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রশংসা করা এবং অসৎ সাংবাদিকদের এড়িয়ে চলা। এতে ভালো সাংবাদিকরা উৎসাহিত হবেন এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য একটি সামাজিক চাপ তৈরি হবে। গঠনমূলক সমালোচনা- কোনো সাংবাদিকের কাজে ভুল দেখলে বা কোনো অভিযোগ থাকলে তা ব্যক্তিগত আক্রমণ না করে গঠনমূলকভাবে তুলে ধরা উচিত। মিডিয়াকর্মীদের শ্রোতা ও পাঠকের মতামতের প্রতি আরো শ্রদ্ধাশীল ও সহনশীল হতে হবে।

ইনশাআল্লাহ, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে প্রবাসে বাংলাদেশী সাংবাদিকরা নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে প্রবাসীদের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। বিভাজন নিরসনে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নয় কোন সহিংসতা নয় কোন দলীয়করণ সংবাদকর্মীরা হবে রাষ্ট্রের জন্য একটি দর্পন, নিজের স্বার্থে নয় রাষ্ট ও জনগণের জন্য বিলিয়ে দিয়ে রয়ে যাবে আজীবন।

1

বকশীগঞ্জে ১- হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার স্বামী স্ত্রীসহ গ্রেফতার -৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
বকশীগঞ্জে ১- হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার স্বামী স্ত্রীসহ গ্রেফতার -৩

 

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ১- হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ ।

শুক্রবার দিবাগত  রাত  ২টার দিকে উপজেলার নিলাখিয়া ইউনিয়নের জানকিপুর সলইমন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন,নিলাখিয়া ইউনিয়নে জানকিপুর সলইমন্ডলপাড়া আব্দুল বারেক ছেলে মোঃ আরিফ হোসেন (৩০), ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম (২৫), কক্সবাজার জেলার রামু থানার জুয়াইনালা ইউনিয়নের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুল মান্নান (৪২)।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে জানকিপুর সলইমন্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাদের দেহ তল্লাশি করে ১- হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এই ব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে।শনিবার তাদেরকে জামালপুর কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:৫৪ এম
বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন   উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে জামালপুরে চালু হতে যাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি।

প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচির আওতায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের  টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা  গ্রামে ১ হাজার ২৯৫ টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

আগামি ১৬ মে শনিবার বগারচর ইউনিয়নের সারমারা নাসির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

তিনি জানান, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য সরকার কার্যক্রম শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড , বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও খাল পুন:খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বকশীগঞ্জ উপজেলাতেও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোছা. কনিকা খাতুন জানান, বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টালিয়া পাড়া ও সাতভিটা গ্রামে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।শনিবার উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হবে ফ্যামিলি কার্ড।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে আরো উপস্থিত থাকবেন জামালপুর জেলার আরো ৫ জন সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দরা ।

প্রেস ব্রিফিংকালে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

1

নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
নাগরপুরে গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার দুই মাদক ব্যবসায়ী

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটে উপজেলার রাথুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাথুরা এলাকার বিশু মার্কেট সংলগ্ন সালামের চায়ের দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থানরত দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে মোট ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আরশেদ আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম রাজিব (২৬) ও মৃত শ্যামল কৃষ্ণ সাহার ছেলে রবিন্দ্র সাহা (৪০)। এর মধ্যে রাজিবের কাছ থেকে ৯ পিস এবং রবিন্দ্র সাহার কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন নাগরপুর থানার এসআই (নিঃ) রাকিব কায়নার শুভ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন এএসআই আবু তাহের, এএসআই আতিকুর রহমান এবং কনস্টেবল রিয়াজ উদ্দীন। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে রাথুরাসহ আশপাশের এলাকায় মাদকসেবীদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল। নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মুরাদ হোসেন মুঠোফোনে বলেন,“মাদকের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানা পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।