লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সকল ধরনের ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হওয়ার পর এবার গঠিত হলো ছাত্র অধিকার পরিষদ

ফারিছ আহমদ,হোসেনপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
ছাত্রদের অধিকার রক্ষার জন্য লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে গঠিত হয়েছে ছাএ অধিকার পরিষদ।এই পরিষদ কয়েকটি অনুষদ অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।এই অনুষদে রয়েছে ক্রীড়া বিষয়ক অনুষদ সাংস্কৃতিক বিষয়ে অনুষদ, ধর্মীয় ও জাতীয় দিবস পালন বিষয়ক অনুষদ, ছাত্রী বিষয় অনুষদ , সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক অনুষদ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনা বিষয়ক অনুষদ। রয়েছে উপদেষ্টা মন্ডলী।মোট ৩০ জন ছাএ প্রতিনিধি, পাঁচ ডিপার্টমেন্টের পাঁচজন উপদেষ্টা মন্ডলী (অস্টম সেমিষ্টার চলমান) ছাত্রদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য দুইজন স্যার। সাংস্কৃতিক অনুষদে রয়েছেন সোহাগ হোসেন (সম্পাদক) সাহারাজ হোসেন সাগর (সহ-সম্পাদক) ফারিছ আহমদ (উপ-সহকারী সম্পাদক) ও সদস্য রবিউল ইসলাম রাফি, রায়হান শেখ, আশরাফুল।
ক্রীড়া অনুষদে রয়েছেন ইমাম হোসেন ইমন (সম্পাদক) জুবায়ের হোসেন (সহ সম্পাদক)রবিউল বকশি (উপ-সহকারী সম্পাদক) সদস্য আসিফুল মাওলা , রাকিব তালুকদার ,মেরাজুল ইসলাম।
ধর্মীয় ও জাতীয় দিবস উদযাপন পরিষদের (সম্পাদক) মোঃ শাহিন,(সহ সম্পাদক) আব্দুর রহমান,( উপ-সহকারী সম্পাদক)সাহিদুর আরাফাত (অন্তর), (সদস্য) স্নিগ্ধ দাস,সায়েম আহমেদ রাফি, জোবায়ের হোসেন। নারী বিষয়ক অনুষদে সাইমা জাহান ( সম্পাদক), পূর্ণিমা সুলতানা
(সহ-সম্পাদক),জান্নাত (উপ সহকারী সম্পাদক।)সাহিত্য ও প্রকাশনা অনুষদ:
নওশিন আবির পাটোয়ারী নিচির(সম্পাদক)
স্যাদিক আহম্মেদ সাকিব(সহ-সম্পাদক)
সাইমুন ইসলাম মিরাজ(উপ সহকারী সম্পাদক)সদস্য:-শিহাব আহমেদ রিদয়,মাহিদুল ইসলাম
প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী অনুষদে
মোঃ রিয়াজ ( সম্পাদক),আশিকুর রহমান(সহ-সম্পাদক)আকাশ চক্রবর্তী(উপ সহকারী সম্পাদক) সদস্য:- সোলেমান হোসাইন,শুভ। উপদেষ্টা মন্ডলী হলেন:-(১)মোঃ আহসান হাবীব (অপু) ইলেক্ট্রিক্যাল
২) আশেকে রাসূল আল তায়েফ (মাহি) সিভিল
৩) ইমরান হোসেন শাকিব- ইলেক্ট্রনিক্স
৪) মোঃ তারেক মাহমুদ আর্কিটেকচার
৫) শাহাদাত ইসলাম আরমান – কম্পিউটার
ছাএ অধিকার পরিষদ এর সাধারণ বিধিমালা
১. অরাজনৈতিক পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে কলেজ প্রশাসন এবং প্রতিনিধি পরিষদ সর্বোচ্চ সজাগ দৃষ্টি রাখবে।
২. কলেজের বিভিন্ন সংগঠন (রেড ক্রিসেন্ট, রোভার স্কাউট, এলপিডিএস ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান) এর জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমান ও তার ব্যবহার প্রতিনিধি পরিষদকে অবগত করা হবে।
৩. ক্যাম্পাসে দুর্নীতি, অনিয়ম ও মাদক মুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণে কলেজ প্রশাসনকে প্রতিনিধি পরিষদ বিভিন্ন প্রকার সুপারিশ করতে পারবে।
৪. প্রতিনিধি পরিষদের কর্যক্রমকে বেগবান করার জন্য কলেজের অভ্যন্তরীণ অরাজনৈতিক সংগঠনগুলো সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।
৫. কোন শিক্ষার্থীর র্যাগিং অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে কলেজ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করার জন্য কলেজ প্রশাসনকে সুপারিশ করতে পারবে।
৬. ক্লাসে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিনিধি পরিষদ কলেজ প্রশাসনকে যেকোন পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সুপারিশ করতে পারবে।
৭. শতভাগ (থিওরি ও ল্যাব) ক্লাস নিশ্চিত করার জন্য কলেজ প্রশাসন এবং প্রতিনিধি পরিষদ সর্বোচ্চ সজাগ দৃষ্টি রাখবে।
৮. শিক্ষার্থীদের নিয়মাবর্তীতার ভিতরে আনার জন্য প্রতিনিধি পরিষদ কলেজ প্রশাসনের সাথে পরামর্শক্রমে যে কোন
পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারবে। ৯. শিক্ষার্থীদের যেকোন ন্যায় সঙ্গত দাবি আদায়ে প্রতিনিধি পরিষদ কলেজ প্রসাশনকে সুপারিশ করতে পারবে।
১০. প্রতিনিধি পরিষদের কোন সদস্য তার ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি সম্পর্কিত কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
১১. জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত সকল প্রতিনিধিকে প্রত্যেকটি সভায় উপস্থিত থাকতে হবে।
১২. উপদেষ্টাগণ ও প্রতিনিধি পরিষদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রতিনিধি পরিষদের বিধিমালা সংযোজন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন করা যাবে।
* তাছাড়া স্বারকলিপি তে১৭ টি নিয়ম কানুন দেওয়া হয়।
রাজনৈতিক এবং র্যাগিং মুক্ত প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করা।
১) প্রতিষ্ঠানের যেকোনো স্থানে রাজনৈতিক পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন বা লিফলেট বিতরণ করা যাবে না।
৪) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিছিল, মিটিং, সমাবেশ ও আলোচনায় উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা।
iii) সকল রাজনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধ।
২. প্রতিষ্ঠানে সকল বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা।
৩. রাজনীতি মুক্ত ছাত্র সংসদ গঠন করা।
৪. বর্তমান রেজিস্ট্রারকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা এবং ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অন্যত্র বদলি করা। ভবিষ্যতে রেজিস্ট্রার শাখায় হয়রানি ও যেকোনো প্রকার বাড়তি অর্থ আদায় বন্ধ নিশ্চিত করা।
৫. যৌক্তিক কারণ ছাড়া শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের মোবাইল চেক বন্ধ করা। শিক্ষার্থী অথবা শিক্ষক দ্বারা কোনো
ছাত্রী অশোভন আচরণের শিকার হলে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহন নিশ্চিত করা।
৬ শহীদ রিজভীর নামে একটি ভবন নাম করণ করা, প্রতিষ্ঠান থেকে আনুষ্ঠানিক শোক প্রকাশ এবং মিলাদ
মাহফিলের আয়োজন করা। শেখ রাসেল অটোমেশন ল্যাব এর নাম পরিবর্তন করে ইলেকট্রনিক্স অটোমেশন ল্যাব নামে নামকরণ করা।
৭. প্রতিষ্ঠানে সকল শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৮. প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরি সংস্কার করে একটি আধুনিক ও মানসম্মত লাইব্রেরিতে রূপ দেয়া। ৯. শিক্ষকদের রুটিন অনুযায়ী নিয়মিত ক্লাস এবং ব্যবহারিক ক্লাস নিশ্চিত করা এবং ল্যাব উন্নত করা।
১০. প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করার জন্য ব্যবহারিক নম্বর কম দেওয়ার হুমকি বন্ধ করা।
১১. রেড ক্রিসেন্ট, রোভার স্কাউট, এলপিডিএস-এর এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বরাদ্দ অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করা।
১২. মেয়েদের কমন রুমে ছেলেদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ, মেয়েদের জন্য আলাদা পরিষ্কার-পরিছন্ন ওয়াশরুম,
ওজুখানা এবং নামাজের জায়গার ব্যবস্থা করা।
১৩. নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিয়ে বাণিজ্য এবং ড্রেস বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
১৪. সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে আনা।
১৫.. বিজ্ঞান চর্চার জন্য একটি রোবটিক্স ক্লাব বা বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা। ক্লাবের সকল উপকরণ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরবরাহ নিশ্চিত করা।
১৬. ডিপার্টমেন্ট গুলোর সকল CR বাতিল করা এবং পুনরায় ভোট করে CR নির্বাচন করা।
১৭. প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপে যুক্ত থাকা এবং অন্য শিক্ষার্থীদের অত্যাচার ও হুমকি প্রদানের কারণে সংযুক্ত তালিকা ভুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা।







