শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ভালো নেই পাটির কারিগর ও বিক্রেতারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪, ৫:৩১ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভালো নেই পাটির কারিগর ও বিক্রেতারা

মো. রনি ধনবাড়ী টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

আধুনিক যুগে শহর কিংবা গ্রামের বাসা বাড়ির মেঝেতে চাকচিক্যময় টাইলসের ব্যবহার বৃদ্ধির পাওয়ার সাথে সাথে কমে গেছে শীতল পাটি সহ সব ধরনের পাটির ব্যবহার । আগে গরমের সময় দিন কিংবা রাতে শহর কিংবা গ্রামে সকল বাসা বাড়িতে শীতল পাটি কিংবা অন্যান্য পাটি বিছিয়ে মানুষ একটু স্বস্তি খুঁজে পেত । বিদ্যুৎ চলে গেলে পাটিতে শুয়ে বসে হাত পাখার বাতাসে নিজদের যেমন দেহ প্রাণ জুড়িয়ে নিতো ঠিক তেমনি বাসা বাড়িতে অতিথি এলে তাদেরকেও পাটিতে শুতে বসতে দিতো ।

কিন্তু এখন দিন পাল্টে গেছে,বাসা বাড়ির মেঝেতে চাকচিক্যময় টাইলস লাগানোর ফলে সব ধরনের পাটির চাহিদা কমে গেছে । মানুষ এখন মেঝে একটু পরিষ্কার করেই গরমে শুয়ে বসে থাকছে ।  গত সোমবার ১১ নভেম্বর টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী ধনবাড়ী হাটে কথা হয় পাটি বিক্রেতাদের সাথে ।শীতলপাটি সহ সব ধরনের পাটির চাহিদা কমে গেছে। পাকুটিয়া থেকে ধনবাড়ীর হাটে পাটি বিক্রি করতে আসা অক্ষয় চন্দ্র পাল জানান,’ আগে ধনবাড়ীর হাটে ৩০/৪০ টা পাটি বিক্রি করতে পারতাম, কিন্তু পাটির চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন ৪/৫ টা পাটি বিক্রি হচ্ছে। এতে আমাদের এখন টিকে থাকাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে ।

তবে এখন শীতের সিজন শুরু হচ্ছে, হয়তো বিয়ে শাদি বেড়ে যাবে, তখন কিছু বিয়ের পাটি বিক্রি করতে পারবো । কিন্তু গরম কালে অতীতে যে পরিমাণ শীতল পাটি সহ অন্যান্য পাটি বিক্রি হতো তা এখন সেভাবে হচ্ছে না । একটা শীতল পাটি বুনতে একজন কারিগরের দুই দিন সময় লাগে । অথচ বিক্রি হয় এক হাজার থেকে বারো শত টাকায় । যা কোন ভাবেই এই দুর্মূল্যের বাজারের সাথে তাল মেলানো যায় না । সরকার কোন সহযোগীতাও করে না পাটির কারিগরদের জন্য । এভাবে চললে এই পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হবো ‘।

প্রায় একই কথা বললেন ধনবাড়ীতে পাটি বিক্রি করতে আসা পাকুটিয়ার নিখিল চন্দ্র । তিনি জানান,’ মোহনগঞ্জ এর চিকন ডাল পাটি ৫ফুট বাই ৭ ফুট এক হাজার টাকার বেশি বিক্রি করা যায় না ,একই দাম শীতল পাটিরও । ভালো মানের শীতলপাটি বারো শত থেকে পনের শত টাকায় বিক্রি হয়। তবে পিঠা পাটি পাঁচ ছয় শত টাকায় বিক্রি হয় । কিন্তু সারাদিন পাঁচ ছয় টা পাটি বিক্রি করে পুষোয় না । না পারছি এই পেশা ছেড়ে দিতে না পারছি ধরে রাখতে। কেউ আমাদের দিকে নজর দেয় না ‘।

1

বকশীগঞ্জের সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
বকশীগঞ্জের সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর।

মোঃ ইমরান আকন্দ, জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে ২৪ ঘন্টা শুন্য রেখায় আটকে থাকার পর উদ্ধারকৃত ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মনের নিকট ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে হস্তান্তর করে বিজিবি ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

এসময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবির ধানুয়া কামালপুর কোম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেন সহ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের শুন্য রেখা থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয় ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে।

ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের ভাই ভবানী বর্মন জানান, ২ মাস আগে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর চান্দলাই গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন ষষ্ঠী বর্মন (৬৮)। তাকে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায় নি।

গতকাল বুধবার সকালে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছ দিয়ে জোর করে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ সদস্যরা। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয়এলাকাবাসীর বাধার কারণে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এনিয়ে সীমান্তে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। দিনভর উত্তেজনার পর বৃহস্পতিবার শুন্য রেখা থেকে উদ্ধারের পর থানায় সোপর্দ করে বিজিবি। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলো ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে।

1

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বকশীগঞ্জে গাছের চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৯:০৫ পিএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বকশীগঞ্জে গাছের চারা বিতরণ

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায়’ জলবায়ুর জন্য ‘আমাদের ভবিষ্যতের জন্য “এই পতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯জুন) সকালে উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নে দিগলা কোনা মিশন স্কুলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আলোক কোরে -২ প্রকল্পের আয়োজনে ৫ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
গাছের চারা বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম, আলোক কোরে -২ প্রকল্পের সভাপতি এল, এম,সি অনন্ত ম্রং, ফাদার ইলিয়াস হেমব্রম পাল পুরোহিতী ধর্ম পল্লী, আলোক কোরে -২ প্রকল্প মাঠ কর্মকর্তা অতুল ম্রং, বকশীগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের উপজেলা প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালনসহ আরো অনেকেই।
অনুষ্ঠানে আম, লেবু, মেহগনি, লিচু,অর্জুনসহ বিভিন্ন প্রজাতি ৫ শতাধিক গাছ বিতরণ করা হয়।

1

বকশীগঞ্জে মাদক সেবী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ জনের সাজা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম