মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

হোসেনপুরে কৃষকদের হাতে হাতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন জাতের বীজের প্যাকেট।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৩৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হোসেনপুরে কৃষকদের হাতে হাতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন জাতের বীজের প্যাকেট।

 

ফারিছ আহমদ, হোসেনপুর উপজেলা প্রতিনিধি:

কৃষকদের হাতে হাতে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন জাতের বীজের প্যাকেট। কারো হাতে সরিষা,কারো হাতে সূর্যমুখী আবার কারো হাতে ভুট্টার বীজের প্যাকেট! মুখে হাসি নিয়ে কৃষি অফিস থেকে বের হচ্ছেন কৃষকরা। এ চিত্র দেখা গেছে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায়। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনার এসব বীজ ও সার পেয়ে উৎপাদন বাড়াতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এ উপজেলার কৃষকরা।

জানা গেছে,বাজারে শীতকালীন শস্যবীজের চাহিদা বাড়লেও সাম্প্রতিক বন্যা ও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতায় ঊর্ধ্বমুখী প্রায় সব ধরনের শস্যজাতীয় বীজপণ্যের দাম। এতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে কৃষি অফিসের বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ তাদের জন্য যেন আশীর্বাদ।

এছাড়াও নানা সমস্যার কারণ দেখিয়ে যেসব জমি কৃষকরা অনাবাদি রেখে দিত,বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে সেসব জমিতে ফসল উৎপাদন করে সফলতা পেয়েছে কৃষকরা। এক ফসলি জমিকে দ্বিফসলি এবং দ্বিফসলি জমিকে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। বাড়ছে খাদ্য উৎপাদন।

স্থানীয় কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা,সূর্যমূখী,চীনা বাদাম,শীত কালীন পেঁয়াজ, মুগ, মসুর ও খেসারি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় হোসেনপুর উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌর এলাকার ১ হাজার ৩৫ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে প্রতি জন কৃষক ১০ কেজি ডিএপি,১০ কেজি করে এমওপি ও এক বিঘা জমির বীজ বিতরণ করা হবে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি অফিস প্রাঙ্গনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য মন্ডল কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ উদ্বোধন করেন। এরপর থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন জাতের বীজ ও সার বিতরণ করা হচ্ছে।

হোসেনপুর উপজেলার প্রণোদনার তালিকাভূক্ত চাষীরা জানান,সরকার প্রণোদনা দেওয়ার ফলে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য বীজ ও সার তাদের কেনা লাগছে না। এতে তারা বেশি বেশি ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত হচ্ছেন। গ্ৰামের এক কৃষক বলেন, প্রতি বছরই কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনা হিসেবে সার ও বিভিন্ন জাতের বীজ বিতরণ করা হয়৷ আমাদের বাড়তি টাকা খরচ করতে হয় না৷ ফলে অল্প পুঁজিতে শাকসবজি উৎপাদন করে আমরা অধিক লাভবান হতে পারি।

আরেক কৃষক বলেন,আমন ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি চলছে৷ আমন ধান ঘরে তোলার পর জমিগুলো এভাবেই খালি পড়ে থাকতো। কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে সরিষার বীজ ও সার পাওয়ায় এবার সরিষা আবাদ করবো।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুরাইয়া নাজনীন বলেন,মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে এসব সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে। বিনামূল্যে পাওয়া প্রণোদনার বীজ ও সার কৃষি পণ্যের উৎপাদন ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম শাহজাহান কবির বলেন,কৃষি প্রণোদনা পেয়ে এ উপজেলার কৃষকরা ধানসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে আরো বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন।প্রণোদনা পাওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমছে।
অপরদিকে বাড়ছে খাদ্যশস্যসহ বিভিন্ন প্রকার ফসলের উৎপাদন।সরকারের এই উদ্যোগকে কৃষকরা স্বাগত জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
ফারিছ আহমদ হোসেনপুর উপজেলা প্রতিনিধি।

1

নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৮ পিএম
নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন

মোঃ রেজুয়ান বাদশা =নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলঘাট গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিল্লুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। বক্তারা বলেন, এ কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

1

সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
সলঙ্গায় নারী ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে ঈদের বাজার

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদর বাজারে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে,ততই বাজারে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।বিশেষ করে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের ভীড় চোখে পড়ার মতো।সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে কেনাবেচার ব্যস্ততা অব্যাহত থাকছে।
সলঙ্গা বাজারের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ, তৈরি পোশাকের দোকান,শাড়ি ও কাপড়ের দোকান,পাদুকা এবং কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।গত বছরের তুলনায় অনেক পোশাকের দাম বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।তবে নতুন ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় পোশাক বাজারে আসায় ক্রেতাদের আগ্রহও বেড়েছে।
বাজারের হাজী মার্কেট,মহির উদ্দিন সুপার মার্কেট,মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট এবং অগ্রণী ব্যাংক মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণি বিতানে এখন জমজমাট কেনাবেচা চলছে।এ ছাড়াও শাড়ি-কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানগুলোতে নারী ও তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বাজার।
অনেক নারী ক্রেতা পছন্দের পোশাক তৈরি করার জন্য ছিট কাপড়ের দোকানগুলোতেও ভীড় করছেন।তবে পোশাকের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা কিছুটা চাপে পড়েছেন।বড় শপিংমলে না গেলেও অনেকে ফুটপাত বা অস্থায়ী দোকান থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য সাধ্যমতো কেনাকাটা করছেন।
সলঙ্গা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের শুরু থেকেই ঈদের কেনাকাটা কিছুটা ছিল।তবে গত কয়েক দিনে ক্রেতাদের ভীড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।দোকানগুলোতে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য পোশাকের সমারোহ থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।
বাজারের পাদুকা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও সমান ব্যস্ততা দেখা গেছে।একই সঙ্গে চিনি,সেমাই,লাচ্ছাসহ ঈদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের দোকানেও চলছে ব্যাপক কেনাবেচা।
শুধু সলঙ্গা বাজারেই নয়,আশপাশের হাটিকুমরুল,সাহেবগঞ্জ,ঘুড়কা বেলতলা, ভুইয়াগাতী,মালতীনগর আমতলা,নলকা,হরিনচড়া,দবিরগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটবাজারেও ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ রমজান) সলঙ্গা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, বাচ্চাদের জন্য যে বাজেট নিয়ে এসেছিলেন,বাজারে এসে দেখছেন অনেক পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেশি।ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন,ঈদের আগের দিনগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে এবং বেচাকেনাও সন্তোষজনক হবে।

1

কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
কুমিল্লায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে “ইফতার মাহাফিল

মোহাম্মদ উল্লাহ = কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

৯ মার্চ (সোমবার) বিকাল ৫ টায়,কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড হোটেল নূরজাহান অডিটোরিয়াম হলে,
লালমাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামি’র আয়োজনে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজিবীদের সম্মানে,”ইফতার মাহাফিল” আয়োজন করেন,
উক্ত ইফতার মাহাফি’লে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাও. মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
তিনি রমযানের গুরুত্ব আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বলেন রমযান আমাদের জন্য অফার নিয়ে এসেছে, কোন মার্কেটে অফার দিলে মানুষ যেমন হুমরি খেয়ে পড়ে, সেই রকম প্রথম দিকে মসজিদে যে পরিমাণ মোসল্লি হয়,রমযান যত কমতে থাকে মোসল্লির সংখ্যা ও তত কমতে থাকে,তবে রমযান যত কমতে থাকে ফজিলতের দিনের সংখ্যা তত বাড়িতে থাকে,সামনে ১০ দিন বেজুড় রাত্রি গুলোতে সবে কদর তালাশ করতে হবে, যে দিন আকাশে ঈদের চঁাদ উঠে সে দিন মুসলিমদের ৫ টি ফজিলত পূর্ণ দিনের মধ্যে একটি অথচ সেই দিন এশার নামাজে মসজিদে যায়না,সেই রাত্রিতে মুসলিম সমাজে আতসবাজি দেখা যায়, এইযে আমরা মুসলমান হওয়ার পরেও সুযোগ গ্রহণ করছি না অফার গ্রহন করছি না,এটি শুধু রমযান নয় আমাদের গোটা জিন্দেগীতে দেখাযায় সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারছিনা,বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতির কাছে সুযোগ এসেছিলো কালো টাকা কে প্রত্যাখ্যান করে বুর্জোয়া রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করে ন্যায় এবং ইনসাফের রাজনীতিকে গ্রহণ করা, একটি আলোকিত সমাজ গড়া, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা যারা গ্রহণ করতে চেয়েছি আমাদের গ্রহন করতে দেয়নাই আবার একটা অংশ চায় নাই,,
লালমাইয়ে ৪২% জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ,,
“লালমাই উপজেলা বিলুপ্ত নয় বরং সীমানা বৃদ্ধি করে লালমাই অঞ্চলকে নিয়ে পুনর্গঠন করাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার,
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লালমাই উপজেলা আমীর মাও.মোহাম্মদ আবদুন নূর,
সঞ্চালনা করেন লালমাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাম হোসাইন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার অফিস সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান জনাব গোলাম সরওয়ার মজু. কামাল, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব, মাওলানা মফিজুর রহমান, লালমাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন জয়,
ইফতারে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট আব্দুল মুত্তালিব মানবাধিকার কর্মী মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কবির হোসেন নোমান হোসেন সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামা ও পেশাজীবিরা।
আলোচনা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন পরতি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. আব্দুর রব