শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানী , রফতানি ও পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:২২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানী , রফতানি ও পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক

মনা, যশোর শার্শা প্রতিনিধিঃ

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিরজমান পরিস্থিতিতেও দেশের কয়েকটি বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরে দু‘দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি ও পাসপোর্টযাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাদের আমদানি-রপ্তানি বন্ধের হুমকিতে কোন কাজ হয়নি।

বন্দর ও ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিনে (রবি, সোম, মঙ্গলবার) বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে এক হাজার ৬৪৮ ট্রাক পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে। একই সময়ে ১১ হাজার ৭৮০ জন দেশি বিদেশী পাসপোর্টযাত্রী পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রী পারাপার হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৩ জন। এর মধ্যে মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) আমদানি-রপ্তানি হয়েছে ৫৯৭ ট্রাক, সোমবার ৪৪৪ ট্রাক ও রবিবার ৬০৭ ট্রাক পণ্য। বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে মঙ্গলবার ভারতে পারাপার হয়েছে দুই হাজার ৪১২ জন, সোমবার তিন হাজার ৯২৪ জন ও রবিবার ৫ হাজার ৪৪৪ জন দেশি বিদেশী পাসপোর্টযাত্রী পারাপার হয়েছে। এদের মধ্যে ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রী রয়েছে বেশি। গত তিন দিনে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে দুই হাজার ৫১৪ জন ভারতীয় নাগরিক ও বাংলাদেশ থেকে ফেরত গেছেন দুই হাজার ৮৪৯ জন ভারতীয় নাগরিক। বুধবার সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত দু‘দেশের মধ্যে ৩৮০ ট্রাক পণ্য আমদানি-রফতানি হয়েছে। আর এক হাজার ৫২০ জন যাত্রী পারাপার হয়েছে।

ওপারের পরিস্থিতি জানতে চাইলে ভারত ফেরত ঢাকার পাসপোর্ট যাত্রী আবুল কাশেম জানান, আতঙ্কের কারণে অনেক বাংলাদেশি ভারতে আছেন যারা চেকপোস্ট বন্ধের খবর শুনে দেশে ফিরছে। মার্কুইজ স্ট্রীটের একটি আবাসিক হোটেলে আমরা ছিলাম। আমাদের কোন ঝামেলা হয়নি। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরে আমদানি পণ্য নিয়ে আসা ভারতীয় ট্রাক চালক গনেশ রায় জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আমরা ট্রাক নিয়ে বেনাপোল বন্দরে আসছি। আগের থেকে বর্ডার একটু কড়া। তবে মালামাল রপ্তানিতে আমাদের কোন বাধা সৃষ্টি করেনি কেউ। বেনাপোল বন্দরে বাংলাদেশি লোকজন আমাদের সাথে ভাল ব্যবহার করেছে।

বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্য পেট্রাপোল বন্দরে খালি করে ফেরত আসা ট্রাক চালক জাহিদ হাসান জানান, তিনি স্বাভাবিক সময়ের মত পেট্রাপোল বন্দরে পণ্য খালি করে ফিরে এসেছেন। সেখানে কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। নিরাপত্তা ব্যবস্থা একটু জোরদার করা হয়েছে। ওপারের লোকজন আমাদের সাে কোন খারাপ আচরণ করেনি।

বেনাপোল শুল্ক ভবনের চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল গনি বলেন, বুধবার সকাল থেকেই বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত দু‘দেশের মধ্যে ৩৮০ ট্রাক পণ্য আমদানি-রফতানি হয়েছে। গত ৩ দিনে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে এক হাজার ৬৪৮ ট্রাক পণ্য নিয়ে দু‘দেশের বন্দরে প্রবেশ করেছে। দু‘দেশের বন্দর ব্যবহারকারীরা নির্বিঘে কাজ করছে।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, দুই দেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। ভারতে যাওয়া যাত্রীর চাপ একটু কম আছে। ভিসা বন্ধ থাকায় ভারতগামী যাত্রীর চাপ কমছে। গত তিন দিনে ১১ হাজার ৭৮০ জন দেশি বিদেশী পাসপোর্টযাত্রী পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রী পারাপার হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৩ জন। যাত্রীদের কাছ থেকে জানা গেছে দু‘পারে কোন সমস্যা হয়নি কারো।

1

বকশীগঞ্জে লক্ষাধিক টাকার জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
বকশীগঞ্জে লক্ষাধিক টাকার জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি, মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের ববকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টজোড় ইউনিয়নে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ও কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মৎস্য ও জলজ প্রাণী ধ্বংসের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (২২জুলাই) বিকালে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস অফিসের উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নের কুড়ি বিল ও দত্তের  বিল থেকে ২৭টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল এবং ১০টি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।পরে জব্দকৃত জালগুলো উপজেলা পরিষদ চত্বরে এনে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১লক্ষ ২৩ হাজার টাকা ।

জাল পুড়িয়ে ধ্বংসের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা  নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন, উপজেলা মৎস কর্মকর্তা  হোসনে আরা খাতুন, বকশীগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক এসআই আনিছুর রহমানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হোসনে আরা খাতুন বলেন।

চায়না দুয়ারী জাল মাছের পোনা ধ্বংস করে দেশের মৎস্যসম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি করছে। তাই মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বকশীগঞ্জ উপজেলা  নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ হোসেন জানান. অবৈধ জাল বিক্রেতা ও ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে ন।

1

ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভনে ৩৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ, মানবপাচার মামলায় দম্পতি গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভনে ৩৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ, মানবপাচার মামলায় দম্পতি গ্রেফতার



‎সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

‎ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং মানবপাচারের অভিযোগে মাদারীপুর সদর উপজেলার কুমারটেক এলাকার বাসিন্দা দবির আকন ও তার স্ত্রী লাকি বেগমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ মামলার অন্য আসামি হিসেবে দোলা আক্তার ও আজবির আকনের নামও রয়েছে।
‎মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, উন্নত জীবনের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীকে ইতালিতে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন অভিযুক্তরা। এ জন্য বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে মোট প্রায় ৩৬ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু ইতালিতে পাঠানোর পরিবর্তে প্রতারণার মাধ্যমে তাকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়।
‎অভিযোগে বলা হয়, লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগীকে প্রায় ১১ মাস আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। একই সঙ্গে তার পরিবারের কাছ থেকে আরও অর্থ আদায়েরও চেষ্টা করা হয়।
‎পরে কোনোভাবে দেশে ফিরে এসে ভুক্তভোগী অভিযুক্তদের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তারা টাকা না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকেন। এ অবস্থায় তিনি মাদারীপুরের বিশেষ মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেন।
‎আদালতের নির্দেশে মামলার আইনি কার্যক্রম শুরু হলে পুলিশ প্রধান দুই আসামি দবির আকন ও লাকি বেগমকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

1

নাগরপুরের দুই সাংবাদিক বিএমএসএসের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক নির্বাচিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:১২ পিএম
নাগরপুরের দুই সাংবাদিক বিএমএসএসের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক নির্বাচিত

 

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

নাগরপুরের সাংবাদিক অঙ্গনের জন্য এটি নিঃসন্দেহে এক গৌরবোজ্জ্বল অর্জন। দীর্ঘদিনের পেশাদারিত্ব, সততা, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ নাগরপুরের দুই কৃতী সাংবাদিক মো. আমজাদ হোসেন রতন ও ডা. এম. এ. মান্নান বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস)-এর ২০২৬-২০২৭ সেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সম্পাদক পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের এ অর্জনে নাগরপুরের সাংবাদিক, সুশীল সমাজ এবং সর্বস্তরের মানুষের মাঝে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
ঘোষিত কমিটিতে মো. আমজাদ হোসেন রতন গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং ডা. এম. এ. মান্নান উপ-স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। গত সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান-এর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সাংবাদিকতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, দক্ষতা, সততা এবং অসামান্য অবদানের মূল্যায়ন হিসেবে তাদের স্বপদে বহাল রাখা হয়েছে বলে সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বিএমএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান বলেন, মো. আমজাদ হোসেন রতন ও ডা. এম. এ. মান্নান দু’জনই সংগঠনের অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ, সৎ ও দক্ষ সংগঠক। তারা দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের কর্মদক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত অভিজ্ঞতা সংগঠনকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। তাদের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মো. আমজাদ হোসেন রতন নাগরপুর উপজেলার ঘিওরকোল গ্রামের কৃতী সন্তান। প্রায় তিন দশক ধরে সাংবাদিকতা পেশায় নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে তিনি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে একজন অভিজ্ঞ, নির্ভীক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর পেশাগত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংগঠন থেকে আন্তর্জাতিক সম্মাননা, গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডসহ নানা সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
অপরদিকে ডা. এম. এ. মান্নান উপজেলার দুয়াজানী কলেজপাড়ার সন্তান। ইংরেজি সাহিত্য ও আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চতর শিক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ অর্জন করেছেন। ২০০৯ সালে সাংবাদিকতা পেশা শুরু করেন। সাংবাদিকতা ও সংগঠক হিসেবে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মো. রফিকুল ইসলাম রনি বলেন, “আমজাদ হোসেন রতন ও ডা. এম. এ. মান্নান দু’জনই সাংবাদিকতার নৈতিকতা, পেশাগত সততা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাদের পুনর্নির্বাচন শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি নাগরপুরের সাংবাদিক সমাজের জন্যও একটি গর্বের বিষয়। তাদের এ অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সাংবাদিকদের অনুপ্রাণিত করবে।”
নাগরপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনিসুর রহমান বলেন, “যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন সব সময়ই নতুন প্রেরণার জন্ম দেয়। নাগরপুরের দুই কৃতী সাংবাদিকের জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব লাভ আমাদের সবার জন্য গর্ব ও আনন্দের। তাদের এ সাফল্য নাগরপুরের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে এবং তরুণ সাংবাদিকদের সামনে সৎ, আদর্শিক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।”

নাগরপুর, টাঙ্গাইল।