বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ ১৪৩২
বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ ১৪৩২

গৌরবান্বিত বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের স্বাধীনতা ও বিজয় অক্ষুণ্ণ রাখতে চলমান সমস্যা সমাধানে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১২ দফা দাবী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৬:২৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
গৌরবান্বিত বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের স্বাধীনতা ও বিজয় অক্ষুণ্ণ রাখতে চলমান সমস্যা সমাধানে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১২ দফা দাবী

গোলাম আলী নাইম, ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

আজ ঐতিহাসিক ১৬ই ডিসেম্বর, গৌরবান্বিক বিজয় দিবস। জালিমদের জুলুমের প্রতিবাদে ইনসাফের দাবীতে ১৯৭১ সালের এই দিনে প্রায় নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরে ৩০ লক্ষ শহীদের জান কুরবানীর মাধ্যমে অর্জিত হয় এই স্বাধীন বাংলার বিজয়। আজ বিজয়ের ৫৩ বছর পূর্ণ হয়েছে। যে ইনসাফের দাবীতে, যে স্বাধীনতার দাবীতে এই বাংলার আপামর মুসলমান ছাত্র-শ্রমিক-জনতা জানবাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো সেই স্বাধীনতার কতটুকু অর্জিত হয়েছে তা চিন্তার বিষয়। আমরা একটি স্বাধীন ভুখন্ড আর শুধুমাত্র লাল-সবুজের একটি পতাকা নিয়েই কি সন্তুষ্ট? যে বৈষম্যের বিপরীতে ১৯৭১ এ রক্ত দেয়া হয়েছে আবার ২০২৪-এ রক্ত দেয়া হছে সেই বৈষম্য এখনও সংস্কারের নতুন ছদ্মাবরণে শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের এই দেশে রয়ে গেছে। উপরন্তু আরো নতুন নতুন ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত এদেশের মানুষের ঈমানী অনুভূতিকে আঘাত করে যাচ্ছে, প্রায় ৪০ কোটি মুসলমানের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এখনও মুসলমানেরা স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন করতে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে, পর্দানসীন নারীকে হেনস্তা করা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ ক্ষুধার্ত রয়েছে। আর মুসলমানদের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ধর্মব্যবসায়ী ওলামায়ে ছু’রা এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক প্রতারক জালিম শাসকেরা কখনও ভীতি প্রদর্শন, কখনও সংস্কার, কখনও পরিবেশবাদ ইত্যাদি নানা অজুহাতে এদশের মানুষকে অন্ধকারের মধ্যে রেখে জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে। এটা পরিপূর্ণ স্বাধীনতা নয়, এটা প্রকৃত বিজয় নয়। অনেক কুরবানীর মাধ্যমে অর্জিত এই স্বাধীন বাংলাদেশে চলমান সমস্যা সমাধানে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা আজ ১০ দফা দাবী উত্থাপন করছি। আমাদের দাবীসমূহ হলোঃ

১ম দফা – নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক শানে কোন কুলাঙ্গার মানহানী করলে তার শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়ন করতে হবে। পাঠ্যক্রমে নূরে মুসজাসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক অন্তর্ভূক্ত করতে হবে এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম নির্ভর শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে। আরবী ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
২য় দফা- অবশ্যই এই্ দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। পাহাড়ি রাজাকারপুত্র উপজাতি সন্ত্রাসী দেবাশিষ রায়সহ যারা রাষ্ট্রদ্বীন ইসলামের বিরোধীতা করবে তাদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহী- ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে গ্রেফতার করে তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড শাস্তি দিতে হবে।
৩য় দফা- পর্দা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শেয়ার। পর্দা করা মুসলমানদের দ্বীনী অধিকার। মুসলমান মেয়েদেরকে পর্দা করেই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করা, পরীক্ষা দেয়া এবং সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে সসম্মানে চলাচল করার এবং অবস্থান করার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। কেউ পর্দাকে কটাক্ষ করলে বা কেউ কোন পর্দানসীন নারীকে হেনস্তা করলে তাকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। পর্দাকে অবমাননার করার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখতে হবে।
৪র্থ দফা- গরুর গোস্ত খাওয়া হচ্ছে ইসলামের শেয়ার বা নিদর্শন। তাই দেশের সকল খাবার হোটেলে গরুর গোস্ত রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে। যে সমস্ত হোটেলে নো-বিফ লেখা থাকবে সেসমস্ত হোটেল বন্ধ ঘোষণা করতে হবে। দেশের সর্বত্র সকল বাজারে গোস্ত বিক্রেতাদেরকে অবশ্যই গরুর গোস্ত প্রতিদিন রাখতে হবে। প্রতিদিন গরু জবাই করতে পারবে। গরু জবাই করার জন্য কোন দিনকে নির্দিষ্ট করা যাবেনা। ভারতে গরুর গোস্তের জন্য মুসলমানকে শহীদ করার জন্য উগ্র হিন্দুদের শাস্তির দাবী রাষ্ট্রীয়ভাবে জানাতে হবে। ভারতের আসামে বা কোনো প্রদেশে গরুর গোস্ত নিষিদ্ধ করতে পারবেনা। গরুর গোস্ত নিষিদ্ধ সহ মুসলমানদের উপর কোনো প্রকার জুলুম করলে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার প্রতিবাদ করতে হবে।
৫ম দফা- বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে প্রতিদিন অসংখ্য সাধারণ মানুষ আহত হচ্ছেন। অনেকে ‘র‌্যাবিস’ নামক রোগে মারাও যাচ্ছে। কিন্তু তারপরও কতিপয় কুকুর পূজারী এনজিওদের কারণে এই সব কুকুর নিধন করা যাচ্ছে না। অথচ পবিত্র দ্বীন ইসলামে বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করার হুকুম। তাই মানুষের কল্যানের জন্য অবিলম্বে বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করতে হবে। পাশাপাশি কুকুর পূজারীদেরকে গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
৬ষ্ঠ দফা- নারিকেল জিনজিরা দ্বীপকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে। নারিকেল জিনজিরা দ্বীপে পর্যটন প্রবেশে কোনো প্রকার বাঁধা দেয়া যাবেনা। স্বাধীন বাংলার মানুষ দেশের সর্বত্র চলাচল করতে পারবে। এর জন্য আলাদা সরকারী অনুমতি নেয়ার নিয়ম বাতিল করতে হবে।
৭ম দফা- দেশের সর্বত্র একই আইন চলবে। এক দেশে দৃই আইন রাখাটা স্পষ্ট বৈষম্য। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের ও সারা দেশের মতই একই আইন চলতে হবে। পাহাড়ের রাজা প্রথা বাতিল করতে হবে। পাহাড়ের উপজাতিদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বলতে হবে, আদিবাসি বলা যাবেনা।
৮ম দফা- উগ্র হিন্দুত্ববাদ ও ইসকনসহ উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংকল সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হবে। যারা অখণ্ড ভারতের প্রচার করে তাদেরকে গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। এই দেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য করতে চাওয়ার অপরাধে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে শত্রুতা করার দায়ে ইসকন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদসহ সকল উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেতাদের ফাঁসি দিতে হবে।
৯ম দফা- মুসলমানদের পরিচয়ে থাকার পরও যেসম্ত ধর্মব্যবসায়ী ওলামায়ে ছূ’রা হিন্দুদের দালালী করে, মুসলমানদেরকে হিন্দুদের সাথে সম্প্রীতি করতে বলে, মন্দির পাহার দেয়, মুসলমানদেরকে পর্দার ব্যাপারে শিথিল হতে বলে তাদেরকে মুনাফিক এবং প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এদরকে সমাজচ্যূত করতে হবে। মুসলমানদের বাচতে হলে এসব উলামায়ে ছুদের বর্জন করতে হবে। এদের গ্রেফতার করে শরঈ শাস্তি বাস্তবায়িত করতে হবে।
১০ম দফা- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য এবং চিকিৎসা সেবার মূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে । দ্রব্যমূল্য এবং সেবামূল্যের উর্ধগতি রোধ করতে হবে।
১১তম দফা- বিজয় দিবস উদযাপন বা নববর্ষবরণ বা থার্টি ফাস্ট নাইটের নামে বেহায়াপনা, গানবাজনা, অশ্লীল কনসার্ট, মদপানসহ সকল হারাম কাজকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
১২তম দফা- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে ইহানত করার অপরাধে প্রধান উপদেষ্টাকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। চট্টগ্রামের সুন্নী নেতা এনাম রোজার সাথে সহমত পোষণ করে আমরা দাবী করছি যে বা যারা উনার শানে মানহানি করবে তাদেরকে গ্রেফতার করে ফাঁসি দিতে হবে। সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের বিশ্বাসের সঙ্গে বেঈমানি করলে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকেও ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি পরিবেশবাদের মিথ্যা অজুহাতে নারিকেল দ্বীপকে সরকারীভাবে অবরোধ করার অপরাধে এবং দেশের মানুষের রুটি রুজির পথকে বাঁধাগ্রস্থ করার অপরাধে পরিবেশ উপদেষ্‌টা রেজওয়ানকেও বহিষ্কার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

সমাবেশে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার শতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

1

শার্শার উলাশী ইউনিয়ন বিএনপি সকল নেতৃবৃন্দ গ্রুপিং ভেদ ভেঙ্গে একসঙ্গে ধানের শীষের হয়ে নির্বাচন করবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
শার্শার উলাশী ইউনিয়ন বিএনপি সকল নেতৃবৃন্দ গ্রুপিং ভেদ ভেঙ্গে একসঙ্গে ধানের শীষের হয়ে নির্বাচন করবেন

মনা – যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফিরাত কামনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে,যশোরের শার্শা উপজেলার ৯নং উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা সব গ্রুপিং ভেদ ভেঙ্গে ধুয়ে মুছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের র্শীষের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের র্শীষের পক্ষে নির্বাচন করবেন।

মঙ্গলবার (২০ শে জানুয়ারী ২০২৬) বিকাল সাড়ে ৪ টার সময় উলাশী ইউনিয়ন এর ধলদা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে,উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ এর সভাপতিত্বে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান টি কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়।

এ সময় সকল নেতাদের মাঝে একটি মিলন মেলায় রূপান্তর সৃষ্টি হয়। এবং সবাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে,আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ রেখে ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি করি, তাই নিজের আপন ভাইয়ের চাইতেও দলের ভাইকে আমরা আপন ভাই মনে করি। এবং আমাদের উলাশী ইউনিয়ন আন্দোলন সংগ্রামে শার্শা উপজেলায় সব সময় এগিয়ে আছে।
তাই উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ কে আমি আহ্বান জানায়,আসুন রাগ অনুরাগ অভিমান ভুলে,
১২ ই ফেব্রুয়ারি ত্রাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর বেশি দিন নাই, তাই সকলে মিলে মিশে প্রত্যেকটা ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি যেয়ে,মা বোনেদের কে ধানের শীষে ভোট দেয়ার জন্য অনুরোধ করবেন। এবং আমাদের শার্শা -১ আসনের ধানের শীষের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, ”মা”’ মাটি মেহনতী মানুষের নেতা আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন ভাই এর পক্ষে নির্বাচন করি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৯নং উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আমিনুর রহমান নেদা,সহ সভাপতি সাখাওয়াত, সহ সভাপতি জমাত আলী মেম্বার,সহ সভাপতি মোঃ খোকন,সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক কদর আলী মেম্বার,দপ্তর সম্পাদক আব্দুল ওহাব,প্রচার সম্পাদক হজরত আলী,যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মিন্টু বিশ্বাস, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি,১নং ওয়ার্ডের মেম্বার বদিউজ্জামান বোদি।

এছাড়াও উলাশী ইউনিয়ন এর সকল ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও সুপার ফাইভসহ বিএনপির সহযোগী সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া মাহফিল শেষে দেশনেত্রীর রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশবাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

1

সলঙ্গায় ওসমান হাদী স্মরণে দোয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম
সলঙ্গায় ওসমান হাদী স্মরণে দোয়া

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ :

জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর স্মরণে সলঙ্গায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সলঙ্গা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড শাখার আয়োজনে আজ মঙ্গলবার বিকেলে শহরিয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,৭নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি গোলাম মোস্তফা।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-৪,(উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে জামায়াতের মনোনীত এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব মাও: রফিকুল ইসলাম খান।অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,সলঙ্গা থানা জামায়াতের আমির রাশেদুল ইসলাম শহিদ,সলঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর কে.এম হারুনর রশীদ,সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ,বাইতুলমাল সম্পাদক নূর মোহাম্মদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

1

সিরাজগঞ্জে আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা দায়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
সিরাজগঞ্জে আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা দায়ের

সাহেদ আলী,সিরাজগঞ্জ :

আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য করায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মানহানির মামলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর নির্দেশে দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামীম বাদী হয়ে সদর থানা আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির জানান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোকে ব্যাঙ্গ করে বক্তব্য দিয়েছেন মুফতি আমির হামজা। এতে বিএনপি ও জিয়া পরিবারের মানহানি এবং ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। এই অভিযোগ তার বিরুদ্ধে ৫০০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকার মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, তারেক রহমানের ছোট ভাই যিনি ইতোমধ্যে ইন্তেকাল করেছেন সেই আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার জন্য সারাদেশের বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। তার এই বক্তব্যে আমাদের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে, জিয়া পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। সেই কারণে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছি।