শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: কারিগরী শিক্ষার নতুন দিগন্ত।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:২৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট: কারিগরী শিক্ষার নতুন দিগন্ত।

 

সজীব আহমেদ :

প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি
কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে অবস্থিত একটি সরকারি বহুমুখী কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। এখানে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পড়ানো হয়, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা প্রদান করে।

অবস্থান ও অবকাঠামো
প্রতিষ্ঠানটি কিশোরগঞ্জ জেলা শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দক্ষিণে, কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ মহাসড়কের পাশে জাফরাবাদ এলাকায় ১২ একর জমির উপর অবস্থিত। প্রধান ক্যাম্পাসে রয়েছে একটি ৫ তলা ভবন, একটি প্রশাসনিক ভবন, একটি একাডেমিক ভবন, ৫০০ আসন বিশিষ্ট মিলনায়তন, একটি আধুনিক আইটি সেন্টার এবং গ্রন্থাগার। শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে দুটি ৪ তলা ছাত্রাবাস এবং একটি মসজিদ। এছাড়াও, অধ্যক্ষের জন্য একটি বাংলো রয়েছে।

বিভাগ ও প্রযুক্তি
এই প্রতিষ্ঠানে নিম্নলিখিত বিভাগগুলোতে শিক্ষা প্রদান করা হয়:
– কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি
– ইলেকট্রনিকস টেকনোলজি
– রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং টেকনোলজি
– ফুড টেকনোলজি

শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা
এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৩২ জন দক্ষ ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর এবং বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ চিফ ইনস্ট্রাক্টর রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হলেন:
– জনাব মোহা. রুহুল আমিন (উপাধ্যক্ষ)
– জনাব এ.কে.এম. খাদেমুল বাশার (চিফ ইনস্ট্রাক্টর, ফুড টেকনোলজি)
– জনাব এ.এইচ.এম. আইয়ুব আলী (চিফ ইনস্ট্রাক্টর, ইলেকট্রনিকস)
– জনাব মো. শহিদুল ইসলাম (চিফ ইনস্ট্রাক্টর, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং)
– জনাব মো. আতিকুল ইসলাম (চিফ ইনস্ট্রাক্টর, কম্পিউটার)

শিক্ষা কার্যক্রম:
প্রতিষ্ঠানটি কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার বিষয়েও গুরুত্ব দেয়। প্রত্যেক বিভাগের শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, ব্যবস্থাপনা, সমাজবিজ্ঞান এবং শারীরিক শিক্ষা শেখানো হয়। এতে শিক্ষার্থীরা যুগোপযোগী ও কর্মক্ষম হয়ে উঠতে পারে।

উপসংহার
কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট দেশের কারিগরি শিক্ষার বিকাশে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান। এর আধুনিক অবকাঠামো এবং মানসম্মত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের দক্ষ পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

1

বকশীগঞ্জের সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
বকশীগঞ্জের সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর।

মোঃ ইমরান আকন্দ, জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে ২৪ ঘন্টা শুন্য রেখায় আটকে থাকার পর উদ্ধারকৃত ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মনের নিকট ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে হস্তান্তর করে বিজিবি ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

এসময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবির ধানুয়া কামালপুর কোম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেন সহ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের শুন্য রেখা থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয় ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে।

ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের ভাই ভবানী বর্মন জানান, ২ মাস আগে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর চান্দলাই গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন ষষ্ঠী বর্মন (৬৮)। তাকে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায় নি।

গতকাল বুধবার সকালে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছ দিয়ে জোর করে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ সদস্যরা। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয়এলাকাবাসীর বাধার কারণে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এনিয়ে সীমান্তে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। দিনভর উত্তেজনার পর বৃহস্পতিবার শুন্য রেখা থেকে উদ্ধারের পর থানায় সোপর্দ করে বিজিবি। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলো ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে।

1

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বকশীগঞ্জে গাছের চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৯:০৫ পিএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বকশীগঞ্জে গাছের চারা বিতরণ

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায়’ জলবায়ুর জন্য ‘আমাদের ভবিষ্যতের জন্য “এই পতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯জুন) সকালে উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নে দিগলা কোনা মিশন স্কুলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আলোক কোরে -২ প্রকল্পের আয়োজনে ৫ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
গাছের চারা বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ আমিনুল ইসলাম, আলোক কোরে -২ প্রকল্পের সভাপতি এল, এম,সি অনন্ত ম্রং, ফাদার ইলিয়াস হেমব্রম পাল পুরোহিতী ধর্ম পল্লী, আলোক কোরে -২ প্রকল্প মাঠ কর্মকর্তা অতুল ম্রং, বকশীগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের উপজেলা প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালনসহ আরো অনেকেই।
অনুষ্ঠানে আম, লেবু, মেহগনি, লিচু,অর্জুনসহ বিভিন্ন প্রজাতি ৫ শতাধিক গাছ বিতরণ করা হয়।

1

বকশীগঞ্জে মাদক সেবী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ জনের সাজা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম