বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৯ ১৪৩২

কি আছে হাসনাত, সারজিসদের সেইফ এক্সিট প্লানে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ৮:২৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কি আছে হাসনাত, সারজিসদের সেইফ এক্সিট প্লানে

সোলায়মানঃ

পরিকল্পনা করেই হাসিনা সরকারের পতনে ছাত্র জনতার নেতৃত্বে ছিলেন তারা। কোটা আন্দোলন থেকে এক দফার আন্দোলন নিশ্চিত। তাদের প্লান এ বি সি রেডি ছিল। প্লান এ কাজ না করলে বি কিংবা সি প্লান নিয়ে মাঠে থাকত তারা। এমন মেধাবী তরুণদের নিশ্চিত সেইফ এক্সিট প্ল্যানও রয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পরে কিংবা আগে কী করবেন তারা? হাসনাত,সারর্জিস,আসিফ,নাহিদের আগামী প্লান কি এটা নিয়েই দিন দিন কৌতূহল বাড়ছে। হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে এখন অবধি বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা চিৎকার করে বলছেন, কাউকে ছাড় দেবেন না তারা। অর্থাৎ নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর তারাও যদি কোন ভুল করে তাহলে রুখে দাঁড়াবেন হাসনাত সারর্জিসরা। অন্যদিকে চেয়ার কে সুরক্ষিত রাখতে রাজনীতির সূক্ষ পরিকল্পনার অন্যতম হাতিয়ার প্রতিপক্ষকে দমিয়ে রাখা। সে হিসেবে নির্বাচিত সরকারের কঠোর নজর থাকার কথা বৈষম্য বিরোধীদের দিকে। যারা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মত ক্ষমতাধর কে মাত্র এক মাসের আন্দোলনে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে।তাদের বিষয়ে যে কোন রাজনৈতিক দলই সচেতন থাকবে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে তাদের মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে। রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তর্জনী তুলতে পারে এমন পক্ষকে দমিয়ে রাখাই রাজনীতির অন্যতম প্রধান কৌশল। সে হিসেবে সেইফ এক্সিট না পেলে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসলে বিপাকে পড়তে পারেন। হাসনাত,সারর্জিস,নাহিদ সহ সমন্ময়করা।অন্তর্বর্তী সরকারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন আসিফ মাহমুদ এবং নাহিদ ইসলাম। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের সমালোচনা করতেও ছাড়ছেন না আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া। তাছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে আগে থেকেই আসিফ নাহিদ বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কার করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের কাতারে চলে যাবেন তারা। কিন্তু হঠাৎ করেই চাউর হয়েছে হাসনাত,সারর্জিস,নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ শূন্য বাংলাদেশে তাহলে কি অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হবেন তারা? যদি তাই হয়, তাহলে বড় এবং জনপ্রিয় দলগুলো কি বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেবেন?

 

তাদের এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই হাসনাত সাজিদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তার ভাঁজ লক্ষ্য করা গেছে অনেকের কপালে। জানা যায়, হাসিনা সরকার পতনের আন্দোলনে হাসনাত, সারর্জিস, নুসরাত, নাহিদ, আসিফ দের অনেকগুলো প্লান ছিল। প্লান এ কাজ না করলে তারা এবি,বি, সি সহ বেশ কয়েকটি প্ল্যান করে রেখেছিলেন। ঠিক একই সময়ে তাদের এক্সিট প্ল্যানও রয়েছে। কি সেই প্লান? কেউ বলছেন রাজনৈতিক দল গঠন করে রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন এই তরুণ যুবকেরা। কেউবা বলছেন নতুন কোন কমিশন গঠন করে নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতা করবেন তারা। আবার অন্য একদল বলছেন, আদতে পট পরিবর্তনের পর তাদের সেই এক্সিট প্লান ওয়ার্ক করছে না। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না। আন্দোলনের সময় তারা ভেবেছিলেন মাথায় করে রাখা হবে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া নেতাদের। এখন দেখা যাচ্ছে তাদের সঙ্গে সবার দূরত্ব বেড়েই যাচ্ছে। এসব নানা জনের নানা মত চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ মানুষসহ। সবকিছুই যারা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেন তারা তো গুজব রটিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসলে অস্তিত্ব থাকবে না হাসনাত সারর্জিসদের। নিজেদের স্বার্থে হলেও এদের বিষয়ে মাইনাস ফর্মূলায় যাবে ক্ষমতাসীনরা। এই গুজবকে আবার তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে পারছেন না ছাত্রদের একটি অংশ। যে কারণে সেইফ এক্সিট হিসেবে রাজনৈতিক দল গঠন করে ঐক্যবদ্ধ থাকার চিন্তাই এখন তাদের অন্যতম টার্গেট। এমনটাই আলোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। তবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভালো ফলাফল বের করে আনা যেকোনো নতুন দলের পক্ষে কঠিনই শুধু নয়, অসম্ভবই বলা যায়। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়া কিংবা পাওয়া আরও দুষ্কর। সুতরাং রাজনৈতিক দল গঠন করে যে হাসনাত সারর্জিসরা ভালো কিছু করতে পারবেন, এমনটা মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাহলে কী তাদের পরবর্তী প্ল্যান?সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সাধারণ মানুষ।

1

নতুন মাদারীপুরে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদার গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫০ পিএম
নতুন মাদারীপুরে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদার গ্রেফতার

 

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর এলাকায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর আকতার হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলামগীর হাওলাদার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন জেলা বিএনপি নেতা লাভলু হাওলাদারের বসতঘরসহ একাধিক বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কয়েকটি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের পর অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ জানায়, এর আগে দায়ের হওয়া একটি বিস্ফোরক ও মারামারির মামলায় আকতার হাওলাদার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। সেই মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

1

নবাবগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২২ পিএম
নবাবগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মোঃ রেজুয়ান বাদশা দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস–২০২৬ উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, নবাবগঞ্জের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক মহড়া প্রদর্শন করা হয় এবং এ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব।”
অনুষ্ঠানে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা মো. মাহব্বুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. আবু মুসা, তথ্য সেবা কর্মকর্তা আফরিনা খাতুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় বিষয়ে উপস্থিত সবাইকে সচেতন করা হয় এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

1

যশোর বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক

 

মনা যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল স্থল বন্দরে ঘোষনা বইভুক্ত ও আমদানি নিষিদ্ধ প্রায় কোটি টাকা মুল্যের ১৭ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক হয়েছে।

মঙ্গলবার ১০ মার্চ বেনাপোল বন্দরের ১৫ নং শেডে বেনাপোল স্থলবন্দরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংবাদের  (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্মকর্তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব পাট বীজ আটক করে। এ সময় বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন উপস্থিতি ছিলেন।

বেনাপোল স্থল বন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আবু তালহা জানান, রোববার বেনাপোল  স্থল বন্দর দিয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাফাত এন্টার প্রাইজ ভারত থেকে ৪৫ মেট্রিক টন ঘাস বিজ উল্লেখ করে পাটের বীজ আমদানি করেন। পরে গোপন সংবাদে পণ্য চালানটিতে অভিযান চালিয়ে ১৭ টন পাট বীজ আটক করা হয়। মিথ্যা ঘোষনার অপরাধে অভিযুক্ত আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা  হয়েছে জানান তিনি।

এদিকে সচেতন মানুষেরা পরীক্ষা-নীরিক্ষা ছাড়াই নিম্নমানের বীজ দেশে প্রবেশ করায় ঝুঁকিতে পড়ছে কৃষি খাত। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা  গ্রহনের দাবি জানান তারা।