শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির কর্মসূচিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাস কর্তৃক অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ, ৩ দফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ৫:০১ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির কর্মসূচিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাস কর্তৃক অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ, ৩ দফা

 

গোলাম আলী নাইম, ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

এনসিটিবি সম্মুখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিষ্ঠিত প্লাটফর্ম স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির সমাবেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসী কর্তৃক পূর্বপরিকল্পিত অতর্কিত হামলার প্রতিবাদ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, জেল বন্দীদের মুক্তি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ‘আদিবাসী’ সম্বোধন করাকে রাষ্ট্রদ্রোহী ঘোষণা এবং আদিবাসী দাবীতে সরব বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও তাদের পৃষ্ঠপোষক-দোসরদের গ্রেপ্তাদের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘সার্বভৌম নাগরিক সমাজ’।

আজ ২০ জানুয়ারি ২০২৫ সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্বরে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সুশীল সমাজের সদস্য, শিক্ষক, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী ও দেশ প্রেমিক নাগরিক ও ছাত্র-জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে অংশগ্রহণ করে উপরোক্ত দাবীগুলো পেশ করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক ও দোসরদের আদিবাসী দাবীর অন্তরালে পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার সুপ্ত পরিকল্পনা দেশবাসীর কাছে ফাঁস করে দিয়েছে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’। এই কারণে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি, তাদের পৃষ্ঠপোষক ও দোসর বামপন্থী লাল সন্ত্রাসীরা একজোট হয়ে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রপাগান্ডা ও অপপ্রচারে মাঠে নেমেছে, মিথ্যা মামলা করেছে, দু’জন সমর্থককে জেলে আটকে রাখা হয়েছে, হয়রানী করা হচ্ছে সংগঠনটির সদস্যদের, যা অত্যন্ত দু:খজনক এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। তারা বলেন, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যেভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশপ্রেমিকদের ফাঁসানো হতো, এখনও তার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু আচরণ পরিবর্তন হয়নি।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমরা আশ্চর্য হচ্ছি যখন দেখছি- দেশ প্রেমিকদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে জেলে বন্দী করা হচ্ছে, অথচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলা ও অপরাধের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ এখনো কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এটি দেশের সার্বভৌমত্বের সাথে এক ধরণের প্রহসন বৈ অন্য কিছু নয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই, ধিক্কার জানাই দেশের দায়িত্বশীলদের প্রতি।

দ্রুত এর অবসানে আমাদের নিম্নোক্ত ৩ দফা দাবী বাস্তবায়ন করতে হবে-

১. ‘আদিবাসী’ শব্দটি সংবিধান বিরোধী ও দেশবিরোধী শব্দ। যে বা যারা ‘আদিবাসী’ দাবীর পক্ষে কাজ করছে এবং আদিবাসী শব্দ প্রচার করছে তারা প্রত্যেকেই রাষ্ট্রদ্রোহী। এই রাষ্ট্রদ্রোহীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার করতে হবে।

২. স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টি একটি দেশ প্রেমিক সংগঠন, যারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করছে। একটি দেশপ্রেমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া এবং তার সমর্থকদের গ্রেফতার করা সম্পূর্ণ অন্যায়। অবিলম্বে সংগঠনটির বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা তুলে নিতে হবে এবং তার সকল বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

৩. গত ১৫ জানুয়ারি মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ভবনের সামনে স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টির উপর পুলিশের ৪টি ব্যারিকেড ভেঙ্গে আগে হামলা করে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসীরা, যা বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত লাইভ ভিডিওতে দৃশ্যমান। ঐদিন সহিংস ঘটনা তৈরির অন্যতম হোতা রাখাল রাহা, অলিক ম্রি ও আরমানুল হক গংদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সাথে তাদের পক্ষে যারা সাফাই গাইছে বিশেষ করে দেশবিরোধী সংবাদ মাধ্যম দৈনিক প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ও বিডিনিউজ২৪-কে নিষিদ্ধ করতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ পূর্ব নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবী নিয়ে এবং ‘বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি’ বইতে সংবিধান বিরোধী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী শব্দ ‘আদিবাসী’ যুক্ত গ্রাফিতি সংযোজনকারী রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদের অপসারণের দাবীতে এনসিটিবিতে যায়। সেখানে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির ৬ জন প্রতিনিধিকে ডেকে নিয়ে যায় চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করতে। কিন্তু সভারেন্টির প্রতিনিধিদের চেয়ারম্যানের পরিবর্তে পরিমার্জন কমিটির বহিরাগত রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদের সাথে বসিয়ে দেয়। এতে সভারেন্টির প্রতিনিধিরা আপত্তি জানালেও রাখাল রাহা সময় ক্ষেপন করে। বার বার আপত্তি সত্ত্বেও পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতিদের মিছিল এনসিটিবি পযন্ত পৌঁছে সহিংসতা সৃষ্টি পযন্ত সময় ক্ষেপন করতে থাকে রাখা রাহা।

সভারেন্টির প্রতিনিধিরা এতে ব্যাপক আপত্তি জানালে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে পৌঁছার আশঙ্কায় পুলিশ এসে দ্রুত আলোচনা শেষ করতে বলে। কিন্তু এরপরেও রাখাল রাহা এক ধরণের আটকে রাখার মত সভারেন্টির প্রতিনিধিদের সময় নষ্ট করতে থাকে। অবশেষে রাখাল রাহাদের পূর্বপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়। বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতিদের অতর্কিত হামলায় দিশেহারা সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার্থে ব্যবস্থা নেয়। ফলে অনেকে আহত হয়। এনসিটিবি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনারত সভারেন্টির প্রতিনিধিরা তখনো জানেন না নিচে কী হচ্ছে। পরবর্তিতে পুলিশ এসে বিস্তারিত জানালে আলোচনা কিছুটা অসম্পূর্ণ রেখেই সভারেন্টির প্রতিনিধিরা নিচে চলে আসেন।

এর পরপরই অনলাইন অফলাইনে উপজাতি নিপীড়নের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়, সভারেন্টিকে বিতর্কিত করার শতভাগ চেষ্টা চালানো হয়। মিথ্যা মামলা, দুজনকে গ্রেপ্তার, সদস্য ও পক্ষের লোকদেরকে হয়রানী করা হয়।
‘সার্বভৌম নাগরিক সমাজ’ এসবের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সভারেন্টির উপর এই হামলা ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পূর্ব পরিকল্পিত; যেই কারণে রাখাল রাহা সভারেন্টির প্রতিনিধিদের আটকে রেখে সময় ক্ষেপন করিয়ে উপজাতি কর্তৃক সহিংস ঘটনার সুযোগ তৈরি করে দেয়। আমরা এর বিচার চাই। দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

বক্তারা বলেন, কালের কণ্ঠসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায় যে, উগ্র বিচ্ছিন্নতাবাদী অলিক ম্রি ও ছাত্র ফেডারেশনের লাল সন্ত্রাস আরমানুল হক গংদের নেতৃত্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী মিছিলটি অত্যন্ত উগ্র কায়দায় পুলিশের ৪টি ব্যারিকেড ভেঙ্গে নৃশংসভাবে সভারেন্টির পক্ষের লোকজনের উপর হামলা করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় জান বাঁচতে সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার্থে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে।

অতএব, মূল দোষী প্রথম হামলাকারী উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এদের বিরুদ্ধে মামলা নিতে হবে এবং গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সভারেন্টি আত্মরক্ষার্থে বিচ্ছিন্নতবাদীদের প্রতিহত করেছে মাত্র। বাংলাদেশ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এ ‘সাধারণ ব্যতিক্রম’ পরিচ্ছেদে ৯৬-১০৬ নং ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তি তার শরীর ও সম্পদের নিরাপত্তার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কারো কোনো ক্ষতি হলে আইনের চোখে তা অপরাধ নয়। কাজেই আত্মরক্ষার অধিকার স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির রয়েছে। এনসিটিবির পাদদেশে সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার কাজটিই করেছে।

অতএব, বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি কর্তৃক দায়েরকৃত স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির সদস্য ও পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ উপরোক্ত ৩ দফা দাবী অনতিবিলম্বে সরকারকে বাস্তবায়ন করতে হবে। নইলে দেশব্যাপী বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ইনশাআল্লাহ!

1

রাজশাহী জেলা ও মহানগর শ্রমিকদলের উদ্যোগে মহান মে দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
রাজশাহী জেলা ও মহানগর শ্রমিকদলের উদ্যোগে মহান মে দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে

জাকারিয়া আল ফয়সালঃ

শুক্রবার (১ মে) নগরীর বাটারমোড় এলাকায় সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে একটি র‍্যালী বের করা হয়। র‍্যালীটি বাটারমোড় থেকে শুরু হয়ে সোনাদীঘির মোড়, জিরো পয়েন্ট ঘুরে পুনরায় বাটারমোড়ে এসে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি রোকনুজ্জামান আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহিন শওকত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মামুন অর রশীদ এবং সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল, জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম তোতা, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল বারেক শেখ, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে বক্তারা মহান মে দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। তারা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।