বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ ১৪৩২

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দিলে সকল পন্যের দাম বেড়ে যাবে- স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দিলে সকল পন্যের দাম বেড়ে যাবে- স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি

 

গোলাম আলী নাইম – ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধিঃ

“বাংলাদেশের অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর কোনোভাবেই বিদেশীদের দেয়া যাবে না” – মর্মে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র নেতৃবৃন্দ। আজ ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজুতে ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’ আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এমন বক্তব্য দেয়া হয়।

সমাবেশে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র নেতৃবৃন্দ বলেন, দুর্নীতি দূর করা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বয়ান তুলে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের কৌশলগত প্রবেশপথ চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল বিদেশীদের হাতে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে, অথচ দেশের প্রায় সকল সেক্টরেই দুর্নীতি ও সক্ষমতার ঘাটতির অভিযোগ রয়েছে। তাহলে শুধু কেন চট্টগ্রাম পোর্টকেই বিদেশীদের হাতে দিতে এতো তাড়াহুড়া!
চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল এপিএম টার্মিনালস ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে কনসেশন/লিজে দেয়ার যে তাড়াহুড়া সরকার করছে সেখানে দুর্নীতিরোধ কিংবা সক্ষমতা বৃদ্ধির চেয়ে ভূ-রাজনৈতিক এজেন্ডা ও ভারত ও ইজরাইলের স্বার্থই অধিক রয়েছে বলে আমরা মনে করছি। কারণ আরব আমিরাতের সাথে ইতিমধ্যেই ইজরাইল ‘আব্রাহাম এ্যাকর্ড’ চুক্তিতে সই করেছে। এরপর সেখানে ইন্ডিয়া ও আমেরিকাকে যুক্ত করে ‘ইন্দো-আব্রাহাম চুক্তি’ করেছে। এরপর ‘আইটুইউটু’ বা ইন্ডিয়া, ইজরাইল, আরব আমিরাত ও আমেরিকা” নতুন আরেকটি কৌশলগত জোট করেছে। যেখানে ডিপি ওয়ার্ল্ড তাদের লজিস্টিক্স সাপোর্ট দিয়ে থাকে। এর বাইরে ভারত, আরব আমিরাত ও ইজরাইল মিলে ‘আইমেক” নামে একটি করিডর তৈরীর চেষ্টা করছে। যেই কারণে ডিপি ওয়ার্ল্ড ভারতের ৫টি বন্দর পরিচালনার পাশাপাশি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়ন্ত্রন নিতে চায়। অতএব, এপিএম টার্মিনালস ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে চট্টগ্রাম বন্দর চলে গেলে এতে লাভবান হবে ভারত ও ইজরাইল। বিপরীতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরী ও অর্থনৈতিক ক্ষতি ছাড়া কোনো লাভ নেই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের উচিত ছিল- দুর্নীতির উৎসগুলো বন্ধ করা। কাস্টমসকে দুর্নীতিমুক্ত করা ও অটোমেশন সিস্টেম চালু করা, বন্দরের রোডঘাট ঠিক করা, দেশীয় অপারেটিংয়ে ঘাটতি থাকলে পযাপ্ত প্রশিক্ষণ দেয়া। প্রয়োজনে বিদেশী অপারেটর হায়ার করে নিয়ে আসা। তাহলে দেশীয় অপারেটরদের মাধ্যমেই বন্দরের সর্বোচ্চ পার্ফরমেন্স নিয়ে আসা সম্ভব হতো। কিন্তু এসব না করে বিদেশী অপাটেরদের হাতে বন্দর চলে গেলে বন্দরের জট কমবে না, দুর্নীতি দূর হবে না, পার্ফরমেন্স বৃদ্ধি পাবে না। শুধু শুধু দেশীয় অপারেটরকে বিদেশী কোম্পানীর চাকর বানানো হবে। এর বাইরে কিছুই হবে না! নিউমুরিং টার্মিনাল একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। প্রত্যাশার চেয়ে অধিক পরিমাণ পণ্য হ্যান্ডেরিংয়ের রেকর্ড করছেন দেশীয় অপারেটররাই। তাহলে কেন এটি বিদেশীদের হাতে দিতে হবে!

স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, ভবিষ্যতে এসব বিদেশী অপারেটর আমাদের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণে পদে পদে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে! রাজনৈতিক ও সামরিক উদ্দেশ্যে বন্দরগুলো ব্যবহার হতে পারে! সুদানের মত বন্দর থেকে পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদদদাতা হয়ে উঠতে পারে! সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ইশারায় দেশে গৃহযুদ্ধ তৈরীর নীল-নকশা তৈরী ও ইন্ধনদাতা হয়ে উঠতে পারে! পুরো চট্টগ্রাম বিভাগের সার্বভৌমত্বকে হুমকীর মুখে ফেলে দিতে পারে! এমনকি সুযোগ বুঝে দেশের মানচিত্র পরিবর্তনেরও দু:সাহসও দেখাতে পারে! এছাড়া সামরিক-অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি, দেশের স্পর্শকাতর তথ্য ভারত, ইজরাইল তথা বিদেশীদের কাছে পাচার করা এবং দেশের ক্রান্তিকালে চট্টগ্রাম বন্দর নামক রাষ্ট্রের টুটি চেপে ধরে বৈদেশিক আনুগত্যে বাধ্য করার মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে বিদেশী অপারেটরগুলো!
নেতৃবৃন্দ বলেন, ৯০ ভাগ আমদানী-রপ্তানিরর কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে দেশের প্রতিটি স্থান ও নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বন্দর বিদেশীদের হাতে চলে গেলে আমদানী-রপ্তানী থেকে আসা অর্থের বড় একটা অংশ বিদেশে চলে যাবে, যেটা এতোদিন দেশের রিজার্ভে যোগ হতো। ফলে, দেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং আমাদের রিজার্ভের উপর চাপ পড়বে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হবে, বেকারত্ব বাড়বে ও স্থানীয় পরিচালন দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ট্যারিফ বাড়ানোয় নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। সবশেষে, দেশীয় উদ্যোক্তা ও মালিকানা প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বা শ্রমিকে রূপান্তর হবে এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান দেউলিয়াকরণের দিকে যাবে। জব তৈরীর নামে আফ্রিকার মত বিদেশীদের অনুগত এক কামলা শ্রেণীতে পরিণত হবে ভবীষ্যত প্রজন্ম। “মালিক হবে বিদেশী, কামলা হবে বাংলাদেশী”- এরকম অবস্থা দাঁড়াবে!

অতএব, ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে নিউমুরিং টার্মিনালের লিজ প্রক্রিয়া এবং লালদিয়ার চর ও পানগাও টার্মিনালের সাথে এপিএম টার্মিনালস ও মেডলগ এস এর সাথে করা চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। নইলে আরো বড় আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে। ইনশায়াল্লাহ!

শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে সমাবেশে বক্তব্য দেন ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক, দপ্তর সদস্য সাইফুল ইসলাম, জুবায়েদুল ইসলাম শিহাব, জাবির বিন মাহবুব, আহমেদ রেজাসহ আরো অনেক শিক্ষার্থী। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে টিএসসি থেকে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।

1

শিগগিরই ১০ দলীয় জোট ১১ দলে পরিণত হবে: আব্দুল হালিম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
শিগগিরই ১০ দলীয় জোট ১১ দলে পরিণত হবে: আব্দুল হালিম

 

মোঃ রানা ইসলাম= ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট খুব শিগগিরই ১১ দলে পরিণত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভার প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য, এটি ঠাকুরগাঁও–১ আসনের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সুষম উন্নয়নের আওতায় আনা হবে। জামায়াতে ইসলামীর আমীরের এই জনসভা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আরও গতি সঞ্চার করবে।’
সম্প্রতি দেওয়া একটি রাজনৈতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবারই মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। উক্ত বক্তব্যে নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম উল্লেখ করা হয়নি। আর জামায়াতে ইসলামী আদর্শিকভাবে কীভাবে পরিচালিত হয়, তা দেশের মানুষ ভালোভাবেই জানে।’
জোট রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘বরিশাল–৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমিরের প্রতি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী আসন ছেড়ে দিয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বর্তমানে আমাদের জোটের অংশ না হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এখনই ১১ দল বলা যাচ্ছে না। তবুও আমরা বিশ্বাস করি, ১০ দল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আল্লাহর রহমতে যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, ঠাকুরগাঁও–১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীর ও সহকারী সেক্রেটারি কফিল উদ্দিনসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

1

যশোর বেনাপোলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি মনোনীত নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের শীষের প্রচার মিছিল জন সমুদ্রে পরিণত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
যশোর বেনাপোলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি মনোনীত নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের শীষের প্রচার মিছিল জন সমুদ্রে পরিণত

মনা – যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের বেনাপোলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দীর্ঘ ১৭ বছর পর” উপজেলা বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা
একসঙ্গে নেচে গেয়ে,বিএনপি’র মনোনীত নুরুজ্জামান লিটন এর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার মিছিল করেন।

বৃহস্পতিবার (২২শে জানুয়ারী ২০২৬) বিকাল সাড়ে ৩ টার সময় বেনাপোল স্থলবন্দর ও পৌর এলাকা জুড়ে যশোর–৮৫/১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ধানের শীষের কান্ডারী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচার মিছিল শুরু হয়।
মিছিলটি বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ঘুরে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাজার হাজার নেতা কর্মীরা নিচে গিয়ে বিভিন্ন স্লোগানে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন এবং গণতন্ত্র ও উন্নয়নের বার্তা জনগণের মাঝে পৌঁছে দেন।

মিছিল শেষে যশোর ৮৫/১ (শার্শা) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন গনমানুষের উদ্দেশ্যে বলেন,আমরা বেনাপোলে দীর্ঘ ১৭ বছর পর আজ ধানের শীষের প্রতীকের প্রচার মিছিল করলাম, তাই অনেক ভালো লাগছে , বিগত আওয়ামী লীগের সরকার যা করে গেছে, আমরা তা করব না,আমাদের নেতা তারেক রহমান কোন হিংসা হানাহানির রাজনীতি করে না, তিনি চান দেশের মানুষ যেনো শান্তিতে বসবাস করতে পারে,তাই আমরা শার্শা উপজেলায় শান্তি চাই,আগামীতে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হলে,সকলে একসঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যেয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে হবে।

এসময় ধানের শীষের প্রচার মিছিলে অংশগ্রহণ করেন, শার্শা উপজেলার বিএনপির সহযোগী সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

1

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা মহোদয়ের সাথে মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

আনোয়ার হোসেন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সাথে জনাব মোঃ আজমুল হক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ঢাকা মহোদয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজনে উপজেলা প্রশাসন সভা কক্ষে এই মত বিনিময় সভা শুরু হয় । অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক)ঢাকা মোঃ আজমুল হক ,মির্জাপুর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল ৭ মির্জাপুর আসনে নির্বাচন বিশৃঙ্খলা মুক্ত সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন হয় সে লক্ষ্যে সকলেই কাজ করবেন । মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন , সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ তারেক আজিজ , মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ও সি )আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এসময় উপস্থিত ছিলেন ।