শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬ ১৪৩২
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬ ১৪৩২

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দিলে সকল পন্যের দাম বেড়ে যাবে- স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দিলে সকল পন্যের দাম বেড়ে যাবে- স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি

 

গোলাম আলী নাইম – ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধিঃ

“বাংলাদেশের অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর কোনোভাবেই বিদেশীদের দেয়া যাবে না” – মর্মে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র নেতৃবৃন্দ। আজ ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজুতে ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’ আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এমন বক্তব্য দেয়া হয়।

সমাবেশে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র নেতৃবৃন্দ বলেন, দুর্নীতি দূর করা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বয়ান তুলে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের কৌশলগত প্রবেশপথ চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল বিদেশীদের হাতে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে, অথচ দেশের প্রায় সকল সেক্টরেই দুর্নীতি ও সক্ষমতার ঘাটতির অভিযোগ রয়েছে। তাহলে শুধু কেন চট্টগ্রাম পোর্টকেই বিদেশীদের হাতে দিতে এতো তাড়াহুড়া!
চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল এপিএম টার্মিনালস ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে কনসেশন/লিজে দেয়ার যে তাড়াহুড়া সরকার করছে সেখানে দুর্নীতিরোধ কিংবা সক্ষমতা বৃদ্ধির চেয়ে ভূ-রাজনৈতিক এজেন্ডা ও ভারত ও ইজরাইলের স্বার্থই অধিক রয়েছে বলে আমরা মনে করছি। কারণ আরব আমিরাতের সাথে ইতিমধ্যেই ইজরাইল ‘আব্রাহাম এ্যাকর্ড’ চুক্তিতে সই করেছে। এরপর সেখানে ইন্ডিয়া ও আমেরিকাকে যুক্ত করে ‘ইন্দো-আব্রাহাম চুক্তি’ করেছে। এরপর ‘আইটুইউটু’ বা ইন্ডিয়া, ইজরাইল, আরব আমিরাত ও আমেরিকা” নতুন আরেকটি কৌশলগত জোট করেছে। যেখানে ডিপি ওয়ার্ল্ড তাদের লজিস্টিক্স সাপোর্ট দিয়ে থাকে। এর বাইরে ভারত, আরব আমিরাত ও ইজরাইল মিলে ‘আইমেক” নামে একটি করিডর তৈরীর চেষ্টা করছে। যেই কারণে ডিপি ওয়ার্ল্ড ভারতের ৫টি বন্দর পরিচালনার পাশাপাশি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়ন্ত্রন নিতে চায়। অতএব, এপিএম টার্মিনালস ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে চট্টগ্রাম বন্দর চলে গেলে এতে লাভবান হবে ভারত ও ইজরাইল। বিপরীতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরী ও অর্থনৈতিক ক্ষতি ছাড়া কোনো লাভ নেই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের উচিত ছিল- দুর্নীতির উৎসগুলো বন্ধ করা। কাস্টমসকে দুর্নীতিমুক্ত করা ও অটোমেশন সিস্টেম চালু করা, বন্দরের রোডঘাট ঠিক করা, দেশীয় অপারেটিংয়ে ঘাটতি থাকলে পযাপ্ত প্রশিক্ষণ দেয়া। প্রয়োজনে বিদেশী অপারেটর হায়ার করে নিয়ে আসা। তাহলে দেশীয় অপারেটরদের মাধ্যমেই বন্দরের সর্বোচ্চ পার্ফরমেন্স নিয়ে আসা সম্ভব হতো। কিন্তু এসব না করে বিদেশী অপাটেরদের হাতে বন্দর চলে গেলে বন্দরের জট কমবে না, দুর্নীতি দূর হবে না, পার্ফরমেন্স বৃদ্ধি পাবে না। শুধু শুধু দেশীয় অপারেটরকে বিদেশী কোম্পানীর চাকর বানানো হবে। এর বাইরে কিছুই হবে না! নিউমুরিং টার্মিনাল একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। প্রত্যাশার চেয়ে অধিক পরিমাণ পণ্য হ্যান্ডেরিংয়ের রেকর্ড করছেন দেশীয় অপারেটররাই। তাহলে কেন এটি বিদেশীদের হাতে দিতে হবে!

স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, ভবিষ্যতে এসব বিদেশী অপারেটর আমাদের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণে পদে পদে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে! রাজনৈতিক ও সামরিক উদ্দেশ্যে বন্দরগুলো ব্যবহার হতে পারে! সুদানের মত বন্দর থেকে পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদদদাতা হয়ে উঠতে পারে! সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ইশারায় দেশে গৃহযুদ্ধ তৈরীর নীল-নকশা তৈরী ও ইন্ধনদাতা হয়ে উঠতে পারে! পুরো চট্টগ্রাম বিভাগের সার্বভৌমত্বকে হুমকীর মুখে ফেলে দিতে পারে! এমনকি সুযোগ বুঝে দেশের মানচিত্র পরিবর্তনেরও দু:সাহসও দেখাতে পারে! এছাড়া সামরিক-অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি, দেশের স্পর্শকাতর তথ্য ভারত, ইজরাইল তথা বিদেশীদের কাছে পাচার করা এবং দেশের ক্রান্তিকালে চট্টগ্রাম বন্দর নামক রাষ্ট্রের টুটি চেপে ধরে বৈদেশিক আনুগত্যে বাধ্য করার মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে বিদেশী অপারেটরগুলো!
নেতৃবৃন্দ বলেন, ৯০ ভাগ আমদানী-রপ্তানিরর কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে দেশের প্রতিটি স্থান ও নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বন্দর বিদেশীদের হাতে চলে গেলে আমদানী-রপ্তানী থেকে আসা অর্থের বড় একটা অংশ বিদেশে চলে যাবে, যেটা এতোদিন দেশের রিজার্ভে যোগ হতো। ফলে, দেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং আমাদের রিজার্ভের উপর চাপ পড়বে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হবে, বেকারত্ব বাড়বে ও স্থানীয় পরিচালন দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ট্যারিফ বাড়ানোয় নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। সবশেষে, দেশীয় উদ্যোক্তা ও মালিকানা প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বা শ্রমিকে রূপান্তর হবে এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান দেউলিয়াকরণের দিকে যাবে। জব তৈরীর নামে আফ্রিকার মত বিদেশীদের অনুগত এক কামলা শ্রেণীতে পরিণত হবে ভবীষ্যত প্রজন্ম। “মালিক হবে বিদেশী, কামলা হবে বাংলাদেশী”- এরকম অবস্থা দাঁড়াবে!

অতএব, ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে নিউমুরিং টার্মিনালের লিজ প্রক্রিয়া এবং লালদিয়ার চর ও পানগাও টার্মিনালের সাথে এপিএম টার্মিনালস ও মেডলগ এস এর সাথে করা চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। নইলে আরো বড় আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে। ইনশায়াল্লাহ!

শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে সমাবেশে বক্তব্য দেন ‘স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক, দপ্তর সদস্য সাইফুল ইসলাম, জুবায়েদুল ইসলাম শিহাব, জাবির বিন মাহবুব, আহমেদ রেজাসহ আরো অনেক শিক্ষার্থী। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে টিএসসি থেকে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।

1

মতিহার থানা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩০ পিএম
মতিহার থানা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জাকারিয়া আল ফয়সালঃ

রাজশাহীর মতিহার থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক ভূমি মন্ত্রী মরহুম অ্যাডভোকেট কোভিদ হোসেন অস্তিরের রুহের মাগফেরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মতিহার থানা বিএনপির সভাপতি একরাম আলী এবং সঞ্চালনা করেন রাজশাহী মহানগরের মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাসির হোসেন অস্তির।

বক্তারা মরহুম নেতৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও ত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে। সংগঠনকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিতদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

1

আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাভার ও আশুলিয়ার জনগণের আস্থার নাম রাকিব দেওয়ান রকিব।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৩ পিএম
আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাভার ও আশুলিয়ার জনগণের আস্থার নাম রাকিব দেওয়ান রকিব।

মোঃ মাসুদ রানা, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ছাত্র রাজনীতি থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে হাতে খড়ি। পড়াশোনার পাশাপাশি রাজনীতি যার নেশা হয়ে ওঠে। তবুও থেমে থাকেননি চালিয়ে গেছেন লেখাপড়া হয়েছেন ছাত্রনেতা
হয়েছেন ধামরাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এ,জি,এস। মেধাবী ও কর্মঠ এবং পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব নিয়ে যিনি রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি হলেন পাথালিয়া ইউনিয়নের ধনিয়া গ্রামের স্বনামধন্য রাজনীতি ব্যক্তিত্ব পরিবারের সন্তান জনাব মোঃ রাকিব দেওয়ান রকিব।
ভাই ও বোনদের মধ্যে তিনি হলেন সবার চেয়ে ছোট অতি আদরের এবং স্নেহের। বড় ভাই হলেন আশুলিয়া থানা বিএনপির সহ সভাপতি বাসেদ দেওয়ান ও আশুলিয়া থানার বিএনপির যুবদল নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোলায়মান দেওয়ান।
পুরো পরিবারটি যেন বিএনপির রাজনীতির একচ্ছত্র একটি পরিবার। পড়ালেখা শেষ করে যুবদলে যোগদান করেন ।সাভার ও আশুলিয়ার গণমানুষের আস্থাভাজন এমপি ডাক্তার দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর হাত ধরে।
অনেক ত্যাগ ,তিতিক্ষা ও কষ্টের বিনিময়ে হয়েছেন আশুলিয়া থানার যুবদলের সভাপতি ও ঢাকা।জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি।
রাকিব দেওয়ান রকিব পাথালিয়া ইউনিয়নের গর্ব অসহায়, নিপীড়িত ,মানুষের কল্যাণে যিনি সবসময় নিজেকে বিলিয়ে দেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির জন্য যিনি সবসময় , মাঠে ,ময়দানে দিনরাত, অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন ।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে হয়েছেন নির্যাতিত ,নিপীড়িত ,হামলা মামলার শিকার তবুও থেমে থাকেনি তার রাজনীতি ।রাজপথে দাপটের সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে চালিয়ে গেছেন সংগ্রাম। আর এই সংগ্রাম করতে গিয়ে বারবার তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে।
৫ ই আগস্টের পর আওয়ামী লীগ সরকার বিতাড়িত হওয়ার পর আশুলিয়া থানা যুবদল ও ঢাকা জেলা যুবদলের নেতা কর্মীদের নিয়ে রাজপথে মিটিং, মিছিল ও যুবদলকে একচ্ছত্র করতে দিনরাত পরিশ্রম করে গেছেন এবং পেয়েছেন সফলতা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৯ আসন থেকে ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু হয়েছেন সংসদ সদস্য। রাকিব দেওয়ান রকিব সৎনিষ্ঠা, জন বান্ধব, ত্যাগী ও কর্মঠ,পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হওয়ায়।
সাভার ও আশুলিয়ার সর্বস্তরের জনগণ ও বিএনপি’র রাজনীতি মহল থেকে আগামী সাভার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনাব রাকিব দেওয়ান রকিবকে সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সাভার ও আশুলিয়া সর্বস্তরের জনগণ।

1

আমের মুকুলের মিষ্টি মৌ মৌ ঘ্রাণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৮ পিএম
আমের মুকুলের মিষ্টি মৌ মৌ ঘ্রাণ

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

গ্রাম বাংলায় আম মানেই এক আবেগ,এক অনির্বচনীয় ভালোবাসা।আর সেই আবেগে নতুন রঙ ছড়িয়েছে আম গাছের মুকুল।ফাল্গুনি হাওয়ার ছোঁয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মিষ্টি মৌ মৌ ঘ্রাণ।ঋতুরাজ বসন্ত যেন আগাম বার্তা দিচ্ছে—আসছে মধুমাস,আসছে রসাল আমের দিন।
সলঙ্গা থানার ৬ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,বাড়ির আঙিনা,রাস্তার ধার,পুকুরপাড়,জমির আইল কিংবা বসতঘরের পাশের টিনের চাল ছুঁয়ে থাকা ডাল—যেদিকেই চোখ যায়,সেদিকেই হলদে-সবুজ মুকুলে ভরা আমগাছ।থোকা থোকা মুকুলের ভারে অনেক গাছের ডাল নুয়ে পড়েছে।প্রকৃতির এই অপরূপ সাজে চোখ ফেরানো দায়।
মুকুলের সৌরভে সুরভিত হয়ে উঠেছে সলঙ্গার পুরো জনপদ।ব্যস্ত মৌমাছিরা মধু আহরণে ছুটে বেড়াচ্ছে ডাল থেকে ডালে।বসন্তের সুবাতাস যেন আগাম সুখের বার্তা বয়ে আনছে—ডালে ডালে ঝুলবে রসাল আম,আর সেই আম-কে ঘিরেই প্রাণ ফিরে পাবে গ্রাম বাংলার অর্থনীতি ও স্বপ্ন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সলঙ্গা এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে বড় বড় আমবাগান না থাকলেও প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে এক বা একাধিক আমগাছ।কেউ শখ করে লাগিয়েছেন দেশি জাত,আবার অনেকেই বিদেশি ও উন্নত কলম জাতের আমগাছ রোপণ করেছেন।এসব গাছেও এবার ব্যাপক হারে মুকুল ধরেছে,যা দেখে খুশি সাধারণ আমচাষিরা।
তবে ভালো ফলনের আশায় কেউ কেউ মুকুল আসার আগেই ভিটামিন ও হরমোন প্রয়োগ করেছেন।আবার পোকামাকড়ের আক্রমণ ও মুকুল ঝরা রোধে নিয়মিত ঔষধ স্প্রে করছেন অনেকেই।কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে,অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না এলে এ বছর আমের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কিছু কিছু গাছে এত বেশি মুকুল এসেছে যে,ভারে ডাল ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।এমন দৃশ্য গ্রামবাংলার মানুষের মনে জাগাচ্ছে জ্যৈষ্ঠের মধুমাসের প্রতীক্ষা।মন যেন এখন থেকেই পাকা আমের স্বাদ কল্পনা করে পাগলপারা।
আমের মুকুলে সেজেছে সলঙ্গা। প্রকৃতির এই নব রূপ শুধু সৌন্দর্য নয়,এটি গ্রাম বাংলার আশা,স্বপ্ন আর অর্থনীতিরও প্রতীক।এখন সবার চোখ আকাশের দিকে—প্রকৃতি সহায় হলেই ডালে ডালে ঝুলবে সোনালি সুখ।