1
আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাভার ও আশুলিয়ার জনগণের আস্থার নাম রাকিব দেওয়ান রকিব।

মোঃ মাসুদ রানা, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মোঃ মাসুদ রানা, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জাকারিয়া আল ফয়সালঃ
রাজশাহীর মতিহার থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক ভূমি মন্ত্রী মরহুম অ্যাডভোকেট কোভিদ হোসেন অস্তিরের রুহের মাগফেরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মতিহার থানা বিএনপির সভাপতি একরাম আলী এবং সঞ্চালনা করেন রাজশাহী মহানগরের মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাসির হোসেন অস্তির।
বক্তারা মরহুম নেতৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও ত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে। সংগঠনকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিতদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
গ্রাম বাংলায় আম মানেই এক আবেগ,এক অনির্বচনীয় ভালোবাসা।আর সেই আবেগে নতুন রঙ ছড়িয়েছে আম গাছের মুকুল।ফাল্গুনি হাওয়ার ছোঁয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মিষ্টি মৌ মৌ ঘ্রাণ।ঋতুরাজ বসন্ত যেন আগাম বার্তা দিচ্ছে—আসছে মধুমাস,আসছে রসাল আমের দিন।
সলঙ্গা থানার ৬ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,বাড়ির আঙিনা,রাস্তার ধার,পুকুরপাড়,জমির আইল কিংবা বসতঘরের পাশের টিনের চাল ছুঁয়ে থাকা ডাল—যেদিকেই চোখ যায়,সেদিকেই হলদে-সবুজ মুকুলে ভরা আমগাছ।থোকা থোকা মুকুলের ভারে অনেক গাছের ডাল নুয়ে পড়েছে।প্রকৃতির এই অপরূপ সাজে চোখ ফেরানো দায়।
মুকুলের সৌরভে সুরভিত হয়ে উঠেছে সলঙ্গার পুরো জনপদ।ব্যস্ত মৌমাছিরা মধু আহরণে ছুটে বেড়াচ্ছে ডাল থেকে ডালে।বসন্তের সুবাতাস যেন আগাম সুখের বার্তা বয়ে আনছে—ডালে ডালে ঝুলবে রসাল আম,আর সেই আম-কে ঘিরেই প্রাণ ফিরে পাবে গ্রাম বাংলার অর্থনীতি ও স্বপ্ন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সলঙ্গা এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে বড় বড় আমবাগান না থাকলেও প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে এক বা একাধিক আমগাছ।কেউ শখ করে লাগিয়েছেন দেশি জাত,আবার অনেকেই বিদেশি ও উন্নত কলম জাতের আমগাছ রোপণ করেছেন।এসব গাছেও এবার ব্যাপক হারে মুকুল ধরেছে,যা দেখে খুশি সাধারণ আমচাষিরা।
তবে ভালো ফলনের আশায় কেউ কেউ মুকুল আসার আগেই ভিটামিন ও হরমোন প্রয়োগ করেছেন।আবার পোকামাকড়ের আক্রমণ ও মুকুল ঝরা রোধে নিয়মিত ঔষধ স্প্রে করছেন অনেকেই।কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে,অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না এলে এ বছর আমের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কিছু কিছু গাছে এত বেশি মুকুল এসেছে যে,ভারে ডাল ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।এমন দৃশ্য গ্রামবাংলার মানুষের মনে জাগাচ্ছে জ্যৈষ্ঠের মধুমাসের প্রতীক্ষা।মন যেন এখন থেকেই পাকা আমের স্বাদ কল্পনা করে পাগলপারা।
আমের মুকুলে সেজেছে সলঙ্গা। প্রকৃতির এই নব রূপ শুধু সৌন্দর্য নয়,এটি গ্রাম বাংলার আশা,স্বপ্ন আর অর্থনীতিরও প্রতীক।এখন সবার চোখ আকাশের দিকে—প্রকৃতি সহায় হলেই ডালে ডালে ঝুলবে সোনালি সুখ।

এস এম সোহাগ কাজী = মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুর বিসিক শিল্প নগরী এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মিম আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, মিমকে তার স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী রিয়াদ খানকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার বিসিক এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন রিয়াদ খান ও মিম আক্তার দম্পতি। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ওই বাসা থেকে মিমের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। মিমের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে রিয়াদ তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
নিহত মিম আক্তার: কালকিনি উপজেলার আলিনগর ইউনিয়নের উত্তর কানাইপুর গ্রামের মৃত নান্নু হাওলাদারের মেয়ে।
অভিযুক্ত রিয়াদ খান: সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার ছত্তার খানের ছেলে।
পরিবারের দাবি ও পুলিশের পদক্ষেপ
নিহত মিমের পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। রিয়াদ প্রায়ই মিমকে নির্যাতন করত। তাদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং তারা এর সুষ্ঠু বিচার ও ফাঁসি চান।
মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্বামী রিয়াদ খানকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য: “আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযুক্ত স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”