শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

জয়পুরহাটের মাধাইনগর হাইস্কুল মাঠে দর্শক মাতালেন সাইমুম-উদ্ভাবন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ৫:০৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জয়পুরহাটের মাধাইনগর হাইস্কুল মাঠে দর্শক মাতালেন সাইমুম-উদ্ভাবন

 

মোঃমোরছালিন, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি:

অপসংস্কৃতি, মাদক, জুয়া, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জয়পুরহাটের আমদই ইউনিয়নের মাধাইনগর হাইস্কুল মাঠে দিনব্যাপী ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছে আবাবিল সাংস্কৃতিক সংসদ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রভাষক আরিফুল ইসলাম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন আব্দুল ওয়াহেদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জয়পুরহাট জেলা শাখার আমীর ডা. ফজলুর রহমান সাইদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার সেক্রেটারি জননেতা গোলাম কিবরিয়া, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটন, পাঁচবিবি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, পাঁচবিবি উপজেলার আমীর মাওলানা সুজাউল ইসলাম, জয়পুরহাট জেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি সাংবাদিক মাশরেকুল আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুসুম্বা ইউনিয়নের আমীর আবু ইউসুফ মোহাম্মাদ খলীলুর রহমান, আমদই ইউনিয়নের সেক্রেটারি নাহিদুল ইসলাম, আবাবিল সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি হাফেজ ইব্রাহিম বিন শরীফ, সেক্রেটারি সাংবাদিক আহসান হাবীব, অর্থ সম্পাদক লিটন সরকার, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ মোরছালিন সহ আরও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি।

অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে আগত সুনামধন্য ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সাইমুম’-এর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। জয়পুরহাটের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন “উদ্ভাবন” সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদও তাদের পরিবেশনা তুলে ধরে।

প্রধান অতিথি ডা. ফজলুর রহমান সাইদ বলেন, অপসংস্কৃতির প্রভাব আমাদের সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সুস্থ সংস্কৃতির চর্চার মাধ্যমে আমরা একটি উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে পারি। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথি জননেতা গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমাদের তরুণ সমাজকে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাদের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে অপসংস্কৃতির পরিবর্তে সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে।

আবাবিল সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি হাফেজ ইব্রাহিম বিন শরীফ বলেন, আমাদের লক্ষ্য সমাজকে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির দিকে নিয়ে যাওয়া। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সমাজে সচেতনতা তৈরি করতে চাই।

আবাবিল সাংস্কৃতিক সংসদের সেক্রেটারি আহসান হাবীব বলেন, এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা সমাজের বিভিন্ন অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে চাই। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এ ধরনের আয়োজনে দর্শক ও স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে মানুষের আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।

1

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন
মোঃ রানা ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান ড. ইসরাফিল শাহীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হওয়ার সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতিমনাদের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ড. ইসরাফিল শাহীন (মোহাম্মদ ইসরাফিল) ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান থিয়েটার নির্দেশক, গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত। ভারতের ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে ১৯৯১ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ১৯৯৯ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের স্ট্রিট থিয়েটার বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে সিনিয়র প্রফেসর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, ফিলিপাইন, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, ফ্রান্স ও চেক প্রজাতন্ত্রে কর্মশালা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
পদ্ধতিগত অভিনয়, স্থানীয় নাট্যরীতি, নৃবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং মিতব্যয়ী দৃশ্যরূপে তাঁর কাজ বিশেষভাবে প্রশংসিত। থিয়েটারকে সমাজমুখী ও অংশগ্রহণমূলক ধারায় প্রতিষ্ঠা করতে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় জেলাবাসীর মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

1

বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
বকশীগঞ্জে অবৈধ জ্বালানি তেল ট্যাঙ্কিতে সংগ্রহের দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Oplus_131072

 মোঃ ইমরান আকন্দ, (জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ কালে শাকিল মিয়া (২২) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে এই জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে পরেশ চন্দ্র সাহা ফিলিং স্টেশনে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ সময় শ্রীবরদী উপজেলার কোর্নঝোড়া ইউনিয়নের জাহান আলী ছেলে শাকিল মিয়া কে আটক করা হয়। পরে অবৈধ পন্থায় জ্বালানি তেল সংগ্রহ দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসমা-উল- হুসনা, ট্যাগ অফিসার কামরুজ্জামান সহ অনেকেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরাকে জানান, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত তেল নেয়া, মজুত রাখা, প্রতারণা ও অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।