বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদ সহ ৩ দফা দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ৪:০৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদ সহ ৩ দফা দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ

গোলাম আলী নাইম, ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির কর্মসূচিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ; ৩ দফা দাবী।জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সম্মুখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিষ্ঠিত প্লাটফর্ম স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসী কর্তৃক পূর্বপরিকল্পিত অতর্কিত হামলার প্রতিবাদ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, জেলবন্দীদের মুক্তি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ‘আদিবাসী’ সম্বোধন করাকে রাষ্ট্রদ্রোহী ঘোষণা এবং আদিবাসী দাবীতে সরব বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও তাদের পৃষ্ঠপোষক-দোসরদের গ্রেপ্তাদের দাবীতে ৩ দফা দাবীসহ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা’।

আজ ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বরে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সুশীল সমাজের সদস্য, শিক্ষক, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী ও দেশ প্রেমিক নাগরিক ও ছাত্র-জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন এবং ৩ দফা দাবী পেশ করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি এনসিটিবির পরিমার্জন কমিটিতে নিয়োগকৃত বহিরাগত লাল সন্ত্রাস রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদরা পাঠ্য বইতে রাষ্ট্রের সংবিধান ও আইন বিরোধী এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী পরিভাষা ‘আদিবাসী’ যুক্ত গ্রাফিতি অন্তর্ভুক্ত করে। এটাকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি, তাদের পৃষ্ঠপোষক ও দোসরদের আদিবাসী দাবীর অন্তরালে পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার সুপ্ত পরিকল্পনা দেশবাসীর কাছে ফাঁস করে দেয় দেশ রক্ষায় নিবেদিত ছাত্রদের প্লাটফর্ম ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’। এই কারণে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি, তাদের পৃষ্ঠপোষক ও দোসর বামপন্থী লাল সন্ত্রাসীরা একজোট হয়ে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রপাগান্ডা ও অপপ্রচারে মাঠে নেমেছে, মিথ্যা মামলা করেছে, দুজন শুভাকাঙ্ক্ষিকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে, হয়রানী করা হচ্ছে সংগঠনটির সদস্যদের, যা অত্যন্ত দু:খজনক এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকী!

আমরা আশ্চর্য হচ্ছি যখন দেখছি- দেশ রক্ষাকারীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে জেলবন্দী করা হচ্ছে, আর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলা ও অপরাধের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কোনো মামলা নিচ্ছে না। এটি দেশের সার্বভৌমত্বের সাথে এক ধরণের প্রহসন বৈ অন্য কিছু নয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই, ধিক্কার জানাই দেশের দায়িত্বশীলদের প্রতি। দ্রুত এর অবসান কল্পে ‘বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা’র নিম্নোক্ত ৩ দফা দাবী বাস্তবায়ন করতে হবে-

১. দল মতের উর্দ্ধে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ একটি দেশ প্রেমিক ছাত্র সংগঠন, যারা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় কাজ করছে। অবিলম্বে সংগঠনটির বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা তুলে নিতে হবে এবং তার সকল বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

২. গত ১৫ জানুয়ারি মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ভবনের সামনে স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির উপর পুলিশের ৪টি ব্যারিকেড ভেঙ্গে আগে হামলা করে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসীরা, যা বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত লাইভ ভিডিওতে দৃশ্যমান। ঐদিন সহিংস ঘটনা তৈরির অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও হোতা লাল সন্ত্রাস রাখাল রাহা, অলিক ম্রি ও আরমানুল হক গংদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সাথে তাদের পক্ষে যারা সাফাই গাইছে বিশেষ করে দেশবিরোধী সংবাদ মাধ্যম দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

৩. ‘আদিবাসী’ শব্দটি সংবিধান বিরোধী ও দেশবিরোধী শব্দ। যে বা যারা ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি চাচ্ছে ও এই দাবীর পক্ষে কাজ করছে, প্রচার করছে তারা প্রত্যেকেই বিচ্ছিন্নতাবাদী ও তাদের দোসর। রাষ্ট্রকে স্বপ্রণোদিত হয়ে এই রাষ্ট্রদ্রোহীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

উপরোক্ত ৩ দফা দাবী রাষ্ট্রকে অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। নইলে অন্তর্বর্তী সরকারের উপর যে আস্থা আছে দেশের জনগণ সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় সেটি হারিয়ে ফেলবে। অতএব অতিদ্রুত বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার দাবী মেনে নিতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ৮ জানুয়ারি ঢাবি সাংবাদিক সমিতিতে, ১২ জুনুয়ারি এনসিটিবির সম্মুখে এবং সর্বশেষ গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবী নিয়ে এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইতে সংবিধান বিরোধী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী শব্দ ‘আদিবাসী’ যুক্ত গ্রাফিতি সংযোজনকারী লাল সন্ত্রাসী রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদ গংয়ের অপসারণের দাবীতে এনসিটিবিতে যায় পূর্ব নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী। সেখানে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির ৬ জন প্রতিনিধিকে ডেকে নিয়ে যায় চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করতে। কিন্তু সভারেন্টির প্রতিনিধি দলকে চেয়ারম্যানের পরিবর্তে পরিমার্জন কমিটির বহিরাগত রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদের সাথ বসিয়ে দেয়। এতে সভারেন্টির প্রতিনিধিরা আপত্তি জানালেও লাল সন্ত্রাস রাখাল রাহা সময় ক্ষেপন করে। বার বার আপত্তি সত্ত্বেও পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতিদের মিছিল এনসিটিবি পর্যন্ত পৌঁছে সহিংসতা সৃষ্টি পর্যন্ত সময় ক্ষেপন করতে থাকে রাখা রাহা।

সভারেন্টির প্রতিনিধি দল এতে ব্যাপক আপত্তি জানালে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে পৌঁছার আশঙ্কায় পুলিশ এসে দ্রুত আলোচনা শেষ করতে বলে। কিন্তু এরপরেও রাখাল রাহা এক ধরণের আটকে রাখার মত সভারেন্টির প্রতিনিধিদের সময় নষ্ট করতে থাকে। অবশেষে রাখাল রাহাদের পূর্বপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়; বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতিদের অতর্কিত হামলায় দিশেহারা সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার্থে ব্যবস্থা নেয়। ফলে অনেকে হতাহতের শিকার হয়। এনসিটিবি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনারত সভারেন্টির প্রতিনিধিরা তখনো জানেন না নিচে কী হচ্ছে। পরবর্তিতে পুলিশ এসে বিস্তারিত জানালে আলোচনা কিছুটা অসম্পূর্ণ রেখেই সভারেন্টির প্রতিনিধিরা নিচে চলে আসেন।
এর পরপরই অনলাইন অফলাইনে উপজাতি নিপীড়নের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়, সভারেন্টিকে বিতর্কিত করার শতভাগ চেষ্টা চালানো হয়। মিথ্যা মামলা, দুজনকে গ্রেপ্তার, সদস্য ও পক্ষের লোকদেরকে হয়রানী করা হয়।
‘বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা’ এসবের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সভারেন্টির উপর এই হামলা ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পূর্ব পরিকল্পিত; যেই কারণে রাখাল রাহা সভারেন্টির প্রতিনিধিদের আটকে রেখে সময় ক্ষেপন করিয়ে উপজাতি কর্তৃক সহিংস ঘটনার সুযোগ তৈরি করে দেয়। আমরা এর বিচার চাই। দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

বক্তারা বলেন, কালের কণ্ঠসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায় যে, খ্রিস্টান মিশনারীদের এজেন্ট উগ্র বিচ্ছিন্নতাবাদী অলিক ম্রি ও ছাত্র ফেডারেশনের লাল সন্ত্রাস আরমানুল হক গংদের নেতৃত্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী মিছিলটি অত্যন্ত উগ্র কায়দায় পুলিশের বেরিকেড ভেঙ্গে নৃশংসভাবে সভারেন্টির পক্ষের লোকজনের উপর হামলা করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় জান বাঁচাতে সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার্থে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে।
অতএব, মূল দোষী প্রথম হামলাকারী উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী ও লাল সন্ত্রাসীরা। এদের বিরুদ্ধে মামলা নিতে হবে এবং গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সভারেন্টি আত্মরক্ষার্থে বিচ্ছিন্নতবাদীদের প্রতিহত করেছে মাত্র। বাংলাদেশ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এ ‘সাধারণ ব্যতিক্রম’ পরিচ্ছেদে ৯৬-১০৬ নং ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তি তার শরীর ও সম্পদের নিরাপত্তার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কারো কোনো ক্ষতি হলে আইনের চোখে তা অপরাধ নয়। কাজেই আত্মরক্ষার অধিকার স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির রয়েছে। এনসিটিবির পাদদেশে সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার কাজটিই করেছে।
অতএব, বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি কর্তৃক দায়েরকৃত স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির সদস্য ও পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ উপরোক্ত ৩ দফা দাবী অনতিবিলম্বে সরকারকে বাস্তবায়ন করতে হবে। নইলে দেশব্যাপী বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ইনশায়াল্লাহ!

সমাবেশে বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মুহম্মদ শামসুদ্দীন, বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার সহ মুখপাত্র মুহম্মদ রাসেল, পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্র নেতৃবৃন্দসহ আরো অনেকে। উপস্থিত ছিলেন প্রায় শ’খানেক ছাত্র-জনতা।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।

1

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে নতুন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ”-এর কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলা পোর্টালের সম্পাদক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আলী আজগর ইমন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টায় সংগঠনের এক ভার্চুয়াল সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে শিগগিরই ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ঘোষণা করা হবে। এতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মধ্যে থাকবেন আইনজীবী, ইমাম, পুরোহিত, চিকিৎসক, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, নারী নেত্রী, ছাত্রনেতা, এনজিও প্রতিনিধি, আইটি বিশেষজ্ঞ, শ্রমিক নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা। সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহযোগী সংগঠন হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেলে এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনটি কার্যক্রম বিস্তৃত করে। সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক ভার্চুয়াল সভায় কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনয়নের মাধ্যমে বাকি পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হেড লাইন চেঞ্জ করে দিন

1

নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

 

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগম মনোনীত হয়েছেন। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাছিম উদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) বিধিমালা ২০১৯-এর ৭ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে আগামী দুই বছর তিনি গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ভাইস-চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ মনোনয়ন প্রত্যাহারের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

একই আদেশে কলেজটির পূর্ণাঙ্গ গভর্নিং বডি গঠনের লক্ষ্যে সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগমের সুপারিশক্রমে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী তিনজন শিক্ষানুরাগী সদস্যের নাম প্রস্তাব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনোয়ারা বেগম বলেন, “নাগরপুর মহিলা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতিতে আমি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।”

এদিকে, তার এ মনোনয়নে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।