সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদ সহ ৩ দফা দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ৪:০৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদ সহ ৩ দফা দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ

গোলাম আলী নাইম, ঢাকা বিশেষ প্রতিনিধি:

স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির কর্মসূচিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ; ৩ দফা দাবী।জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সম্মুখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিষ্ঠিত প্লাটফর্ম স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসী কর্তৃক পূর্বপরিকল্পিত অতর্কিত হামলার প্রতিবাদ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, জেলবন্দীদের মুক্তি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ‘আদিবাসী’ সম্বোধন করাকে রাষ্ট্রদ্রোহী ঘোষণা এবং আদিবাসী দাবীতে সরব বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও তাদের পৃষ্ঠপোষক-দোসরদের গ্রেপ্তাদের দাবীতে ৩ দফা দাবীসহ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা’।

আজ ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বরে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সুশীল সমাজের সদস্য, শিক্ষক, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী ও দেশ প্রেমিক নাগরিক ও ছাত্র-জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন এবং ৩ দফা দাবী পেশ করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি এনসিটিবির পরিমার্জন কমিটিতে নিয়োগকৃত বহিরাগত লাল সন্ত্রাস রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদরা পাঠ্য বইতে রাষ্ট্রের সংবিধান ও আইন বিরোধী এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী পরিভাষা ‘আদিবাসী’ যুক্ত গ্রাফিতি অন্তর্ভুক্ত করে। এটাকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি, তাদের পৃষ্ঠপোষক ও দোসরদের আদিবাসী দাবীর অন্তরালে পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার সুপ্ত পরিকল্পনা দেশবাসীর কাছে ফাঁস করে দেয় দেশ রক্ষায় নিবেদিত ছাত্রদের প্লাটফর্ম ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’। এই কারণে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি, তাদের পৃষ্ঠপোষক ও দোসর বামপন্থী লাল সন্ত্রাসীরা একজোট হয়ে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রপাগান্ডা ও অপপ্রচারে মাঠে নেমেছে, মিথ্যা মামলা করেছে, দুজন শুভাকাঙ্ক্ষিকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে, হয়রানী করা হচ্ছে সংগঠনটির সদস্যদের, যা অত্যন্ত দু:খজনক এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকী!

আমরা আশ্চর্য হচ্ছি যখন দেখছি- দেশ রক্ষাকারীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে জেলবন্দী করা হচ্ছে, আর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলা ও অপরাধের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কোনো মামলা নিচ্ছে না। এটি দেশের সার্বভৌমত্বের সাথে এক ধরণের প্রহসন বৈ অন্য কিছু নয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই, ধিক্কার জানাই দেশের দায়িত্বশীলদের প্রতি। দ্রুত এর অবসান কল্পে ‘বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা’র নিম্নোক্ত ৩ দফা দাবী বাস্তবায়ন করতে হবে-

১. দল মতের উর্দ্ধে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ একটি দেশ প্রেমিক ছাত্র সংগঠন, যারা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় কাজ করছে। অবিলম্বে সংগঠনটির বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা তুলে নিতে হবে এবং তার সকল বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

২. গত ১৫ জানুয়ারি মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ভবনের সামনে স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির উপর পুলিশের ৪টি ব্যারিকেড ভেঙ্গে আগে হামলা করে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি ও লাল সন্ত্রাসীরা, যা বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত লাইভ ভিডিওতে দৃশ্যমান। ঐদিন সহিংস ঘটনা তৈরির অন্যতম পরিকল্পনাকারী ও হোতা লাল সন্ত্রাস রাখাল রাহা, অলিক ম্রি ও আরমানুল হক গংদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সাথে তাদের পক্ষে যারা সাফাই গাইছে বিশেষ করে দেশবিরোধী সংবাদ মাধ্যম দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

৩. ‘আদিবাসী’ শব্দটি সংবিধান বিরোধী ও দেশবিরোধী শব্দ। যে বা যারা ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি চাচ্ছে ও এই দাবীর পক্ষে কাজ করছে, প্রচার করছে তারা প্রত্যেকেই বিচ্ছিন্নতাবাদী ও তাদের দোসর। রাষ্ট্রকে স্বপ্রণোদিত হয়ে এই রাষ্ট্রদ্রোহীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

উপরোক্ত ৩ দফা দাবী রাষ্ট্রকে অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। নইলে অন্তর্বর্তী সরকারের উপর যে আস্থা আছে দেশের জনগণ সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় সেটি হারিয়ে ফেলবে। অতএব অতিদ্রুত বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার দাবী মেনে নিতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ৮ জানুয়ারি ঢাবি সাংবাদিক সমিতিতে, ১২ জুনুয়ারি এনসিটিবির সম্মুখে এবং সর্বশেষ গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবী নিয়ে এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইতে সংবিধান বিরোধী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী শব্দ ‘আদিবাসী’ যুক্ত গ্রাফিতি সংযোজনকারী লাল সন্ত্রাসী রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদ গংয়ের অপসারণের দাবীতে এনসিটিবিতে যায় পূর্ব নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী। সেখানে এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির ৬ জন প্রতিনিধিকে ডেকে নিয়ে যায় চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করতে। কিন্তু সভারেন্টির প্রতিনিধি দলকে চেয়ারম্যানের পরিবর্তে পরিমার্জন কমিটির বহিরাগত রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদের সাথ বসিয়ে দেয়। এতে সভারেন্টির প্রতিনিধিরা আপত্তি জানালেও লাল সন্ত্রাস রাখাল রাহা সময় ক্ষেপন করে। বার বার আপত্তি সত্ত্বেও পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতিদের মিছিল এনসিটিবি পর্যন্ত পৌঁছে সহিংসতা সৃষ্টি পর্যন্ত সময় ক্ষেপন করতে থাকে রাখা রাহা।

সভারেন্টির প্রতিনিধি দল এতে ব্যাপক আপত্তি জানালে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে পৌঁছার আশঙ্কায় পুলিশ এসে দ্রুত আলোচনা শেষ করতে বলে। কিন্তু এরপরেও রাখাল রাহা এক ধরণের আটকে রাখার মত সভারেন্টির প্রতিনিধিদের সময় নষ্ট করতে থাকে। অবশেষে রাখাল রাহাদের পূর্বপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়; বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতিদের অতর্কিত হামলায় দিশেহারা সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার্থে ব্যবস্থা নেয়। ফলে অনেকে হতাহতের শিকার হয়। এনসিটিবি কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনারত সভারেন্টির প্রতিনিধিরা তখনো জানেন না নিচে কী হচ্ছে। পরবর্তিতে পুলিশ এসে বিস্তারিত জানালে আলোচনা কিছুটা অসম্পূর্ণ রেখেই সভারেন্টির প্রতিনিধিরা নিচে চলে আসেন।
এর পরপরই অনলাইন অফলাইনে উপজাতি নিপীড়নের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়, সভারেন্টিকে বিতর্কিত করার শতভাগ চেষ্টা চালানো হয়। মিথ্যা মামলা, দুজনকে গ্রেপ্তার, সদস্য ও পক্ষের লোকদেরকে হয়রানী করা হয়।
‘বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতা’ এসবের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সভারেন্টির উপর এই হামলা ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পূর্ব পরিকল্পিত; যেই কারণে রাখাল রাহা সভারেন্টির প্রতিনিধিদের আটকে রেখে সময় ক্ষেপন করিয়ে উপজাতি কর্তৃক সহিংস ঘটনার সুযোগ তৈরি করে দেয়। আমরা এর বিচার চাই। দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

বক্তারা বলেন, কালের কণ্ঠসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায় যে, খ্রিস্টান মিশনারীদের এজেন্ট উগ্র বিচ্ছিন্নতাবাদী অলিক ম্রি ও ছাত্র ফেডারেশনের লাল সন্ত্রাস আরমানুল হক গংদের নেতৃত্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী মিছিলটি অত্যন্ত উগ্র কায়দায় পুলিশের বেরিকেড ভেঙ্গে নৃশংসভাবে সভারেন্টির পক্ষের লোকজনের উপর হামলা করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় জান বাঁচাতে সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার্থে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে।
অতএব, মূল দোষী প্রথম হামলাকারী উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী ও লাল সন্ত্রাসীরা। এদের বিরুদ্ধে মামলা নিতে হবে এবং গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সভারেন্টি আত্মরক্ষার্থে বিচ্ছিন্নতবাদীদের প্রতিহত করেছে মাত্র। বাংলাদেশ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এ ‘সাধারণ ব্যতিক্রম’ পরিচ্ছেদে ৯৬-১০৬ নং ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তি তার শরীর ও সম্পদের নিরাপত্তার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কারো কোনো ক্ষতি হলে আইনের চোখে তা অপরাধ নয়। কাজেই আত্মরক্ষার অধিকার স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির রয়েছে। এনসিটিবির পাদদেশে সভারেন্টির পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার কাজটিই করেছে।
অতএব, বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি কর্তৃক দায়েরকৃত স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির সদস্য ও পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ উপরোক্ত ৩ দফা দাবী অনতিবিলম্বে সরকারকে বাস্তবায়ন করতে হবে। নইলে দেশব্যাপী বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ইনশায়াল্লাহ!

সমাবেশে বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মুহম্মদ শামসুদ্দীন, বিক্ষুব্ধ সার্বভৌম ছাত্র-জনতার সহ মুখপাত্র মুহম্মদ রাসেল, পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্র নেতৃবৃন্দসহ আরো অনেকে। উপস্থিত ছিলেন প্রায় শ’খানেক ছাত্র-জনতা।

1

যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক দের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:১০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক দের কাছে দোয়া চাইলেন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে,
বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর শ্রমিকদের দের কাছে দোয়া চাইলেন, ৮৫ যশোর -১ (শার্শা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।

রবিবার ( ৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬) সকাল ৯ টার সময় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর মিটিং কক্ষে, হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি
তবিবুর রহমান তবি ও ৯২৫ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী কে নিয়ে,স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং হাজার হাজার সাধারণ লেবার শ্রমিকদের কাছে দোয়া চাইলেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

এ সময় আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন বলেন,আগামী নির্বাচনে জয়ী হলে, বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিকদের জন্য একটি আধুনিক মানের হসপিটাল নির্মাণ করবো,শার্শা উপজেলাকে একটি আধুনিক, সন্ত্রাসমুক্ত ও শান্তিময় জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, “প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। জনগণ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও তাদের অধিকার ফিরে পেতে নির্বাচনের অপেক্ষায় উন্মুখ হয়ে আছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ সভাপতি ইদ্রিস মালেক, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তবিবুর রহমান তবি,সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদ আলী সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মজিদ,সহ-সাধারণ সম্পাদক(২) মোঃ জিয়াউর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলী ডাক্তার, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সবুজ হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক,বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্বাস আলী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান,মোঃ ইছাহক মেম্বার,মোঃ জুলু মেম্বার,লিংকন মেম্বার,লেবার সরদার মোঃ হাসেম আলীসহ ৯২৫ এর সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমিক বৃন্দ্যরা উপস্থিত ছিলেন।

1

তাড়াশে ধানের শীষের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
তাড়াশে ধানের শীষের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত

সাহেদ আলী= সিরাজগঞ্জ :

১২ ফেব্রুয়ারির ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হকের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ‎রবিবার বিকেলে তাড়াশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে আয়োজিত এ জনসভাটি জনসমুদ্রে রুপ নেয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মাঠে এসে জড়ো হন।স্লোগান,ব্যানার-ফেস্টুন ও ধানের শীষের প্রতীকে মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
‎এ জনসভায় তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স.ম আফসার আলীর সভাপতিত্বে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
‎‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্ময় খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর।সাবেক এমপি মরহুম আব্দুল মান্নান তালুকদারের পুত্র,জেলা বিএনপির সদস্য রাহিদ মান্নান লেনিন,
‎‎জনসভাটি সঞ্চালনা করেন,তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান টুটুল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,
‎তাড়াশ পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক তপন গোস্বামী,পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল বারিক খন্দকার,উপজেলা যুবদলের  আহব্বায়ক এফ এম শাহআলম, সদস্য সচিব রাজীব আহম্মেদ মাসুম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ ফকির, সদস্য সচিব খন্দকার শাহাদাৎ হোসেন, তাড়াশ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন, সদস্য সচিব সাইফুল খান,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা,সদস্য সচিব হাসান মির্জা সহ
‎উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ।


1

হাসপাতাল থেকে ফিরেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
হাসপাতাল থেকে ফিরেই আকবর আলীর নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা আফছার

সাহেদ আলী=সিরাজগঞ্জ :

১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪, (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী তার সহধর্মিনী ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তাকে বিজয়ী করতে সলঙ্গার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দবিরগঞ্জ বাজার,সুতাহাটি বাজার,চৈত্রহাটি বাজার, মাহমুদপুর বাজার,অলিদহ বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আফছার উদ্দিন।
আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন বাজার ও গ্রামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে ভোট প্রার্থনা ও মতবিনিময় সভা করেন। উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি এম. আকবর আলী নির্বাচিত হওয়ার পর সব সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতির আশ্বাস দেন। আফছার উদ্দিন জানান,গত ২৭ জানুয়ারী রাতে হঠাৎ স্ট্রোক করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমি কিছুটা সুস্থ হয়ে আবার আপনাদের কাছে এসেছি। আমার খুব ভালো লাগছে অনেকেই আমার শারীরিক খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং সবার আন্তরিক দোয়ায় আল্লাহ পাক আমাকে সুস্থ করে আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে এনেছেন। এ জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন,উল্লাপাড়া-সলঙ্গা অঞ্চলের উন্নয়নের রুপকার এম আকবর আলীর জন্য দোয়া ও ধানের শীষে ভোট চাইতে এসেছি। নিশ্চয়ই তিনি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য ভালো কিছু করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু মুসা সরকার,কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হাফিজুর রহমান সরকার, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক পদপ্রার্থী আব্দুল মালেক মেম্বর,থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আসাদুল ইসলাম আসাদ,যুগ্ম আহবায়ক আহবায়ক এম আরিফুল ইসলাম,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মাসুদ রানা,থানা সাইবার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা-সহ প্রমুখ।