বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

ভারতীয় চক্রান্ত দেশ থেকে বিদেশে থেমে নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫৬ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভারতীয় চক্রান্ত দেশ থেকে বিদেশে থেমে নেই

আবু নাসের মহিউদ্দিনঃ

ভারত ৭১ থেকে যেন সইতে পারছে না মুসলিম অধিকাংশ দেশ বাংলাদেশ-কে, দেশটি এগিয়ে যাবে তা চক্ষু কপালে উঠার মত তাদের জন্য দেশের সরকারি স্তর থেকে সাধারণ জনগণ সকলে বাংলাদেশের জন্য বিষ ফোঁড়ার মত কাজ করে।
জ্বী তাঁরা বিদেশে থেমে নেই কিভাবে বাংলাদেশের বদনাম করা যায় তাদের এমন একটা উদ্দেশ্য সব সময় কাজ করে বাংলার জনগণের উপর, তেমনি এক ঘটনার সাক্ষী কুয়েতে।
দ্যা ইন্ডিয়ান টাইমস একটি নিউজ প্রতিবেদন ​কুয়েতে বিষাক্ত মদ উৎপাদন ও বিতরণের অভিযোগে এক বাংলাদেশি জড়িত থাকার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। দ্য টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা এই অভিযোগ করা হয়েছিল, যা দূতাবাস দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

​দূতাবাস প্রকাশিত ওই সংবাদ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কারণ ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বিষাক্ত মদ তৈরির চক্রের মূল হোতা ‘দেলোরা বারকাশ দারাজি’ নামে এক বাংলাদেশি।
​বাংলাদেশ দূতাবাস জানায় এই নামটা বাংলাদেশের নামের সাথে একেবারেই অস্বাভাবিক। তাই দ্রুত এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করার জন্য দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ওয়াইফরা পুলিশ স্টেশনে যোগাযোগ করে আহমদি জেলার তদন্ত অফিসের প্রধানের সাথে কথা বলে বাংলাদেশ দূতাবাস।

​কুয়েতের কর্তৃপক্ষ দূতাবাসকে নিশ্চিত করে যে এই ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি নাগরিক জড়িত ছিল না, গ্রেপ্তার হওয়া ৬৭ জন এবং নিহত ২৩ জন অন্ধ হওয়া ১৩ জন কিডনী নষ্ট হওয়া ৩০ জন ও বিষাক্ত মদ পান করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট ১৬৩ জন মধ্যেও কোনো বাংলাদেশি ছিল না।
​দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, “কর্তৃপক্ষের এই নিশ্চিত তথ্যের পর কোনো সন্দেহ নেই যে বিষাক্ত মদ উৎপাদন বা বিতরণের সাথে কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পর্ক নেই।”

​দূতাবাস আরও জানায়, এমন ভুল তথ্য প্রকাশ করা শুধু বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুনাম ক্ষুণ্ন করে না, বরং এটি তাদের সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করে এবং বিদেশি বিদ্বেষকে উসকে দেয়।
​দূতাবাস একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা খুবই দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ।”

​গণমাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানিয়ে দূতাবাস বলেছে যে তারা কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সম্মান রক্ষা করতে এবং সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে বস্তুনিষ্ঠ ও পক্ষপাতহীন সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত এর এমন তদন্ত বাংলাদেশের প্রবাসীদের ভারতীয় মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণা থামাতে বড় ধরণের ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সকল স্বরযন্ত্রীয় কার্যক্রম বন্ধ হবে।

1

হাটিকুমরুল রোড বাসস্ট্যান্ডে ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজীর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম
হাটিকুমরুল রোড বাসস্ট্যান্ডে ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজীর অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

হাটিকুমরুল গোলচত্বর,যা উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।সেখানে ঢাকা-বগুড়া মহানসড়কের ব্যস্ত বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়ভাবে ‘লতিফ বাহিনী’ নামে পরিচিত একটি সিন্ডিকেট দূরপাল্লার বাস থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে বলে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।
অভিযোগের মূল বিষয়
উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা, চট্টগ্রাম,সিলেট,কুমিল্লা ও কক্সবাজারগামী বাসগুলো থেকে প্রতি ট্রিপে ৫০০–১০০০ টাকা চাঁদা নেওয়া হয়।
অল্প যাত্রী তুললেও ৫০–১০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়।
সকাল ও দুপুরে শিফট ভাগ করে প্রায় ৪০–৫০ জন সদস্য চাঁদা আদায় করে বলে অভিযোগ।
টাকা না দিলে বাসে যাত্রী তুলতে বাধা দেয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে,স্থানীয় এক রাজনৈতিক পরিচয়ধারী নেতা আবদুল লতিফ এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাসচালক ও স্টাফদের দাবি, চাঁদাবাজির কারণে তারা কার্যত জিম্মি।প্রতিবাদ করলে পরদিন স্ট্যান্ডে গাড়ি দাঁড় করাতে দেয়া হয় না।এতে ভাড়া বাড়িয়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা ও সলঙ্গা থানার পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লাপাড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, মহাসড়কে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না।অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজী বন্ধ না হলে পরিবহন খাত ও সাধারণ যাত্রী উভয়ই দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে পড়বে।দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

1

আশুলিয়ায় মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
আশুলিয়ায় মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

 

সাভারঃ

আশুলিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

রবিবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮ টায় আশুলিয়ার আউকপাড়া আদর্শ গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জিএম জুয়েল মিয়া (৫২) কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার মো: মনসুর উদ্দিন মিয়ার ছেলে এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মুজিব সেনা ঐক্য লীগের ঢাকা জেলা উত্তরের সভাপতি।

পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশের নির্দেশনায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন আউকপাড়া আদর্শগ্রাম এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আত্মগোপনে থাকা ঢাকা জেলা উত্তরের মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সভাপতি জিএম জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আশুলিয়া থানার আউকপাড়া আদর্শ গ্রাম এলাকার বাসিন্দা ।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জিএম জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, হত্যা চেষ্টা, প্রতারণাসহ ৭ টি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আশুলিয়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মাহাবুব উল্লাহ সরকার বলেন, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতেই আমাদের এই অভিযান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে রাতে জিএম জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

1

ডিবি যশোরের অভিযানে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স (WIN COREX) সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
ডিবি যশোরের অভিযানে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স (WIN COREX) সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মনা,  যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যশোরের এসআই(নিঃ)/মোঃ কামরুজ্জামান, এএসআই(নিঃ)/ সৈয়দ শাহীন ফরহাদ সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে একটা চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা কালে ২৮/০২/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ ২১.৪৫ ঘটিকায় যশোর জেলার শার্শা থানাধীন ফরেস্ট পাড়াস্থ রিপন মটরস এর সামনে হতে মোঃ হাবিবুর রহমান (৫৫) এর ডান হাতে থাকা বস্তার মধ্যে হতে ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স(WIN COREX) সহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে ইং- ০১/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আসামির নাম ও ঠিকানাঃ

১। নামঃ- মোঃ হাবিবুর রহমান (৫৫)
পিতাঃ- মৃত শামসুর রহমান
সাংঃ- উত্তর বুরুজ বাগান
থানাঃ- শার্শা
জেলাঃ- যশোর।

উদ্ধারঃ
১। ১৭৫ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য উইন কোরেক্স(WIN COREX), যার অবৈধ বাজারমূল্য অনুমান ২,৬২,৫০০ টাকা।