বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, কৌশলে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:২৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, কৌশলে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ

 

মোঃ রানা ইসলাম – ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি’র টেন্ডারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৌশলে খাটিয়ে পুনঃ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ করায় বিতর্কে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন। তবে উপপরিচালক ফারুক হোসেনের দাবি অনিয়ম নয় কৃষকে যেনো সময়মত বীজ সরবরাহ করা যায় সেই লক্ষ্যেই পুনঃ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ঠিকাদারের পক্ষে উর্ধতনদের কাছে সুপারিশপত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ণ কর্পোরেশন উপপরিচালক (বীপ্র) এর কার্যালয় বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ঠাকুরগাঁও থেকে গেল (০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রসমুহে সংরক্ষিত, আউশ, আমন, বোরোধান ও গমবীজ ২০২৫-২৬ বীজ পরিবহণবর্ষে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চল/ট্রানজিট গুদাম সমুহে প্রেরণের জন্য পরিবহন ঠিকাদান নিয়োগ সংক্রান্ত দরপত্র আহবান করা হয়।
আর সেই বিজ্ঞপ্তির সারা দিয়ে মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস, মেসার্স হাসান ট্রের্ডাস, মোঃ আব্দুল কুদ্দুসসহ চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী সর্বনি¤œ দরদাতাকে কাজের দায়িত্ব প্রদান করবে কর্তৃপক্ষ। তবে এ দরপত্রে অংশ সর্বনিম্ন দরদাতা মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ ৯৫ লাখ ২৮ হাজার ৫শ টাকা ও নিকটতম দরপত্রে অংশ দরদাতা মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস ১ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ১৫০ টাকায় আহবান করে। বাকি দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের চেয়ে অনেক বেশি দরে আহবান করে।
মুলত বিধিমালা অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতাকে মূল্যায়ন করার কথা থাকলেও পূর্বে মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ বিএডিসিতে কাজ পেলেও সঠিক সময় কাজ বুঝিয়ে না দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানকে মুল্যায়ন করতে অস্বীকৃতি প্রদান করে দরপত্র আহবান কমিটি। নিয়ম অনুযায়ী নিটকতম মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মুল্যায়ন করার কথা থাকলেও ক্ষমতার দাপটে উপপরিচালক ফারুক হোসেনের নির্দেশে টেন্ডারটি বাতিল করা হয়।

পরবর্তিতে (১৮ সেপ্টেম্বর) পুর্ন দরপত্র আহবান করা হয়। এ আহবানে পুর্বের চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও নতুন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোঃ আমিন উদ্দীন সরকার ১ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার টাকায় দরপত্রে অংশ নেয়। যা সর্বনিম্ন দরদাতার চেয়ে প্রায় ৯ লাখ টাকা বেশি। তবে পুর্বের কাজে নিয়ম ভঙ্গ করায় সর্বনি¤œ দরদাতাকে বাতিল করে মোঃ আমিন উদ্দীন সরকারকে মুল্যায়ন করে বিএডিসির উর্ধতদের কাছে সুপারিশপত্র পেরণ করে দরপত্র আহবানকৃত কর্তৃপক্ষ।

মেসার্স হাসান ট্রের্ডাস, মোঃ আব্দুল কুদ্দুসসহ অন্যান্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংশ্লিস্টরা অভিযোগ করে বলেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ অমান্য করে উপপরিচালক ফারুক হোসেন ক্ষমতার দাপট ও অর্থের লোভে পুনর্ঃ দরপত্র আহবান করেন। কৌশলে তিনি মোঃ আমিন উদ্দীন সরকার নামে ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে জোর তদবির করেছেন। যা রিতিমত অন্যায়। দেশের ১২ জেলায় টেন্ডার হলে কথাও অনিয়ম হয়নি। শুধু ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাতিক্রম। যা করা হচ্ছে সব ক্ষমতার দাপটে।
তারা আরো বলেন, উপপরিচালক ফারুক হোসেন বেশ কয়েক বছর ধরে একই জেলা সদরের কলেজপাড়া বিএডিসি কন্ট্রাক গ্রোঃ এর উপপরিচালক, পরবতির্তে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যালয়ের উপপরিচালক ও বিএডিসির (টিসি) এর উপপরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। সেকারনে এ অঞ্চলের ঠিকাদারদের সাথে তার সক্ষতা গড়ে উঠে। এতেই দুর্নীতি করণে সুবিধা বাকিয়ে নিচ্ছেন তিনি। যার প্রমান হিসেবে দরপত্র আহবানের পর পরিস্কার হয়। অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিস্ট ঠিকাদারকে কাজ প্রদানসহ উপপরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উর্ধতনদের অনুরোধ করেছেন।
এ বিষয়ে সুপারিশকৃত ঠিকাদার মোঃ আমিন উদ্দীন সরকারের কাছে দরপত্র আহবানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কত টাকায় দরপত্র আহবান করেছেন তার সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। এর আগে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিনাজপুর বিএডিসিতে কাজ পেলেও সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারেনি বলেও অকপটে স্বীকার করেন। তবে নিজে কাজ না করে অন্যের কাছে বিক্রী করবেন কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন অনেকেই ফোন করছে পরবর্তিতে সীদ্ধান্ত নেবেন।
আর সব অভিযোগের বিষয়ে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন জানান, আমি নিয়ম মেনেই সুপারিশ করেছি। আমি বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই জেলা বিএনপি’র সভাপতি ফয়সল আমিনের জন্যই উপপরিচালক হয়ে এখন পর্যন্ত এ জেলায় দায়িত্ব পালন করছি। তবে এর বাইরে তিরি আর কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এ বিষয়ে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক মোঃ মোশাব্বের হোসেন জানান, দরপত্র আহবান করা হয়েছে বিষয়টি অবগত। তবে কোন অনিয়ম হলে তা খতিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

1

নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ পিএম
নাগরপুরে ধলেশ্বরী দাপানো সেই অবৈধ ড্রেজার গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সোলাইমান হোসাইনঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফসলি জমি ও নদী রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ ড্রেজারসহ বালু উত্তোলনের বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়েছে। ​রাজনৈতিক খোলস পাল্টেও শেষ রক্ষা হলো না ড্রেজার মালিক রমজানের। ​অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রমজান আলী এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল পাল্টাতে পটু এই জনপ্রতিনিধি বিগত আওয়ামী সরকারের সময় প্রভাব খাটিয়ে মাটির ব্যবসা চালালেও বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নদী ও কৃষিজমি উজাড় করছিলেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এবং কথিত কিছু সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আসছিলেন। তবে সোমবারের অভিযানে তার সেই অবৈধ তৎপরতা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ​ ​অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে কলমাইদ এলাকার ফসলি জমিগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া বর্ষার আগেই নদীতীরবর্তী এলাকায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। জনস্বার্থ বিবেচনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলেই ড্রেজিং পাইপ ও মেশিনারি সরঞ্জাম বিনষ্ট করে। ​ ​অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপ ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান: ​”পরিবেশ বিধ্বংসী যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন। প্রভাবশালী যেই হোক না কেন, সরকারি সম্পদ ও জনপদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না।” ​অভিযানকালে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। প্রশাসনের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও আতঙ্ক কাটেনি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অভিযান পরবর্তী সময়ে চক্রটি যেন পুনরায় নদী দখল করতে না পারে, সেজন্য স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।

1

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ পিএম
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, সভাপতি জাফর ও সম্পাদক ইমন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দেশে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে নতুন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ”-এর কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাংলা পোর্টালের সম্পাদক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আলী আজগর ইমন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টায় সংগঠনের এক ভার্চুয়াল সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধে শিগগিরই ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ঘোষণা করা হবে। এতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মধ্যে থাকবেন আইনজীবী, ইমাম, পুরোহিত, চিকিৎসক, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, নারী নেত্রী, ছাত্রনেতা, এনজিও প্রতিনিধি, আইটি বিশেষজ্ঞ, শ্রমিক নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা। সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই সংগঠনটি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহযোগী সংগঠন হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেলে এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনটি কার্যক্রম বিস্তৃত করে। সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক ভার্চুয়াল সভায় কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনয়নের মাধ্যমে বাকি পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হেড লাইন চেঞ্জ করে দিন

1

নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হলেন মনোয়ারা বেগম

 

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাগরপুর মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগম মনোনীত হয়েছেন। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাছিম উদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) বিধিমালা ২০১৯-এর ৭ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে আগামী দুই বছর তিনি গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ভাইস-চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ মনোনয়ন প্রত্যাহারের ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

একই আদেশে কলেজটির পূর্ণাঙ্গ গভর্নিং বডি গঠনের লক্ষ্যে সভাপতি হিসেবে মনোয়ারা বেগমের সুপারিশক্রমে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী তিনজন শিক্ষানুরাগী সদস্যের নাম প্রস্তাব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনোয়ারা বেগম বলেন, “নাগরপুর মহিলা কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতিতে আমি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।”

এদিকে, তার এ মনোনয়নে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।