বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, কৌশলে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:২৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, কৌশলে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ

 

মোঃ রানা ইসলাম – ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি’র টেন্ডারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৌশলে খাটিয়ে পুনঃ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ করায় বিতর্কে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন। তবে উপপরিচালক ফারুক হোসেনের দাবি অনিয়ম নয় কৃষকে যেনো সময়মত বীজ সরবরাহ করা যায় সেই লক্ষ্যেই পুনঃ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ঠিকাদারের পক্ষে উর্ধতনদের কাছে সুপারিশপত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ণ কর্পোরেশন উপপরিচালক (বীপ্র) এর কার্যালয় বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ঠাকুরগাঁও থেকে গেল (০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রসমুহে সংরক্ষিত, আউশ, আমন, বোরোধান ও গমবীজ ২০২৫-২৬ বীজ পরিবহণবর্ষে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চল/ট্রানজিট গুদাম সমুহে প্রেরণের জন্য পরিবহন ঠিকাদান নিয়োগ সংক্রান্ত দরপত্র আহবান করা হয়।
আর সেই বিজ্ঞপ্তির সারা দিয়ে মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস, মেসার্স হাসান ট্রের্ডাস, মোঃ আব্দুল কুদ্দুসসহ চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী সর্বনি¤œ দরদাতাকে কাজের দায়িত্ব প্রদান করবে কর্তৃপক্ষ। তবে এ দরপত্রে অংশ সর্বনিম্ন দরদাতা মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ ৯৫ লাখ ২৮ হাজার ৫শ টাকা ও নিকটতম দরপত্রে অংশ দরদাতা মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস ১ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ১৫০ টাকায় আহবান করে। বাকি দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের চেয়ে অনেক বেশি দরে আহবান করে।
মুলত বিধিমালা অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতাকে মূল্যায়ন করার কথা থাকলেও পূর্বে মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ বিএডিসিতে কাজ পেলেও সঠিক সময় কাজ বুঝিয়ে না দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানকে মুল্যায়ন করতে অস্বীকৃতি প্রদান করে দরপত্র আহবান কমিটি। নিয়ম অনুযায়ী নিটকতম মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মুল্যায়ন করার কথা থাকলেও ক্ষমতার দাপটে উপপরিচালক ফারুক হোসেনের নির্দেশে টেন্ডারটি বাতিল করা হয়।

পরবর্তিতে (১৮ সেপ্টেম্বর) পুর্ন দরপত্র আহবান করা হয়। এ আহবানে পুর্বের চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও নতুন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোঃ আমিন উদ্দীন সরকার ১ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার টাকায় দরপত্রে অংশ নেয়। যা সর্বনিম্ন দরদাতার চেয়ে প্রায় ৯ লাখ টাকা বেশি। তবে পুর্বের কাজে নিয়ম ভঙ্গ করায় সর্বনি¤œ দরদাতাকে বাতিল করে মোঃ আমিন উদ্দীন সরকারকে মুল্যায়ন করে বিএডিসির উর্ধতদের কাছে সুপারিশপত্র পেরণ করে দরপত্র আহবানকৃত কর্তৃপক্ষ।

মেসার্স হাসান ট্রের্ডাস, মোঃ আব্দুল কুদ্দুসসহ অন্যান্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংশ্লিস্টরা অভিযোগ করে বলেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ অমান্য করে উপপরিচালক ফারুক হোসেন ক্ষমতার দাপট ও অর্থের লোভে পুনর্ঃ দরপত্র আহবান করেন। কৌশলে তিনি মোঃ আমিন উদ্দীন সরকার নামে ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে জোর তদবির করেছেন। যা রিতিমত অন্যায়। দেশের ১২ জেলায় টেন্ডার হলে কথাও অনিয়ম হয়নি। শুধু ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাতিক্রম। যা করা হচ্ছে সব ক্ষমতার দাপটে।
তারা আরো বলেন, উপপরিচালক ফারুক হোসেন বেশ কয়েক বছর ধরে একই জেলা সদরের কলেজপাড়া বিএডিসি কন্ট্রাক গ্রোঃ এর উপপরিচালক, পরবতির্তে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যালয়ের উপপরিচালক ও বিএডিসির (টিসি) এর উপপরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। সেকারনে এ অঞ্চলের ঠিকাদারদের সাথে তার সক্ষতা গড়ে উঠে। এতেই দুর্নীতি করণে সুবিধা বাকিয়ে নিচ্ছেন তিনি। যার প্রমান হিসেবে দরপত্র আহবানের পর পরিস্কার হয়। অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিস্ট ঠিকাদারকে কাজ প্রদানসহ উপপরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উর্ধতনদের অনুরোধ করেছেন।
এ বিষয়ে সুপারিশকৃত ঠিকাদার মোঃ আমিন উদ্দীন সরকারের কাছে দরপত্র আহবানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কত টাকায় দরপত্র আহবান করেছেন তার সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। এর আগে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিনাজপুর বিএডিসিতে কাজ পেলেও সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারেনি বলেও অকপটে স্বীকার করেন। তবে নিজে কাজ না করে অন্যের কাছে বিক্রী করবেন কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন অনেকেই ফোন করছে পরবর্তিতে সীদ্ধান্ত নেবেন।
আর সব অভিযোগের বিষয়ে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন জানান, আমি নিয়ম মেনেই সুপারিশ করেছি। আমি বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই জেলা বিএনপি’র সভাপতি ফয়সল আমিনের জন্যই উপপরিচালক হয়ে এখন পর্যন্ত এ জেলায় দায়িত্ব পালন করছি। তবে এর বাইরে তিরি আর কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এ বিষয়ে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক মোঃ মোশাব্বের হোসেন জানান, দরপত্র আহবান করা হয়েছে বিষয়টি অবগত। তবে কোন অনিয়ম হলে তা খতিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

1

পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে নিয়ম মেনে পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিলে ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। তবে দালল ধরে ফরম জমা দিলে সেটি সহজেই জমা দেওয়া যাচ্ছে। এর জন্য দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসকে দিতে হচ্ছে ঘুষ। অনিয়ম-দুর্নীতি যেন এখানে নিয়ম ও নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
হাসমত আলীর বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে। নিজের পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস। তাঁর কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, আবেদনপত্রের একটি বিশেষ পাতা। ওই পাতায় লেখা একটি বিশেষ ‘সংকেত’। সেই সংকেতটি ইংরেজিতে লেখা দুইটি বর্ণ। বর্ণের পাশে হাইফেন দিয়ে লেখা দুইটি ইংরেজি সংখ্যা। এ কোড দেখে পাসপোর্ট অফিসের ফরম জমা নেওয়া কর্মচারী কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই আবেদনটি জমা নিয়ে নিলেন। গত ১০ জুন বেলা পৌনে বারোটার দিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে এমন ঘটনা ঘটে।
এর কিছুক্ষণ আগে আবেদন জমা দিতে না পেরে হতাশ হয়ে বের হন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আজমতপুর এলাকার তরুণ রাব্বি আহমেদ। তাঁর আবেদনটি ‘ত্রুটি’ থাকায় জমা নেওয়া হয়নি। এরপর রাব্বি আহমেদ তাঁর দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে অফিসের বাইরে একটি দোকানে যান দালাল ধরতে। রাব্বি আহমেদ বলেন, ‘আমার সব কাগজ ঠিকই ছিল। তবে জমা না নিয়ে পরের দিন যেতে বলল।’
এক শ্রেনীর দালাল চ্যানেল ফাইল করে দেয় বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫ শত টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসকে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে।
সরেজমিনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সামনে দেখা যায়, সকাল থেকেই সেখানে অনেক দালাল ঘুরতে থাকে। পাসপের্ট আবেদন করার জন্য লোক আসামাত্রই দালালরা সেবা গ্রহীতাদের ইশারায় এবং কখনো সরাসরি তাদের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে বলে। দালালদের মাধ্যমে জমা দেওয়া পাসপোর্টের আবেদন ফরমকে বলা হয় ‘চ্যানেল ফাইল’। চ্যানেল ফাইলের বিষয়ে কথা হয় তিনজন দালালের সঙ্গে। শুরুতে তাঁরা এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানান, পাসপোর্ট অফিসের এ ধরনের দালালির বিষয়টি মোটামুটি ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রতিটি দোকান থেকে চ্যানেল ফাইল করে দেওয়া হয়। বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে। এভাবে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে।
চ্যানেল ফাইলটি করা হয় অত্যন্ত কৌশলে। আবেদপত্রটি জমা দেওয়ার সময় যেকোন একটি কাগজের দুটি কপি করা হয়। অতিরিক্ত ওই কপিতে লেখা হয় গোপন সংকেতটি। পরে অফিসে জমার নেওয়ার পর সংকেত লেখা অতিরিক্ত কাগজটি খুলে ফেলা হয়। খুলে ফেলা কাগজটি গোপনে সংরক্ষণ করেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মী। পরে গোপনে জমা রাখা ওইসব কাগজ দেখে হিসাব করে দালালদের কাছে থেকে সপ্তাহের প্রতি বুধবার ‘পাওয়া’ টাকা আদায় করে পাসপোর্ট অফিস। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে ঘুষ বাণিজ্য।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকে আশিষ কুমার দাসের                                                                                                                                                                                                                                                                                                  মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, আমি নতুন এসেছি এই বিষয়ে আমার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে, লিখিত ভাবে আমার কাছে দেন, আমি দেখবো। আমার জানামতে এখানে কোন ঘুষ বানজ্য হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘুষে আদায়কৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পান সহকারী-পরিচালক আশিষ কুমার দাস  ও উপ-সহকারী পরিচালক । বাকি টাকা দারোয়ান থেকে শুরু করে অফিস স্টাফদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয়। এছাড়া ঘুষের ভাগ পান কতিপয় রাজনৈতিক দলের নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অসাধু সদস্য এবং অখ্যাত পত্রিকার নামধারী সাংবাদিক। তবে এসব বিষয়ে সরাসরি কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
দুদক অফিস পাশে, তবুও নীরবতা!
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় এই পাসপোর্ট অফিসের পাশের ভবনেই অবস্থিত। ৫ আগস্টের পর দুদক ময়মনসিংহের বিভিন্ন সরকারি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করলেও পাসপোর্ট অফিসে কখনো কোন অভিযান পরিচালনা করেনি। এ বিষয়ে দুদকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মককার মুঠোফোনে বলেন, আমি তিন মাস আগে ময়মনসিংহের দায়িত্ব পেয়েছি এরমধ্যে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা হয়নি। আমার জানামতে ৫ আগস্টের পর কোন অভিযান পরিচালিত হয়নি।

1

নানা অনিয়মের অভিযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা করা হয়।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
নানা অনিয়মের অভিযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা করা হয়।

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার  (১৭ জুন) দুপুরে  বকশীগঞ্জ  পৌরসভার  এলাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা- উল- হুসনা । এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল ইসলাম ।

অভিযানে সহযোগিতা করেন বকশীগঞ্জ থানার  (এএসআই) ইব্রাহিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিবেশের ছাড়পত্র, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা পরিচালনা করায়, অনুমোদন বিহীন ব্লাড ট্রান্সমিশন করায়  উক্ত জরিমানা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য হলো নিউ পপুলার  ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০হাজার টাকা, শেখ ফরিদ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে  ১৫হাজার টাকা,হেলথর্ কেয়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে  ৫ হাজার।

সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা- উল- হুসনা বলেন জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত

থাকবে।

1

বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ পিএম
বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার হলরুমে বীরমুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীর উদ্যোগে কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আফসার আলীর সভাপতিত্বে ও খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মোসাদ্দেকুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় কুইজ প্রতিযোগিতায় এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম,পূবালী ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখার ম্যানেজার ফারহানা রহমান সীমুন, ডাঃ আব্দুল আল মুত্তাকী জীবনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞান ভিত্তিক এই কুইজ প্রতিযোগিতায় উপজেলার ৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথি’রা।