সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, কৌশলে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:২৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, কৌশলে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ

 

মোঃ রানা ইসলাম – ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএডিসি’র টেন্ডারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৌশলে খাটিয়ে পুনঃ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারের পক্ষে সুপারিশ করায় বিতর্কে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন। তবে উপপরিচালক ফারুক হোসেনের দাবি অনিয়ম নয় কৃষকে যেনো সময়মত বীজ সরবরাহ করা যায় সেই লক্ষ্যেই পুনঃ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ঠিকাদারের পক্ষে উর্ধতনদের কাছে সুপারিশপত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ণ কর্পোরেশন উপপরিচালক (বীপ্র) এর কার্যালয় বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ঠাকুরগাঁও থেকে গেল (০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রসমুহে সংরক্ষিত, আউশ, আমন, বোরোধান ও গমবীজ ২০২৫-২৬ বীজ পরিবহণবর্ষে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চল/ট্রানজিট গুদাম সমুহে প্রেরণের জন্য পরিবহন ঠিকাদান নিয়োগ সংক্রান্ত দরপত্র আহবান করা হয়।
আর সেই বিজ্ঞপ্তির সারা দিয়ে মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস, মেসার্স হাসান ট্রের্ডাস, মোঃ আব্দুল কুদ্দুসসহ চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী সর্বনি¤œ দরদাতাকে কাজের দায়িত্ব প্রদান করবে কর্তৃপক্ষ। তবে এ দরপত্রে অংশ সর্বনিম্ন দরদাতা মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ ৯৫ লাখ ২৮ হাজার ৫শ টাকা ও নিকটতম দরপত্রে অংশ দরদাতা মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস ১ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ১৫০ টাকায় আহবান করে। বাকি দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের চেয়ে অনেক বেশি দরে আহবান করে।
মুলত বিধিমালা অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতাকে মূল্যায়ন করার কথা থাকলেও পূর্বে মোসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজ বিএডিসিতে কাজ পেলেও সঠিক সময় কাজ বুঝিয়ে না দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানকে মুল্যায়ন করতে অস্বীকৃতি প্রদান করে দরপত্র আহবান কমিটি। নিয়ম অনুযায়ী নিটকতম মেসার্স আরআরবি ট্রের্ডাস ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মুল্যায়ন করার কথা থাকলেও ক্ষমতার দাপটে উপপরিচালক ফারুক হোসেনের নির্দেশে টেন্ডারটি বাতিল করা হয়।

পরবর্তিতে (১৮ সেপ্টেম্বর) পুর্ন দরপত্র আহবান করা হয়। এ আহবানে পুর্বের চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও নতুন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোঃ আমিন উদ্দীন সরকার ১ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার টাকায় দরপত্রে অংশ নেয়। যা সর্বনিম্ন দরদাতার চেয়ে প্রায় ৯ লাখ টাকা বেশি। তবে পুর্বের কাজে নিয়ম ভঙ্গ করায় সর্বনি¤œ দরদাতাকে বাতিল করে মোঃ আমিন উদ্দীন সরকারকে মুল্যায়ন করে বিএডিসির উর্ধতদের কাছে সুপারিশপত্র পেরণ করে দরপত্র আহবানকৃত কর্তৃপক্ষ।

মেসার্স হাসান ট্রের্ডাস, মোঃ আব্দুল কুদ্দুসসহ অন্যান্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংশ্লিস্টরা অভিযোগ করে বলেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ অমান্য করে উপপরিচালক ফারুক হোসেন ক্ষমতার দাপট ও অর্থের লোভে পুনর্ঃ দরপত্র আহবান করেন। কৌশলে তিনি মোঃ আমিন উদ্দীন সরকার নামে ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে জোর তদবির করেছেন। যা রিতিমত অন্যায়। দেশের ১২ জেলায় টেন্ডার হলে কথাও অনিয়ম হয়নি। শুধু ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাতিক্রম। যা করা হচ্ছে সব ক্ষমতার দাপটে।
তারা আরো বলেন, উপপরিচালক ফারুক হোসেন বেশ কয়েক বছর ধরে একই জেলা সদরের কলেজপাড়া বিএডিসি কন্ট্রাক গ্রোঃ এর উপপরিচালক, পরবতির্তে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যালয়ের উপপরিচালক ও বিএডিসির (টিসি) এর উপপরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। সেকারনে এ অঞ্চলের ঠিকাদারদের সাথে তার সক্ষতা গড়ে উঠে। এতেই দুর্নীতি করণে সুবিধা বাকিয়ে নিচ্ছেন তিনি। যার প্রমান হিসেবে দরপত্র আহবানের পর পরিস্কার হয়। অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিস্ট ঠিকাদারকে কাজ প্রদানসহ উপপরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উর্ধতনদের অনুরোধ করেছেন।
এ বিষয়ে সুপারিশকৃত ঠিকাদার মোঃ আমিন উদ্দীন সরকারের কাছে দরপত্র আহবানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কত টাকায় দরপত্র আহবান করেছেন তার সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। এর আগে এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিনাজপুর বিএডিসিতে কাজ পেলেও সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারেনি বলেও অকপটে স্বীকার করেন। তবে নিজে কাজ না করে অন্যের কাছে বিক্রী করবেন কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন অনেকেই ফোন করছে পরবর্তিতে সীদ্ধান্ত নেবেন।
আর সব অভিযোগের বিষয়ে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন জানান, আমি নিয়ম মেনেই সুপারিশ করেছি। আমি বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই জেলা বিএনপি’র সভাপতি ফয়সল আমিনের জন্যই উপপরিচালক হয়ে এখন পর্যন্ত এ জেলায় দায়িত্ব পালন করছি। তবে এর বাইরে তিরি আর কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
এ বিষয়ে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক মোঃ মোশাব্বের হোসেন জানান, দরপত্র আহবান করা হয়েছে বিষয়টি অবগত। তবে কোন অনিয়ম হলে তা খতিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

1

শ্রীবরদী উপজেলার টিউমারে আক্রান্ত ১১ বছরের রাশেদ, অর্থের অভাবে অনিশ্চিত চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
শ্রীবরদী উপজেলার টিউমারে আক্রান্ত ১১ বছরের রাশেদ, অর্থের অভাবে অনিশ্চিত চিকিৎসা

 

শাওন আহাম্মেদ= স্টাফ রিপোর্টারঃ

“আমি বাঁচতে চাই”—১১ বছরের শিশু মো. রাশেদ মিয়ার এই আকুতি যেন নাড়া দিচ্ছে প্রতিটি মানবিক হৃদয়কে। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ৩ নম্বর কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের এই শিশুটি বর্তমানে পেটে টিউমার নিয়ে গুরুতর অসুস্থ। চিকিৎসকরা দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

যে বয়সে রাশেদের মাঠজুড়ে ছুটে বেড়ানোর কথা, বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে সময় কাটানোর কথা, সেই বয়সেই তাকে লড়তে হচ্ছে কঠিন এক রোগের সঙ্গে। অসুস্থতার যন্ত্রণায় তার মুখের হাসি ম্লান হয়ে গেছে। এখন তার একটাই স্বপ্ন—সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া।

রাশেদের বাবা মো. রাকিব মিয়া একজন সাধারণ পরিবারের মানুষ। সন্তানের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ধার-দেনা করে অনেক অর্থ ব্যয় করেছেন। চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ ও অন্যান্য খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

একদিকে সন্তানের জীবন নিয়ে উৎকণ্ঠা, অন্যদিকে অর্থের অভাব—এই দুই দুশ্চিন্তায় দিশেহারা রাশেদের পরিবার। তাই সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের কাছে সন্তানের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন তারা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মানুষের সামান্য সহযোগিতাও রাশেদের চিকিৎসার জন্য বড় সহায়তা হতে পারে। অনেক ছোট ছোট সহযোগিতা একত্রিত হলে হয়তো একটি শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে। আপনার দেওয়া একটি সহায়তা ফিরিয়ে দিতে পারে রাশেদের মুখের হাসি, এনে দিতে পারে নতুন জীবনের স্বপ্ন।

চিকিৎসায় সহযোগিতা

রাশেদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠানো যাবে—

বিকাশ/নগদ: ০১৭৫৫-৭৫৫২৯৯

শুধু আর্থিক সহযোগিতাই নয়, এই মানবিক আবেদনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেও রাশেদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। আপনার একটি শেয়ার হয়তো এমন কোনো হৃদয়বান মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে, যিনি তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসবেন।

বিশেষ অনুরোধ: আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর আগে রোগী, পরিবারের পরিচয়, চিকিৎসার কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ছোট্ট রাশেদের চোখে আবারও স্বপ্নের আলো ফিরুক, মুখে ফুটে উঠুক হাসি। সে সুস্থ হয়ে আবারও বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করুক, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক—এটাই এখন তার পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের একমাত্র প্রত্যাশা।

1

জামালগঞ্জে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
জামালগঞ্জে হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি


‎সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
‎সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. কামাল উদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ এনে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
‎শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৩ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি শাহপুর বাঁধ বাজারে যান। সেখানে সরকারি কাজে উপস্থিত একজন সার্ভেয়ার বাঁধ বাজারের কয়েকটি দোকান নির্মাণ ও মালিকানা সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, দোকানগুলো প্রায় ২৫ বছর আগে মরহুম আব্দুল মান্নান চৌধুরী ওরফে তেলা মিয়া চৌধুরী নির্মাণ করেছিলেন। এ কথা বলার পরপরই রফিকুল ইসলাম বিন বারী ও তার স্ত্রী রবিকুল বেগম উত্তেজিত হয়ে তাকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের নির্দেশ দেন এবং ওই সময় পায়েল, খোকন, পল্লব, রিগানসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং সেখানে তিনি চিকিৎসা নেন।
‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রশ্নের উত্তরে নিজের জানা তথ্য প্রকাশ করাই তার অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কারণে কেন একজন নাগরিককে শারীরিক হামলার শিকার হতে হবে। এ ঘটনায় জামালগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি জিডি করেছেন তিনি।
‎সংবাদ সম্মেলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিবাদী রফিকুল ইসলাম বিন বারীর আপন ছোট বোন পারভীন আক্তার চৌধুরী এবং আপন ভাতিজা পরাগ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তারা বক্তব্যে অভিযোগ করেন, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত পারিবারিক ভূমি ও সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগদখল করে রেখেছেন রফিকুল ইসলাম বিন বারী। এসময় তারা রফিকুল ইসলাম বিন বারীর বিরুদ্ধে উত্তরাধিকারদের ভূমি দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব বিরোধের কারণে শুধু পরিবারের সদস্যরাই নয়, এলাকার সামাজিক সম্প্রীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
‎এব্যাপারে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম বিন বারী বলেন, আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন। সামাজিকভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

1

মির্জাপুরে বন্ধ থাকা গোড়াই কটন মিলস পরিদর্শন করলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
মির্জাপুরে বন্ধ থাকা গোড়াই কটন মিলস পরিদর্শন করলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

 

আনোয়ার হোসেন (মির্জাপুর প্রতিনিধি) :

হাজারো পরিবারের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ শিল্প কারখানা মির্জাপুরের গোড়াই কটন মিল পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশের মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ১০ টার সময় উপজেলার এই বন্ধ কারখানাটি পরিদর্শন করেন।জানা যায়,শিল্প কারখানাটি যুগ যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে।একসময় এই কারখানায় হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করত,যেখানে হাজারো পরিবারের স্বপ্ন লুকিয়ে থাকত।আজ সেই কারখানাটি বন্ধ।এই বন্ধ কারখানা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালু হবে এমন আশ্বাস দেন মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এমপি।

কারখানা পরিদর্শনকালে আরোও উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুরের মাননীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি,বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস্ করপোরেশনের চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এসএম জাহিদ হাসান ও সচিব ফিরোজ আহমেদ, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবিব সহ প্রমূখ।

পরিদর্শন শেষে মাননীয় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন,আমরা উদ্যোগ নিয়েছি,খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে যতগুলো কারখানা বন্ধ রয়েছে,সবগুলো চালু করা হবে। তিনি আরো বলেন সংশ্লিষ্ট মিলের সাথে এলাকার যোগ্যতা সম্পন্ন লোকজন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ।