বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

কবিরহাটে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি: ইপিআই কার্যক্রম বন্ধ,জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:১১ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কবিরহাটে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি: ইপিআই কার্যক্রম বন্ধ,জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি- সাইফুল ইসলাম:

নিয়োগবিধি সংশোধন, ইন-সার্ভিস প্রশিক্ষণ ও গ্রেড উন্নীতকরণসহ ছয় দফা দাবিতে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন (BHAA)। এর ফলে উপজেলার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), আসন্ন টিসিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনসহ সব ধরনের তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে।

১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির কারণে উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নে টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুর প্রাথমিক চিকিৎসা কার্যক্রম স্থবির হয়ে গেছে। ফলে শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

৫ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন কবিরহাট উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস. এম. নুর উদ্দিন মাসউদ বলেন,
“আমাদের ৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। বারবার আশ্বাস দেওয়ার পরও সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, তাই আমরা বাধ্য হয়েছি কর্মবিরতিতে যেতে।”

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—নিয়োগবিধি সংশোধন, শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমান নির্ধারণ, ১৪তম গ্রেড প্রদান, ইন-সার্ভিস ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, টেকনিক্যাল পদমর্যাদা প্রদান ও ধারাবাহিকভাবে পদোন্নতির ক্ষেত্রে উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিতকরণ।

মাসউদ আরও বলেন, “২০১৮ ও ২০২০ সালে আমরা কর্মসূচি পালন করেছিলাম। তৎকালীন স্বাস্থ্য সচিব, মহাপরিচালক ও মন্ত্রী মহোদয়দের আশ্বাসে কাজেও ফিরে গিয়েছিলাম। কিন্তু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। আবারও চলতি বছরের মে মাসে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে একই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তাও পূরণ হয়নি।”

তিনি আরও জানান, ২৬ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এক মাসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হলে সংগঠনটি দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে টিসিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সময় পার হলেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায়, ২৬ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় ৬৪ জেলার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে সারাদেশব্যাপী পূর্ণ কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ২৮ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান, ৩০ সেপ্টেম্বর জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১ অক্টোবর থেকে ইপিআই ও টিসিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনসহ সব কার্যক্রম বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে যান স্বাস্থ্যকর্মীরা।

স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“ইপিআই কর্মসূচি বন্ধ থাকায় শিশুরা নিয়মিত টিকা পাচ্ছে না, যা ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে হাম, পোলিও ও ডিপথেরিয়ার মতো সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।”

এদিকে, কর্মবিরতির কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়ছে। কবিরহাট পৌরসভার বাসিন্দা রহিমা খাতুন বলেন,
“আমার শিশুর টিকা দেওয়ার তারিখ ছিল ৩ অক্টোবর। কিন্তু এখন গেলে বলা হচ্ছে টিকা কার্যক্রম বন্ধ। এটি শিশুদের জন্য খুবই বিপজ্জনক।”

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

1

পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে নিয়ম মেনে পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিলে ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। তবে দালল ধরে ফরম জমা দিলে সেটি সহজেই জমা দেওয়া যাচ্ছে। এর জন্য দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসকে দিতে হচ্ছে ঘুষ। অনিয়ম-দুর্নীতি যেন এখানে নিয়ম ও নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
হাসমত আলীর বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে। নিজের পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস। তাঁর কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, আবেদনপত্রের একটি বিশেষ পাতা। ওই পাতায় লেখা একটি বিশেষ ‘সংকেত’। সেই সংকেতটি ইংরেজিতে লেখা দুইটি বর্ণ। বর্ণের পাশে হাইফেন দিয়ে লেখা দুইটি ইংরেজি সংখ্যা। এ কোড দেখে পাসপোর্ট অফিসের ফরম জমা নেওয়া কর্মচারী কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই আবেদনটি জমা নিয়ে নিলেন। গত ১০ জুন বেলা পৌনে বারোটার দিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে এমন ঘটনা ঘটে।
এর কিছুক্ষণ আগে আবেদন জমা দিতে না পেরে হতাশ হয়ে বের হন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আজমতপুর এলাকার তরুণ রাব্বি আহমেদ। তাঁর আবেদনটি ‘ত্রুটি’ থাকায় জমা নেওয়া হয়নি। এরপর রাব্বি আহমেদ তাঁর দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে অফিসের বাইরে একটি দোকানে যান দালাল ধরতে। রাব্বি আহমেদ বলেন, ‘আমার সব কাগজ ঠিকই ছিল। তবে জমা না নিয়ে পরের দিন যেতে বলল।’
এক শ্রেনীর দালাল চ্যানেল ফাইল করে দেয় বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫ শত টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসকে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে।
সরেজমিনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সামনে দেখা যায়, সকাল থেকেই সেখানে অনেক দালাল ঘুরতে থাকে। পাসপের্ট আবেদন করার জন্য লোক আসামাত্রই দালালরা সেবা গ্রহীতাদের ইশারায় এবং কখনো সরাসরি তাদের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে বলে। দালালদের মাধ্যমে জমা দেওয়া পাসপোর্টের আবেদন ফরমকে বলা হয় ‘চ্যানেল ফাইল’। চ্যানেল ফাইলের বিষয়ে কথা হয় তিনজন দালালের সঙ্গে। শুরুতে তাঁরা এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানান, পাসপোর্ট অফিসের এ ধরনের দালালির বিষয়টি মোটামুটি ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রতিটি দোকান থেকে চ্যানেল ফাইল করে দেওয়া হয়। বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে। এভাবে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে।
চ্যানেল ফাইলটি করা হয় অত্যন্ত কৌশলে। আবেদপত্রটি জমা দেওয়ার সময় যেকোন একটি কাগজের দুটি কপি করা হয়। অতিরিক্ত ওই কপিতে লেখা হয় গোপন সংকেতটি। পরে অফিসে জমার নেওয়ার পর সংকেত লেখা অতিরিক্ত কাগজটি খুলে ফেলা হয়। খুলে ফেলা কাগজটি গোপনে সংরক্ষণ করেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মী। পরে গোপনে জমা রাখা ওইসব কাগজ দেখে হিসাব করে দালালদের কাছে থেকে সপ্তাহের প্রতি বুধবার ‘পাওয়া’ টাকা আদায় করে পাসপোর্ট অফিস। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে ঘুষ বাণিজ্য।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকে আশিষ কুমার দাসের                                                                                                                                                                                                                                                                                                  মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, আমি নতুন এসেছি এই বিষয়ে আমার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে, লিখিত ভাবে আমার কাছে দেন, আমি দেখবো। আমার জানামতে এখানে কোন ঘুষ বানজ্য হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘুষে আদায়কৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পান সহকারী-পরিচালক আশিষ কুমার দাস  ও উপ-সহকারী পরিচালক । বাকি টাকা দারোয়ান থেকে শুরু করে অফিস স্টাফদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয়। এছাড়া ঘুষের ভাগ পান কতিপয় রাজনৈতিক দলের নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অসাধু সদস্য এবং অখ্যাত পত্রিকার নামধারী সাংবাদিক। তবে এসব বিষয়ে সরাসরি কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
দুদক অফিস পাশে, তবুও নীরবতা!
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় এই পাসপোর্ট অফিসের পাশের ভবনেই অবস্থিত। ৫ আগস্টের পর দুদক ময়মনসিংহের বিভিন্ন সরকারি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করলেও পাসপোর্ট অফিসে কখনো কোন অভিযান পরিচালনা করেনি। এ বিষয়ে দুদকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মককার মুঠোফোনে বলেন, আমি তিন মাস আগে ময়মনসিংহের দায়িত্ব পেয়েছি এরমধ্যে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা হয়নি। আমার জানামতে ৫ আগস্টের পর কোন অভিযান পরিচালিত হয়নি।

1

নানা অনিয়মের অভিযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা করা হয়।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
নানা অনিয়মের অভিযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা করা হয়।

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার  (১৭ জুন) দুপুরে  বকশীগঞ্জ  পৌরসভার  এলাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা- উল- হুসনা । এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল ইসলাম ।

অভিযানে সহযোগিতা করেন বকশীগঞ্জ থানার  (এএসআই) ইব্রাহিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিবেশের ছাড়পত্র, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা পরিচালনা করায়, অনুমোদন বিহীন ব্লাড ট্রান্সমিশন করায়  উক্ত জরিমানা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য হলো নিউ পপুলার  ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০হাজার টাকা, শেখ ফরিদ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে  ১৫হাজার টাকা,হেলথর্ কেয়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে  ৫ হাজার।

সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা- উল- হুসনা বলেন জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত

থাকবে।

1

বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ পিএম
বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার হলরুমে বীরমুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীর উদ্যোগে কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আফসার আলীর সভাপতিত্বে ও খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মোসাদ্দেকুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় কুইজ প্রতিযোগিতায় এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম,পূবালী ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখার ম্যানেজার ফারহানা রহমান সীমুন, ডাঃ আব্দুল আল মুত্তাকী জীবনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞান ভিত্তিক এই কুইজ প্রতিযোগিতায় উপজেলার ৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথি’রা।