বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

1

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ইজারাকৃত জলমহাল জামালগঞ্জের চাঁদাবাজদের দখলে : হুমকির মুখে ইজারাদার ও অভয়াশ্রম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ইজারাকৃত জলমহাল জামালগঞ্জের চাঁদাবাজদের দখলে : হুমকির মুখে ইজারাদার ও অভয়াশ্রম

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার নিয়ন্ত্রণাধীন বেশিরভাগ বিল এখনও স্থানীয় চাঁদাবাজদের কবজায় রয়েছে। ধর্মপাশা উপজেলার নাইন্দা বিল, মাইন্দা বিল, বৌলাই নদী ও কালা মাটির অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত জলমহালের অন্তর্ভুক্ত বৌলাই নদীর একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় দখলবাজ ও চাঁদাবাজ চক্র নিয়ন্ত্রণ করছে। বিভিন্ন হুমকির মাধ্যমে হয়রানি করে বিলের মাছ লুটপাট করার পায়তারা করছে চাঁদাবাজ চক্রটি। জেলা প্রশাসন কর্তৃক উক্ত জলমহালটি ৬ বছরের জন্য উন্নয়ন স্কিমের আওতায় ধর্মপাশা উপজেলার নুরপুর গ্রামের তরঙ্গ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লি: এর নিকট বৈধভাবে ইজারা প্রদান করা হয়। কিন্তু পার্শ্ববর্তী জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর পুত্র আওয়ামী লীগ নেতা, প্রভাবশালী আব্দুর রাজ্জাক ও তার পুত্র এবং সহযোগীরা জোরপূর্বকভাবে অবৈধ দখলের মাধ্যমে মাছ আহরণ করে যাচ্ছেন। সরকারকে মোটা অংকের টাকা রাজস্ব প্রদান করত: ইজারাপ্রাপ্ত সমবায় সমিতি মাছ আহরণ করতে গেলে রাজ্জাক বাহিনী তাদেরকে বাধা প্রদান করার পাশাপাশি মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে যাচ্ছে। চাহিত চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই ইজারাদার ও তার ব্যবসায়ী অংশীদারগনকে খুন করার হুমকি ও শারীরিক হামলার শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এবিষয়ে ইজারাদার তাজিমুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৩০/১১/২৫ইং সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক, ১৭/১২/২০২৫ইং জেলা পুলিশ সুপার ও ২/১২/২০২৫ইং ধর্মপাশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়াও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ধর্মপাশা ও জামালগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তারপরও চিহ্নিত চাঁদাবাজরা প্রতিনিয়ত লুটতরাজ করে যাচ্ছে জলমহালটির অভয়াশ্রমের লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ।

ইজারাদারদের অভিযোগ, রাজ্জাকগং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে জলমহাল নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। আরও অভিযোগ রয়েছে যে, রাজ্জাক বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এতে প্রকৃত মৎস্যজীবী ও বৈধ ইজারাদাররা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন হুমকি ও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে চাঁদাবাজরা। ইতিপূর্বে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে রাজ্জাক গংয়ের অবৈধভাবে দখলকৃত স্থান থেকে মাছ ধরার জাল জব্দ করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামান্য দূরে অবস্থান নিতেই, তাঁর উপস্থিতিতেই রাজ্জাকের ছেলে হিমেল ও তার ভাইয়েরা সন্ত্রাসী কায়দায় ইজারাদার এবং তার ভাই হুমায়ুন কবিরের ওপর দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায়। পুলিশ ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার দিনই জামালগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত করে অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়মিত মামলা রুজু করেন।
এ বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ জানান, অভিযুক্ত রাজ্জাককে জলমহালের অবৈধ দখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জামালগঞ্জ থানার অফিসার ওসি মোঃ বন্দে আলী বলেন, জলমহালটি ধর্মপাশা থানার আওতাভূক্ত। এর কতেক অংশ জামালগঞ্জ থানায় হওয়ায় এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশংকায় ভূক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানায় রুজুকৃত মামলাটি ওসি (তদন্ত) মনিটরিং করছেন। তিনি বলেন জামালগঞ্জ থানা পুলিশের পাশাপাশি এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা প্রশাসনের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করলে ভালো হয়।
ক্ষতিগ্রস্থ ইজারাদাররা এ ব্যাপারে সেনাবাহিনী বরাবরেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান। তারপরও প্রশাসনের নির্বাচনী ব্যস্ততার সুযোগে জলমহালের অভয়াশ্রম হতে বেপরোয়াভাবে মৎস্যসম্পদ লুটতরাজ করে যাচ্ছে অভিযুক্তরা। অবিলম্বে এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ তরঙ্গ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ মৎস্যজীবিরা।

 

1

পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
পাসপোর্ট অফিসে গোপন সংকেতের খেলা: দালাল ধরলেই মিলছে দ্রুত সেবা
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে নিয়ম মেনে পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দিলে ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। তবে দালল ধরে ফরম জমা দিলে সেটি সহজেই জমা দেওয়া যাচ্ছে। এর জন্য দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসকে দিতে হচ্ছে ঘুষ। অনিয়ম-দুর্নীতি যেন এখানে নিয়ম ও নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
হাসমত আলীর বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে। নিজের পাসপোর্টের আবেদন ফরম জমা দিতে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস। তাঁর কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, আবেদনপত্রের একটি বিশেষ পাতা। ওই পাতায় লেখা একটি বিশেষ ‘সংকেত’। সেই সংকেতটি ইংরেজিতে লেখা দুইটি বর্ণ। বর্ণের পাশে হাইফেন দিয়ে লেখা দুইটি ইংরেজি সংখ্যা। এ কোড দেখে পাসপোর্ট অফিসের ফরম জমা নেওয়া কর্মচারী কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই আবেদনটি জমা নিয়ে নিলেন। গত ১০ জুন বেলা পৌনে বারোটার দিকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে এমন ঘটনা ঘটে।
এর কিছুক্ষণ আগে আবেদন জমা দিতে না পেরে হতাশ হয়ে বের হন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আজমতপুর এলাকার তরুণ রাব্বি আহমেদ। তাঁর আবেদনটি ‘ত্রুটি’ থাকায় জমা নেওয়া হয়নি। এরপর রাব্বি আহমেদ তাঁর দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে অফিসের বাইরে একটি দোকানে যান দালাল ধরতে। রাব্বি আহমেদ বলেন, ‘আমার সব কাগজ ঠিকই ছিল। তবে জমা না নিয়ে পরের দিন যেতে বলল।’
এক শ্রেনীর দালাল চ্যানেল ফাইল করে দেয় বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫ শত টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসকে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে।
সরেজমিনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সামনে দেখা যায়, সকাল থেকেই সেখানে অনেক দালাল ঘুরতে থাকে। পাসপের্ট আবেদন করার জন্য লোক আসামাত্রই দালালরা সেবা গ্রহীতাদের ইশারায় এবং কখনো সরাসরি তাদের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে বলে। দালালদের মাধ্যমে জমা দেওয়া পাসপোর্টের আবেদন ফরমকে বলা হয় ‘চ্যানেল ফাইল’। চ্যানেল ফাইলের বিষয়ে কথা হয় তিনজন দালালের সঙ্গে। শুরুতে তাঁরা এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা জানান, পাসপোর্ট অফিসের এ ধরনের দালালির বিষয়টি মোটামুটি ‘ওপেন সিক্রেট’। প্রতিটি দোকান থেকে চ্যানেল ফাইল করে দেওয়া হয়। বিনিময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে বেশি নেওয়া হয়। এ টাকার মধ্যে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়া হয় পাসপোর্ট অফিসে। বাকি টাকা দালালদের পকেটে। এভাবে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে।
চ্যানেল ফাইলটি করা হয় অত্যন্ত কৌশলে। আবেদপত্রটি জমা দেওয়ার সময় যেকোন একটি কাগজের দুটি কপি করা হয়। অতিরিক্ত ওই কপিতে লেখা হয় গোপন সংকেতটি। পরে অফিসে জমার নেওয়ার পর সংকেত লেখা অতিরিক্ত কাগজটি খুলে ফেলা হয়। খুলে ফেলা কাগজটি গোপনে সংরক্ষণ করেন পাসপোর্ট অফিসের কর্মী। পরে গোপনে জমা রাখা ওইসব কাগজ দেখে হিসাব করে দালালদের কাছে থেকে সপ্তাহের প্রতি বুধবার ‘পাওয়া’ টাকা আদায় করে পাসপোর্ট অফিস। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে ঘুষ বাণিজ্য।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকে আশিষ কুমার দাসের                                                                                                                                                                                                                                                                                                  মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, আমি নতুন এসেছি এই বিষয়ে আমার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে, লিখিত ভাবে আমার কাছে দেন, আমি দেখবো। আমার জানামতে এখানে কোন ঘুষ বানজ্য হয় না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘুষে আদায়কৃত বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পান সহকারী-পরিচালক আশিষ কুমার দাস  ও উপ-সহকারী পরিচালক । বাকি টাকা দারোয়ান থেকে শুরু করে অফিস স্টাফদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করা হয়। এছাড়া ঘুষের ভাগ পান কতিপয় রাজনৈতিক দলের নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অসাধু সদস্য এবং অখ্যাত পত্রিকার নামধারী সাংবাদিক। তবে এসব বিষয়ে সরাসরি কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
দুদক অফিস পাশে, তবুও নীরবতা!
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয় এই পাসপোর্ট অফিসের পাশের ভবনেই অবস্থিত। ৫ আগস্টের পর দুদক ময়মনসিংহের বিভিন্ন সরকারি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করলেও পাসপোর্ট অফিসে কখনো কোন অভিযান পরিচালনা করেনি। এ বিষয়ে দুদকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মককার মুঠোফোনে বলেন, আমি তিন মাস আগে ময়মনসিংহের দায়িত্ব পেয়েছি এরমধ্যে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা হয়নি। আমার জানামতে ৫ আগস্টের পর কোন অভিযান পরিচালিত হয়নি।

1

নানা অনিয়মের অভিযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা করা হয়।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
নানা অনিয়মের অভিযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জরিমানা করা হয়।

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ:

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার  (১৭ জুন) দুপুরে  বকশীগঞ্জ  পৌরসভার  এলাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা- উল- হুসনা । এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল ইসলাম ।

অভিযানে সহযোগিতা করেন বকশীগঞ্জ থানার  (এএসআই) ইব্রাহিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিবেশের ছাড়পত্র, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা পরিচালনা করায়, অনুমোদন বিহীন ব্লাড ট্রান্সমিশন করায়  উক্ত জরিমানা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য হলো নিউ পপুলার  ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০হাজার টাকা, শেখ ফরিদ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে  ১৫হাজার টাকা,হেলথর্ কেয়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে  ৫ হাজার।

সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা- উল- হুসনা বলেন জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত

থাকবে।

1

বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ পিএম
বকশীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার হলরুমে বীরমুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীর উদ্যোগে কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন।

বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আফসার আলীর সভাপতিত্বে ও খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মোসাদ্দেকুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় কুইজ প্রতিযোগিতায় এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, খয়ের উদ্দিন ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম,পূবালী ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখার ম্যানেজার ফারহানা রহমান সীমুন, ডাঃ আব্দুল আল মুত্তাকী জীবনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞান ভিত্তিক এই কুইজ প্রতিযোগিতায় উপজেলার ৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথি’রা।