রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

ময়মনসিংহ বিভাগের বোরো মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ সন্তোষজনক – খাদ্য উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ১০:৫৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ময়মনসিংহ বিভাগের বোরো মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ সন্তোষজনক – খাদ্য উপদেষ্টা

 

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সন্মেলন কক্ষে আজ ২৮শে মে বুধবার অনুষ্ঠিত চলতি মৌসুমের বোরো সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, মজুদ ও বিতরণ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তরের জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার একথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় ময়মনসিংহ বিভাগের বোরো সংগ্রহের ধান ও চালের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ৪৭ হাজার ৯৩৬ মেট্রিক টন এবং ২ লাখ ২৫ হাজার ৮২৭ মেট্রিক টন। ৪৬০ টি মিলের সাথে ইতোমধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজার ৬২৭মেট্রিক টন চাল সরবরাহের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তি মোতাবেক মিলগুলি এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি চাল সরবরাহ করেছে। ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি বোরোধান উৎপাদন হয়েছে। বিভাগের খাদ্য গুদাম অর্থাৎ সিএসডি ও এলএসডি’র মোট ধারণ ক্ষমতা ১ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন মর্মে মতবিনিময় সভায় জানানো হয়। এছাড়াও ধান সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান ও চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন,দেশে বোরোধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য দেওয়া নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান চাল সংগ্রহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন। জেলা প্রশাসকগনকে ক্লোজ মনিটরিং করার জন্য নির্দেশনা দেন ।

তিনি বলেন,বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সাড়ে ১৭ লাখ টন ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে। এরমধ্যে সাড়ে তিন লাখ টন ধান ও ১৪ লাখ টন সেদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকে প্রাইস সাপোর্ট দেওয়ার জন্য
গত বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি ৪ টাকা বৃদ্ধি করে ধান ৩৬ টাকা এবং চাল ৪৯ টাকা কেজি দরে কেনা হচ্ছে। ২৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে বোরো মৌসুমের ধান-চাল কেনা শুরু হয়েছে এবং এ সংগ্রহ অভিযান ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে । ধান চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বিভাগের সুনাম রয়েছে।

খাদ্য উপদেষ্ঠা আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী দামে খাদ্য নিশ্চিত করতে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য ভর্তুকিতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা করার পরিকল্পনা করছে । চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাদ্য ভর্তুকিতে বরাদ্দ রয়েছে ৮ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। সরকার ওএমএস এবং টিসিবি মাধ্যমে খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। আগামী অর্থবছরে এসব কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে। বর্তমানে এ কার্যক্রম বছরে পাঁচ মাস চালু আছে,আগামী অর্থবছর থেকে পাঁচ মাসের স্থলে ছয় মাস চালু থাকবে।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর বলেন, দ্রুতই চালের মজুদ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।

বিভাগীয় কমিশনার মো:মোখতার আহমেদ,
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের আরসি ফুড এবং ডিসি ফুডদের সাথে সমন্বয় করে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ -২০২৫ মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করা জন্য অনুরোধ করেন।

ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসকগন,আর সি ফুড, ডিসি ফুডসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

1

যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারো ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারো ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরের বেনাপোল  স্থলবন্দরে আবারও ঘোষণাবহির্ভূত বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে কাস্টম। সিন্থেটিক ফেব্রিক্স ঘোষণার আড়ালে লুকিয়ে আনা ৬৭৯ পিস উন্নতমানের শাড়ি জব্দ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকারের প্রায় এক কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৯ নম্বর শেডে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারি সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন ও মুক্তা চৌধূরী।
কাস্টমস সূত্র জানায়, ঢাকার ‘নুসরাত ট্রেডিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত চালানটি ‘সিন্থেটিক ফেব্রিক্স অ্যান্ড লেস’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করে ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’। ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১/২০২৬/০০২০০২৫/০৪, তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৬।
ঘোষণা অনুযায়ী প্যাকেজ সংখ্যা ছিল ২৬০টি। তবে গণনার সময় অতিরিক্ত ৭টি প্যাকেজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৮টি প্যাকেজে পাওয়া যায় ঘোষণাবহির্ভূত উন্নতমানের শাড়ি-যার মধ্যে ২৫০টি মিডিয়াম মানের এবং ৪২৯টি গর্জিয়াস শাড়িসহ মোট ৬৭৯ পিস।
পণ্যগুলো ভারত থেকে দুটি ট্রাকে করে আনা হয়। ডব্লিউবি-২৫-ডি-১২৩৫ নম্বর ট্রাকে ১২৫ প্যাকেজ এবং এনএল-০২-এন-৮৩৮৩ নম্বর ট্রাকে ২৩৫ প্যাকেজ নিয়ে আসার কথা।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ঘটনাস্থল ১৯ নাম্বারের শেড ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, ঘোষণাবহির্ভূত ও ঘোষণার বাইরে অতিরিক্ত পণ্য পাওয়ায় তা জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
কাস্টমস সূত্র আরও জানায়, প্রতি পিস শাড়ির মূল্য প্রায় ৪০ ডলার এবং শুল্ক ১২৯ শতাংশ  প্রযোজ্য ছিলো। সে হিসেবে জব্দকৃত শাড়িগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫০ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক মৃত আবুল হোসেনের পক্ষে কাজ করা প্রতিনিধি ইব্রাহীমকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পণ্যটি রিসিভ করেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ইমরান হোসেন (কার্ড নং ৮২/২০)।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, এ ধরনের শুল্ক ফাঁকি নিয়মিত ঘটছে, যার ফলে সৎ ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন এবং রাজস্ব খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।
এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চলমান ছিল।

1

যশোর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
যশোর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার
মনা  = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
ভুক্তভোগী মোছাঃ জেসমিন নাহার (৩০), পিতা: মোঃ জাহাঙ্গীর খন্দকার, মাতা: হামিদা বেগম, গ্রাম-পাঁচবাড়ীয়া ডাক্তার পাড়া, ইউনিয়ন/ওয়ার্ড -৪-নোয়াপাড়া, থানা -কোতয়ালী, জেলা -যশোর থানাতে হাজির হয়ে সাধারণ ডায়রীর আবেদন করে যে, ইং-২৩/০৩/২০২৬ তারিখে বেলা অনুমান ০৪:৩০ ঘটিকার সময় যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন নিউমার্কেট শিশু হাসপাতাল হতে ০৬:০০ ঘটিকার সময় রিক্সা যোগে (লাল নীল রং এর রিক্সা এবং পিছনে আর্ট নজরুল লেখা ছিল) বারান্দীপাড়া লিচুতলা পূজা মন্দির এর সামনে পৌছালে দেখেন যে, তার নিকটে থাকা গোলাপী রং এর ভ্যানিটি ব্যাগ তার নিকট নাই। ব্যাগটির ভিতরে ৫ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৩ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি, ৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, এছাড়াও নগদ কিছু টাকা এবং ০১টি বাংলালিংক সিম ছিল। অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর উক্ত জিডি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এএসআই (নিঃ) শেখ আঃ বাতেন এর নামে হাওলা করে।
পুলিশ সুপার, যশোর মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর এর তত্ত্বাবধানে কোতয়ালী মডেল থানাধীন সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই(নিঃ) মোঃ নূর-উন-নবী, এএসআই (নিঃ) শেখ আঃ বাতেন সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম ঘটনাস্থল ও তাহার আশে পাশের একাধিক সিসিটিভি পর্যালোচনাসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া ৫ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৩ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি, ৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ০৩/০৪/২৬ খ্রিঃ সময় রাত ০২.৩০ ঘটিকায় যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ইং- ০৫/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ যশোর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয় উক্ত হারিয়ে যাওয়া স্বর্নলংকার সহ ব্যাগটি  বাদীর নিকট প্রদান করেন।

1

 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ১
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ১০ বোতল উইনিক্স সিরাপ, ১১ বোতল ESKUF সিরাপ ও ১টি ইজি বাইকসহ এক মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা।
আটক আসামি হলেন, বেনাপোল পোর্টথানার পুটখালী গ্রামের মৃত বকবু সরকারের ছেলে কালাম হোসেন (৩৫)।
খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, বিজিবি’র অভিযান  কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত চোরাচালানী মালামাল এবং মাদকসহ পাচার চক্র আটকের ক্ষেত্রে সীমান্তে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারী ও টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ( ০৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ)  গোগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০ বোতল উইনিক্স সিরাপ, ১১ বোতল ESKUF সিরাপ এবং ১টি ইজি বাইকসহ এক মাদক চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।
যার আনুমানিক সিজার মূল্য ২,০৮,৪০০/- টাকা।
বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান যে, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানীসহ যে কোন ধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি’র এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে