মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ১৪৩২

ময়মনসিংহ বিভাগের বোরো মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ সন্তোষজনক – খাদ্য উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ১০:৫৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ময়মনসিংহ বিভাগের বোরো মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ সন্তোষজনক – খাদ্য উপদেষ্টা

 

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সন্মেলন কক্ষে আজ ২৮শে মে বুধবার অনুষ্ঠিত চলতি মৌসুমের বোরো সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, মজুদ ও বিতরণ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তরের জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার একথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় ময়মনসিংহ বিভাগের বোরো সংগ্রহের ধান ও চালের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ৪৭ হাজার ৯৩৬ মেট্রিক টন এবং ২ লাখ ২৫ হাজার ৮২৭ মেট্রিক টন। ৪৬০ টি মিলের সাথে ইতোমধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজার ৬২৭মেট্রিক টন চাল সরবরাহের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তি মোতাবেক মিলগুলি এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি চাল সরবরাহ করেছে। ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি বোরোধান উৎপাদন হয়েছে। বিভাগের খাদ্য গুদাম অর্থাৎ সিএসডি ও এলএসডি’র মোট ধারণ ক্ষমতা ১ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন মর্মে মতবিনিময় সভায় জানানো হয়। এছাড়াও ধান সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান ও চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন,দেশে বোরোধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য দেওয়া নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান চাল সংগ্রহ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন। জেলা প্রশাসকগনকে ক্লোজ মনিটরিং করার জন্য নির্দেশনা দেন ।

তিনি বলেন,বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সাড়ে ১৭ লাখ টন ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে। এরমধ্যে সাড়ে তিন লাখ টন ধান ও ১৪ লাখ টন সেদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকে প্রাইস সাপোর্ট দেওয়ার জন্য
গত বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি ৪ টাকা বৃদ্ধি করে ধান ৩৬ টাকা এবং চাল ৪৯ টাকা কেজি দরে কেনা হচ্ছে। ২৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে বোরো মৌসুমের ধান-চাল কেনা শুরু হয়েছে এবং এ সংগ্রহ অভিযান ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে । ধান চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ বিভাগের সুনাম রয়েছে।

খাদ্য উপদেষ্ঠা আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী দামে খাদ্য নিশ্চিত করতে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য ভর্তুকিতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা করার পরিকল্পনা করছে । চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাদ্য ভর্তুকিতে বরাদ্দ রয়েছে ৮ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। সরকার ওএমএস এবং টিসিবি মাধ্যমে খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। আগামী অর্থবছরে এসব কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে। বর্তমানে এ কার্যক্রম বছরে পাঁচ মাস চালু আছে,আগামী অর্থবছর থেকে পাঁচ মাসের স্থলে ছয় মাস চালু থাকবে।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর বলেন, দ্রুতই চালের মজুদ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।

বিভাগীয় কমিশনার মো:মোখতার আহমেদ,
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের আরসি ফুড এবং ডিসি ফুডদের সাথে সমন্বয় করে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ -২০২৫ মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করা জন্য অনুরোধ করেন।

ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসকগন,আর সি ফুড, ডিসি ফুডসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

1

বকশিগঞ্জে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন  ভুক্তভোগী পরিবারের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৫ পিএম
বকশিগঞ্জে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন  ভুক্তভোগী পরিবারের

 

(জামালপুর জেলা) প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দ।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জামালপুরের বকশিগঞ্জে  পৌর এলাকার পাখিমারা গ্রামের ভুক্তভোগী ইদ্রিস আলীর নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী ইদ্রিস আলীর স্ত্রী সখিনা আক্তার ও তার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসী ইভা।
তাদের বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, জায়গা জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে। মতিউর ধলাবাবু ও কাশেম গংগারা তাদের জমি দখলের চেষ্টা করিতেছে ও  প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে এবং উশৃংখল দুর্ব্বহার করে ভুক্তভোগী আরও বলেন, বিবাদীরা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাইতে পারে। এ ঘটনায় ইদ্রিস আলীর ছেলে জুবাইদ হাসান, বাদী হয়ে এই ব্যাপারে ‌বকশীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, তারা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে ও সুষ্ঠু তদন্ত করে। দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত  ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ভুক্তভোগীর পরিবার।

1

রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২০ পিএম
রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন

সাহেদ আলী = সিরাজগঞ্জ :

ঐতিহ্যবাহী রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটিতে আলী হায়দার আব্বাসী (দৈনিক মানবজমিন) সভাপতি এবং গোলাম মুক্তাদীর (প্রতিদিনের বাংলাদেশ) সাধারণ সম্পাদক ও নাজমুল হোসেন তালুকদার আরাফাত (দৈনিক ইনকিলাব) কে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আতিক মাহমুদ আকাশের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার প্রথম অধিবেশনে আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।পরে উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে দ্বিতীয় অধিবেশনে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
নতুন কমিটিতে আতিক মাহমুদ আকাশ (সহ-সভাপতি),নুরুল হক নয়ন (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক),শিহাবুল আলম সায়েম (দপ্তর সম্পাদক),আব্দুল লতিফ (অর্থ সম্পাদক) এবং সাইদুল ইসলাম আবির (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।এ কমিটিতে
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন কে.এম রফিকুল ইসলাম,এইচএম মোনায়েম খান ও এম.আবু হাসেম মনি।সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন,পারস্পরিক ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে নবগঠিত কমিটির কাছে সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

1

উল্লাপাড়া-সলঙ্গায় বোরো রোপণে ব্যস্ত কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৬ পিএম
উল্লাপাড়া-সলঙ্গায় বোরো রোপণে ব্যস্ত কৃষক

সাহেদ আলী =সিরাজগঞ্জ :

সলঙ্গায় ইরি-বোরো চাষে দলবেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা।দিনমজুর শ্রমিকরাও বসে না থেকে ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় কিছুদিন জনজীবনে স্থবিরতা দেখা দিলেও তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ায় নতুন উদ্যমে শুরু হয়েছে ইরি-বোরো মৌসুমের কাজ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,সলঙ্গা থানার ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,বন্যাকবলিত সরিষার আবাদি কিছু নিচু জমি ছাড়া প্রায় সর্বত্র ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ পুরোদমে চলছে।সাধারণ কৃষকের পাশাপাশি এলাকায় আদিবাসী কৃষাণীরাও মাঠে কাজ করছেন।
উল্লাপাড়া উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া মধ্যপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ জানান,“ইরি-বোরো মৌসুমে ধানের ন্যায্যমূল্য ও সেচের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হলে বাম্পার ফলনের আশা করছি।”
ধুবিল ইউনিয়নের মালতিনগর গ্রামের কৃষক রমজান হযরত,জসমত ও মোবজেল বলেন,“ঘনঘন লোডশেডিং বন্ধ,সার ও কীটনাশকের সঠিক সরবরাহ এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে আশানুরূপ উৎপাদন সম্ভব।”
চরবেড়া,জগজীবনপুর ও আঙ্গারু এলাকার কৃষকরাও জানান, কৃষিকাজে বিরতি মানেই পরিবার ও দেশের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়া।তারা বলেন,“মাঠের পর মাঠ ফসল না লাগালে মানুষ কী খেয়ে বাঁচবে?প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না এলে অল্পদিনের মধ্যেই চারদিকে সবুজ ধানক্ষেতের সমারোহ দেখা যাবে।”
সলঙ্গা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সোহেল আরমান জানান, উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার দিকনির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা দিন-রাত কৃষকদের পাশে রয়েছেন।তিনি বলেন,“ল্যাক পদ্ধতি, লাইনে চারা রোপণ,সুষম সার ব্যবহার, সঠিক বয়সে চারা রোপণ, ভিজানো-শুকানো পদ্ধতি,মানসম্মত বীজ উৎপাদন ও পরিবেশবান্ধব আধুনিক চাষাবাদে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ফলন পাওয়া সম্ভব।”
উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্না ইয়াসমিন সুমি জানান,চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩০ হাজার ৩৭০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য হারে জমিতে ইরি-বোরোর চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন,আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং বিদ্যুৎ,সার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে চলতি মৌসুমে সলঙ্গায় ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন ঘরে তুলতে পারবেন কৃষকরা।