রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

1

কৃষি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে জামালগঞ্জে গজারিয়া খাল পুনঃখননের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কৃষি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে জামালগঞ্জে গজারিয়া খাল পুনঃখননের উদ্বোধন

মো. শাহীন আলম, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::

সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নে কৃষি উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) উদ্যোগে গজারিয়া খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ দশমিক ৫১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫) দুপুর ১২টায় গজারিয়া বাজার এলাকায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “কৃষকরা আমাদের দেশের মূল শক্তি। হাওর এলাকার কৃষকদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিক। কৃষকের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, গজারিয়া খাল পুনঃখননের মাধ্যমে হাওর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বিভাগ-১, সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার। তিনি বলেন, “গজারিয়া খাল পুনঃখননের ফলে পাগনার হাওরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান নিশ্চিত করা হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।”
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের সদস্য নুরুল হক আফিন্দি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ এলাকার জলাবদ্ধতার সমস্যার কথা শুনে আসছেন। বিগত ১৭ বছর এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমস্যাটি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে আজ গজারিয়া খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফেনারবাঁক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল চন্দ্র তালুকদার বলেন, ডালিয়ার খাল খনন করা গেলে জলাবদ্ধতা নিরসনে আরও ভালো ফল পাওয়া যেত। চলতি অর্থবছরে সম্ভব না হলে আগামী অর্থবছরে ডালিয়ার খাল খননের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (জামালগঞ্জ পানি উন্নয়ন শাখা-১) মো. জাহিদুল ইসলাম জনি, বাপাউবো’র কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার অন্যতম বৃহৎ হাওর। বর্ষা মৌসুম শেষে এখানে প্রধানত বোরো ধান চাষ হয়। এক ফসলি এই হাওরের চাষযোগ্য জমির ওপর হাওরসংলগ্ন অন্তত ৪০টি গ্রামের কৃষক ধান উৎপাদনের জন্য নির্ভরশীল। তবে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারণে হাওরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জমিতে বোরো ধান চাষ করা সম্ভব হচ্ছে না।
চলতি বছরও জলাবদ্ধতার কারণে অন্তত এক হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। গড় উৎপাদন হিসেবে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন ধান উৎপাদন কম হতে পারে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রকল্পটির কাজের মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারিত থাকলেও দ্রুত খনন কাজ সম্পন্ন করা গেলে চলতি মৌসুমেই বোরো ধান চাষ সম্ভব হবে। এজন্য তারা প্রকল্পটি দ্রুত ও মানসম্মতভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকির দাবি জানিয়েছেন।

 

1

যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারো ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারো ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরের বেনাপোল  স্থলবন্দরে আবারও ঘোষণাবহির্ভূত বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে কাস্টম। সিন্থেটিক ফেব্রিক্স ঘোষণার আড়ালে লুকিয়ে আনা ৬৭৯ পিস উন্নতমানের শাড়ি জব্দ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকারের প্রায় এক কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৯ নম্বর শেডে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারি সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন ও মুক্তা চৌধূরী।
কাস্টমস সূত্র জানায়, ঢাকার ‘নুসরাত ট্রেডিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত চালানটি ‘সিন্থেটিক ফেব্রিক্স অ্যান্ড লেস’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করে ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’। ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১/২০২৬/০০২০০২৫/০৪, তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৬।
ঘোষণা অনুযায়ী প্যাকেজ সংখ্যা ছিল ২৬০টি। তবে গণনার সময় অতিরিক্ত ৭টি প্যাকেজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৮টি প্যাকেজে পাওয়া যায় ঘোষণাবহির্ভূত উন্নতমানের শাড়ি-যার মধ্যে ২৫০টি মিডিয়াম মানের এবং ৪২৯টি গর্জিয়াস শাড়িসহ মোট ৬৭৯ পিস।
পণ্যগুলো ভারত থেকে দুটি ট্রাকে করে আনা হয়। ডব্লিউবি-২৫-ডি-১২৩৫ নম্বর ট্রাকে ১২৫ প্যাকেজ এবং এনএল-০২-এন-৮৩৮৩ নম্বর ট্রাকে ২৩৫ প্যাকেজ নিয়ে আসার কথা।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ঘটনাস্থল ১৯ নাম্বারের শেড ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, ঘোষণাবহির্ভূত ও ঘোষণার বাইরে অতিরিক্ত পণ্য পাওয়ায় তা জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
কাস্টমস সূত্র আরও জানায়, প্রতি পিস শাড়ির মূল্য প্রায় ৪০ ডলার এবং শুল্ক ১২৯ শতাংশ  প্রযোজ্য ছিলো। সে হিসেবে জব্দকৃত শাড়িগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫০ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক মৃত আবুল হোসেনের পক্ষে কাজ করা প্রতিনিধি ইব্রাহীমকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পণ্যটি রিসিভ করেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ইমরান হোসেন (কার্ড নং ৮২/২০)।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, এ ধরনের শুল্ক ফাঁকি নিয়মিত ঘটছে, যার ফলে সৎ ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন এবং রাজস্ব খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।
এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চলমান ছিল।

1

যশোর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
যশোর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার
মনা  = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
ভুক্তভোগী মোছাঃ জেসমিন নাহার (৩০), পিতা: মোঃ জাহাঙ্গীর খন্দকার, মাতা: হামিদা বেগম, গ্রাম-পাঁচবাড়ীয়া ডাক্তার পাড়া, ইউনিয়ন/ওয়ার্ড -৪-নোয়াপাড়া, থানা -কোতয়ালী, জেলা -যশোর থানাতে হাজির হয়ে সাধারণ ডায়রীর আবেদন করে যে, ইং-২৩/০৩/২০২৬ তারিখে বেলা অনুমান ০৪:৩০ ঘটিকার সময় যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন নিউমার্কেট শিশু হাসপাতাল হতে ০৬:০০ ঘটিকার সময় রিক্সা যোগে (লাল নীল রং এর রিক্সা এবং পিছনে আর্ট নজরুল লেখা ছিল) বারান্দীপাড়া লিচুতলা পূজা মন্দির এর সামনে পৌছালে দেখেন যে, তার নিকটে থাকা গোলাপী রং এর ভ্যানিটি ব্যাগ তার নিকট নাই। ব্যাগটির ভিতরে ৫ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৩ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি, ৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, এছাড়াও নগদ কিছু টাকা এবং ০১টি বাংলালিংক সিম ছিল। অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর উক্ত জিডি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এএসআই (নিঃ) শেখ আঃ বাতেন এর নামে হাওলা করে।
পুলিশ সুপার, যশোর মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর এর তত্ত্বাবধানে কোতয়ালী মডেল থানাধীন সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই(নিঃ) মোঃ নূর-উন-নবী, এএসআই (নিঃ) শেখ আঃ বাতেন সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম ঘটনাস্থল ও তাহার আশে পাশের একাধিক সিসিটিভি পর্যালোচনাসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া ৫ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৩ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি, ৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ০৩/০৪/২৬ খ্রিঃ সময় রাত ০২.৩০ ঘটিকায় যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ইং- ০৫/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ যশোর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয় উক্ত হারিয়ে যাওয়া স্বর্নলংকার সহ ব্যাগটি  বাদীর নিকট প্রদান করেন।

1

 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ১
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ১০ বোতল উইনিক্স সিরাপ, ১১ বোতল ESKUF সিরাপ ও ১টি ইজি বাইকসহ এক মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা।
আটক আসামি হলেন, বেনাপোল পোর্টথানার পুটখালী গ্রামের মৃত বকবু সরকারের ছেলে কালাম হোসেন (৩৫)।
খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, বিজিবি’র অভিযান  কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত চোরাচালানী মালামাল এবং মাদকসহ পাচার চক্র আটকের ক্ষেত্রে সীমান্তে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারী ও টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ( ০৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ)  গোগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০ বোতল উইনিক্স সিরাপ, ১১ বোতল ESKUF সিরাপ এবং ১টি ইজি বাইকসহ এক মাদক চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।
যার আনুমানিক সিজার মূল্য ২,০৮,৪০০/- টাকা।
বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান যে, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানীসহ যে কোন ধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি’র এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে