শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩

1

মাদারীপুরে তুহিন হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিহত পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৭ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মাদারীপুরে তুহিন হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিহত পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

এস এম সোহাগ কাজী -মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:

মাদারীপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার সৈয়দ তুহিন হাসান হত্যা মামলার আসামিদের দীর্ঘদিনেও গ্রেপ্তার না করায় সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের পরিবার।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় মাদারীপুর সদর থানাধীন কুকরাইল এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবুল হোসেনের নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন টেলিভিশন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত তুহিন হাসানের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, তার ছেলে সৈয়দ তুহিন হাসান শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের একজন প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদার ছিলেন। গত ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই তিনি মাদারীপুর সদর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে দৈনন্দিন কাজ তদারকির জন্য গেলে সেখানে কতিপয় সন্ত্রাসী তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা তাকে নির্মমভাবে শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করে।
তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে পরিবারের কাছে তুহিনের মৃত্যুকে ‘হার্ট অ্যাটাক’ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। তবে পরে পরিবারের সন্দেহ হলে তার মাথার পেছনে ও শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। এ বিষয়ে নিহতের বেতনভুক্ত নাইটগার্ড মো. মোশারফ মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি পুরো ঘটনার বিস্তারিত জানান। মোশারফ জানান, চাঁদা দাবি ও টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তুহিনকে হত্যা করে।
এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে গত ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট মাদারীপুর সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ২০২৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নিহত তুহিনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আবুল হোসেন অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর পাঁচ মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও অজ্ঞাত কারণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এখনো হত্যাকারীদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও রহস্যজনক। বরং আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নিহতের পরিবারকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, “পরিস্থিতির কারণে আসামিদের নাম আজকের সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করছি না। তবে আমি আশা করি পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।”

1

ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের নতুন যাত্রা, গঠিত হলো ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৬ পিএম
ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের নতুন যাত্রা, গঠিত হলো ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকার ধামরাইয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, ঐক্য সুদৃঢ়করণ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকাশের লক্ষ্যে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের ১১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (০৪ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৪টায় ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পূর্ববর্তী কার্যনির্বাহী কমিটির দুই বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পরে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে মোঃ জাহিদুর রহমান-কে আহ্বায়ক, মোঃ মিজানুর রহমান-কে ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক, মোঃ মাসুদ রানা-কে ২নং যুগ্ম আহ্বায়ক, মোঃ মশিউজ্জামান মুবীন-কে সদস্য সচিব এবং মোঃ সোলাইমান হোসেন-কে ১নং যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে।
এছাড়া কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মোঃ মনিরুজ্জামান, মোঃ আলামিন, মোঃ বাবু শেখ, মোঃ জাহিদুর রহমান, মোঃ নান্নু মিয়া ও মোঃ হাবিবুর রহমান।
সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, আহ্বায়ক কমিটি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্য তালিকা হালনাগাদ, গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা, নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে।
নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ ধামরাই উপজেলার সকল সাংবাদিকের সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করে বলেন, সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ, জবাবদিহিমূলক, পেশাদার ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে ধামরাই মডেল প্রেস ক্লাবকে প্রতিষ্ঠিত করতে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

1

বকশীগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার প্যানেল উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৬ পিএম
বকশীগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার প্যানেল উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত

জামালপুর  জেলা প্রতিনিধি = মোঃ ইমরান আকন্দঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগিদের ভোগান্তি কমাতে সোলার প্যানেল কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে গ্রামীণ অবোকাঠামো রক্ষাণবেক্ষণ কর্মসূচির (টিআর) প্রকল্পের  আওতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার প্যানেল স্থাপন অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে সোলার বিদ্যাুত উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আজিজুল হক,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন,  উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজাউল ইসলাম, বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল তালুকদার সহ হাসপাতালে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে  বকশীগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হতো। প্রায়শই ঝড়-বৃষ্টিতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হতো ।  এই সোলার সিস্টেমের মাধ্যমে হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায় ক্রমে ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নতি করার উদ্যেগ নেওয়া হবে। যাতে করে উপজেলা জনগণ আরো উন্নত চিকিৎসা নিতেপারে।

1

মামলার বাদী পক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি। প্রতিবাদে বাদীপক্ষের সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
মামলার বাদী পক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি। প্রতিবাদে বাদীপক্ষের সংবাদ সম্মেলন

 

জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ ইমরান আকন্দঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে মামলা তোলে না নেওয়াই বাদীর পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানো ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভোক্তভোগি পরিবার।

শুক্রবার নিজ বাড়ীতে এই সংবাদ সম্মলনের আয়োজন করেন ভোক্তভোগি পরিবারের সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলন ভোক্তভোগি মাখন মিয়া তার বক্তব্যে বলেন, বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টোজোড় ইউনিয়নের পূর্ব দত্তেরচর গ্রামে নয়ন মিয়া ও খরুম মিয়া গংদের সাথে আমাদের দীর্ঘ দিন থেকে জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল এরি জের, ধরে গত মে মাসে নয়ন মিয়া ও থরুম মিয়া গংরা আমাদের বাড়ীতে ঢুকে মারধর করে এঘটনায় আমার মা বাবা সহ আমাদের পরিবারের কয়েক জন গুরুতর আহত হয়। এঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় আমি বাদি হয়ে নয়ন মিয়া, খরুম মিয়া ও জাকিম মোবারক সহ ৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করি। এর পর থেকে নয়ন মিয়া ও খরুম মিয়া গংরা মামলা তোলে নেওয়া ও মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের ফাঁসানোর পাঁয়তারা ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। আমরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। তাই আইন শৃঙ্খলা বাহীরদের কাছে আমাদের আকুল আবেন সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দোষিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে মাখন মিয়া ছাড়াও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।