রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

1

হাওর রক্ষা বাঁধে কোনো ছাড় নয়: জামালগঞ্জে ১৩ দফা নির্দেশনা বিভাগীয় কমিশনারের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:০৮ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাওর রক্ষা বাঁধে কোনো ছাড় নয়: জামালগঞ্জে ১৩ দফা নির্দেশনা বিভাগীয় কমিশনারের

মো. শাহীন আলম – সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::

হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে কোনো ধরনের গাফিলতি, অনিয়ম কিংবা দায়সারা কাজ বরদাস্ত করা হবে না—এমন কঠোর বার্তা দিয়েছেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী (অতিরিক্ত সচিব)। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাওর রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার পিআইসি ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে ১৩ দফা নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, মান ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে হবে, কারণ হাওর রক্ষা বাঁধের সঙ্গে কৃষকের ফসল ও জীবন-জীবিকা সরাসরি জড়িত।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— প্রকল্প সাইটের খোলা জায়গায় বরাদ্দকৃত অর্থ, মাটির পরিমাণ ও কাজের বিস্তারিত তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপন; সাইট রেজিস্টার বুক, ওয়ার্ক অর্ডারের কপি, ফিলিং চার্ট ও ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের ফিতা সার্বক্ষণিক সংরক্ষণ; বাঁধের উপরিভাগের পুরনো মাটি ৬ ইঞ্চি আলগা করে ঘাস-আগাছা পরিষ্কার করে নতুন মাটি দিয়ে দৃঢ় বন্ধন তৈরি করা; সর্বোচ্চ এক ফুট উচ্চতায় লেয়ার বাই লেয়ার মাটি ভরাট করে এক্সাভেটর দিয়ে কম্পেকশন নিশ্চিত করা।
এছাড়া বাঁধের স্লোপে ৭ কেজি ওজনের দুরমুস দিয়ে কম্পেকশন, পর্যাপ্ত দুরমুস মজুদ রাখা, টো লাইন থেকে ন্যূনতম ১০০ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে মাটি সংগ্রহ, ফিলিং চার্ট অনুযায়ী বাঁধের উচ্চতা ও ঢাল নির্ধারণ, ভিজা-কাদা ও বালুমাটি ব্যবহার নিষিদ্ধ, বড় ঢিলা ভেঙে মাটি ছড়িয়ে দেওয়া এবং কাজ শেষে সঠিক ড্রেসিং সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন তিনি।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, ঘাস লাগানোর আগে প্রোপে পাম্পের মাধ্যমে পানি দিতে হবে এবং ঘাস সতেজ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন সেচ অব্যাহত রাখতে হবে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ডিজাইন ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী বাঁধের সব কাজ শেষ করতে হবে। পাশাপাশি হাওরের ধান সম্পূর্ণ কর্তন না হওয়া পর্যন্ত বাঁধের সার্বক্ষণিক রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। পিআইসি কমিটির সদস্যদের মোবাইল ফোন সার্বক্ষণিক সচল রাখার নির্দেশও দেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান খান, জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুশফিকীন নূর, জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বন্দে আলী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষকরা।
বাঁধ পরিদর্শন শেষে ১নং বেহেলী ইউনিয়ন পরিষদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ‘হ্যাঁ ভোট’ ও ‘না ভোট’ কেন অনুষ্ঠিত হবে, কোন কোন বিষয়ে গণভোট হবে এবং এর গুরুত্ব সম্পর্কে জনসাধারণকে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়। গণভোট বিষয়ে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে উঠান বৈঠক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, ইউএনও মুশফিকীন নূর, উপ-পরিচালক মো. মতিউর রহমান খান এবং বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী।
এদিন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অতিদরিদ্র, অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়। বিতরণ শেষে বিভাগীয় কমিশনার সাচনা বাজার পরিদর্শন করেন।
দিনব্যাপী সফরের অংশ হিসেবে তিনি জামালগঞ্জ উপজেলা হলরুমে উপজেলা পর্যায়ের সকল কর্মকর্তার সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের সমস্যা, সংকট ও উত্তরণের পথ নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি ও মামলার নথি পর্যালোচনা করেন।
এ সময় জামালগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত শিশু পার্ক ও সংস্কারকৃত জামালগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার। এছাড়া এলজিইডি কর্তৃক নির্মাণাধীন উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণ কাজও পরিদর্শন করেন তিনি।

1

যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারো ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে আবারো ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, প্রায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরের বেনাপোল  স্থলবন্দরে আবারও ঘোষণাবহির্ভূত বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করেছে কাস্টম। সিন্থেটিক ফেব্রিক্স ঘোষণার আড়ালে লুকিয়ে আনা ৬৭৯ পিস উন্নতমানের শাড়ি জব্দ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকারের প্রায় এক কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৯ নম্বর শেডে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারি সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন ও মুক্তা চৌধূরী।
কাস্টমস সূত্র জানায়, ঢাকার ‘নুসরাত ট্রেডিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত চালানটি ‘সিন্থেটিক ফেব্রিক্স অ্যান্ড লেস’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করে ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’। ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১/২০২৬/০০২০০২৫/০৪, তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৬।
ঘোষণা অনুযায়ী প্যাকেজ সংখ্যা ছিল ২৬০টি। তবে গণনার সময় অতিরিক্ত ৭টি প্যাকেজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৮টি প্যাকেজে পাওয়া যায় ঘোষণাবহির্ভূত উন্নতমানের শাড়ি-যার মধ্যে ২৫০টি মিডিয়াম মানের এবং ৪২৯টি গর্জিয়াস শাড়িসহ মোট ৬৭৯ পিস।
পণ্যগুলো ভারত থেকে দুটি ট্রাকে করে আনা হয়। ডব্লিউবি-২৫-ডি-১২৩৫ নম্বর ট্রাকে ১২৫ প্যাকেজ এবং এনএল-০২-এন-৮৩৮৩ নম্বর ট্রাকে ২৩৫ প্যাকেজ নিয়ে আসার কথা।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ঘটনাস্থল ১৯ নাম্বারের শেড ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, ঘোষণাবহির্ভূত ও ঘোষণার বাইরে অতিরিক্ত পণ্য পাওয়ায় তা জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
কাস্টমস সূত্র আরও জানায়, প্রতি পিস শাড়ির মূল্য প্রায় ৪০ ডলার এবং শুল্ক ১২৯ শতাংশ  প্রযোজ্য ছিলো। সে হিসেবে জব্দকৃত শাড়িগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৭৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫০ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান ‘খাজা এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক মৃত আবুল হোসেনের পক্ষে কাজ করা প্রতিনিধি ইব্রাহীমকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পণ্যটি রিসিভ করেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ইমরান হোসেন (কার্ড নং ৮২/২০)।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, এ ধরনের শুল্ক ফাঁকি নিয়মিত ঘটছে, যার ফলে সৎ ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন এবং রাজস্ব খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।
এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চলমান ছিল।

1

যশোর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
যশোর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার
মনা  = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
ভুক্তভোগী মোছাঃ জেসমিন নাহার (৩০), পিতা: মোঃ জাহাঙ্গীর খন্দকার, মাতা: হামিদা বেগম, গ্রাম-পাঁচবাড়ীয়া ডাক্তার পাড়া, ইউনিয়ন/ওয়ার্ড -৪-নোয়াপাড়া, থানা -কোতয়ালী, জেলা -যশোর থানাতে হাজির হয়ে সাধারণ ডায়রীর আবেদন করে যে, ইং-২৩/০৩/২০২৬ তারিখে বেলা অনুমান ০৪:৩০ ঘটিকার সময় যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন নিউমার্কেট শিশু হাসপাতাল হতে ০৬:০০ ঘটিকার সময় রিক্সা যোগে (লাল নীল রং এর রিক্সা এবং পিছনে আর্ট নজরুল লেখা ছিল) বারান্দীপাড়া লিচুতলা পূজা মন্দির এর সামনে পৌছালে দেখেন যে, তার নিকটে থাকা গোলাপী রং এর ভ্যানিটি ব্যাগ তার নিকট নাই। ব্যাগটির ভিতরে ৫ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৩ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি, ৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, এছাড়াও নগদ কিছু টাকা এবং ০১টি বাংলালিংক সিম ছিল। অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর উক্ত জিডি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এএসআই (নিঃ) শেখ আঃ বাতেন এর নামে হাওলা করে।
পুলিশ সুপার, যশোর মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ, কোতয়ালী মডেল থানা, যশোর এর তত্ত্বাবধানে কোতয়ালী মডেল থানাধীন সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই(নিঃ) মোঃ নূর-উন-নবী, এএসআই (নিঃ) শেখ আঃ বাতেন সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম ঘটনাস্থল ও তাহার আশে পাশের একাধিক সিসিটিভি পর্যালোচনাসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হারিয়ে যাওয়া ৫ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৩ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি, ৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ০৩/০৪/২৬ খ্রিঃ সময় রাত ০২.৩০ ঘটিকায় যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন সাতমাইল এলাকা হতে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ইং- ০৫/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ যশোর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয় উক্ত হারিয়ে যাওয়া স্বর্নলংকার সহ ব্যাগটি  বাদীর নিকট প্রদান করেন।

1

 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ আটক ১
মনা = যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
 যশোরের শার্শার গোগা সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ১০ বোতল উইনিক্স সিরাপ, ১১ বোতল ESKUF সিরাপ ও ১টি ইজি বাইকসহ এক মাদক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা।
আটক আসামি হলেন, বেনাপোল পোর্টথানার পুটখালী গ্রামের মৃত বকবু সরকারের ছেলে কালাম হোসেন (৩৫)।
খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান জানান, বিজিবি’র অভিযান  কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত চোরাচালানী মালামাল এবং মাদকসহ পাচার চক্র আটকের ক্ষেত্রে সীমান্তে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারী ও টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ( ০৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ)  গোগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০ বোতল উইনিক্স সিরাপ, ১১ বোতল ESKUF সিরাপ এবং ১টি ইজি বাইকসহ এক মাদক চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।
যার আনুমানিক সিজার মূল্য ২,০৮,৪০০/- টাকা।
বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান যে, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানীসহ যে কোন ধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি’র এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে